কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরিতি
পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরীতি

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের ( ১৯২৭ সাল ) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ৩০শ পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য, ২৫২৭ নং পদসংখ্যা, ৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরিতি।
সোঙরিতে প্রাণ কান্দে করিব কি রীতি॥
হিয়ায় হইতে পিয়া শেজে না ছোয়ায়।
বুকে বুকে মুখে মুখে রজনি গোঙায়॥
তনু তনু পরশ লাগি অভরণ তেজে।
চরণে যাবক রচে দেখি পাই লাজে॥
নিশি অবসান জানি কাতর হইয়া।
দৃঢ় করি বান্ধে মোরে ভুজ লতা দিয়া॥
অরুণ উদয় দেখি পড়ি প্রেম-ফান্দে।
মুখে মুখ দিয়া পিয়া কত জানি কান্দে॥
ঘরে আসিবার কালে পরে প্রেম-ফাস।
তেঞি সে এমন দেখি কান্দে জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৭৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সম্ভোগ মিলন
॥ গান্ধার॥

পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরীতি।
সোঙরিতে প্রাণ কান্দে করিব কি রীতি॥
হিয়ায় হইতে পিয়া শেজে না শোয়ায়।
বুকে বুকে মুখে মুখে রজনী গোঙায়॥
তনু তনু পরশ লাগি আভরণ তেজে।
চরণে যাবক রচে দেখি পাই লাজে॥
নিশি অবশান জানি কাতর হইয়া।
দৃঢ় করি বান্ধে মোরে ভুজলতা দিয়া॥
অরুণ উদয় দেখি পড়ি প্রেম ফান্দে।
মুখে মুখ দিয়া পিয়া কত জানি কান্দে॥
ঘরে আসিবার কালে পরে প্রেম ফাঁস।
তেঞি সে এমন দেখি কান্দে জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৯৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সম্ভোগ মিলন
॥ গান্ধার॥

পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরীতি।
সোঙরিতে প্রাণ কান্দে করিব কি রীতি॥
হিয়ায় হইতে পিয়া শেজে না শোয়ায়।
বুকে বুকে মুখে মুখে রজনী গোঙায়॥
তনু তনু পরশ লাগি আভরণ তেজে।
চরণে যাবক রচে দেখি পাই লাজে॥
নিশি অবসান জানি কাতর হইয়া।
দৃঢ় করি বান্ধে মোরে ভুজলতা দিয়া॥
অরুণ উদয় দেখি পড়ি প্রেম ফান্দে।
মুখে মুখ দিয়া পিয়া কত জানি কান্দে॥
ঘরে আসিবার কালে পরে প্রেম ফাঁস।
তেঞি সে এমন দেখি কান্দে জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৩৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সম্ভোগ মিলন
॥ গান্ধার॥

পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরীতি।
সোঙরিতে প্রাণ কান্দে করিব কি রীতি॥
হিয়ায় হইতে পিয়া শেজে না শোয়ায়।
বুকে বুকে মুখে মুখে রজনী গোঙায়॥ তনু
তনু পরশ লাগি আভরণ তেজে। চরণে
যাবক রচে দেখি পাই লাজে॥ নিশি
অবসান জানি কাতর হইয়া। দৃঢ় করি
বান্ধে মোরে ভুজলতা দিয়া॥ অরুণ উদয়
দেখি পড়ি প্রেম ফান্দে। মুখে মুখ দিয়া
পিয়া কত জানি কান্দে॥ ঘরে আসিবার
কালে পরে প্রেম ফাঁস। তেঞি সে এমন
দেখি কান্দে জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সখী-সম্বোধনে
॥ গান্ধার॥

পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরীতি।
সোঙরিতে প্রাণ কান্দে করিব কি রীতি॥
হিয়ায় হইতে পিয়া শেজে না শোয়ায়।
বুকে বুকে মুখে মুখে রজনী গোঙায়॥
তনু তনু পরশ লাগি আভরণ তেজে।
চরণে যাবক রচে দেখি পাই লাজে॥
নিশি অবশান জানি কাতর হইয়া।
দৃঢ় করি বান্ধে মোরে ভুজলতা দিয়া॥
অরুণ-উদয় দেখি পড়ি প্রেমফান্দে।
মুখে মুখ দিয়া পিয়া কত জানি কান্দে॥
ঘরে আসিবার কালে পরে প্রেমফাঁস।
তেঞি সে এমন দেখি কান্দে জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

সখী-সম্বোধনে।
॥ গান্ধার॥

পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরীতি।
সোঙরিতে প্রাণ কান্দে করিব কি রীতি॥
হিয়ায় হইতে পিয়া শেজে না শোয়ায়।
বুকে বুকে মুখে মুখে রজনী গোঙায়॥
তনু তনু পরশ লাগি আভরণ তেজে।
চরণে যাবক রচে দেখি পাই লাজে॥
নিশি অবশান জানি কাতর হইয়া।
দৃঢ় করি বান্ধে মোরে ভুজলতা দিয়া॥
অরুণ উদয় দেখি পড়ি প্রেমফান্দে।
মুখে মুখ দিয়া পিয়া কত জানি কান্দে॥
ঘরে আসিবার কালে পরে প্রেমফাঁস।
তেঞি সে এমন দেখি কান্দে জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, প্রেমবৈচিত্র্য, ৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গান্ধার॥

পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরীতি।
সোঙারিতে প্রাণ কান্দে করিব কি রীতি॥
হিয়ায় হইতে পিয়া শেজে না শোয়ায়।
বুকে বুকে মুখে মুখে রজনী গোঙায়॥
তনু তনু পরশ লাগি আভরণ ত্যাজে।
চরণে যাবক রচে দেখি পাই লাজে॥
নিশি অবশান জানি কাতর হইয়া।
দৃঢ় করি বান্ধে মোরে ভুজলতা দিয়া॥
অরুণ উদয় দেখি পড়ি প্রেম ফান্দে।
মুখে মুখ দিয়া পিয়া কত জানি কান্দে॥
ঘরে আসিবার কালে পরে প্রেম ফাঁস।
তেঞি সে এমন দেখি কান্দে জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪২০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

আক্ষেপানুরাগ
॥ ধানশী॥

পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরীতি।
সোঙরিতে প্রাণ কান্দে করিব কি রীতি॥
হিয়ায় হইতে প্রিয়া শেজে না ছোঁয়ায়।
বুকে বুকে মুখে মুখে রজনি গোঙায়॥
তনু তনু পরশ লাগি আভরণ তেজে।
চরণে যাবক রচে দেখি পাই লাজে॥
নিশি অবসান জানি কাতর হইয়া।
দৃঢ় করি বান্ধে মোরে ভুজ-লতা দিয়া॥
অরুণ উদয় দেখি পড়ি প্রেমফান্দে।
মুখে মুখ দিয়া পিয়া কত জানি কান্দে॥
ঘরে আসিবার কালে দেয় প্রেম-ফাঁস।
তেঞি সে এমন দেখি কান্দে জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অনুরাগ
॥ ধানশী॥

পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরিতি।
সোঙরিতে প্রাণ কান্দে করিব কি রীতি॥
হিয়ায় হইতে পিয়া শেজে না ছোয়ায়।
বুকে বুকে মুখে মুখে রজনি গোঙায়॥
তনু তনু পরশ লাগি অভরণ তেজে।
চরণে যাবক রচে দেখি পাই লাজে॥
নিশি অবসান জানি কাতর হইয়া।
দৃঢ় করি বান্ধে মোরে ভুজ-লতা দিয়া॥
অরুণ উদয় দেখি পড়ি প্রেম-ফান্দে।
মুখে মুখে দিয়া পিয়া কত জানি কান্দে॥
ঘরে আসিবার কালে পরে প্রেম-ফাঁস।
তেঞি সে এমন দেখি কান্দে জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পাসরিতে নারি কালা কানুর পিরীতি।
সোঙরিতে প্রাণ কান্দে করিব কি রীতি॥
হিয়ায় হইতে পিয়া শেজে না ছোঁয়ায়।
বুকে বুকে মুখে মুখে রজনি গোঙায়॥
তনু তনু পরশ লাগি আভরণ তেজে।
চরণে যাবক রচে দেখি পাই লাজে॥
নিশি অবসান জানি কাতর হইয়া।
দৃঢ় করি বান্ধে মোরে ভুজ লতা দিয়া॥
অরুণ উদয় দেখি পড়ি প্রেমফান্দে।
মুখে মুখ দিয়া পিয়া কত জানি কান্দে॥
ঘরে আসিবার কালে দেয় প্রেমফাঁস।
তেঞি সে এমন দেখি কান্দে জ্ঞানদাস॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^