কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
যত রূপ তত বেশ ভাবিতে পাঁজর শেষ
জত রূপ তত বেশ ভাবিতে পাঁজর শেষ
যত রূপ তত বেশ ভাবিতে পাঞ্জর শেষ

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ২য় শাখা, ৩য় পল্লব, রূপাভিসার, ২৯২ নং পদসংখ্যা, ১৯১-নং পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীমত্যুক্তি।
॥ তিরোথা ধানশী॥

যত রূপ তত বেশ   ভাবিতে পাঁজর শেষ
পাপ চিতে নিবারিতে নারি।
কিয়ে যশ অপযশ   নাহি ভায় গৃহবাস
তিল আধ পাসরিতে নারি॥
মাথায় করি কুল ডালা   ঘুচাব কুলের জ্বালা
তবহুঁ পুরাব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি   সাধিব মনের সিদ্ধি
যবে হবে কানু পরিবাদে॥
কুল ছাড়ে কুলবতী   সতী ছাড়ে নিজ পতি
সে যদি নয়ানের কোণে চায়।
স্বরূপে দঢ়াইলুঁ মন   জাতি যৌবন ধন
নিছিয়া ফেলিব শ্যাম পায়॥
মনে ত করিয়ে সাধ   যদি হয় পরিবাদ
যৌবন সফল করি মানি।
জ্ঞানদাসে ত কয়   এমতি যাহার হয়
ত্রিভুবন তাহার নিছনি॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ৫৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

জত রূপ তত বেশ  ভাবিতে পাঁজর শেষ  পাপচিত নিবারিতে নারি। কিয়ে যশ অপযশ  নাহি সহে গ্রহেক বাস  তিল আধ পাশুরিতে নারি॥ মাথায় করি কুলডালা  ঘুচাব গ্রহের জ্বালা  তবহু পুরাব মনের সাধ। প্রসন্ন হইবে বিধি  সাধিব মনের সিদ্ধি  জবে হবে কানু পরিবাদ॥ কুল ছাড়ে কুলবতী  সতী ছাড়ে নিজ পতি  সে যদি নয়ানের কোণে চায়। স্বরূপে দড়াইনু মনে  জাতি যৌবন ধনে  নিছিয়ে ফেলিব শ্যাম পায়॥ মনেতে করিএ সাধ  যদি হয় পরিবাদ  যৌবন সফল করি মানি। জ্ঞানদাসেতে কয়  এমতি জাহার হয়  ত্রিভুবনে তাহার নিছুনি॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ তিরোতা--ধানশী॥

যত রূপ তত বেশ,   ভাবিতে পাঞ্জর শেষ,
পাপ চিতে নিবারিতে নারি।
কিয়ে যশ অপযশ,   না ভায় গৃহবাস,
তিল আধ পাশরিতে নারি॥
মাথায় করি কুলডালা,   ঘুচাব কুলের জ্বালা,
তবহুঁ পূরব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি,   সাধিব মনের সিদ্ধি,
যবে হবে কানু পরিবাদে॥
কুল ছাড়ে কুলবতী,   সতী ছাড়ে নিজ পতি,
সে যদি নয়ানের কোণে চায়।
স্বরূপে দড়াইনু মন,   জাতি যৌবন ধন,
নিছিয়া ফেলিব শ্যাম পায়॥
মনেতে করিয়ে সাধ,   যদি হয় পরিবাদ,
যৌবন সফল করি মানি।
জ্ঞানদাসে কয়,   এমত যাহার হয়,
ত্রিভুবনে তাহার নিছনি॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, সংগীত-সার-সংগ্রহ, ১ম খণ্ড, ১৭২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ তিরোতা-ধানশী॥

যত রূপ তত বেশ,
ভাবিতে পাঞ্জর শেষ,
পাপ চিতে নিবারিতে নারি।
কিয়ে যশ অপযশ,
না ভায় গৃহবাস,
তিল আধ পাশরিতে নারি॥
মাথায় করি কুলডালা,
ঘুচাব কুলের জ্বালা,
তবহুঁ পূরব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি,
সাধিব মনের সিদ্ধি,
যবে হবে কানু পরিবাদে॥
কুল ছাড়ে কুলবতী,
সতী ছাড়ে নিজ পতি,
সে যদি নয়ানের কোণে চায়।
স্বরূপে দড়াইনু মন,
জাতি যৌবন ধন,
নিছিয়া ফেলিব শ্যাম পায়॥
মনেতে করিয়ে সাধ,
যদি হয় পরিবাদ,
যৌবন সফল করি মানি।
জ্ঞানদাসে কয়,
এমত যাহার হয়,
ত্রিভুবনে তাহার নিছনি॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ তিরোতা - ধানশী॥

যত রূপ তত বেশ, ভাবিতে পাঞ্জর শেষ,
পাপ চিতে নিবারিতে নারি। কিয়ে যশ
অপযশ, না ভায় গৃহবাস, তিল আধ পাশ-
রিতে নারি॥ মাথায় করি কুলডালা,
ঘুচাব কুলের জ্বালা, তবহুঁ পূরব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি, সাধিব মনের সিদ্ধি,
যবে হবে কানু পরিবাদে॥ কুল ছাড়ে
কুলবতী, সতী ছাড়ে নিজ পতি, সে যদি
নয়ানের কোণে চায়। স্বরূপে দড়াইনু
মন, জাতি যৌবন ধন, নিছিয়া ফেলিব
শ্যাম পায়॥ মনেতে করিয়ে সাধ, যদি হয়
পরিবাদ, যৌবন সফল করি মানি। জ্ঞানৃ
দাসে কয়, এমত যাহার হয়, ত্রিভুবনে
তাহার নিছনি॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তিরোতা--ধানশী॥

যত রূপ তত বেশ,   ভাবিতে পাঞ্জর শেষ,
পাপ চিতে নিবারিতে নারি।
লয়ে যশ অপযশ,   না ভায় গৃহবাস,
তিল আধ পসরিতে নারি॥
যায় যায় কুলডালা,   ঘুচাব কুলের জ্বালা,
তবহুঁ পূরব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি,   সাধিব মনের সিদ্ধি,
যবে হবে কানু পরিবাদে॥
কুল ছাড়ে কুলবতী,   সতী ছাড়ে নিজপতি,
সে যদি নয়ানের কোণে চায়।
স্বরূপে দাড়াইনু মন,   জাতি যৌবন ধন,
নিছিয়া ফেলিব শ্যাম-পায়॥
মনেতে করিয়া সাধ,   যদি হয় পরিবাদ,
যৌবন সফল করি মানি।
জ্ঞানদাসে কয়,   এমত যাহার হয়,
ত্রিভুবনে তাহার নিছনি॥

ই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৫৩১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপানুরাগ
॥ তিরোথা ধানশী - এততালা॥

যত রূপ তত বেশ   ভাবিতে পাঁজর শেষ
পাপ চিতে নিবারিতে নারি।
কিয়ে যশ অপযশ   না ভায় গৃহের বাস
তিল আধ পাসরিতে নারি॥
মাথায় করি কুলডালা   ঘুচাব কুলের জ্বালা
তবহুঁ পূরব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি   সাধিব মনের সিদ্ধি
যবে হবে কানু-পরিবাদে॥
কুল ছাড়ে কুলবতী   সতী ছাড়ে নিজ পতি
সে যদি নয়ানের কোণে চায়।
স্বরূপে দঢ়াইলুঁ মন   জাতি যৌবন ধন
নিছিয়া ফেলিব শ্যাম-পায়॥
মনেতে করিয়ে সাধ   যদি হয় পরিবাদ
যৌবন সফল করি মানি।
জ্ঞানদাসেতে কয়   এমত যাহার হয়
ত্রিভুবনে তাহার নিছনি॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, সন্দিগ্ধ, ২৭১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যত রূপ তত বেশ   ভাবিতে পাঁজর শেষ
পাপ চিতে নিবারিতে নারি।
কিয়ে যশ অপযশ   নাহি ভায় গৃহবাস
তিল আধ পাসরিতে নারি॥
মাথায় করি কুলডালা   ঘুচাব কুলের জ্বালা
তবহুঁ পুরাব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি   সাধিব মনের সিদ্ধি
যবে হবে কানু পরিবাদে॥
কুল ছাড়ে কুলবতী   সতী ছাড়ে নিজ পতি
সে যদি নয়ানের কোণে চায়।
স্বরূপে দঢ়াইলুঁ মন   জাতি যৌবন ধন
নিছিয়া ফেলিব শ্যাম পায়॥
মনে ত করিয়ে সাধ   যদি হয় পরিবাদ
যৌবন সফল করি মানি।
জ্ঞানদাসে ত কয়   এমতি যাহার হয়
ত্রিভুবন তাহার নিছনি॥

টীকা---
নাহি ভায় গৃহবাস --- ঘরে থাকিতে মন চায় না (ভায়---রুচে)।
কানু পরিবাদে --- কানুকে লইয়া আমার কলঙ্ক।


ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ তিরোতা-ধানশী॥

যত রূপ তত বেশ,   ভাবিতে পাঞ্জর শেষ,
পাপ চিত নিবারিতে নারি।
লয়ে যশ অপযশ,   না ভায় গৃহবাস,
তিল আধ পরসিতে নারি॥
যায় যায় কুলডালা,   ঘুচাব কুলের জ্বালা,
তবহুঁ পূরব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি,   সাধিব মনের সিদ্ধি,
যবে হবে কানু পরিবাদে॥
কুল ছাড়ে কুলবতী,   সতী ছাড়ে নিজপতি,
সে যদি নয়ানের কোণে চায়।
স্বরূপে দাঁড়াইনু মন,   জাতি যৌবন ধন,
নিছিয়া ফেলিব শ্যাম-পায়॥
মনেতে করিয়া সাধ,   যদি হয় পরিবাদ,
যৌবন সফল করি মানি।
জ্ঞানদাসে কয়,   এমত যাহার নয়,
ত্রিভুবনে তাহার নিছনি॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তিরোতা - ধানশী॥

যত রূপ তত বেশ   ভাবিতে পাজর শেষ
পাপ চিতে নিবারিতে নারি।
কিয়ে যশ অপযশ   না ভায় গৃহবাস
তিল আধ পাশরিতে নারি॥

মাথায় করি কুল-ডালা   ঘুচাব কুলের জ্বালা
তবহুঁ পূরব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি   সাধিব মনের সিদ্ধি
যবে হবে কানু-পরিবাদে॥

কুল ছাড়ে কুলবতী   সতী ছাড়ে নিজ পতি
সে যদি নয়ানের কোণে চায়।
স্বরূপে দঢ়াইলুঁ মন   জাতি যৌবন ধন
নিছিয়া ফেলিব শ্যাম পায়॥

মনেতে করিএ সাধ   যদি হয় পরিবাদ
জীবন সফল করি মানি।
জ্ঞানদাসেতে কয়   এমত যাহার হয়
ত্রিভুবনে তাহার নিছনি॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১০২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

যত রূপ তত বেশ   ভাবিতে পাঁজর শেষ
পাপ চিতে নিবারিতে নারি।
কিয়ে যশ অপযশ   নাহি ভায় গৃহবাস
তিল আধ পাসরিতে নারি॥
মাথায় করি কুল-ডালা   ঘুচাব কুলের জ্বালা
তবহুঁ পুরাব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি   সাধিব মনের সিদ্ধি
যবে হবে কানুপরিবাদে॥
কুল ছাড়ে কুলবতী   সতী ছাড়ে নিজ পতি
সে যদি নয়ানের কোণে চায়।
স্বরূপে দঢ়াইলুঁ মন   জাতি যৌবন ধন
নিছিয়া ফেলিব শ্যাম-পায়॥
মনে ত করিয়ে সাধ   যদি হয় পরিবাদ
যৌবন সফল করি মানি।
জ্ঞানদাসেতে কয়   এমনি যাহার হয়
ত্রিভুবন তাহার নিছনি॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৩৭৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

যত রূপ তত বেশ   ভাবিতে পাঁজর শেষ
পাপ চিতে নিবারিতে নারি।
কিয়ে যশ অপযশ   নাহি ভায় গৃহবাস
তিল আধ পাসরিতে নারি॥
মাথায় করি কুল-ডালা   ঘুচাব কুলের জ্বালা
তবহুঁ পুরাব মন সাধে।
প্রসন্ন হইবে বিধি   সাধিব মনের সিদ্ধি
যবে হবে কানুপরিবাদে॥
কুল ছাড়ে কুলবতী   সতী ছাড়ে নিজ পতি
সে যদি নয়ানের কোণে চায়।
স্বরূপ দঢ়াইলুঁ মন   জাতি যৌবন ধন
নিছিয়া ফেলিব শ্যাম-পায়॥
মনে ত করিয়ে সাধ   যদি হয় পরিবাদ
যৌবন সফল করি মানি।
জ্ঞানদাসেতে কয়   এমনি যাহার হয়
ত্রিভুবন তাহার নিছনি॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^