কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
একে সে মুরতি তার পিরিতি-রসের সার
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রূপানুরাগ, ১২৩পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
একে সে মূরতি তার পিরিতি রসের সার
আঁখি-আড়ে চায় বা না চায়।
মধুর মুরলী স্বরে তরুণী -পরাণ হরে
না চাহিতে যৌবন যাচায়॥
কালিন্দীকূলে তরু মূলে উড়ে পীতবাস।
কাল-পারা তারে বলি গোয়াল-কুলের কালি
আজু দেখি লাগিল তরাস॥
ভালে সে কুটিল কেশ মল্লিকা-মালতীবেশ
মধুকরী সঙ্গে মধুকর।
চন্দনের বিন্দু তাতে উপমা করিতে চিতে
হারাইলুঁ যত বুদ্ধি-বল॥
হিয়ায় হিলোলে কত নব-চম্পক-মাল
আর কহিতে নাহি জানি।
জ্ঞানদাস কহে যেহ বোল সেহ হয়ে
ভালে ঝুরে রাধা ঠাকুরাণী॥
আঁখি-আড়ে চায় বা না চায়।
মধুর মুরলী স্বরে তরুণী -পরাণ হরে
না চাহিতে যৌবন যাচায়॥
কালিন্দীকূলে তরু মূলে উড়ে পীতবাস।
কাল-পারা তারে বলি গোয়াল-কুলের কালি
আজু দেখি লাগিল তরাস॥
ভালে সে কুটিল কেশ মল্লিকা-মালতীবেশ
মধুকরী সঙ্গে মধুকর।
চন্দনের বিন্দু তাতে উপমা করিতে চিতে
হারাইলুঁ যত বুদ্ধি-বল॥
হিয়ায় হিলোলে কত নব-চম্পক-মাল
আর কহিতে নাহি জানি।
জ্ঞানদাস কহে যেহ বোল সেহ হয়ে
ভালে ঝুরে রাধা ঠাকুরাণী॥
টীকা---
আঁখিআড়ে --- বাঁকা আঁখি দিয়া (কটাক্ষ করিয়া)।
হিয়ার হিলোলে কত নবচম্পক মাল --- বুকে কত নূতন ফোটা চাঁপা দিয়া গাঁথা মালা দুলিতেছে।
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৪৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন সাহিত্য পরিষদের ২০১ সংখ্যক পুথিতে এই রূপে।
আঁখিআড়ে --- বাঁকা আঁখি দিয়া (কটাক্ষ করিয়া)।
হিয়ার হিলোলে কত নবচম্পক মাল --- বুকে কত নূতন ফোটা চাঁপা দিয়া গাঁথা মালা দুলিতেছে।
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৪৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন সাহিত্য পরিষদের ২০১ সংখ্যক পুথিতে এই রূপে।
শ্রীরাধার পূর্ব্ব রাগ
॥ শ্রীরাগ॥
একে সে মুরতি তার পিরিতি-রসের সার
আঁখি-আড়ে চায় বা না চায়।
মধুর মুরলী-স্বরে তরুণী-পরাণ হরে
না চাহিলে যৌবন যাচায়॥
কালিন্দী-কূলে তরু-মূলে উড়ে পাত বাস।
কাল-পারা তারে বলি গোয়াল-কুলের কালি
আজু দেখি লাগিল তরাস॥ ধ্রু॥
ভালে সে কুটিল কেশ মল্লিকা-মালতী-বেশ
মধুকরী সঙ্গে মধুকর।
চন্দনের বিন্দু তাতে উপমা করিতে চিতে
হারাইলুঁ যত বুদ্ধি-বল॥
হিয়ায় হিলোলে কত নব-চম্পক-মাল
আর কহিতে নাহি জানি।
জ্ঞানদাস কহে যেহ বোল সেহ হয়ে
ভালে ঝুরে রাধা ঠাকুরাণী॥
॥ শ্রীরাগ॥
একে সে মুরতি তার পিরিতি-রসের সার
আঁখি-আড়ে চায় বা না চায়।
মধুর মুরলী-স্বরে তরুণী-পরাণ হরে
না চাহিলে যৌবন যাচায়॥
কালিন্দী-কূলে তরু-মূলে উড়ে পাত বাস।
কাল-পারা তারে বলি গোয়াল-কুলের কালি
আজু দেখি লাগিল তরাস॥ ধ্রু॥
ভালে সে কুটিল কেশ মল্লিকা-মালতী-বেশ
মধুকরী সঙ্গে মধুকর।
চন্দনের বিন্দু তাতে উপমা করিতে চিতে
হারাইলুঁ যত বুদ্ধি-বল॥
হিয়ায় হিলোলে কত নব-চম্পক-মাল
আর কহিতে নাহি জানি।
জ্ঞানদাস কহে যেহ বোল সেহ হয়ে
ভালে ঝুরে রাধা ঠাকুরাণী॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৮১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
সাক্ষাৎদর্শন
॥ শ্রীরাগ॥
একে সে মুরতি তার পিরীতি রসের সার
আঁখি আড়ে চায় বা না চায়।
মধুর মুরলীস্বরে তরুণীপরাণ হরে
না চাহিতে যৌবন যাচায়॥
কালিন্দীকুলে তরুমূলে উরে পীতবাস।
কালাপারা তারে বলি গোয়াল কুলের কালি
আজু দেখি লাগিল তরাস॥ ধ্রু॥
ভালে সে কুটিল কেশ মল্লিকা মালতী বেশ
মধুকরী সঙ্গে মধুকর।
চন্দনের বিন্দু তাতে উপমা করিতে চিতে
হারাইলু যত বুদ্ধিবল॥
হিয়ার হিলোলে কত নবীন চম্পক মাল
আরে কহিতে নাহি জানি।
হেরি জ্ঞানদাস কহে যেহ বোল সেহ হয়ে
ভালে ঝুরে রাধা ঠাকুরাণী॥
॥ শ্রীরাগ॥
একে সে মুরতি তার পিরীতি রসের সার
আঁখি আড়ে চায় বা না চায়।
মধুর মুরলীস্বরে তরুণীপরাণ হরে
না চাহিতে যৌবন যাচায়॥
কালিন্দীকুলে তরুমূলে উরে পীতবাস।
কালাপারা তারে বলি গোয়াল কুলের কালি
আজু দেখি লাগিল তরাস॥ ধ্রু॥
ভালে সে কুটিল কেশ মল্লিকা মালতী বেশ
মধুকরী সঙ্গে মধুকর।
চন্দনের বিন্দু তাতে উপমা করিতে চিতে
হারাইলু যত বুদ্ধিবল॥
হিয়ার হিলোলে কত নবীন চম্পক মাল
আরে কহিতে নাহি জানি।
হেরি জ্ঞানদাস কহে যেহ বোল সেহ হয়ে
ভালে ঝুরে রাধা ঠাকুরাণী॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার রূপানুরাগ
॥ শ্রীরাগ॥
একে সে মুরতি তার পিরিতি রসের সার
আঁখি আড়ে চায় বা না চায়।
মধুর মুরলী-স্বরে তরুণী-পরাণ হরে
না চাহিতে যৌবন যাচায়॥
কালিন্দী-কুলে তরু-মূলে উরে পীতবাস।
কালাপারা তারে বলি গোয়াল কুলের কালি
আজু দেখি লাগিল তরাস॥ ধ্রু॥
ভালে সে কুটিল কেশ মল্লিকা মালতী বেশ
মধুকরী সঙ্গে মধুকর।
চন্দনের বিন্দু তাতে উপমা করিতে চিতে
হারাইলু যত বুদ্ধিবল॥
হিয়ার হিলোলে কত নবীন চম্পক মাল
আরে কহিতে নাহি জানি।
হেরি জ্ঞানদাস কহে যেহ বোল সেহ হয়ে
ভালে ঝুরে রাধা ঠাকুরাণী॥
॥ শ্রীরাগ॥
একে সে মুরতি তার পিরিতি রসের সার
আঁখি আড়ে চায় বা না চায়।
মধুর মুরলী-স্বরে তরুণী-পরাণ হরে
না চাহিতে যৌবন যাচায়॥
কালিন্দী-কুলে তরু-মূলে উরে পীতবাস।
কালাপারা তারে বলি গোয়াল কুলের কালি
আজু দেখি লাগিল তরাস॥ ধ্রু॥
ভালে সে কুটিল কেশ মল্লিকা মালতী বেশ
মধুকরী সঙ্গে মধুকর।
চন্দনের বিন্দু তাতে উপমা করিতে চিতে
হারাইলু যত বুদ্ধিবল॥
হিয়ার হিলোলে কত নবীন চম্পক মাল
আরে কহিতে নাহি জানি।
হেরি জ্ঞানদাস কহে যেহ বোল সেহ হয়ে
ভালে ঝুরে রাধা ঠাকুরাণী॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬০১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
একে সে মুরতি তার পিরীতি রসের
সার আঁখি আড়ে চায় বা না চায়।
মধুর মুরলীস্বরে তরুণীপরাণ হরে
না চাহিতে যৌবন যাচায়॥
কালিন্দীকূলে তরুমূলে উড়ে পাতবাস।
কালপারা তারে বলি গোয়াল কুলের
কালি আজু দেখি লাগিল তরাস॥
ভালে সে কুটিল কেশ মল্লিকা মালতী
বেশ মধুকরী সঙ্গে মধুকর।
চন্দনের বিন্দু তাতে উপমা করিতে
চিতে হারাইল যত বুদ্ধিবল॥
হিয়ায় হিলোলে কত নবীন চম্পক মাল
আরে কহিতে নাহি জানি।
হেরি জ্ঞানদাস কহে যেহ বোল সেহ
হয়ে ভালে ঝুরে রাধা ঠাকুরাণী॥
*********************
একে সে মুরতি তার পিরীতি রসের
সার আঁখি আড়ে চায় বা না চায়।
মধুর মুরলীস্বরে তরুণীপরাণ হরে
না চাহিতে যৌবন যাচায়॥
কালিন্দীকূলে তরুমূলে উড়ে পাতবাস।
কালপারা তারে বলি গোয়াল কুলের
কালি আজু দেখি লাগিল তরাস॥
ভালে সে কুটিল কেশ মল্লিকা মালতী
বেশ মধুকরী সঙ্গে মধুকর।
চন্দনের বিন্দু তাতে উপমা করিতে
চিতে হারাইল যত বুদ্ধিবল॥
হিয়ায় হিলোলে কত নবীন চম্পক মাল
আরে কহিতে নাহি জানি।
হেরি জ্ঞানদাস কহে যেহ বোল সেহ
হয়ে ভালে ঝুরে রাধা ঠাকুরাণী॥
*********************
