কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
অপরূপ তুয়া মুরলী-ধুনি
অপরূপ তুয়া মুরলি-ধনি
অপরূপ তুয়া মুরলী-ধনি
অপরূপ তুয়া মুরলী ধ্বনি
অপরূপ তুয়া মুরলি ধ্বনি

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে, নরহরি (ঘনশ্যাম) চক্রবর্তী প্রণীত এবং ৪৬২ গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্ব্বরাগ) গ্রন্থের, ২৪৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ
॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলী-ধুনি।  লালসা বাঢ়ল শবদ শুনি॥
কিরূপে এরূপ দেখিয়া সেহ।  উদবেগে ধনী না ধরে দেহ॥
জাগিয়া জাগিয়া হইল খীণ।  অসিত চান্দের উদয় দিন॥
জড়িত হৃদয়ে করয়ে ভেদ।  অতি বিয়াকুল কো সহে খেদ॥
পাণ্ডুর বরণ বিয়াধি বাধা।  মুরুছি নিশ্বাস হরল রাধা॥
অব্ যদি তুহু মিলল তায়।  গোকুল-মঙ্গল সভেই গায়॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহ কান।  জীবন-ঔষধ তোহারি নাম॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ১ম শাখার, ২য় পল্লব শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ, ৪২ নং পদসংখ্যা, ৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ
জাগরণ
॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলি-ধনি।
লালসা বাড়ল শবদ শুনি॥
কি রূপে এ রূপ দেখিয়া সেহ।
উদবেগে ধনি না ধরে দেহ॥
জাগিয়া জাগিয়া হইল খীন।
অসিত চান্দের উদয় দিন॥
জড়িত হৃদয়ে করয়ে ভেদ।
অতি বেয়াকুল কো সহে খেদ॥
পাণ্ডুর বরণ বিয়াধি বাধা।
মুরছি নিশ্বাস হরল রাধা॥
অব যদি তুহুঁ মিলহ তায়।
গোকুল-মঙ্গল সভাই গায়॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহে শ্যাম।
জীবন-ঔখদ তোহারি নাম॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ১২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহি॥

অপরূপ তুয়া মুরলিধ্বনি। লালস বাঢ়ল শবদ সুনি॥
কি রূপে এ রূপ দেখিয়া সেহ। উদ্বেগে ধনি না ধরে দেহ॥
জাগিয়া জাগিয়া হইল খিন। অসিত চান্দের উদয় দিন॥
জড়িত হৃদয়ে করয়ে ভেদ। অতি ব্যাকুল কে সহে খেদ॥
পাণ্ডুর বরণ বেয়াধি বাধা। মুরছি নিশ্বাস বহল আধা॥
অব জদি তোহ মিলহি তায়। গোকুলমঙ্গল সভাই গায়॥
জ্ঞানদাসে কহে শুনই শ্যাম। জীবন ঔষধি তোহারি নাম॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের নায়িকার পূর্ব্বরাগ, ২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলী ধ্বনি।
লালসা বাড়ল শবদ শুনি॥
কি রূপে এ রূপে দেখিয়া সেহ।
উদ্বেগে ধনী না ধরে দেহ॥
জাগিয়া হইল শরীর ক্ষীণ।
অসিত চান্দের উদয় দিন॥
জড়িত হৃদয়ে করত ভেদ।
অতি বেয়াকুল করত খেদ॥
পাণ্ডুর বরণ বেয়াধি রাধা।
মূরছি নিশ্বাস হরল বাধা॥
অব যদি তুহুঁ মিলয় তাহ।
গোকুল মঙ্গল সভাই গায়॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহে শ্যাম।
জীবন সুখদ তোঁহারি নাম॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, সংগীত-সার-সংগ্রহ, ১ম খণ্ড, ১৬৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলী ধ্বনি।
লালসা বাড়ল শবদ শুনি॥
কি রূপে এ রূপে দেখিয়া সেহ।
উদ্বেগে ধনী না ধরে দেহ॥
জাগিয়া হইল শরীর ক্ষীণ।
অসিত চান্দের উদয় দিন॥
জড়িত হৃদয়ে করত ভেদ।
অতি বেয়াকুল করত খেদ॥
পাণ্ডুর বরণ বেয়াধি রাধা।
মূরছি নিশ্বাস হরল রাধা॥
অব যদি তুহুঁ মিলয় তাহ।
গোকুল মঙ্গল সভাই গায়॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহে শ্যাম।
জীবন সুখদ তোঁহারি নাম॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলী ধ্বনি। লালসা
বাড়ল শবদ শুনি॥ কি রূপে এ রূপে
দেখিয়া সেহ। উদ্বেগে ধনী না ধরে
দেহ॥ জাগিয়া হইল শরীর ক্ষীণ।
অসিত চান্দের উদয় দিন॥ জড়িত হৃদয়ে
করত ভেদ। অতি বেয়াকুল করত খেদ॥
পাণ্ডুর বরণ বেয়াধি রাধা। মূরছি নিশ্বাস
হরল রাধা॥ অব যদি তুহুঁ মিলয় তাহ।
গোকুল মঙ্গল সভাই গায়॥ জ্ঞানদাস
কহে শুনহে শ্যাম। জীবন সুখদ তোঁহারি
নাম॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলী ধ্বনি।
লালসা বাঢ়ল শবদ শুনি॥
কি রূপে এরূপ দেখিয়া সেহ।
উদ্বেগে ধনী না ধরে দেহ॥
জাগিয়া হইল শরীর ক্ষীণ।
অসিত চান্দের উদয়-দিন॥
জড়িত হৃদয়ে করত ভেদ।
অতি বিয়াকুল করত খেদ॥
পাণ্ডু বরণ বেয়াধি রাধা।
মূরছি নিশ্বাস হরল রাধা॥
অব যদি তুহুঁ মিলয় তাই।
গোকুল-মঙ্গল সবাই গায়॥
জ্ঞানদাস কহে শুনই শ্যাম।
জীবন-সুখদ তোঁহারি নাম॥

ই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ২১৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার পূর্ব্বরাগ
॥ সুহিনী - ছোট দুঠুকি॥

অপরূপ তুয়া মুরলী-ধনি।
লালসা বাঢ়ল শবদ শুনি॥
কিরূপে এরূপ দেখিয়া সেহ।
উদবেগে ধনি না বান্ধে থেহ॥
জাগিয়া জাগিয়া হইল খীণ।
অসিত চান্দের উদয় দিন॥
জরিত হৃদয়ে করত ভেদ।
অতি বিয়াকুল কো সহে খেদ॥
পাণ্ডুর বরণ বেয়াধি-রাধা।
মুরছি নিশ্বাস হরল রাধা॥
অব যদি তুহু মিলহ তায়।
গোকুল-মঙ্গল সভাই গায়॥
জ্ঞানদাসে কহে শুনহ শ্যাম।
জীবন-ঔখদ তোহারি নাম॥

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলী ধ্বনি।
লালসা বাঢ়ল শবদ শুনি॥
কি রূপে এরূপ দেখিয়া সেহ।
উদ্বেগে ধনী না ধরে দেহ॥
জাগিয়া হইল শরীর ক্ষীণ।
অসিত চাঁদের উদয়-দিন॥
জড়িত হৃদয়ে করত ভেদ।
অতি বিয়াকুল করত খেদ॥
পাণ্ডু বরণ বেয়াধি বাধা।
মূরছি নিশ্বাস হরল রাধা॥
অব যদি তুহুঁ মিলয় তাই।
গোকুল-মঙ্গল সবাই গাই॥
জ্ঞানদাস কহে শুনই শ্যাম।
জীবন-সুখদ তোঁহারি নাম॥

ই পদটি আনুমানিক ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত লহরী”, এর ৩১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীমতী রাধার পূর্ব্বরাগ
॥ পুনশ্চ ( পূর্বের পদে - ছোট দুঠুকি)॥

অপরূপ তুয়া মুরলী ধ্বনি। লালসা বাড়ল শবদ শুনি॥
কিরূপে এরূপ দেখিয়া সেহ। উদ্বেগে ধনি না ধরে দেহ॥
জাগিয়া হইল শরীর ক্ষীণ। অসিত চাঁদের উদয় দিন॥ জড়িম
হৃদয়ে করত ভেদ। অতি বেয়াকুল করত খেদ॥ পাণ্ডুর বরণ
বেয়াধি বাধা। মূরছি নিঃশ্বাস হরল রাধা॥ অব যদি তুহুঁ মিলহ
তায়। গোকুল মঙ্গল সবাই পায়॥ জ্ঞানদাস কহে শুনহ শ্যাম।
জীবন ঔষধি তোহারি নাম॥

ই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ১০৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

পূর্ব্বরাগ
দশম দশা
॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলী ধ্বনি।
লালসা বাড়ল শব্দ শুনি॥
কি রূপে এরূপ দেখিয়া সেহ।
উদ্বেগে ধনী না ধরে দেহ॥
জাগিয়া হইল শরীর ক্ষীণ।
অসিত চাঁদের উদয় দিন॥
জড়িত হৃদয়ে করত ভেদ।
অতি বেয়াকুল করত খেদ॥
পাণ্ডু বরণ বেয়াধি বাধা।
মুরছি নিশ্বাস হরল রাধা॥
অব যদি তুহু মিলই তায়।
গোকুল মঙ্গল সবাই গায়॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহে শ্যাম।
জীবন সুখদ তোহারি নাম॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, সখী-সংবাদ, সখী-সংবাদ, শ্রীরাধার আপ্ত-দূতী, ১১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলি-ধ্বনি।
লালসা বাড়ল শবদ শুনি॥

কি রূপে এ রূপ দেখিয়া সেহ।
উদবেগে ধনি না ধরে দেহ॥

জাগিয়া জাগিয়া হইল খীন।
অসিত চান্দের উদয় দিন॥

জড়িত হৃদয়ে করয়ে ভেদ।
অতি বেয়াকুল কো সহে খেদ॥

পাণ্ডুর বরণ বেয়াধি-বাধা।
মুরছি নিশ্বাস হরল রাধা॥

অব যদি তুহুঁ মিলহ তায়।
গোকুল-মঙ্গল সভাই গায়॥

জ্ঞানদাস কহে শুনহে শ্যাম।
জীবন-ঔখদ তোহারি নাম॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৮৯-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার আপ্তদূতী
॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলি ধ্বনি।
লালসা বাড়ল শবদ শুনি॥
কিরূপে এরূপ দেখিয়া সেহ।
উদবেগে ধনি না ধরে দেহ॥
জাগিয়া জাগিয়া হইল খীন।
অসিত চান্দের উদয় দিন॥
জড়িত হৃদয়ে করয়ে স্বেদ।
অতি বেয়াকুল করয়ে খেদ॥
পাণ্ডুর বরণ বিয়াধি-বাধা।
মুরছি নিশ্বাস হরল রাধা॥
অব যদি তুহুঁ মিলহ তায়।
গোকুল-মঙ্গল সভাই গায়॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহে শ্যাম।
জীবন-ঔখদ তোহারি নাম॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার বাল্যলীলা, বয়ঃসন্ধী ও র্বরাগ
শ্রীকৃষ্ণের প্রতি শ্রীরাধার আপ্ত দূতী
॥ সুহই॥

অপরূপ তুয়া মুরলি ধ্বনি।
লালসা বাড়ল শবদ শুনি॥
কিরূপে এরূপ দেখিয়া সেহ।
উদবেগে ধনি না ধরে দেহ॥
জাগিয়া জাগিয়া হইল খীন।
অসিত চান্দের উদয় দিন॥
জড়িত হৃদয়ে করয়ে স্বেদ।
অতি বেয়াকুল করয়ে খেদ॥
পাণ্ডুর বরণ বিয়াধি-রাধা।
মুরছি নিশ্বাস হরল রাধা॥
অব যদি তুহুঁ মিলহ তায়।
গোকুল-মঙ্গল সভাই গায়॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহে শ্যাম।
জীবন-ঔখদ তোহারি নাম॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৫৯৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অপরূপ তুয়া মুরলি ধ্বনি।
লালসা বাড়ল শবদ শুনি॥
কিরূপে এরূপ দেখিয়া সেহ।
উদবেগে ধনি না ধরে দেহ॥
জাগিয়া জাগিয়া হইল খীন।
অসিত চান্দের উদয় দিন॥
জড়িত হৃদয় করয়ে স্বেদ।
অতি বেয়াকুল করয়ে খেদ॥
পাণ্ডুর বরণ বিয়াধি বাধা।
মুরছি নিশ্বাস হরল রাধা॥
অব যদি তুহুঁ মিলহ তায়।
গোকুল মঙ্গল সভাই গায়॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহে শ্যাম।
জীবন ঔখদ তোহারি নাম॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^