কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
সই বল মোরে করিব কি
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৮৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সই বল মোরে করিব কি।
পরাণ পিরিতির নিছনি দি॥
গুরু গরবিত যতেক গঞ্জে।
মণি জ্বলে যেন তিমির-পুঞ্জে॥
কালার পিরিতে এ তনু বান্ধা।
টুটিলে না টুটে বিষম ধান্ধা॥
যে কথা কহিলুঁ রাখিহ মনে।
যে জানে সে জানে না জানে আনে॥
আরো যত আছে মনের কথা।
কহিলে না ঘুচে চিতের বেথা॥
জ্ঞানদাস কহে কি ভেল ভান।
এ কালা শ্যাম ত্রিজগত আন॥

টীকা --- গুরু গরবিত যতেক গঞ্জে ইত্যাদি --- গুরুবর্গ এবং তাঁহাদের তুল্য মান্যলোকেরা গঞ্জনা দিলে মনে যে দুঃখের তিমির নামে, তাহা রাধার মনে ক্ষণেকে মিলাইয়া যায়, কেননা ঐ গঞ্জনায় তাঁহার প্রেমের মণি যেন জ্বলিয়া উঠে।

ই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৪৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন সাহিত্য পরিষদের ২০১ সংখ্যক পুথিতে এই রূপে।

অনুরাগ
॥ সুহই॥

সই বল মোরে করিব কি।
পরাণ পিরিতির নিছনি দি॥
গুরু গরবিত যতেক গঞ্জে।
মণি জলে যেন তিমির-পুঞ্জে॥
কালার পিরিতে এ তনু বান্ধা।
টুটিলে না টুটে বিষম ধান্দা॥
যে কথা কহিলুঁ রাখিহ মনে।
যে জানে সে জানে না জানে আনে॥
আরো যত আছে মনের কথা।
কহিলে না ঘুচে চিতের বেথা॥
জ্ঞানদাস কহে কি ভেল ভান।
এ কালা শ্যাম ত্রিজগত-আন॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

আক্ষেপানুরাগ
॥ সুহই॥

সই বল মোরে করিব কি।
পরাণ পিরীতির নিছনি দি॥
গুরু গরবিত যতেক গঞ্জে।
মণি জ্বলে যেন তিমিরপুঞ্জে॥
কালার পিরীতে এ তনু বান্ধা।
টুটিলে না টুটে বিষম ধান্দা॥
যে কথা কহিলুঁ রাখিহ মনে।
যে জানে সে জানে না জানে আনে॥
আরো যত আছে মনের কথা।
না কৈলে না ঘুচে চিতের বেথা॥
জ্ঞানদাস কহে কি ভেল আন।
এ কালা শ্যাম ত্রিজগত-প্রাণ॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৯৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অনুরাগ
॥ সুহই॥

সই বল মোরে করিব কি। পরাণ পিরিতির নিছনি দি॥
গুরু গরবিত যতেক গঞ্জে। মণি জ্বলে যেন তিমিরপুঞ্জে॥
কালার পিরিতে এ তনু বান্ধা। টুটিলে না টুটে বিষম ধান্দা॥
যে কথা কহিলুঁ রাখিহ মনে। যে জানে সে জানে না জানে আনে॥
আরো যত আছে মনের কথা। না কৈলে না ঘুচে চিতের বেথা॥
জ্ঞানদাস কহে কি ভেল আন। এ কালা শ্যাম ত্রিজগত-প্রাণ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সই বল মোরে করিব কি।
পরাণ পিরীতির নিছনি দি॥
গুরু গরবিত যতেক গঞ্জে।
মণি জ্বলে যেন তিমিরপুঞ্জে॥
কালার পিরীতে এ তনু বান্ধা।
টুটিলে না টুটে বিষম ধান্দা॥
যে কথা কহিলুঁ রাখিহ মনে।
যে জানে সে জানে না জানে আনে॥
আরো যত আছে মনের কথা।
না কৈলে না ঘুচে চিতের বেথা॥
জ্ঞানদাস কহে কি ভেল আন।
এ কালা শ্যাম ত্রিজগত প্রাণ॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^