কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরিতি
তুমি সব জান কানুর পিরিতি
তুমি সব জান কানুর পিরীতি
তুমি কি জান সই কাহ্নুর পিরিতি
কবি জ্ঞানদাস
তুমি সব জান কানুর পিরিতি
তুমি সব জান কানুর পিরীতি
তুমি কি জান সই কাহ্নুর পিরিতি
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭২৫ খৃষ্টাব্দে প্রকাশিত, শ্রীনিবাস আচার্য্যর পৌত্র রাধামোহন ঠাকুর রচিত ও সংকলিত, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা ১২৮৫ বঙ্গাব্দে (১৮৭৮ খৃষ্টাব্দ) সম্পাদিত "পদামৃত সমুদ্র", ২৪৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তথানু রাগঃ॥
॥ সুহই রাগ গঞ্জন তালাভ্যাং॥
তুমি কি না জান সই কানুর পিরিতি তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন তাঁহারে সোঁপিয়াছি॥ প্রাণ
সই কিআর কুল বিচারে। প্রাণ বন্ধুয়া বিনু তিলেক নাজিঙ
কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু॥ সে রূপ সাগরে নয়ান ডুবিল
সে গুণে বান্ধল হিয়া। সে সব চরিতে ডুবল মন আনিব
কি আর দিয়া॥ খাইতে খাইএ শুইতে সুইএ আছিতে
আছিএ ঘরে। জ্ঞান দাসে কহে ইঙ্গিত পাইলে আগুন
দিএ দুয়ারে॥
॥ সুহই রাগ গঞ্জন তালাভ্যাং॥
তুমি কি না জান সই কানুর পিরিতি তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন তাঁহারে সোঁপিয়াছি॥ প্রাণ
সই কিআর কুল বিচারে। প্রাণ বন্ধুয়া বিনু তিলেক নাজিঙ
কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু॥ সে রূপ সাগরে নয়ান ডুবিল
সে গুণে বান্ধল হিয়া। সে সব চরিতে ডুবল মন আনিব
কি আর দিয়া॥ খাইতে খাইএ শুইতে সুইএ আছিতে
আছিএ ঘরে। জ্ঞান দাসে কহে ইঙ্গিত পাইলে আগুন
দিএ দুয়ারে॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ --- সখী সম্বোধনে
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরিতি,
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি, এ জাতি জীবন,
তাঁহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণ সই কি আর কুল বিচারে।
প্রাণ বন্ধুয়া বিনু, তিলেক না জীঙ,
কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু।
সে রূপ সাগরে, নয়ান ডুবিল,
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে, শুইতে শুইয়ে,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাস কহে, ইঙ্গিত পাইলে,
আগুন দিয়ে দুয়ারে॥
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরিতি,
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি, এ জাতি জীবন,
তাঁহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণ সই কি আর কুল বিচারে।
প্রাণ বন্ধুয়া বিনু, তিলেক না জীঙ,
কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু।
সে রূপ সাগরে, নয়ান ডুবিল,
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে, শুইতে শুইয়ে,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাস কহে, ইঙ্গিত পাইলে,
আগুন দিয়ে দুয়ারে॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২২৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী সম্বোধন।
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরীতি,
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি, এ জাতি জীবন,
তাঁহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণ সই কি আর কুল বিচারে।
প্রাণ বন্ধুয়া বিনু, তিলেক না জীঙ,
কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপ সাগরে, নয়ান ডুবিল,
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে, শুইতে শুইয়ে,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে, ইঙ্গিত পাইলে,
আগুন দিয়ে দুয়ারে॥
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরীতি,
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি, এ জাতি জীবন,
তাঁহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণ সই কি আর কুল বিচারে।
প্রাণ বন্ধুয়া বিনু, তিলেক না জীঙ,
কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপ সাগরে, নয়ান ডুবিল,
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে, শুইতে শুইয়ে,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে, ইঙ্গিত পাইলে,
আগুন দিয়ে দুয়ারে॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরীতি,
তোমারে বলিব কি। সব পরিহরি, এ
জাতি জীবন, তাঁহারে সঁপিয়াছি॥ প্রাণ
সই কি আর কুল বিচারে। প্রাণ বন্ধুয়া বিনু,
তিলেক না জীঙ, কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপ সাগরে, নয়ান ডুবিল, সে গুণে
বান্ধল হিয়া। সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥ খাইতে খাইয়ে,
শুইতে শুইয়ে, আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে, ইঙ্গিত পাইলে, আগুন
দিয়ে দুয়ারে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরীতি,
তোমারে বলিব কি। সব পরিহরি, এ
জাতি জীবন, তাঁহারে সঁপিয়াছি॥ প্রাণ
সই কি আর কুল বিচারে। প্রাণ বন্ধুয়া বিনু,
তিলেক না জীঙ, কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপ সাগরে, নয়ান ডুবিল, সে গুণে
বান্ধল হিয়া। সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥ খাইতে খাইয়ে,
শুইতে শুইয়ে, আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে, ইঙ্গিত পাইলে, আগুন
দিয়ে দুয়ারে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ।
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরীতি,
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি, এ জাতি জীবন,
তাঁহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণসই, কি আর কুলবিচারে।
প্রাণ-বন্ধুয়া বিনু, তিলেক না জীউ,
কি মোর সোদর-পরে॥
সে রূপ-সাগরে, নয়ান ডুবিল,
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে, শুইতে শুইয়ে,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে, ইঙ্গিত পাইলে,
আগুন দিবে দুয়ারে॥
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরীতি,
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি, এ জাতি জীবন,
তাঁহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণসই, কি আর কুলবিচারে।
প্রাণ-বন্ধুয়া বিনু, তিলেক না জীউ,
কি মোর সোদর-পরে॥
সে রূপ-সাগরে, নয়ান ডুবিল,
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে, শুইতে শুইয়ে,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে, ইঙ্গিত পাইলে,
আগুন দিবে দুয়ারে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, সন্দিগ্ধ, ২৭৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
তুমি কিনা জান সই কানুর পিরিতি
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন
তাঁহারে সোঁপিয়াছি॥
প্রাণসই কি আর
কুলবিচারে।
প্রান বন্ধুয়া বিনু তিলেক না জিউঁ
কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু॥
সে রূপ সাগরে নয়নে ডুবিল
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবল মন
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে ইঙ্গিত পাইলে
আগুণ দিএ দুয়ারে॥
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন
তাঁহারে সোঁপিয়াছি॥
প্রাণসই কি আর
কুলবিচারে।
প্রান বন্ধুয়া বিনু তিলেক না জিউঁ
কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু॥
সে রূপ সাগরে নয়নে ডুবিল
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবল মন
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে ইঙ্গিত পাইলে
আগুণ দিএ দুয়ারে॥
টীকা---
প্রাণবন্ধুয়া বিনু ইত্যাদি --- কুলের বিচার করিয়া কি হইবে ? কুল রাখা ভাল কিনা সে তর্ক উঠানো নিরর্থক, কেননা আমি প্রাণবন্ধু ছাড়া এক তিলও বাঁচিব না ; আমার ভাই---বন্ধু (সোদর), কুটুম্ব (পরে) আমার বন্ধুর অভাব মিটাইতে পারে না।
সে রূপ সাগরে ইত্যাদি --- আমার নয়ন ডুবিয়াছে তাহার ব্যবহারে ( চরিতে ) গুণ দিয়া আমার হৃদয় বাঁধিয়াছে, সুতরাং আমার মন, নয়ন এবং হৃদয় কেমন করিয়া ফিরাইয়া আনিব?
সে রূপ সায়র হইতে আরম্ভ করিয়া শেষ চরণ পর্য্যন্ত পদকল্পতরু ( ৮৯৩ ) ধৃত “সই পিরিতি আখর তিন” ইত্যাদি পদের শেষাংশের সহিত প্রায় অভিন্ন।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রাণবন্ধুয়া বিনু ইত্যাদি --- কুলের বিচার করিয়া কি হইবে ? কুল রাখা ভাল কিনা সে তর্ক উঠানো নিরর্থক, কেননা আমি প্রাণবন্ধু ছাড়া এক তিলও বাঁচিব না ; আমার ভাই---বন্ধু (সোদর), কুটুম্ব (পরে) আমার বন্ধুর অভাব মিটাইতে পারে না।
সে রূপ সাগরে ইত্যাদি --- আমার নয়ন ডুবিয়াছে তাহার ব্যবহারে ( চরিতে ) গুণ দিয়া আমার হৃদয় বাঁধিয়াছে, সুতরাং আমার মন, নয়ন এবং হৃদয় কেমন করিয়া ফিরাইয়া আনিব?
সে রূপ সায়র হইতে আরম্ভ করিয়া শেষ চরণ পর্য্যন্ত পদকল্পতরু ( ৮৯৩ ) ধৃত “সই পিরিতি আখর তিন” ইত্যাদি পদের শেষাংশের সহিত প্রায় অভিন্ন।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরীতি,
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি, এ জাতি জীবন,
তাঁহারে সপিয়াছি॥
প্রাণসই, কি আর কুলবিচারে।
প্রাণ-বন্ধুয়া বিনু, তিলেক না জীউ,
কি মোর সোদর-পরে॥
সে রূপ-সাগরে, নয়ান ডুবিল,
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইতে, শুইতে শুইয়ে,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে, ইঙ্গিত পাইলে,
আগুন দিবে দুয়ারে॥
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরীতি,
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি, এ জাতি জীবন,
তাঁহারে সপিয়াছি॥
প্রাণসই, কি আর কুলবিচারে।
প্রাণ-বন্ধুয়া বিনু, তিলেক না জীউ,
কি মোর সোদর-পরে॥
সে রূপ-সাগরে, নয়ান ডুবিল,
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইতে, শুইতে শুইয়ে,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে, ইঙ্গিত পাইলে,
আগুন দিবে দুয়ারে॥
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৫০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথিতে এই রূপে।
অনুরাগ
॥ সুহই॥
তুমি সব জান কানুর পিরিতি
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন
তাহারে সোঁপিয়াছি॥
সই কি আর কুল-বিচারে।
প্রাণ-বন্ধু বিনে তিলেক না জীব
কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু
সে রূপ সায়রে নয়ন ডুবিল
সে গুণে বান্ধিলুঁ হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবিল যে মন
তুলিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে
আগুনি ভেজাই ঘরে॥
॥ সুহই॥
তুমি সব জান কানুর পিরিতি
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন
তাহারে সোঁপিয়াছি॥
সই কি আর কুল-বিচারে।
প্রাণ-বন্ধু বিনে তিলেক না জীব
কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু
সে রূপ সায়রে নয়ন ডুবিল
সে গুণে বান্ধিলুঁ হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবিল যে মন
তুলিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে
আগুনি ভেজাই ঘরে॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, প্রেমবৈচিত্র্য, ৮২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরীতি,
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি, এ জাতি জীবন,
তাঁহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণসই কি আর কুল-বিচারে।
প্রাণবঁধুয়া বিনু, তিলেক না জীউ,
কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপ-সাগরে, নয়ান ডুবিল,
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে, শুইতে শুইয়ে,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে, ইঙ্গিত পাইলে,
আগুন দিবে দুয়ারে॥
তুমি কি না জান সই, কানুর পিরীতি,
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি, এ জাতি জীবন,
তাঁহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণসই কি আর কুল-বিচারে।
প্রাণবঁধুয়া বিনু, তিলেক না জীউ,
কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপ-সাগরে, নয়ান ডুবিল,
সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে, ডুবল মন,
আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে, শুইতে শুইয়ে,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
জ্ঞানদাসে কহে, ইঙ্গিত পাইলে,
আগুন দিবে দুয়ারে॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১৯-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
আক্ষেপানুরাগ
॥ সুহই॥
তুমি সব জান কানুর পিরীতি
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন
তাহারে সোঁপিয়াছি॥
সই কি আর কুল বিচারে।
প্রাণবন্ধু বিনে তিলেক না জীব
কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু॥
সে রূপ সায়রে নয়ন ডুবিল
সে গুণে বান্ধিলুঁ হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবিল যে মন
তুলিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে
আছিতে আছিয়ে পুরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে
আনল ভেজাই ঘরে॥
॥ সুহই॥
তুমি সব জান কানুর পিরীতি
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন
তাহারে সোঁপিয়াছি॥
সই কি আর কুল বিচারে।
প্রাণবন্ধু বিনে তিলেক না জীব
কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু॥
সে রূপ সায়রে নয়ন ডুবিল
সে গুণে বান্ধিলুঁ হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবিল যে মন
তুলিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে
আছিতে আছিয়ে পুরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে
আনল ভেজাই ঘরে॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ সুহই॥
তুমি সব জান কানুর পিরিতি তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন তাহারে সোপিয়াছি॥
সই কি আর কুল বিচারে।
প্রাণবন্ধু বিনে তিলেক না জীব কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু॥
সে রূপসায়রে নয়ন ডুবিল সে গুণে বান্ধিলুঁ হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবিল যে মন তুলিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে আছিতে আছিএ পুরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে আগুন ভেজাই ঘরে॥
॥ সুহই॥
তুমি সব জান কানুর পিরিতি তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন তাহারে সোপিয়াছি॥
সই কি আর কুল বিচারে।
প্রাণবন্ধু বিনে তিলেক না জীব কি মোর সোদর পরে॥ ধ্রু॥
সে রূপসায়রে নয়ন ডুবিল সে গুণে বান্ধিলুঁ হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবিল যে মন তুলিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে আছিতে আছিএ পুরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে আগুন ভেজাই ঘরে॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ৯৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
তুমি কি জান সই কাহ্নুর পিরিতি তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন তাহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণ সই, কি আর কুল বিচারে।
প্রাণ বন্ধুয়া বিনে তিলেক না জিউ কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপ-সাগরে নয়ান ডুবিল সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবল মন আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে আছিতে আছিয়ে পুরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে আগুণ ভেজাই ঘরে॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৩৮৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
তুমি কি জান সই কাহ্নুর পিরিতি তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন তাহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণ সই, কি আর কুল বিচারে।
প্রাণ বন্ধুয়া বিনে তিলেক না জিউ কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপ-সাগরে নয়ান ডুবিল সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবল মন আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে আছিতে আছিয়ে পুরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে আগুণ ভেজাই ঘরে॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
তুমি সব জান কানুর পিরীতি
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন
তাহারে সোঁপিয়াছি॥
সই কি আর কুল বিচারে।
প্রাণবন্ধু বিনে তিলেক না জীব
কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপসায়রে নয়ন ডুবিল
সে গুণে বান্ধিলুঁ হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবিল যে মন
তুলিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে
আছিতে আছিএ পুরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে
আনল ভেজাই ঘরে॥
*********************
তুমি কি জান সই কাহ্নুর পিরিতি তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন তাহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণ সই, কি আর কুল বিচারে।
প্রাণ বন্ধুয়া বিনে তিলেক না জিউ কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপ-সাগরে নয়ান ডুবিল সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবল মন আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে আছিতে আছিয়ে পুরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে আগুণ ভেজাই ঘরে॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৩৮৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
তুমি কি জান সই কাহ্নুর পিরিতি তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন তাহারে সঁপিয়াছি॥
প্রাণ সই, কি আর কুল বিচারে।
প্রাণ বন্ধুয়া বিনে তিলেক না জিউ কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপ-সাগরে নয়ান ডুবিল সে গুণে বান্ধল হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবল মন আনিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে আছিতে আছিয়ে পুরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে আগুণ ভেজাই ঘরে॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
তুমি সব জান কানুর পিরীতি
তোমারে বলিব কি।
সব পরিহরি এ জাতি জীবন
তাহারে সোঁপিয়াছি॥
সই কি আর কুল বিচারে।
প্রাণবন্ধু বিনে তিলেক না জীব
কি মোর সোদর পরে॥
সে রূপসায়রে নয়ন ডুবিল
সে গুণে বান্ধিলুঁ হিয়া।
সে সব চরিতে ডুবিল যে মন
তুলিব কি আর দিয়া॥
খাইতে খাইয়ে শুইতে শুইয়ে
আছিতে আছিএ পুরে।
জ্ঞানদাস কহে ইঙ্গিত পাইলে
আনল ভেজাই ঘরে॥
*********************
