কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
মেঘ যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ২য় শাখা, ৬ষ্ঠ পল্লব, বর্ষাকালোচিত অভিসারিকা, ৩৪৩-নং পদসংখ্যা, ২২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

মেঘ-যামিনি অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনি করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনি দশদিশ আপি।
নীল বসনে ধনি সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরি সঙ্গহি নেল।
নব অনুরাগ-ভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খরতর মেহ।
পাওল সুবদনি সঙ্কেত-গেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞানদাস চলু যাহাঁ নাগর-রাজ॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসার।
॥ কামোদ॥

মেঘ যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনী করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনী দশ দিশ আপি।
নীল বসনে ধনী সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরী সঙ্গহি মেল।
নব অনুরাগভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খরতর মেহ।
পাওল সুবদনী সঙ্কেতে গেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞানদাস চলু যাহাঁ নাগর রাজ॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৩৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসার।
॥ কামোদ॥

মেঘ যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনী করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনী দশ দিশ আপি।
নীল বসনে ধনী সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরী সঙ্গহি মেল।
নব অনুরাগভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খরতর মেহ।
পাওল সুবদনী সঙ্কেতে গেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞানদাস চলু যাহাঁ নাগর রাজ॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসার
॥ কামোদ॥

মেঘ যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনী করু অভিসার॥ ঝল-
কত দামিনী দশ দিশ আপি। নীল বসনে
ধনী সব তনু ঝাঁপি॥ দুই চারি সহচরী
সঙ্গহি মেল। নব অনুরাগভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খরতর মেহ। পাওল
সুবদনী সঙ্কেতে গেহ॥ না হেরিয়া নাহ
নিকুঞ্জক মাঝ। জ্ঞানদাস চলু যাঁহা নাগর- রাজ॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসার
॥ কামোদ॥

মেঘ-যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনী করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনী দশ দিশ আপি।
নীল বসনে ধনী সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরী সঙ্গহি মেল।
নব অনুরাগ-ভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খরতর মেহ।
পাওল সুবদনী সঙ্কেতগেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞানদাস চলু যাহাঁ নাগররাজ॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অভিসার, ১৩৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মেঘ যামিনি অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনি করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনি দশদিগ আপি।
নীল বসনে ধনি সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরি সঙ্গহি নেল।
নব অনুরাগ ভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খরতর মেহ।
পাওল সুবদনি সঙ্কেত গেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞানদাস চলু যাঁহা নাগর রাজ॥

টীকা---
মেঘ যামিনি --- মেঘেভরা আকাশ এমন রাত্রি।
দশদিগ আপি --- দশদিক ব্যাপ্ত করিয়া।
খরতর মেহ --- অত্যন্ত তীব্র মেঘ।

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসার
॥ কামোদ॥

মেঘ যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনী করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনী দশ দিশ আপি।
নীল বসনে ধনী সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরী সঙ্গহি মেল।
নব অনুরাগ ভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খরতর মেহ।
পাওল সুবদনী সঙ্কেত গেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞানদাস চলু যাঁহা নাগররাজ॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, অভিসারিকা, ২৯৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ (মল্লার)॥

মেঘ-যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনি করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনী দশ দিশ আপি।
নীল বসনে ধনী সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরী সঙ্গহি মেল।
নব অনুরাগ-ভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খরতর মেহ।
পাওল সুবদনী সঙ্কেত-গেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞানদাস চলু যাহাঁ নাগর-রাজ॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, নিকুঞ্জ-মিলন, ৪৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

মেঘ যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনি করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনী দশ দিশ আপি।
নীল বসনে ধনি সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরী সঙ্গহি মেল।
নব অনুরাগ ভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খরতর মেহ।
পাওল সুবদনী সঙ্কেত গেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞান দাস চলু যাঁহা নাগররাজ॥

ই পদটি ১৯৩৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত “বৈষ্ণব পদাবলী” নামক বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন, অভিসার, ৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মেঘ-যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনি করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনী দশ দিশ আপি।
নীল বসনে ধনি সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরী সঙ্গহি নেল।
নব অনুরাগ-ভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝরঝর খরতর মেহ।
পাওল সুবদনী সঙ্কেত গেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞানদাস চলু যাঁহা নাগররাজ॥

ই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ১৯০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

বর্ষাকালোচিত অভিসার
॥ কামোদ॥

মেঘ যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনী করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনী দশ দিশ আপি।
নীল বসনে ধনী সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরী রঙ্গহি নেল।
নব অনুরাগ ভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খঁরতর মেহ।
পাওল সুবদনী সঙ্কেত গেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞান দাস চলুঁ যাহাঁ নাগর রাজ॥

ই পদটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ মিত্র, সুকুমার সেন, বিশ্বপতি চৌধুরী ও শ্যামাপদ চৌধুরী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী (চয়ন)”, ৫৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসার

মেঘ-যামিনী অতি ঘন আন্ধিয়ার।
ঐছে সময়ে ধনি করু অভিসার॥
ঝলকত দামিনী দশ দিশ আপি।
নীল বসনে ধনি সব তনু ঝাঁপি॥
দুই চারি সহচরী সঙ্গহি নেল।
নব অনুরাগ-ভরে চলি গেল॥
বরিখত ঝর ঝর খরতর মেহ।
পাওল সুবদনী সঙ্কেত-গেহ॥
না হেরিয়া নাহ নিকুঞ্জক মাঝ।
জ্ঞানদাস চলু যাঁহা নাগররাজ॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^