কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৯৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদ গদ বোল॥
নয়ানে বহই ঘন আনন্দ লোর।
পদ আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে অতি রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই।
প্রেম ধন দিয়া তুমি কিনহ কাহনাই॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২০০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন।
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদ গদ বোল॥
নয়ানে বহই ঘন আনন্দ লোর।
পদ আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে অতি রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই।
প্রেম ধন দিয়া তুমি কিনহ কাহনাই॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদ গদ বোল॥ নয়ানে
বহই ঘন আনন্দ লোর। পদ আধ চলে
রাই সখী করি কোর॥ আবেশে সখীর
অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ। চলে বা না চলে
অতি রসের তরঙ্গ॥ জ্ঞানদাস কহে চল
ঝাট কুঞ্জে যাই। প্রেম ধন দিয়া তুমি
কিনহ কাহনাই॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদ গদ বোল॥
নয়ানে বহই ঘন আনন্দ-লোর।
পদ আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে অতি রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই।
প্রেম ধন দিয়া তুমি কিনহ কাহ্নাই॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অভিসার, ১৪২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদগদ বোল॥
নয়নে বহয়ে ঘন আনন্দ লোর।
পদ আধ চলে রাই সখি করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে অতি রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝট কুঞ্জে যাই।
প্রেমধন দিয়া তুমি কিনহ কানাই॥
টীকা--
নয়নে বহয়ে ঘন আনন্দ লোর --- সখীর কথা শুনিয়া রাধা কিছুই বলিতে পারিতেছেন না, শুধু আনন্দে তাহার চোখ হইতে ধারা বহিতেছে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৯৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদগদ বোল॥
নয়নে বহয়ে ঘন আনন্দ-লোর।
পদ-আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে রাই রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই।
প্রেম-ধন দিয়া তুমি কিনহ কানাই॥
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৫৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথিতে এই রূপে।
মানান্তে মিলন
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদগদ বোল॥
নয়নে বহয়ে ঘন আনন্দ-লোর।
পদ-আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে রাই রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই।
প্রেম-ধন দিয়া তুমি কিনহ কানাই॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, সখী-সংবাদ, শ্রীকৃষ্ণের নিকুঞ্জে শ্রীরাধার গমন, ১০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদ গদ বোল॥
নয়নে বহই ঘন আনন্দ-লোর।
পদ আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে অতি রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট্ কুঞ্জে যাই।
প্রেম ধন দিয়া তুমি কিনহ কাহ্নাই॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মানান্তে অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল। কহই না পারই গদগদ বোল॥
নয়নে বহয়ে ঘন আনন্দ লোর। পদ আধ চলে রাই সখি করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ। চলে বা না চলে রাই রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই। প্রেমধন দিয়া তুমি কিনহ কানাই॥
*********************
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদ গদ বোল॥
নয়ানে বহই ঘন আনন্দ লোর।
পদ আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে অতি রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই।
প্রেম ধন দিয়া তুমি কিনহ কাহনাই॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২০০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন।
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদ গদ বোল॥
নয়ানে বহই ঘন আনন্দ লোর।
পদ আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে অতি রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই।
প্রেম ধন দিয়া তুমি কিনহ কাহনাই॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদ গদ বোল॥ নয়ানে
বহই ঘন আনন্দ লোর। পদ আধ চলে
রাই সখী করি কোর॥ আবেশে সখীর
অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ। চলে বা না চলে
অতি রসের তরঙ্গ॥ জ্ঞানদাস কহে চল
ঝাট কুঞ্জে যাই। প্রেম ধন দিয়া তুমি
কিনহ কাহনাই॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদ গদ বোল॥
নয়ানে বহই ঘন আনন্দ-লোর।
পদ আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে অতি রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই।
প্রেম ধন দিয়া তুমি কিনহ কাহ্নাই॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অভিসার, ১৪২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদগদ বোল॥
নয়নে বহয়ে ঘন আনন্দ লোর।
পদ আধ চলে রাই সখি করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে অতি রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝট কুঞ্জে যাই।
প্রেমধন দিয়া তুমি কিনহ কানাই॥
টীকা--
নয়নে বহয়ে ঘন আনন্দ লোর --- সখীর কথা শুনিয়া রাধা কিছুই বলিতে পারিতেছেন না, শুধু আনন্দে তাহার চোখ হইতে ধারা বহিতেছে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৯৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদগদ বোল॥
নয়নে বহয়ে ঘন আনন্দ-লোর।
পদ-আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে রাই রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই।
প্রেম-ধন দিয়া তুমি কিনহ কানাই॥
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৫৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথিতে এই রূপে।
মানান্তে মিলন
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদগদ বোল॥
নয়নে বহয়ে ঘন আনন্দ-লোর।
পদ-আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে রাই রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই।
প্রেম-ধন দিয়া তুমি কিনহ কানাই॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, সখী-সংবাদ, শ্রীকৃষ্ণের নিকুঞ্জে শ্রীরাধার গমন, ১০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল।
কহই না পারই গদ গদ বোল॥
নয়নে বহই ঘন আনন্দ-লোর।
পদ আধ চলে রাই সখী করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ।
চলে বা না চলে অতি রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট্ কুঞ্জে যাই।
প্রেম ধন দিয়া তুমি কিনহ কাহ্নাই॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মানান্তে অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখীর বচন শুনি হিয়া উতরোল। কহই না পারই গদগদ বোল॥
নয়নে বহয়ে ঘন আনন্দ লোর। পদ আধ চলে রাই সখি করি কোর॥
আবেশে সখীর অঙ্গে হেলাইয়া অঙ্গ। চলে বা না চলে রাই রসের তরঙ্গ॥
জ্ঞানদাস কহে চল ঝাট কুঞ্জে যাই। প্রেমধন দিয়া তুমি কিনহ কানাই॥
*********************
