কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
সই আমার গোরাচাঁদ
সোই আমার গোরাচাঁদ
কবি জ্ঞানদাস
সোই আমার গোরাচাঁদ
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৬৫ পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সই আমার গোরাচাঁদ।
আমার মানস চকোর ধরিতে
পেতেছে পিরীতি ফাঁদ॥ ধ্রু॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সেহ ।
চাতক হইয়া তার প্রেমবারি
পিয়া সে করিব লেহ॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সোনা।
প্রেমে গলাইয়া বেশর বানাইয়া
নাকে করিব দোলনা।
সই আমার গৌরাঙ্গ ফুল।
গোছাটি করিয়া খোপায় পরিব
শোভিবে মাথার চুল॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ননী।
সোহাগে ছানিয়া অঙ্গেতে মাখিব
জ্ঞানদাস হবে ধনী ॥
আমার মানস চকোর ধরিতে
পেতেছে পিরীতি ফাঁদ॥ ধ্রু॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সেহ ।
চাতক হইয়া তার প্রেমবারি
পিয়া সে করিব লেহ॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সোনা।
প্রেমে গলাইয়া বেশর বানাইয়া
নাকে করিব দোলনা।
সই আমার গৌরাঙ্গ ফুল।
গোছাটি করিয়া খোপায় পরিব
শোভিবে মাথার চুল॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ননী।
সোহাগে ছানিয়া অঙ্গেতে মাখিব
জ্ঞানদাস হবে ধনী ॥
টীকা ---
পিয়া সে করিব লেহ --- দয়িত আমাকে প্রেম করিবে।
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩য় তরঙ্গ, ২য় উচ্ছ্বাস, নাগরীর পদ-এর ১৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
পিয়া সে করিব লেহ --- দয়িত আমাকে প্রেম করিবে।
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩য় তরঙ্গ, ২য় উচ্ছ্বাস, নাগরীর পদ-এর ১৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
সোই আমার গোরাচাঁদ।
আমার মানস চকোর ধরিতে
পেতেছ পিরীতিফাঁদ॥ ধ্রু॥
সোই আমার গৌরাঙ্গ সেহ।
চাতক হইয়া তার প্রেমবারি
পিয়া সে করিব লেহ॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সোণা।
প্রেমে গলাইয়া বেশর বনাইয়া
নাকে করিব দোলনা॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ফুল।
গোছাটী করিয়া খোপায় পরিব
শোভিবে মাথার চুল॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ননি।
সোহাগে ছানিয়া অঙ্গেতে মাখিব
জ্ঞানদাস কবে ধনি॥
সোই আমার গোরাচাঁদ।
আমার মানস চকোর ধরিতে
পেতেছ পিরীতিফাঁদ॥ ধ্রু॥
সোই আমার গৌরাঙ্গ সেহ।
চাতক হইয়া তার প্রেমবারি
পিয়া সে করিব লেহ॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সোণা।
প্রেমে গলাইয়া বেশর বনাইয়া
নাকে করিব দোলনা॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ফুল।
গোছাটী করিয়া খোপায় পরিব
শোভিবে মাথার চুল॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ননি।
সোহাগে ছানিয়া অঙ্গেতে মাখিব
জ্ঞানদাস কবে ধনি॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৩৭২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
সই আমার গোরাচাঁদ।
আমার মানস চকোর ধরিতে
পেতেছ পিরীতিফাঁদ॥ ধ্রু॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সেহ।
চাতক হইয়া তার প্রেমবারি
পিয়া সে করিব লেহ॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সোনা।
প্রেমে গলাইয়া বেশর বানাইয়া
নাকে করিব দোলনা॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ফুল।
গোছাটী করিয়া খোপায় পরিব
শোভিবে মাথার চুল॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ননী।
সোহাগে ছানিয়া অঙ্গেতে মাখিব
জ্ঞানদাস হবে ধনি॥
সই আমার গোরাচাঁদ।
আমার মানস চকোর ধরিতে
পেতেছ পিরীতিফাঁদ॥ ধ্রু॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সেহ।
চাতক হইয়া তার প্রেমবারি
পিয়া সে করিব লেহ॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সোনা।
প্রেমে গলাইয়া বেশর বানাইয়া
নাকে করিব দোলনা॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ফুল।
গোছাটী করিয়া খোপায় পরিব
শোভিবে মাথার চুল॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ননী।
সোহাগে ছানিয়া অঙ্গেতে মাখিব
জ্ঞানদাস হবে ধনি॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সই আমার গোরাচাঁদ।
আমার মানস চকোর ধরিতে
পেতেছ পিরীতিফাঁদ॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সেহ।
চাতক হইয়া তার প্রেমবারি
পিয়া সে করিব লেহ॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সোনা।
প্রেমে গলাইয়া বেশর বানাইয়া
নাকে করিব দোলনা॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ফুল।
গোছাটী করিয়া খোপায় পরিব
শোভিবে মাথার চুল॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ননী।
সোহাগে ছানিয়া অঙ্গেতে মাখিব
জ্ঞানদাস হবে ধনি॥
*********************
সই আমার গোরাচাঁদ।
আমার মানস চকোর ধরিতে
পেতেছ পিরীতিফাঁদ॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সেহ।
চাতক হইয়া তার প্রেমবারি
পিয়া সে করিব লেহ॥
সই আমার গৌরাঙ্গ সোনা।
প্রেমে গলাইয়া বেশর বানাইয়া
নাকে করিব দোলনা॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ফুল।
গোছাটী করিয়া খোপায় পরিব
শোভিবে মাথার চুল॥
সই আমার গৌরাঙ্গ ননী।
সোহাগে ছানিয়া অঙ্গেতে মাখিব
জ্ঞানদাস হবে ধনি॥
*********************
