কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
দেখরে প্রবল মল্লবেশধারী
দেখ রে ভাই প্রবল মল্লরূপধারী
কবি জ্ঞানদাস
দেখ রে ভাই প্রবল মল্লরূপধারী
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭০০ খৃষ্টাব্দে, হরিবল্লভ বা বল্লভ ভণিতার পদকর্তা বিশ্বনাথ চক্রবর্তী দ্বারা সংকলিত এবং ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯৩৮ খৃষ্টাব্দ) রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত "শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি" গ্রন্থের, ত্রয়োদশ ক্ষণদা---কৃষ্ণা ত্রয়োদশী, ৯৯-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীনিত্যানন্দচন্দ্রস্য
॥ সুহই বা শ্রীরাগ॥
দেখরে ভাই! প্রবল মল্ল-রূপ-ধারী।
নাম নিতাই ভায়া বলি রোয়ত
লীলা বুঝই না পারি॥
ভাবে বিঘূর্ণিত লোচন ঢর ঢর
দিগ বিদিগ নাহি জান।
মত্ত সিংহ যেন, গরজে ঘনে ঘন,
জগ মাব কাহু না মান॥
লীলা-রস-ময়, সুন্দর বিগ্রহ,
আনন্দে নটন-বিলাস।
কলি-মদ-দলন, দোলন গতি মন্থর,
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটি-তটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ,
মলয়জ লেপন অঙ্গে।
জ্ঞান দাস কহে, বিধি আনি মিলাওল,
আনি মাহ ঐছন রঙ্গে॥
॥ সুহই বা শ্রীরাগ॥
দেখরে ভাই! প্রবল মল্ল-রূপ-ধারী।
নাম নিতাই ভায়া বলি রোয়ত
লীলা বুঝই না পারি॥
ভাবে বিঘূর্ণিত লোচন ঢর ঢর
দিগ বিদিগ নাহি জান।
মত্ত সিংহ যেন, গরজে ঘনে ঘন,
জগ মাব কাহু না মান॥
লীলা-রস-ময়, সুন্দর বিগ্রহ,
আনন্দে নটন-বিলাস।
কলি-মদ-দলন, দোলন গতি মন্থর,
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটি-তটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ,
মলয়জ লেপন অঙ্গে।
জ্ঞান দাস কহে, বিধি আনি মিলাওল,
আনি মাহ ঐছন রঙ্গে॥
এই পদটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা”, গ্রন্থের ১১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থটির আমাদের সংগ্রহের পি.ডি.এফ. কপিটির প্রায় সব পৃষ্ঠাই অপাঠ্য অথবা দুষ্পাঠ্য।
॥ গৌরী॥ দেখরে প্রবল মল্ল-বেশধারী। নাম নিত্যানন্দ
ভাইয়া বলি রোয়ত ভাব বুঝিতে না পারি॥ ধ্রু॥ ভাবে
ঘূর্ণিত লোচন ঢল ২ দিগ বিদিগ নাহি মানে। মত্ত সিংহ
জিনি গরজন ঘন ২ জগমে কাহু না মানে॥ লীলা রসময়
সুন্দর বিগ্রহ আনন্দে নটন বিলাস। কলিমল দলন দোলন
গতি মন্থর কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥ কটিতটে বিবিধ বরণ পট্ট
পহিরণ মলয়জ লেপন অঙ্গে। জ্ঞানদাস কহে বিধি মিলায়ল
আনি কলিমে ঐছন রঙ্গে॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ গৌরী॥ দেখরে প্রবল মল্ল-বেশধারী। নাম নিত্যানন্দ
ভাইয়া বলি রোয়ত ভাব বুঝিতে না পারি॥ ধ্রু॥ ভাবে
ঘূর্ণিত লোচন ঢল ২ দিগ বিদিগ নাহি মানে। মত্ত সিংহ
জিনি গরজন ঘন ২ জগমে কাহু না মানে॥ লীলা রসময়
সুন্দর বিগ্রহ আনন্দে নটন বিলাস। কলিমল দলন দোলন
গতি মন্থর কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥ কটিতটে বিবিধ বরণ পট্ট
পহিরণ মলয়জ লেপন অঙ্গে। জ্ঞানদাস কহে বিধি মিলায়ল
আনি কলিমে ঐছন রঙ্গে॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ গৌরী॥
দেখরে প্রবল মল্লবেশধারী।
নাম নিত্যানন্দ, ভাইয়া বলি রোয়ত,
ভাব বুঝিতে না পারি॥ ধ্রু॥
ভাবে ঘূর্ণিত, লোচন ছল ছল,
দিগ বিদিগ নাহি মানে।
মত্ত সিংহ জিনি, গরজন ঘন ঘন,
জগমে কাহ না মানে॥
লীলা রসময়, সুন্দর বিগ্রহ,
আনন্দে নটন বিলাস।
কলি মন দলন, দোলন গতি মন্থর,
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটিতটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ,
মলয়জ লেপন অঙ্গে।
জ্ঞানদাস কহে, বিধি মিলায়ল,
আনি কলিমে ঐছন রঙ্গে॥
দেখরে প্রবল মল্লবেশধারী।
নাম নিত্যানন্দ, ভাইয়া বলি রোয়ত,
ভাব বুঝিতে না পারি॥ ধ্রু॥
ভাবে ঘূর্ণিত, লোচন ছল ছল,
দিগ বিদিগ নাহি মানে।
মত্ত সিংহ জিনি, গরজন ঘন ঘন,
জগমে কাহ না মানে॥
লীলা রসময়, সুন্দর বিগ্রহ,
আনন্দে নটন বিলাস।
কলি মন দলন, দোলন গতি মন্থর,
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটিতটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ,
মলয়জ লেপন অঙ্গে।
জ্ঞানদাস কহে, বিধি মিলায়ল,
আনি কলিমে ঐছন রঙ্গে॥
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৬ষ্ঠ তরঙ্গ, ১ম উচ্ছ্বাস, নিত্যানন্দচন্দ্র-এর ২৮০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
দেখ রে ভাই প্রবল মল্লরূপধারী।
নাম নিতাই ভায়া বলি রোয়ত
লীলা বুঝই না পারি॥ ধ্রু॥
ভাবে বিঘূর্ণিত লোচন ঢর ঢর
দিগবিদিগ নাহি জানে।
মত্ত সিংহ যেন গরজন ঘন ঘন
জগমে কাহু না মানে॥
লীলা রসময় সুন্দর বিগ্রহ
আনন্দে নটন বিলাস।
কলিমল-দলন গতি অতি মন্থর
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটিতটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ
মলয়জ লেপন অঙ্গ।
জ্ঞনদাস কহে বিধি আনি মিলায়ল
কলি মাঝে ঐছন রঙ্গ॥
দেখ রে ভাই প্রবল মল্লরূপধারী।
নাম নিতাই ভায়া বলি রোয়ত
লীলা বুঝই না পারি॥ ধ্রু॥
ভাবে বিঘূর্ণিত লোচন ঢর ঢর
দিগবিদিগ নাহি জানে।
মত্ত সিংহ যেন গরজন ঘন ঘন
জগমে কাহু না মানে॥
লীলা রসময় সুন্দর বিগ্রহ
আনন্দে নটন বিলাস।
কলিমল-দলন গতি অতি মন্থর
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটিতটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ
মলয়জ লেপন অঙ্গ।
জ্ঞনদাস কহে বিধি আনি মিলায়ল
কলি মাঝে ঐছন রঙ্গ॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীনিত্যানন্দচন্দ্র
॥ গৌরী॥
দেখ রে প্রবল মল্লবেশধারী।
নাম নিত্যানন্দ, ভাইয়া বলি রোয়ত,
ভাব বুঝিতে না পারি॥ ধ্রু
ভাবে ঘূর্ণিত, লোচন ছল ছল,
দিগ বিদিগ নাহি মানে।
মত্ত সিংহ জিনি, গরজন ঘন ঘন,
জগমে কাহ না মানে॥
লীলা রসময়, সুন্দর বিগ্রহ,
আনন্দে নটন বিলাস।
কলি মন দলন, দোলন গতি মন্থর,
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটিতটে বিবিধ, বরণ পট পহিরণ,
মলয়জ লেপন অঙ্গে।
জ্ঞনদাস কহে, বিধি মিলায়ল,
আনি কলিমে ঐছন রঙ্গে॥
॥ গৌরী॥
দেখ রে প্রবল মল্লবেশধারী।
নাম নিত্যানন্দ, ভাইয়া বলি রোয়ত,
ভাব বুঝিতে না পারি॥ ধ্রু
ভাবে ঘূর্ণিত, লোচন ছল ছল,
দিগ বিদিগ নাহি মানে।
মত্ত সিংহ জিনি, গরজন ঘন ঘন,
জগমে কাহ না মানে॥
লীলা রসময়, সুন্দর বিগ্রহ,
আনন্দে নটন বিলাস।
কলি মন দলন, দোলন গতি মন্থর,
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটিতটে বিবিধ, বরণ পট পহিরণ,
মলয়জ লেপন অঙ্গে।
জ্ঞনদাস কহে, বিধি মিলায়ল,
আনি কলিমে ঐছন রঙ্গে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দেখরে ভাই! প্রবল মল্লরূপধারী।
নাম নিতাই ভায়া বলি রোয়ত
লীলা বুঝই না পারি॥
ভাবে বিঘূর্ণিত লোচন ঢরঢর
দিগ বিদিগ নাহি জান।
মত্ত সিংহে যেন গরজে ঘন ঘন
জগ মাহ কাহু না মান॥
লীলা রসময় সুন্দর বিগ্রহ
আনন্দে নটন-বিলাস।
কলি-মদ-দলন দোলন গতি মন্থর
কীর্ত্তন করল প্রকাশ ॥
কটি-তটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ
মলয়জ লেপন অঙ্গে।
জ্ঞানদাস কহে বিধি আনি মিলাওল
কলি মাহ ঐছন রঙ্গে॥
নাম নিতাই ভায়া বলি রোয়ত
লীলা বুঝই না পারি॥
ভাবে বিঘূর্ণিত লোচন ঢরঢর
দিগ বিদিগ নাহি জান।
মত্ত সিংহে যেন গরজে ঘন ঘন
জগ মাহ কাহু না মান॥
লীলা রসময় সুন্দর বিগ্রহ
আনন্দে নটন-বিলাস।
কলি-মদ-দলন দোলন গতি মন্থর
কীর্ত্তন করল প্রকাশ ॥
কটি-তটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ
মলয়জ লেপন অঙ্গে।
জ্ঞানদাস কহে বিধি আনি মিলাওল
কলি মাহ ঐছন রঙ্গে॥
টীকা ---
হে ভাই ! প্রচণ্ড মল্লের বেশ ধারণকারীকে দেখ। ইহার নাম নিতাই। ইনি ভায়া বলিয়া কাঁদেন ; ইহার লীলার রহস্য বুঝিতে পারা যায় না। প্রেমাবেশে ইঁহার ঢলঢল নয়ন ঘুরিতে থাকে এবং ইঁহার দিগ্ বিদিগ্ জ্ঞান থাকে না। ইনি মত্ত সিংহের মতন পুনঃ পুনঃ গর্জ্জন করিতে থাকেন এবং জগতের মধ্যে কাহাকেও মানেন না। লীলাভরে রসময় ইঁহার সুন্দরমূর্ত্তি, ইনি দুলিয়া দুলিয়া ধীরে ধীরে চলেন এবং কলিকালের গর্ব্ব দলন করিবার জন্য কীর্ত্তন প্রকাশ করিলেন (কলিকালে লোকের পাপে প্রবৃত্তি হয়, কলির এই দুষ্টদর্প চূর্ণ করিলেন তিনি কীর্ত্তন প্রকাশ করিয়া। কীর্ত্তনের ফলে সব পাপতাপ বিদূরিত হইল। বৃন্দাবনদাসও গৌরাঙ্গ-নিত্যানন্দের সঙ্কীর্ত্তনের সৃষ্টীকর্ত্তা বলিয়াছেন)। তাঁহার কটিতে নানাবর্ণের বস্ত্র শোভা পায় আর দেহে চন্দন লেপিতে থাকে। জ্ঞানদাস বলেন যে বিধাতা এমন রঙ্গ কলিকালের মধ্যে আনিয়া মিলাইলেন।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ, ৩৭৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
হে ভাই ! প্রচণ্ড মল্লের বেশ ধারণকারীকে দেখ। ইহার নাম নিতাই। ইনি ভায়া বলিয়া কাঁদেন ; ইহার লীলার রহস্য বুঝিতে পারা যায় না। প্রেমাবেশে ইঁহার ঢলঢল নয়ন ঘুরিতে থাকে এবং ইঁহার দিগ্ বিদিগ্ জ্ঞান থাকে না। ইনি মত্ত সিংহের মতন পুনঃ পুনঃ গর্জ্জন করিতে থাকেন এবং জগতের মধ্যে কাহাকেও মানেন না। লীলাভরে রসময় ইঁহার সুন্দরমূর্ত্তি, ইনি দুলিয়া দুলিয়া ধীরে ধীরে চলেন এবং কলিকালের গর্ব্ব দলন করিবার জন্য কীর্ত্তন প্রকাশ করিলেন (কলিকালে লোকের পাপে প্রবৃত্তি হয়, কলির এই দুষ্টদর্প চূর্ণ করিলেন তিনি কীর্ত্তন প্রকাশ করিয়া। কীর্ত্তনের ফলে সব পাপতাপ বিদূরিত হইল। বৃন্দাবনদাসও গৌরাঙ্গ-নিত্যানন্দের সঙ্কীর্ত্তনের সৃষ্টীকর্ত্তা বলিয়াছেন)। তাঁহার কটিতে নানাবর্ণের বস্ত্র শোভা পায় আর দেহে চন্দন লেপিতে থাকে। জ্ঞানদাস বলেন যে বিধাতা এমন রঙ্গ কলিকালের মধ্যে আনিয়া মিলাইলেন।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ, ৩৭৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
দেখ রে ভাই প্রবল মল্লরূপধারী।
নাম নিতাই ভায়া বলি রোয়ত
লীলা বুঝই না পারি॥ ধ্রু॥
ভাবে বিঘূর্ণিত লোচন ঢর ঢর
দিগবিদিগ নাহি জানে।
মত্ত সিংহ যেন গরজন ঘন ঘন
জগমাঝে কাহু না মানে॥
লীলা রসময় সুন্দর বিগ্রহ
আনন্দে নটন বিলাস।
কলিমলদলন গতি অতি মন্থর
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটিতটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ
মলয়জ লেপন অঙ্গ।
জ্ঞনদাস কহে বিধি আনি মিলায়ল
কলি মাঝে ঐছন রঙ্গ॥
দেখ রে ভাই প্রবল মল্লরূপধারী।
নাম নিতাই ভায়া বলি রোয়ত
লীলা বুঝই না পারি॥ ধ্রু॥
ভাবে বিঘূর্ণিত লোচন ঢর ঢর
দিগবিদিগ নাহি জানে।
মত্ত সিংহ যেন গরজন ঘন ঘন
জগমাঝে কাহু না মানে॥
লীলা রসময় সুন্দর বিগ্রহ
আনন্দে নটন বিলাস।
কলিমলদলন গতি অতি মন্থর
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটিতটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ
মলয়জ লেপন অঙ্গ।
জ্ঞনদাস কহে বিধি আনি মিলায়ল
কলি মাঝে ঐছন রঙ্গ॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দেখ রে ভাই প্রবল মল্লরূপধারী।
নাম নিতাই ভায়া বলি রোয়ত
লীলা বুঝই না পারি॥
ভাবে বিঘূর্ণিত লোচন ঢর ঢর
দিগবিদিগ নাহি জানে।
মত্ত সিংহ যেন গরজন ঘন ঘন
জগমাঝে কাহু না মানে॥
লীলা রসময় সুন্দর বিগ্রহ
আনন্দে নটন বিলাস।
কলিমলদলন গতি অতি মন্থর
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটিতটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ
মলয়জ লেপন অঙ্গ।
জ্ঞনদাস কহে বিধি আনি মিলায়ল
কলি মাঝে ঐছন রঙ্গ॥
*********************
দেখ রে ভাই প্রবল মল্লরূপধারী।
নাম নিতাই ভায়া বলি রোয়ত
লীলা বুঝই না পারি॥
ভাবে বিঘূর্ণিত লোচন ঢর ঢর
দিগবিদিগ নাহি জানে।
মত্ত সিংহ যেন গরজন ঘন ঘন
জগমাঝে কাহু না মানে॥
লীলা রসময় সুন্দর বিগ্রহ
আনন্দে নটন বিলাস।
কলিমলদলন গতি অতি মন্থর
কীর্ত্তন করল প্রকাশ॥
কটিতটে বিবিধ বরণ পট পহিরণ
মলয়জ লেপন অঙ্গ।
জ্ঞনদাস কহে বিধি আনি মিলায়ল
কলি মাঝে ঐছন রঙ্গ॥
*********************
