কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
কাচা কাঞ্চন তনু চন্দন ভালে
কাঁচা কাঞ্চন তনু চন্দন ভালে
কাঁচ কাঞ্চন তনু চন্দন ভালে
কবি জ্ঞানদাস
কাঁচা কাঞ্চন তনু চন্দন ভালে
কাঁচ কাঞ্চন তনু চন্দন ভালে
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৬ সালে নব্যভারত পত্রিকার আষাঢ় ১৩০৩ সংখ্যায় প্রকাশিত, ক্ষীরোদচন্দ্র রায়ের “দুইখানি পুস্তক” প্রবন্ধের ১৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কাচা কাঞ্চন তনু চন্দন ভালে,
আজানুলম্বিত উরে মালতীর মালে।
পুলকের শোভা কিবা নবনীপ ফুলে,
কুন্তলে কুসুম কত শত অলিকুলে।
ভুবনমোহন রূপ মনমথ লীলা,
চান্দের অধিক মুখ শশি ষোলকলা।
হেম করিকর জিনি ভুজ যূগ শোভা,
গমন মাতঙ্গ জিনি জগমন লোভা।
আবেশে অবশ অঙ্গ বোলে হরি হরি,
কি লাগি করয়ে আঁখি বুঝিতে না পারি।
গদাধর আদি যত সহচর সঙ্গে,
নিজ নিজ ভাবে সবে সংকীর্ত্তন রঙ্গে।
যাহাতে ধরণী ধন্য বিশেষ নদীয়া,
জ্ঞানদাস বড় দুঃখী তাহা না দেখিয়া।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কাঁচা কাঞ্চন তনু চন্দন ভালে ।
আজানুলম্বিত উরে মালতীর মালে॥
পুলকের শোভা কিবা নবনীপ ফুলে।
কুন্তলে কুসুম কত শত অলিকুলে॥
ভুবনমোহন রূপ মনমথ লীলা ।
চাঁদের অধিক মুখ শশি ষোলকলা॥
হেম করিকর জিনি ভুজযূগ শোভা।
গমন মাতঙ্গ জিনি জগমন লোভা ॥
আবেশে অবশ অঙ্গ বোলে হরি হরি।
কি লাগি করয়ে আখি বুঝিতে না পারি॥
গদাধর আদি যত সহচর সঙ্গে।
নিজ নিজ ভাবে সব সংকীর্ত্তন রঙ্গে॥
যাহাতে ধরণী ধন্য, বিশেষ নদীয়া।
জ্ঞানদাস বড় দুঃখী তাহা না দেখিয়া॥
টীকা ---
চন্দন ভালে--- কপালে চন্দন।
আজানুলম্বিত উরে--- উর মানে বক্ষ, আজানুলম্বিত বাহু এবং বক্ষে মালতীর মালা।
পুলকের শোভা ইত্যাদি --- তাঁহার দেহের পুলকরোমাঞ্চ দেখিয়া কদম্বফুলের কথা মনে হয়।
হেম করিকর --- হাতীর রং ময়লা, আর তাঁহার বাহুর রং সোনার মতন, তাই সোনার হাতীর শুঁড়কে হারাইয়া দেয় তাঁহার বাহুর শোভা।
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৩০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ রাগ সুই॥
কাঁচ কাঞ্চন তনু চন্দন ভালে ।
আজানুলম্বিত ভুজ তার মালতি-মালে॥
পুলকের শোভা কিবা বান বনি ফুলে।
কুন্তলে কুসুমে কত শত অলিকুলে॥
ভুবনমোহন রূপ মনমথ-লীলা।
চাঁদের অধিক মুখ শশি ষোল কলা॥
হেম করিবর জিনি ভুজযুগ-শোভা।
গমন মতঙ্গ জিনি জগ-মনলোভা॥
আবেশে অবশ অঙ্গ বোলে হরি হরি।
কি লাগি ঝরয়ে আঁখি বুঝিতে না পারি॥
গদাধর আদি যত সহচরি সঙ্গে।
নিজ নিজ ভাবে সভে কীর্ত্তন রঙ্গে॥
যাহাতে ধরণী ধন্য বিশেষ নদীয়া।
জ্ঞানদাস বড় দুখী তা ( হা ? ) না দেখিয়া॥
এই পদটি এই গ্রন্থের “অসম্পূর্ণ পদাবলী” অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। অধ্যায়ের শুরুতে লেখা আছে --- “এই অসম্পূর্ণ পদগুলি বিভিন্ন পুঁথি হইতে সংগৃহিত ও সর্বপ্রথম প্রকাশিত হইল। দুঃখের বিষয়, ইহাদের পূর্ণ রূপটি উদ্ধার করিতে পারা গেল না।”
*********************
আজানুলম্বিত উরে মালতীর মালে।
পুলকের শোভা কিবা নবনীপ ফুলে,
কুন্তলে কুসুম কত শত অলিকুলে।
ভুবনমোহন রূপ মনমথ লীলা,
চান্দের অধিক মুখ শশি ষোলকলা।
হেম করিকর জিনি ভুজ যূগ শোভা,
গমন মাতঙ্গ জিনি জগমন লোভা।
আবেশে অবশ অঙ্গ বোলে হরি হরি,
কি লাগি করয়ে আঁখি বুঝিতে না পারি।
গদাধর আদি যত সহচর সঙ্গে,
নিজ নিজ ভাবে সবে সংকীর্ত্তন রঙ্গে।
যাহাতে ধরণী ধন্য বিশেষ নদীয়া,
জ্ঞানদাস বড় দুঃখী তাহা না দেখিয়া।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কাঁচা কাঞ্চন তনু চন্দন ভালে ।
আজানুলম্বিত উরে মালতীর মালে॥
পুলকের শোভা কিবা নবনীপ ফুলে।
কুন্তলে কুসুম কত শত অলিকুলে॥
ভুবনমোহন রূপ মনমথ লীলা ।
চাঁদের অধিক মুখ শশি ষোলকলা॥
হেম করিকর জিনি ভুজযূগ শোভা।
গমন মাতঙ্গ জিনি জগমন লোভা ॥
আবেশে অবশ অঙ্গ বোলে হরি হরি।
কি লাগি করয়ে আখি বুঝিতে না পারি॥
গদাধর আদি যত সহচর সঙ্গে।
নিজ নিজ ভাবে সব সংকীর্ত্তন রঙ্গে॥
যাহাতে ধরণী ধন্য, বিশেষ নদীয়া।
জ্ঞানদাস বড় দুঃখী তাহা না দেখিয়া॥
টীকা ---
চন্দন ভালে--- কপালে চন্দন।
আজানুলম্বিত উরে--- উর মানে বক্ষ, আজানুলম্বিত বাহু এবং বক্ষে মালতীর মালা।
পুলকের শোভা ইত্যাদি --- তাঁহার দেহের পুলকরোমাঞ্চ দেখিয়া কদম্বফুলের কথা মনে হয়।
হেম করিকর --- হাতীর রং ময়লা, আর তাঁহার বাহুর রং সোনার মতন, তাই সোনার হাতীর শুঁড়কে হারাইয়া দেয় তাঁহার বাহুর শোভা।
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৩০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ রাগ সুই॥
কাঁচ কাঞ্চন তনু চন্দন ভালে ।
আজানুলম্বিত ভুজ তার মালতি-মালে॥
পুলকের শোভা কিবা বান বনি ফুলে।
কুন্তলে কুসুমে কত শত অলিকুলে॥
ভুবনমোহন রূপ মনমথ-লীলা।
চাঁদের অধিক মুখ শশি ষোল কলা॥
হেম করিবর জিনি ভুজযুগ-শোভা।
গমন মতঙ্গ জিনি জগ-মনলোভা॥
আবেশে অবশ অঙ্গ বোলে হরি হরি।
কি লাগি ঝরয়ে আঁখি বুঝিতে না পারি॥
গদাধর আদি যত সহচরি সঙ্গে।
নিজ নিজ ভাবে সভে কীর্ত্তন রঙ্গে॥
যাহাতে ধরণী ধন্য বিশেষ নদীয়া।
জ্ঞানদাস বড় দুখী তা ( হা ? ) না দেখিয়া॥
এই পদটি এই গ্রন্থের “অসম্পূর্ণ পদাবলী” অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। অধ্যায়ের শুরুতে লেখা আছে --- “এই অসম্পূর্ণ পদগুলি বিভিন্ন পুঁথি হইতে সংগৃহিত ও সর্বপ্রথম প্রকাশিত হইল। দুঃখের বিষয়, ইহাদের পূর্ণ রূপটি উদ্ধার করিতে পারা গেল না।”
*********************
