কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
চলিতে না চলে পা কিবা সে হেলনি গা
চলিতে না চলে পা কিবা সে হেলনি গো
চলিতে না চলে পা কিবা সে হিলন গা
কবি জ্ঞানদাস
চলিতে না চলে পা কিবা সে হেলনি গো
চলিতে না চলে পা কিবা সে হিলন গা
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে, নরহরি (ঘনশ্যাম) চক্রবর্তী প্রণীত এবং ৪৬২ গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্ব্বরাগ) গ্রন্থের, ২৯৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ
॥ ভাটিয়ারী॥
চলিতে না চলে পা কিবা সে হেলনি গা রাজপথে নিতাইর নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তাবড় তাবড় রঙ্গী অতি অপরূপ রসের হাট॥
এ দেশেতে এমন না ছিল এতদিন নিতাই চাঁদের হেন লীলা।
@@@@@
শুনিয়া ভাইর কথা পুরুবে বারুণী পীতা সে সব আভাসে হাস মুখে।
না করে কাহারে ভিন এই সে প্রেমের চিহ্ন দিগবিদিগ নাই সুখে॥
রাত্রে দিনে আন নাই কহিতে লোকের ঠাই আবেশে অবশ হৈয়া পড়ে।
জ্ঞানদাস এই কয় জগ ভরি জয় জয় ভবভয় সব গেল দূরে॥
@@@@@ - এখানে "দীনহীন লোক প্রীত চিত আঁখি উলসিত কিবা কলি রসে ভুলি গেলা॥" এই কলিটি দেওয়া নেই।
॥ ভাটিয়ারী॥
চলিতে না চলে পা কিবা সে হেলনি গা রাজপথে নিতাইর নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তাবড় তাবড় রঙ্গী অতি অপরূপ রসের হাট॥
এ দেশেতে এমন না ছিল এতদিন নিতাই চাঁদের হেন লীলা।
@@@@@
শুনিয়া ভাইর কথা পুরুবে বারুণী পীতা সে সব আভাসে হাস মুখে।
না করে কাহারে ভিন এই সে প্রেমের চিহ্ন দিগবিদিগ নাই সুখে॥
রাত্রে দিনে আন নাই কহিতে লোকের ঠাই আবেশে অবশ হৈয়া পড়ে।
জ্ঞানদাস এই কয় জগ ভরি জয় জয় ভবভয় সব গেল দূরে॥
@@@@@ - এখানে "দীনহীন লোক প্রীত চিত আঁখি উলসিত কিবা কলি রসে ভুলি গেলা॥" এই কলিটি দেওয়া নেই।
এই পদটি ১৮৯৬ সালে নব্যভারত পত্রিকার আষাঢ় ১৩০৩ সংখ্যায় প্রকাশিত, ক্ষীরোদচন্দ্র রায়ের “দুইখানি পুস্তক” প্রবন্ধের ১৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চলিতে না চলে পা, কিবা সে হেলনি গো,
রাজ পথে নিতায়ের নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী, তা বড় তা বড় রঙ্গী,
অতি অপরূপ রসের হাট।
এ দেশে এমন না ছিল এতদিন, নিতাই চাঁদের হেন লীলা,
দিনে দিনে লোকের চিত, আঁখি উলসিত
কিবা কলি রসে ভুলি গেলা।
শুনিয়া ভাই এর কথা, পুরুবে বারুণী পিতা,
সে সব আভাসে হাস মুখে ;
না করে কাহারে ভিণ, এই যে প্রেমের চিন,
দিগ বিদিগ নাহি সুখে।
রাত্র দিনে আন নাই, কহিতে লোকের ঠাঁই,
আবেশে অবশ হৈয়া পড়ে ;
জ্ঞানদাস এই কয়, জগভরি জয় জয়,
তব ভয় সব গেল দূরে।
রাজ পথে নিতায়ের নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী, তা বড় তা বড় রঙ্গী,
অতি অপরূপ রসের হাট।
এ দেশে এমন না ছিল এতদিন, নিতাই চাঁদের হেন লীলা,
দিনে দিনে লোকের চিত, আঁখি উলসিত
কিবা কলি রসে ভুলি গেলা।
শুনিয়া ভাই এর কথা, পুরুবে বারুণী পিতা,
সে সব আভাসে হাস মুখে ;
না করে কাহারে ভিণ, এই যে প্রেমের চিন,
দিগ বিদিগ নাহি সুখে।
রাত্র দিনে আন নাই, কহিতে লোকের ঠাঁই,
আবেশে অবশ হৈয়া পড়ে ;
জ্ঞানদাস এই কয়, জগভরি জয় জয়,
তব ভয় সব গেল দূরে।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চলিতে না চলে পা কিবা সে হেলনি গা
রাজপথে নিতাইর নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তা বড় তা বড় রঙ্গী
অতি অপরূপ রসের হাট॥
এ দেশেতে এমন না ছিল এতদিন
নিতাই চাঁদের হেন লীলা।
দীনহীন লোক প্রীত চিত আঁখি উলসিত
কিবা কলি রসে ভুলি গেলা॥
শুনিয়া ভাইর কথা পুরুবে বারুণী পীতা
সে সব আভাসে হাস মুখে।
না করে কাহারে ভিন এই সে প্রেমের চিন
দিগবিদিগ নাই সুখে॥
রাত্র দিনে আন নাই কহিতে লোকের ঠাই
আবেশে অবশ হইয়া পড়ে।
জ্ঞানদাস এই কয় জগভরি জয় জয়
ভবভয় সব গেল দূরে॥
রাজপথে নিতাইর নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তা বড় তা বড় রঙ্গী
অতি অপরূপ রসের হাট॥
এ দেশেতে এমন না ছিল এতদিন
নিতাই চাঁদের হেন লীলা।
দীনহীন লোক প্রীত চিত আঁখি উলসিত
কিবা কলি রসে ভুলি গেলা॥
শুনিয়া ভাইর কথা পুরুবে বারুণী পীতা
সে সব আভাসে হাস মুখে।
না করে কাহারে ভিন এই সে প্রেমের চিন
দিগবিদিগ নাই সুখে॥
রাত্র দিনে আন নাই কহিতে লোকের ঠাই
আবেশে অবশ হইয়া পড়ে।
জ্ঞানদাস এই কয় জগভরি জয় জয়
ভবভয় সব গেল দূরে॥
টীকা ---
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তা বড় তা বড় রঙ্গী --- নিত্যানন্দ প্রভুর সহচরেরাও কিরূপ রঙ্গ-প্রিয় ছিলেন তাহা চৈতন্যভাগবতের বর্ণনা হইতে জানা যায়।
পুরুবে বারুণী পীতা --- নিত্যানন্দ দ্বীপরলীলায় বলরাম ছিলেন এবং বারুণী পান করিতেন। এখন পর্য্যন্ত তাঁহার হাসিমুখ দেখিলে তাহার আভাস পাওয়া যায়।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৩৭৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তা বড় তা বড় রঙ্গী --- নিত্যানন্দ প্রভুর সহচরেরাও কিরূপ রঙ্গ-প্রিয় ছিলেন তাহা চৈতন্যভাগবতের বর্ণনা হইতে জানা যায়।
পুরুবে বারুণী পীতা --- নিত্যানন্দ দ্বীপরলীলায় বলরাম ছিলেন এবং বারুণী পান করিতেন। এখন পর্য্যন্ত তাঁহার হাসিমুখ দেখিলে তাহার আভাস পাওয়া যায়।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৩৭৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভাটিয়ালি॥
চলিতে না চলে পা কিবা সে হিলন গা
রাজপথে নিতাইর নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তা বড় তা বড় রঙ্গী
অতি অপরূপ রসের হাট॥
এ দেশে এমন না ছিল এতেক দিন
নিতাইচান্দের হেন লীলা।
দীন হীন লোক প্রীত চিত আঁখি উলসিত
কিবা কলি রসে ভুলি গেলা॥
শুনিয়া ভাইএর কথা পূরবে বারুণী পীতা
সে সব আভাসে হাস মুখে।
না করে কাহারে ভিন এই সে প্রেমের চিন
দিগবিদিগ নাহি সুখে॥
রাত্রি দিন আন নাই কহিতে লোকের ঠাঞি
আবেশে অবশ হয়্যা পড়ে।
জ্ঞানদাসেতে কয় জগভরি জয় জয়
ভবভয় গেল সব দূরে॥
চলিতে না চলে পা কিবা সে হিলন গা
রাজপথে নিতাইর নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তা বড় তা বড় রঙ্গী
অতি অপরূপ রসের হাট॥
এ দেশে এমন না ছিল এতেক দিন
নিতাইচান্দের হেন লীলা।
দীন হীন লোক প্রীত চিত আঁখি উলসিত
কিবা কলি রসে ভুলি গেলা॥
শুনিয়া ভাইএর কথা পূরবে বারুণী পীতা
সে সব আভাসে হাস মুখে।
না করে কাহারে ভিন এই সে প্রেমের চিন
দিগবিদিগ নাহি সুখে॥
রাত্রি দিন আন নাই কহিতে লোকের ঠাঞি
আবেশে অবশ হয়্যা পড়ে।
জ্ঞানদাসেতে কয় জগভরি জয় জয়
ভবভয় গেল সব দূরে॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের, শ্রীনিত্যানন্দ, ১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভাটিয়ালি॥
চলিতে না চলে পা কিবা সে হিলন গা
রাজপথে নিতাইর নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তা বড় তা বড় রঙ্গী
অতি অপরূপ রসের হাট॥
এ দেশে এমন না ছিল এতেক দিন
নিতাইচান্দের হেন লীলা।
দীন হীন লোক প্রীত চিত আঁখি উলসিত
কিবা কলি রসে ভুলি গেলা॥
শুনিয়া ভাইর কথা পুরবে বারুণী পীতা
সে সব আভাসে হাস মুখে।
না করে কাহারে ভিন এই সে প্রেমের চিন্
দিগ-বিদিগ নাহি সুখে॥
রাত্রি দিন আন নাই কহিতে লোকের ঠাঞি
আবেশে অবশ হয়া পড়ে।
জ্ঞানদাস কয় জগ-ভরি জয় জয়
ভব-ভয় গেল সব দূরে॥
চলিতে না চলে পা কিবা সে হিলন গা
রাজপথে নিতাইর নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তা বড় তা বড় রঙ্গী
অতি অপরূপ রসের হাট॥
এ দেশে এমন না ছিল এতেক দিন
নিতাইচান্দের হেন লীলা।
দীন হীন লোক প্রীত চিত আঁখি উলসিত
কিবা কলি রসে ভুলি গেলা॥
শুনিয়া ভাইর কথা পুরবে বারুণী পীতা
সে সব আভাসে হাস মুখে।
না করে কাহারে ভিন এই সে প্রেমের চিন্
দিগ-বিদিগ নাহি সুখে॥
রাত্রি দিন আন নাই কহিতে লোকের ঠাঞি
আবেশে অবশ হয়া পড়ে।
জ্ঞানদাস কয় জগ-ভরি জয় জয়
ভব-ভয় গেল সব দূরে॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬১৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চলিতে না চলে পা কিবা সে হিলন গা
রাজপথে নিতাইর নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তা বড় তা বড় রঙ্গী
অতি অপরূপ রসের হাট॥
এ দেশে এমন কভু না ছিল এতেক দিন
নিতাইচান্দের হেন লীলা।
দীন হীন লোক প্রীত চিত আঁখি উলসিত
কিবা কলি রসে ভুলি গেলা॥
শুনিয়া ভাইএর কথা পূরবে বারুণী
পীতা সে সব আভাসে হাস মুখে।
না করে কাহারে ভিন এই সে প্রেমের
চিন দিগবিদিগ নাহি সুখে॥
রাত্রি দিন আন নাই কহিতে লোকের
ঠাঞি আবেশে অবশ হয়্যা পড়ে।
জ্ঞানদাসেতে কয় জগভরি জয় জয়
ভবভয় গেল সব দূরে॥
*********************
চলিতে না চলে পা কিবা সে হিলন গা
রাজপথে নিতাইর নাট।
সঙ্গের যতেক সঙ্গী তা বড় তা বড় রঙ্গী
অতি অপরূপ রসের হাট॥
এ দেশে এমন কভু না ছিল এতেক দিন
নিতাইচান্দের হেন লীলা।
দীন হীন লোক প্রীত চিত আঁখি উলসিত
কিবা কলি রসে ভুলি গেলা॥
শুনিয়া ভাইএর কথা পূরবে বারুণী
পীতা সে সব আভাসে হাস মুখে।
না করে কাহারে ভিন এই সে প্রেমের
চিন দিগবিদিগ নাহি সুখে॥
রাত্রি দিন আন নাই কহিতে লোকের
ঠাঞি আবেশে অবশ হয়্যা পড়ে।
জ্ঞানদাসেতে কয় জগভরি জয় জয়
ভবভয় গেল সব দূরে॥
*********************
