কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
গোপাল যাবে কি না যাবে আজি গোঠে
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ বিহার
॥ তুড়ি॥
গোপাল যাবে কি না যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে, আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥ ধ্রু
উচ্চণ্ড দেখিয়া বেলা, ডাকিতে আইনু মোরা,
যতেক গোকুলের রাখ জান।
একেলা মন্দির মাঝে, আছ তুমি কোন কাজে,
এ তোমার কোন্ ঠাকুরাণ॥
যদি বা এড়িয়া যাই, অন্তরেতে ব্যথা পাই,
যাইতে কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান, সদাই অন্তরে টান,
তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছিঁদন দড়ি, হাথেতে কনক লড়ি,
বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লৈয়া, যমুনার তীরে যাইয়া,
জ্ঞান দাস ছিল তার পাছে॥
॥ তুড়ি॥
গোপাল যাবে কি না যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে, আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥ ধ্রু
উচ্চণ্ড দেখিয়া বেলা, ডাকিতে আইনু মোরা,
যতেক গোকুলের রাখ জান।
একেলা মন্দির মাঝে, আছ তুমি কোন কাজে,
এ তোমার কোন্ ঠাকুরাণ॥
যদি বা এড়িয়া যাই, অন্তরেতে ব্যথা পাই,
যাইতে কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান, সদাই অন্তরে টান,
তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছিঁদন দড়ি, হাথেতে কনক লড়ি,
বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লৈয়া, যমুনার তীরে যাইয়া,
জ্ঞান দাস ছিল তার পাছে॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৭৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ।
॥ তুড়ি॥
গোপাল যাবে কি না যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে,
আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উচ্চণ্ড দেখিয়া বেলা,
ডাকিতে আইনু মোরা,
যতেক গোকুলের রাখ জান।
একেলা মন্দির মাঝে,
আছ তুমি কোন কাজে,
এ তোমার কোন্ ঠাকুরাণ॥
যদি বা এড়িয়া যাই,
অন্তরেতে ব্যথা পাই,
যাইতে কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান,
সদাই অন্তরে টান,
তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছিঁদন দড়ি,
হাথেতে কনক লড়ি,
বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লৈয়া,
যমুনার তীরে যাইয়া,
জ্ঞান দাস ছিল তার পাছে॥
॥ তুড়ি॥
গোপাল যাবে কি না যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে,
আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উচ্চণ্ড দেখিয়া বেলা,
ডাকিতে আইনু মোরা,
যতেক গোকুলের রাখ জান।
একেলা মন্দির মাঝে,
আছ তুমি কোন কাজে,
এ তোমার কোন্ ঠাকুরাণ॥
যদি বা এড়িয়া যাই,
অন্তরেতে ব্যথা পাই,
যাইতে কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান,
সদাই অন্তরে টান,
তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছিঁদন দড়ি,
হাথেতে কনক লড়ি,
বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লৈয়া,
যমুনার তীরে যাইয়া,
জ্ঞান দাস ছিল তার পাছে॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ
॥ তুড়ী॥
গোপাল যাবে কি না যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে, আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥ উচ্চণ্ড দেখিয়া
বেলা, ডাকিতে আইনু মোরা, যতেক গোকু-
লের রাখ জান। একেলা মন্দির মাঝে,
আছ তুমি কোন্ কাজে, এ তোমার কোন্
ঠাকুরাণী॥ যদি বা এড়িয়া যাই, অন্তরেতে
ব্যথা পাই, যাইতে কেমতে প্রাণ ধরি। না
জানি কি গুণ জান, সদাই অন্তরে টান,
তিল আধ না দেখিলে মরি॥ মাথেতে ছিদন
দড়ি, হাথেতে কনক লড়ি, বার হইলা
বিহারের বেশে। সকল বালক লৈয়া,
যমুনার তীরে যাইয়া, জ্ঞান দাস ছিল তার
পাছে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ
॥ তুড়ী॥
গোপাল যাবে কি না যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে, আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥ উচ্চণ্ড দেখিয়া
বেলা, ডাকিতে আইনু মোরা, যতেক গোকু-
লের রাখ জান। একেলা মন্দির মাঝে,
আছ তুমি কোন্ কাজে, এ তোমার কোন্
ঠাকুরাণী॥ যদি বা এড়িয়া যাই, অন্তরেতে
ব্যথা পাই, যাইতে কেমতে প্রাণ ধরি। না
জানি কি গুণ জান, সদাই অন্তরে টান,
তিল আধ না দেখিলে মরি॥ মাথেতে ছিদন
দড়ি, হাথেতে কনক লড়ি, বার হইলা
বিহারের বেশে। সকল বালক লৈয়া,
যমুনার তীরে যাইয়া, জ্ঞান দাস ছিল তার
পাছে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ-লীলা।
॥ তুড়ী॥
গোপাল যাবে কি না যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে, আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উচ্চণ্ড দেখিয়া বেলা, ডাকিতে আইনু মোরা,
যতেক গোকুলের রাখ জান।
একেলা মন্দিরমাঝে, আছ তুমি কোন কাজে,
এ তোমার কোন্ ঠাকুরাণ॥
যদি বা এড়িয়া যাই, অন্তরেতে ব্যথা পাই,
যাইতে কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান, সদাই অন্তরে টান,
তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছিঁদন দড়ি, হাথেতে কনক-লড়ি,
বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লৈয়া, যমুনার তীরে যাইয়া,
জ্ঞানদাস ছিল তার পাছে॥
॥ তুড়ী॥
গোপাল যাবে কি না যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে, আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উচ্চণ্ড দেখিয়া বেলা, ডাকিতে আইনু মোরা,
যতেক গোকুলের রাখ জান।
একেলা মন্দিরমাঝে, আছ তুমি কোন কাজে,
এ তোমার কোন্ ঠাকুরাণ॥
যদি বা এড়িয়া যাই, অন্তরেতে ব্যথা পাই,
যাইতে কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান, সদাই অন্তরে টান,
তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছিঁদন দড়ি, হাথেতে কনক-লড়ি,
বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লৈয়া, যমুনার তীরে যাইয়া,
জ্ঞানদাস ছিল তার পাছে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ১০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠলীলা, সখ্য ও বাত্সল্য রসের পদ।
গোপাল যাবে কিনা যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে, আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উচ্চণ্ড দেখিয়া বেলা, ডাকিতে আইনু মোরা,
যতেক গোকুলের রাখ জান।
একেলা মন্দির মাঝে, আছ তুমি কোন কাজে।
এ তোমার কোন ঠাকুরাণ॥
যদিবা এড়িয়া যাই, অন্তরেতে ব্যথা পাই,
যাইতে কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান, সদাই অন্তরে টান,
তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছিঁদন দড়ি, হাথেতে কনক-লড়ি,
বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লৈয়া, যমুনার তীরে যাইয়া,
জ্ঞানদাস ছিল তার শেষে॥
এক বোল বলিলে, আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উচ্চণ্ড দেখিয়া বেলা, ডাকিতে আইনু মোরা,
যতেক গোকুলের রাখ জান।
একেলা মন্দির মাঝে, আছ তুমি কোন কাজে।
এ তোমার কোন ঠাকুরাণ॥
যদিবা এড়িয়া যাই, অন্তরেতে ব্যথা পাই,
যাইতে কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান, সদাই অন্তরে টান,
তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছিঁদন দড়ি, হাথেতে কনক-লড়ি,
বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লৈয়া, যমুনার তীরে যাইয়া,
জ্ঞানদাস ছিল তার শেষে॥
টীকা--
ঠাকরাণ --- প্রভুর মতন বা জমিদারের মতন ব্যবহার।
এড়িয়া যাই --- তোমাকে ছাড়িয়া আমরা যাই।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
ঠাকরাণ --- প্রভুর মতন বা জমিদারের মতন ব্যবহার।
এড়িয়া যাই --- তোমাকে ছাড়িয়া আমরা যাই।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠলীলা
॥ তুড়ী॥
গোপাল যাবে কিনা যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উছড় দেখিয়া বেলা ডাকিতে আইনু মোরা
যতেক গোকুলের রাখয়াল।
একেলা মন্দির মাঝে আছ তুমি কোন কাজে
এ তোমার কোন্ ঠাকুরাল॥
যদিবা এড়িয়া যাই মনে বড় বেথা পাই
যাইব কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান সদাই অন্তরে টান
তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছান্দন দড়ি, হাতেতে কনক লড়ি
বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লইয়া যমুনার তীরে যাইয়া
জ্ঞানদাস ছিল সবার শেষে॥
॥ তুড়ী॥
গোপাল যাবে কিনা যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উছড় দেখিয়া বেলা ডাকিতে আইনু মোরা
যতেক গোকুলের রাখয়াল।
একেলা মন্দির মাঝে আছ তুমি কোন কাজে
এ তোমার কোন্ ঠাকুরাল॥
যদিবা এড়িয়া যাই মনে বড় বেথা পাই
যাইব কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান সদাই অন্তরে টান
তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছান্দন দড়ি, হাতেতে কনক লড়ি
বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লইয়া যমুনার তীরে যাইয়া
জ্ঞানদাস ছিল সবার শেষে॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তুড়ী॥
গোপাল যাবে কিনা যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে আমরা চলিয়া যাই গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উদড় দেখিয়া বেলা ডাকিতে আইনু মোরা যতেক গোকুলের রাখয়াল।
একেলা মন্দির মাঝে আছ তুমি কোন্ কাজে এ তোমার কোন্ ঠাকুরাল॥
যদিবা এড়িয়া যাই মনে বড় বেথা পাই যাইব কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান সদাই অন্তরে টান তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছান্দন দড়ি হাতেতে কনক লড়ি বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লইয়া যমুনার তীরে যাইয়া জ্ঞানদাস ছিল সবার শেষে॥
গোপাল যাবে কিনা যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে আমরা চলিয়া যাই গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উদড় দেখিয়া বেলা ডাকিতে আইনু মোরা যতেক গোকুলের রাখয়াল।
একেলা মন্দির মাঝে আছ তুমি কোন্ কাজে এ তোমার কোন্ ঠাকুরাল॥
যদিবা এড়িয়া যাই মনে বড় বেথা পাই যাইব কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান সদাই অন্তরে টান তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছান্দন দড়ি হাতেতে কনক লড়ি বার হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লইয়া যমুনার তীরে যাইয়া জ্ঞানদাস ছিল সবার শেষে॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬১৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোপাল যাবে কিনা যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উছড় দেখিয়া বেলা ডাকিতে আইনু
মোরা যতেক গোকুলের রাখয়াল।
একেলা মন্দির মাঝে আছ তুমি কোন
কাজে এ তোমার কোন্ ঠাকুরাল॥
যদিবা এড়িয়া যাই মনে বড় বেথা পাই
যাইব কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান সদাই অন্তরে
টান তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছান্দন দড়ি হাতেতে কনক লড়ি
বাহির হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লইয়া যমুনার তীরে যাইয়া
জ্ঞানদাস ছিল সবার শেষে॥
*********************
গোপাল যাবে কিনা যাবে আজি গোঠে।
এক বোল বলিলে আমরা চলিয়া যাই,
গোধন চলিয়া গেল মাঠে॥
উছড় দেখিয়া বেলা ডাকিতে আইনু
মোরা যতেক গোকুলের রাখয়াল।
একেলা মন্দির মাঝে আছ তুমি কোন
কাজে এ তোমার কোন্ ঠাকুরাল॥
যদিবা এড়িয়া যাই মনে বড় বেথা পাই
যাইব কেমতে প্রাণ ধরি।
না জানি কি গুণ জান সদাই অন্তরে
টান তিল আধ না দেখিলে মরি॥
মাথেতে ছান্দন দড়ি হাতেতে কনক লড়ি
বাহির হইলা বিহারের বেশে।
সকল বালক লইয়া যমুনার তীরে যাইয়া
জ্ঞানদাস ছিল সবার শেষে॥
*********************
