কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি
চাই মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি
কবি জ্ঞানদাস
চাই মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), প্রথম খণ্ড প্রথম ও দ্বিতীয় শাখার ৪৪৬-নং পদসংখ্যা, কলহান্তরিতা, ২৯১-নং পৃষ্ঠা থেকে নেওয়া।
॥ সুহই॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অবিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটির পাঠন্তরে, উপরোক্ত ৪৪৬ এবং নিম্নে দেয়া ৫১৩ সংখ্যক পদ দুটি নিয়ে পদকল্পতরুর সম্পাদক সতীশচন্দ্র রায় লিখেছেন (আমরা কেবল ৩টে পাঠান্তর এখানে উল্লেখ করলাম) . . .
১। ইহা প-র-সা পুথির ৬৩৬ সংখ্যক পদ। “সুহই” স্থলে “ধানশী” প-র-সা।
২। “তুয়া” স্থলে “তোমার” খ, ঘ, প-র-সা। (এগুলো সতীশচন্দ্র রায়ের প্রাপ্ত পুথির নাম)
৩। পদকল্পতরু গ্রন্থের ৫১৩ সংখ্যক “চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি” ইত্যাদি পদটির প্রথম পংক্তি এই পদের প্রথম পংক্তির সহিত অভিন্ন হইলেও, এই পদের ২--৪ পংক্তিগুলির সহিত ঐ পদের ২—৪ পংক্তিগুলির ঐক্য নাই ; কিন্তু প-র-সা পুথির ২--৪ পংক্তির সহিত ঐক্য আছে ; সুতরাং আমরা ৪৪৬ সংখ্যক পদটিকে ৫১৩ সংখ্যক পদের রূপান্তর বলিয়াই বিবেচনা করি ; এরূপ মনে করার আর একটি প্রধান কারণ এই যে, ক, গ ও চ পুথিতে পদটির প্রথম চারি চরণ উদ্ধৃত করিয়া “ইত্যাদি গীতং” বলিয়া শেষ করা হইয়াছে ; খ ও ঘ পুথিতে “ইত্যাদি গীতং” লিখিত না হইলেও পদটি যে অসম্পূর্ণ রহিয়াছে, তাহা সহজেই প্রতীত হয় ; “ইত্যাদি” বলিয়া শেষ করিলে সম্পূর্ণ পদটি স্থানান্তরে উদ্ধৃত হইয়াছে, বুঝা যায় ; ৫১৩ সংখাক পদের প্রথম পংক্তির সহিত এই পদের প্রথম পংক্তির ও ঐ পদের ৬ষ্ঠ পংক্তির সহিত এই পদের ২য় পংক্তির সম্পূর্ণ ঐক্য দৃষ্ট হয়, তদ্ভিন্ন আর কোন পদের সহিত ইহার ঐক্য দেখা যায় না ; সুতরাং ইহাকে ৫১৩ সংখ্যক পদের রূপান্তর ব্যতীত স্বতন্ত্র পদ মনে করা যাইতে পারে না।
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), প্রথম খণ্ড প্রথম ও দ্বিতীয় শাখার ৫১৩ নং পদসংখ্যা, দুর্জ্জয় মান, ৩৪৪-নং পৃষ্ঠা থেকে নেওয়া।
পুনঃ শ্রীকৃষ্ণস্য দৈন্যোক্তিঃ। ॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তুহে পিরিতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানে কার মন॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ১৩৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ গান্ধার॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি। পরসিতে চাহি তোমার রাঙ্গাচরণের ধূলি॥
অভিমান দূর করি চাহ একবার। দূরে জাক সব মোর হিয়া আন্ধিয়ার॥
পীত পিন্ধল হাম তুয়া অভিলাষে। পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী। নয়ান নাচনে নাচে হিয়ার পুথলি॥
এত ধনের ধনী জে সে কেন কিপন। জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে কারণ॥
এই পদটি বৈশাখ ১২৯২ বঙ্গাব্দে (১৮৮৫ সালে) প্রকাশিত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্রীশচন্দ্র মজুমদার দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদরত্নাবলী, অর্থাৎ মহাজন পদাবলীর মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট কবিতাগুলির একত্র সংগ্রহ”, এর ৮৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখতুলি।
নয়ান নাচলে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরচিত চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞান দাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীতবন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
রাই কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥ ধ্রু।
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরচিত চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৪৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীতবন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
রাই কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরচিত চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ @@@@@॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥ পীত-
বন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে। পরাণ চমকে
যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥ রাই কত পরখসি
আর। তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী। পর-
শিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥ তুয়া
মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর। নয়ন
অঞ্জন তুয়া পরচিত চোর॥ রূপে গুণে
যৌবনে ভুবনে আগুলি। বিহি নিরমিল
তুয়া পিরীতি পুতলী॥ এত ধনে ধনী
যেই সে কেনে কৃপণ। জ্ঞানদাস কহে
কেবা জানিবে মরম॥
@@@@@ - পদের রাগ অপাঠ্য তাই এখানে দেয়া গেল না।
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীতবন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
রাই, কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরচিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুহে পিরীতিপুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, মান, ২৩৬পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আঁধার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
টীকা ---
নয়ান নাচনে --- চোখের ইঙ্গিতে বা কটাক্ষে।
পরচিত চোর --- পরাণ চিত্তকে চুরি করে।
আগলি --- অগ্রগণ্যা।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীতবন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
রাই, কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরচিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুহে পিরীতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ২৭০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মানখণ্ড
॥ ধানশী অথবা সূহই - বড় ছুটা॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ন নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ রাই মোর সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-খঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পীরিতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত “বৈষ্ণব পদাবলী” নামক বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন, মান ও কলহান্তরিতা, ৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ন-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিঃশ্বাসে॥
রাই কত পরখসি মোরে আর।
তুয়া আরাধন মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধুলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-খঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৪০ সালে চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত এবং হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্য-বত্ন দ্বারা পরিদৃষ্ট ও সংশোধিত “বিদ্যাপতি চণ্ডীদাস ও অন্যান্য বৈষ্ণব মহাজন গীতিকা” সংকলনের ২০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি’ রাই চাহ মুখ তুলি’।
নয়ান নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী॥
অভিমান দূরে করি’ চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
রাই, কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধন মোর বিদিত সংসার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিঃশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তুহে পিরীতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে --- কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ৩৭৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান কলহান্তরিতা
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পতী পীন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়ই নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধুলি॥
তুয়া রূপে তিরপিত আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পর চিত চোর॥
রূপে গুণে যৌবন ভুবনে আগরি।
বিহি নিরমিল তুহে পিরীতি পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মানভঞ্জন, ৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীতপীন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
রাই কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখি আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরিচিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৩৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
দূতীর প্রতি শ্রীকৃষ্ণ
॥ সুহই॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলি।
নয়াননাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্চল তুয়া পরচিতচোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরীতি পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেহ সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ মিত্র, সুকুমার সেন, বিশ্বপতি চৌধুরী ও শ্যামাপদ চৌধুরী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী (চয়ন)”, ৬২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান ও কলহান্তরিতা
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিঃশ্বাসে॥
রাই কত পরখসি মোরে আর।
তুয়া আরাধন মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৫৩ সালে (?) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ২৫৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
খণ্ডিতা।
॥ সুই শ্রীরাগ - বড়ছুটা তাল॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ রাই মোর সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন খঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৬৪--পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ সুহই॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া-অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত সঙ্গীতাচার্য্য দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "কীর্ত্তন-পদাবলী" এর ১০১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি,
নয়ান নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী।
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে,
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিঃশ্বাসে।
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী,
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি।
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর,
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত চোর॥
রূপে-গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরীতি পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৩৬৮ বঙ্গাব্দে (১৯৬১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত, এবং পূর্ণেন্দুশেখর পত্রী দ্বারা সজ্জিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী” ১ম সংস্করণের ১৩৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
রাই কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধন মোর বিদিত সংসার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরীতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেহ সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১৪১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পরচিত-চোর॥
রূপ গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানে কার মন॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৪৩৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পরচিত-চোর॥
রূপ গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানে কার মন॥
এই পদটি ১৯৭৭ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পরিষদ দ্বারা প্রকাশিত, ডঃ দেবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদসঙ্কলন" গ্রন্থের এর ১৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
খণ্ডিতা-মানিনী-কলহান্তরিতা
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চাই মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলি।
নয়াননাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্চল তুয়া পরচিতচোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরীতি পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেহ সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
*********************
॥ সুহই॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অবিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটির পাঠন্তরে, উপরোক্ত ৪৪৬ এবং নিম্নে দেয়া ৫১৩ সংখ্যক পদ দুটি নিয়ে পদকল্পতরুর সম্পাদক সতীশচন্দ্র রায় লিখেছেন (আমরা কেবল ৩টে পাঠান্তর এখানে উল্লেখ করলাম) . . .
১। ইহা প-র-সা পুথির ৬৩৬ সংখ্যক পদ। “সুহই” স্থলে “ধানশী” প-র-সা।
২। “তুয়া” স্থলে “তোমার” খ, ঘ, প-র-সা। (এগুলো সতীশচন্দ্র রায়ের প্রাপ্ত পুথির নাম)
৩। পদকল্পতরু গ্রন্থের ৫১৩ সংখ্যক “চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি” ইত্যাদি পদটির প্রথম পংক্তি এই পদের প্রথম পংক্তির সহিত অভিন্ন হইলেও, এই পদের ২--৪ পংক্তিগুলির সহিত ঐ পদের ২—৪ পংক্তিগুলির ঐক্য নাই ; কিন্তু প-র-সা পুথির ২--৪ পংক্তির সহিত ঐক্য আছে ; সুতরাং আমরা ৪৪৬ সংখ্যক পদটিকে ৫১৩ সংখ্যক পদের রূপান্তর বলিয়াই বিবেচনা করি ; এরূপ মনে করার আর একটি প্রধান কারণ এই যে, ক, গ ও চ পুথিতে পদটির প্রথম চারি চরণ উদ্ধৃত করিয়া “ইত্যাদি গীতং” বলিয়া শেষ করা হইয়াছে ; খ ও ঘ পুথিতে “ইত্যাদি গীতং” লিখিত না হইলেও পদটি যে অসম্পূর্ণ রহিয়াছে, তাহা সহজেই প্রতীত হয় ; “ইত্যাদি” বলিয়া শেষ করিলে সম্পূর্ণ পদটি স্থানান্তরে উদ্ধৃত হইয়াছে, বুঝা যায় ; ৫১৩ সংখাক পদের প্রথম পংক্তির সহিত এই পদের প্রথম পংক্তির ও ঐ পদের ৬ষ্ঠ পংক্তির সহিত এই পদের ২য় পংক্তির সম্পূর্ণ ঐক্য দৃষ্ট হয়, তদ্ভিন্ন আর কোন পদের সহিত ইহার ঐক্য দেখা যায় না ; সুতরাং ইহাকে ৫১৩ সংখ্যক পদের রূপান্তর ব্যতীত স্বতন্ত্র পদ মনে করা যাইতে পারে না।
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), প্রথম খণ্ড প্রথম ও দ্বিতীয় শাখার ৫১৩ নং পদসংখ্যা, দুর্জ্জয় মান, ৩৪৪-নং পৃষ্ঠা থেকে নেওয়া।
পুনঃ শ্রীকৃষ্ণস্য দৈন্যোক্তিঃ। ॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তুহে পিরিতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানে কার মন॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ১৩৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ গান্ধার॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি। পরসিতে চাহি তোমার রাঙ্গাচরণের ধূলি॥
অভিমান দূর করি চাহ একবার। দূরে জাক সব মোর হিয়া আন্ধিয়ার॥
পীত পিন্ধল হাম তুয়া অভিলাষে। পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী। নয়ান নাচনে নাচে হিয়ার পুথলি॥
এত ধনের ধনী জে সে কেন কিপন। জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে কারণ॥
এই পদটি বৈশাখ ১২৯২ বঙ্গাব্দে (১৮৮৫ সালে) প্রকাশিত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্রীশচন্দ্র মজুমদার দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদরত্নাবলী, অর্থাৎ মহাজন পদাবলীর মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট কবিতাগুলির একত্র সংগ্রহ”, এর ৮৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখতুলি।
নয়ান নাচলে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরচিত চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞান দাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীতবন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
রাই কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥ ধ্রু।
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরচিত চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৪৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীতবন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
রাই কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরচিত চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ @@@@@॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥ পীত-
বন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে। পরাণ চমকে
যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥ রাই কত পরখসি
আর। তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী। পর-
শিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥ তুয়া
মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর। নয়ন
অঞ্জন তুয়া পরচিত চোর॥ রূপে গুণে
যৌবনে ভুবনে আগুলি। বিহি নিরমিল
তুয়া পিরীতি পুতলী॥ এত ধনে ধনী
যেই সে কেনে কৃপণ। জ্ঞানদাস কহে
কেবা জানিবে মরম॥
@@@@@ - পদের রাগ অপাঠ্য তাই এখানে দেয়া গেল না।
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীতবন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
রাই, কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরচিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুহে পিরীতিপুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, মান, ২৩৬পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আঁধার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
টীকা ---
নয়ান নাচনে --- চোখের ইঙ্গিতে বা কটাক্ষে।
পরচিত চোর --- পরাণ চিত্তকে চুরি করে।
আগলি --- অগ্রগণ্যা।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীতবন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
রাই, কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরচিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুহে পিরীতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ২৭০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মানখণ্ড
॥ ধানশী অথবা সূহই - বড় ছুটা॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ন নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ রাই মোর সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-খঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পীরিতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত “বৈষ্ণব পদাবলী” নামক বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন, মান ও কলহান্তরিতা, ৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ন-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিঃশ্বাসে॥
রাই কত পরখসি মোরে আর।
তুয়া আরাধন মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধুলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-খঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৪০ সালে চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত এবং হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্য-বত্ন দ্বারা পরিদৃষ্ট ও সংশোধিত “বিদ্যাপতি চণ্ডীদাস ও অন্যান্য বৈষ্ণব মহাজন গীতিকা” সংকলনের ২০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি’ রাই চাহ মুখ তুলি’।
নয়ান নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী॥
অভিমান দূরে করি’ চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
রাই, কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধন মোর বিদিত সংসার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিঃশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তুহে পিরীতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে --- কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ৩৭৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান কলহান্তরিতা
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পতী পীন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়ই নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধুলি॥
তুয়া রূপে তিরপিত আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পর চিত চোর॥
রূপে গুণে যৌবন ভুবনে আগরি।
বিহি নিরমিল তুহে পিরীতি পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মানভঞ্জন, ৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান না চলে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীতপীন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
রাই কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধনে মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখি আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্জন তুয়া পরিচিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৩৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
দূতীর প্রতি শ্রীকৃষ্ণ
॥ সুহই॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলি।
নয়াননাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্চল তুয়া পরচিতচোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরীতি পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেহ সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ মিত্র, সুকুমার সেন, বিশ্বপতি চৌধুরী ও শ্যামাপদ চৌধুরী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী (চয়ন)”, ৬২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান ও কলহান্তরিতা
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিঃশ্বাসে॥
রাই কত পরখসি মোরে আর।
তুয়া আরাধন মোর বিদিত সংসার॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৫৩ সালে (?) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ২৫৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
খণ্ডিতা।
॥ সুই শ্রীরাগ - বড়ছুটা তাল॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ রাই মোর সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন খঞ্জন তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগুলি।
বিহি নিরমিল তুয়া পিরীতি পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৬৪--পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ সুহই॥
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া-অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত সঙ্গীতাচার্য্য দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "কীর্ত্তন-পদাবলী" এর ১০১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি,
নয়ান নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী।
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে,
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিঃশ্বাসে।
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী,
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি।
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর,
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত চোর॥
রূপে-গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরীতি পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৩৬৮ বঙ্গাব্দে (১৯৬১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত, এবং পূর্ণেন্দুশেখর পত্রী দ্বারা সজ্জিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী” ১ম সংস্করণের ১৩৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
রাই কত পরখসি আর।
তুয়া আরাধন মোর বিদিত সংসার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলী॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরীতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেহ সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১৪১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পরচিত-চোর॥
রূপ গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানে কার মন॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৪৩৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পরচিত-চোর॥
রূপ গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি-পুতলী॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানে কার মন॥
এই পদটি ১৯৭৭ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পরিষদ দ্বারা প্রকাশিত, ডঃ দেবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদসঙ্কলন" গ্রন্থের এর ১৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
খণ্ডিতা-মানিনী-কলহান্তরিতা
চাহ মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
নয়ান-নাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলী।
পরশিতে চাহি তোমার চরণের ধূলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্চল তুয়া পর-চিত-চোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরিতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেই সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চাই মুখ তুলি রাই চাহ মুখ তুলি।
পরশিতে চাহি তুয়া চরণের ধূলি॥
অভিমান দূরে করি চাহ একবার।
দূরে যাউ সব মোর হিয়ার আন্ধার॥
পীত পিন্ধন মোর তুয়া অভিলাষে।
পরাণ চমকে যদি ছাড়হ নিশ্বাসে॥
লেহ লেহ লেহ রাই সাধের মুরলি।
নয়াননাচনে নাচে হিয়ার পুতলি॥
তুয়া মুখ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন অঞ্চল তুয়া পরচিতচোর॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
বিহি নিরমিল তোহে পিরীতি পুতলি॥
এত ধনে ধনী যেহ সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস কহে কেবা জানিবে মরম॥
*********************
