কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
নবীন মেঘের ছটা জিনিয়া বরণ ঘটা
নবীন মেঘের ছটা জিনিয়া বিজুরিঘটা
কবি জ্ঞানদাস
নবীন মেঘের ছটা জিনিয়া বিজুরিঘটা
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠবিহার
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা, জিনিয়া বরণ ঘটা,
ভালে কোটি চন্দনের চাঁদ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড, ঝলমল করে গণ্ড,
মুখমণ্ডল মোহন ফাঁদ॥
রাম কানু দোঁহে, ভুবন মোহন বেশে,
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে, বাজায় ব্রজ বালকে,
ডাকে সভে সাঙলি বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড় বালা, আপাদ লম্বিত বনমালা,
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
ধড়ার অঞ্চলা চলে, ঘন্টার ঘন রোলে,
ভাব ভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন, রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন,
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞান দাসেতে বলে, কি আনন্দ যমুনা কূলে,
হেরি দুই ভাইর বয়ান॥
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা, জিনিয়া বরণ ঘটা,
ভালে কোটি চন্দনের চাঁদ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড, ঝলমল করে গণ্ড,
মুখমণ্ডল মোহন ফাঁদ॥
রাম কানু দোঁহে, ভুবন মোহন বেশে,
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে, বাজায় ব্রজ বালকে,
ডাকে সভে সাঙলি বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড় বালা, আপাদ লম্বিত বনমালা,
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
ধড়ার অঞ্চলা চলে, ঘন্টার ঘন রোলে,
ভাব ভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন, রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন,
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞান দাসেতে বলে, কি আনন্দ যমুনা কূলে,
হেরি দুই ভাইর বয়ান॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৮১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ।
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা,
জিনিয়া বরণ ঘটা,
ভালে কোটি চন্দনের চাঁদ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড,
ঝলমল করে গণ্ড,
মুখমণ্ডল মোহন ফাঁদ॥
রাম কানু দোঁহে,
ভুবন মোহন বেশে,
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে,
বাজায় ব্রজ বালকে,
ডাকে সভে সাঙলি বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড় বালা,
আপাদ লম্বিত বনমালা,
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
ধড়ার অঞ্চলা চলে,
ঘন্টার ঘন রোলে,
ভাব ভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন,
রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন,
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞান দাসেতে বলে,
কি আনন্দ যমুনা কূলে,
হেরি দুই ভাইর বয়ান॥
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা,
জিনিয়া বরণ ঘটা,
ভালে কোটি চন্দনের চাঁদ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড,
ঝলমল করে গণ্ড,
মুখমণ্ডল মোহন ফাঁদ॥
রাম কানু দোঁহে,
ভুবন মোহন বেশে,
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে,
বাজায় ব্রজ বালকে,
ডাকে সভে সাঙলি বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড় বালা,
আপাদ লম্বিত বনমালা,
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
ধড়ার অঞ্চলা চলে,
ঘন্টার ঘন রোলে,
ভাব ভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন,
রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন,
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞান দাসেতে বলে,
কি আনন্দ যমুনা কূলে,
হেরি দুই ভাইর বয়ান॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা, জিনিয়া বরণ ঘটা,
ভালে কোটি চন্দনের চাঁদ। শিরে শিখি
শ্রীখণ্ড, ঝলমল করে গণ্ড, মুখমণ্ডল মোহন
ফাঁদ॥ রাম কানু দোঁহে, ভুবনমোহন
বেশে, বনে যায় গোধন লইয়া। শিঙ্গা বেণু
লাখে লাখে, বাজায় ব্রজ বালকে, ডাকে
সভে সাঙলি বলিয়া॥ সোণার নূপুর তাড়
বালা, আপাদ লম্বিত বনমালা, রঙ্গে সব
সঙ্গে শিশু ধায়। ধড়ার অঞ্চলা চলে,
ঘন্টার ঘন রোলে, ভাব-ভরে কেহ নাচে
গায়॥ ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন, রহি যায় ভিন্ন
ভিন্ন, তাহে অলি বসি করে গান। জ্ঞান-
দাসেতে বলে, কি আনন্দ যমুনাকূলে, হেরি-
দুই ভাইর বয়ান॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা, জিনিয়া বরণ ঘটা,
ভালে কোটি চন্দনের চাঁদ। শিরে শিখি
শ্রীখণ্ড, ঝলমল করে গণ্ড, মুখমণ্ডল মোহন
ফাঁদ॥ রাম কানু দোঁহে, ভুবনমোহন
বেশে, বনে যায় গোধন লইয়া। শিঙ্গা বেণু
লাখে লাখে, বাজায় ব্রজ বালকে, ডাকে
সভে সাঙলি বলিয়া॥ সোণার নূপুর তাড়
বালা, আপাদ লম্বিত বনমালা, রঙ্গে সব
সঙ্গে শিশু ধায়। ধড়ার অঞ্চলা চলে,
ঘন্টার ঘন রোলে, ভাব-ভরে কেহ নাচে
গায়॥ ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন, রহি যায় ভিন্ন
ভিন্ন, তাহে অলি বসি করে গান। জ্ঞান-
দাসেতে বলে, কি আনন্দ যমুনাকূলে, হেরি-
দুই ভাইর বয়ান॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ-লীলা।
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা, জিনিয়া বরণঘটা,
ভালে কোটি চন্দনের চাঁদ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড, ঝলমল করে গণ্ড,
মুখমণ্ডল মোহনফাঁদ॥
রাম কানু দোঁহে, ভুবনমোহন বেশে,
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে, বাজায় ব্রজবালকে,
ডাকে সভে সাঙলি বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড় বালা,
আপাদ লম্বিত বনমালা,
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
ধড়ার অঞ্চলা চলে, @@@@@@@@@
ভাব ভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ-চিহ্ন, রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন,
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞানদাসেতে বলে, কি আনন্দ যমুনাকূলে,
হেরি দুই ভাইর বয়ান॥
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা, জিনিয়া বরণঘটা,
ভালে কোটি চন্দনের চাঁদ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড, ঝলমল করে গণ্ড,
মুখমণ্ডল মোহনফাঁদ॥
রাম কানু দোঁহে, ভুবনমোহন বেশে,
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে, বাজায় ব্রজবালকে,
ডাকে সভে সাঙলি বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড় বালা,
আপাদ লম্বিত বনমালা,
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
ধড়ার অঞ্চলা চলে, @@@@@@@@@
ভাব ভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ-চিহ্ন, রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন,
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞানদাসেতে বলে, কি আনন্দ যমুনাকূলে,
হেরি দুই ভাইর বয়ান॥
@@@@@ - এই কলিটির এই অংশ ছাপা নেই।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠলীলা, সখ্য ও বাত্সল্য রসের পদ।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠলীলা, সখ্য ও বাত্সল্য রসের পদ।
নবীন মেঘের ছটা, জিনিয়া বরণ কটা
ভালে কোটি চন্দনের চাঁদ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড ঝলমল করে গণ্ড,
মুখমণ্ডল মোহন ফাঁদ॥
রাম কানু দোঁহে, ভুবন মোহন বেশে
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে, বাজায় ব্রজবালকে
ডাকে সভে সাঙলি বলিয়া॥
সোনার নূপুর তাড় বালা আপাদ লম্বিত বনমালা,
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
ধড়ার অঞ্চলা চলে, ঘন্টার মনোরোলে
ভাব ভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজ ব্রজঙ্কুশ চিহ্ন, রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন,
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞানদাসেতে বলে, কি আনন্দ যমুনাকূলে
হেরি দুই ভাইর বয়ান॥
ভালে কোটি চন্দনের চাঁদ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড ঝলমল করে গণ্ড,
মুখমণ্ডল মোহন ফাঁদ॥
রাম কানু দোঁহে, ভুবন মোহন বেশে
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে, বাজায় ব্রজবালকে
ডাকে সভে সাঙলি বলিয়া॥
সোনার নূপুর তাড় বালা আপাদ লম্বিত বনমালা,
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
ধড়ার অঞ্চলা চলে, ঘন্টার মনোরোলে
ভাব ভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজ ব্রজঙ্কুশ চিহ্ন, রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন,
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞানদাসেতে বলে, কি আনন্দ যমুনাকূলে
হেরি দুই ভাইর বয়ান॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠলীলা
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা জিনিয়া বিজুরিঘটা
ভালে কোটি চন্দনের চান্দ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড ঝলমল করে গণ্ড
মুখমণ্ডল মোহন ফান্দ॥
রাম কানাই দোঁহে, ভুবনমোহন বেশে
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে বাজায় ব্রজবালকে
ডাকে সভে শ্যামলী বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড় বালা আপাদলম্বিত মালা
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
কটিতে কিঙ্কিণী রোল আবা আবা আবা বোল
ভাবভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞানদাসেতে বলে আনন্দে যমুনা কূলে
হেরি দুই ভাইয়ের বয়ান॥
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা জিনিয়া বিজুরিঘটা
ভালে কোটি চন্দনের চান্দ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড ঝলমল করে গণ্ড
মুখমণ্ডল মোহন ফান্দ॥
রাম কানাই দোঁহে, ভুবনমোহন বেশে
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে বাজায় ব্রজবালকে
ডাকে সভে শ্যামলী বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড় বালা আপাদলম্বিত মালা
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
কটিতে কিঙ্কিণী রোল আবা আবা আবা বোল
ভাবভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞানদাসেতে বলে আনন্দে যমুনা কূলে
হেরি দুই ভাইয়ের বয়ান॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাম-কৃষ্ণের গোষ্ঠে গমন
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা জিনিয়া বিজুরি-ঘটা ভালে কোটি চন্দনের চান্দ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড ঝলমল করে গণ্ড মুখমণ্ডল মোহন ফান্দ॥
রাম কানু দোঁহে ভুবনমোহন বেশে বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে বাজায় ব্রজবালকে ডাকে সভে শ্যামলী বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড় বালা আপাদ লম্বিত মালা
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
কটিতে কিঙ্কিণী রোল আবা আবা আবা বোল
ভাব-ভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞানদাসেতে বলে আনন্দে যমুনা কূলে
হেরি দুই ভাইয়ের বয়ান॥
॥ মঙ্গল॥
নবীন মেঘের ছটা জিনিয়া বিজুরি-ঘটা ভালে কোটি চন্দনের চান্দ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড ঝলমল করে গণ্ড মুখমণ্ডল মোহন ফান্দ॥
রাম কানু দোঁহে ভুবনমোহন বেশে বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে বাজায় ব্রজবালকে ডাকে সভে শ্যামলী বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড় বালা আপাদ লম্বিত মালা
রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
কটিতে কিঙ্কিণী রোল আবা আবা আবা বোল
ভাব-ভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞানদাসেতে বলে আনন্দে যমুনা কূলে
হেরি দুই ভাইয়ের বয়ান॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নবীন মেঘের ছটা জিনিয়া বিজুরিঘটা
ভালে কোটি চন্দনের চান্দ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড ঝলমল করে গণ্ড
মুখমণ্ডল মোহন ফান্দ॥
রাম কানাই দোঁহে ভুবনমোহন বেশে
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে বাজায়
ব্রজবালকে ডাকে সভে শ্যামলী বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড়বালা আপাদলম্বিত
মালা রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
কটিতে কিঙ্কিণী রোল আবা আবা
আবা বোল ভাবভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞানদাসেতে বলে আনন্দে যমুনাকূলে
হেরি দুই ভাইয়ের বয়ান॥
*********************
নবীন মেঘের ছটা জিনিয়া বিজুরিঘটা
ভালে কোটি চন্দনের চান্দ।
শিরে শিখি শ্রীখণ্ড ঝলমল করে গণ্ড
মুখমণ্ডল মোহন ফান্দ॥
রাম কানাই দোঁহে ভুবনমোহন বেশে
বনে যায় গোধন লইয়া।
শিঙ্গা বেণু লাখে লাখে বাজায়
ব্রজবালকে ডাকে সভে শ্যামলী বলিয়া॥
সোণার নূপুর তাড়বালা আপাদলম্বিত
মালা রঙ্গে সব সঙ্গে শিশু ধায়।
কটিতে কিঙ্কিণী রোল আবা আবা
আবা বোল ভাবভরে কেহ নাচে গায়॥
ধ্বজবজ্রাঙ্কুশ চিহ্ন রহি যায় ভিন্ন ভিন্ন
তাহে অলি বসি করে গান।
জ্ঞানদাসেতে বলে আনন্দে যমুনাকূলে
হেরি দুই ভাইয়ের বয়ান॥
*********************
