কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
শ্রীকৃষ্ণের সহচরগণ --- ষোড়শ গোপালের রূপবর্ণনা
এ সম্বন্ধে বিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্নর লেখা পড়ুন এখানে ক্লিক করে...।
এই পদগুলি ভণিতাহীন।
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের এবং ষোড়শ গোপালের রূপ
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে।
অবিরত ধায় কত লাবণ্য বিদ্রঙ্গে॥
বিশালা বিষয়ে দোঁহে সমান বয়েস।
ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির আঁটনি।
চলিতে নূপুর বাজে রুণু ঝুনু রুণী॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটি।
গলায় দোসতিহার শোভে পরিপাটী॥
সুবর্ণ পাটের থোপ পিঠে ঝলমল।
ঈষৎ দুলিছে কাণে রতন কুণ্ডল॥
সোণার শিকলি শিঙ্গা শোভে দুই কাঁধে।
দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছাঁদে॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৮৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোপালের রূপ।
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে।
অবিরত ধায় কত লাবণ্য বিদ্রঙ্গে॥
বিশালা বিষয়ে দোঁহে সমান বয়েস।
ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির আঁটনি।
চলিতে নূপুর বাজে রুণু ঝুনু রুণী॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটি।
গলায় দোসতিহার শোভে পরিপাটী॥
সুবর্ণ পাটের থোপ পিঠে ঝলমল।
ঈষৎ দুলিছে কাণে রতন কুণ্ডল॥
সোণার শিকলি শিঙ্গা শোভে দুই কাঁধে।
দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছাঁদে॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৩৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোপালের রূপ
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে। অবিরত
ধায় কত লাবণ্য বিদ্রঙ্গে॥ বিশালা বিষয়ে
দোঁহে সমান বয়েস। ধূমল ধূসর বর্ণ
সুললিত কেশ॥ নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির
আঁটনি। চলিতে নূপুর বাজে রুণু ঝুনু রুণী॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটি। গলায়
দোসতিহার শোভে পরিপাটী॥ সুবর্ণ পাটের
থোপ পিঠে ঝলমল। ঈষৎ দুলিছে কাণে
রতন কুণ্ডল॥ সোণার শিকলি শিঙ্গা শোভে
দুই কাঁধে। দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছাঁদে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ষোড়শ-গোপাল-রূপ
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে।
অবিরত ধায় কত লাবণ্য-বিদ্রঙ্গে॥
বিশালা বিষয়ে দোঁহে সমান বয়েস।
ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির আঁটনি।
চলিতে নূপুর বাজে রুণু ঝুনু রুণী॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটি।
গলায় দোসতিহার শোভে পরিপাটী॥
সুবর্ণ পাটের থোপ পিঠে ঝলমল।
ঈষৎ দুলিছে কাণে রতন কুণ্ডল॥
সোণার শিকলি শিঙ্গা শোভে দুই কাঁধে।
দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছাঁদে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ১০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠলীলা, সখ্য ও বাত্সল্য রসের পদ।
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে।
অবিরত ধায় কত লাবণ্য বিভঙ্গে॥
বিশালা বিষয়া দোঁহে সমান বয়েস।
ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির আঁটনি।
চলিতে নূপুর বাজে রুনু ঝুনু ধ্বনি॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটী।
গলায় দোসুতিহার শোভা পরিপাটী॥
সুবর্ণ পাটের থোপ মিঠে ঝলমল।
ঈষৎ দুলিছে কানে রতন কুণ্ডল॥
সোনার শিকলি শিঙ্গা শোভে দুই কাঁধে।
দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছান্দে॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৬০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব-সম্মিলন।
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে।
অবিরত ধায় কত লাবণ্য বিদ্রঙ্গে॥
বিশালা বিষয়ে দোহে সমান বয়েস।
ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির আঁটনি।
চলিতে নূপুর বাজে ঝুণু রুণু রুণী॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোহে নটপটি।
গলায় দোসতি হার শোভে পরিপাটী॥
সুবর্ণ পাটের থোপ পিঠে ঝলমল।
ঈষৎ দুলিছে কাণে রতন কুণ্ডল॥
সোণার শিকলি শিঙ্গা শোভে দুই কাঁধে।
দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছাঁন্দে॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলা
বিশালা ও বিষয়া গোপাল
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে। অবিরত ধায় কত লাবণ্য বিভঙ্গে॥
বিশালা বিষয়া দোঁহে সমান বয়েস। ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটী কটির আঁটনি। চলিতে নূপুর বাজে রুণুঝুণু ধ্বনি॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটি। গলায় দুসুতি হার শোভে পরিপাটি।
সুবর্ণ পাটের থোপ পিঠে ঝলমল। ঈষৎ দুলিছে কানে রতন কুণ্ডল॥
সোনার শিকলে শিঙ্গা শোভে দুই কান্ধে। দোহে একমিলে যায় নটবর ছান্দে॥
*********************
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে।
অবিরত ধায় কত লাবণ্য বিদ্রঙ্গে॥
বিশালা বিষয়ে দোঁহে সমান বয়েস।
ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির আঁটনি।
চলিতে নূপুর বাজে রুণু ঝুনু রুণী॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটি।
গলায় দোসতিহার শোভে পরিপাটী॥
সুবর্ণ পাটের থোপ পিঠে ঝলমল।
ঈষৎ দুলিছে কাণে রতন কুণ্ডল॥
সোণার শিকলি শিঙ্গা শোভে দুই কাঁধে।
দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছাঁদে॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৮৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোপালের রূপ।
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে।
অবিরত ধায় কত লাবণ্য বিদ্রঙ্গে॥
বিশালা বিষয়ে দোঁহে সমান বয়েস।
ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির আঁটনি।
চলিতে নূপুর বাজে রুণু ঝুনু রুণী॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটি।
গলায় দোসতিহার শোভে পরিপাটী॥
সুবর্ণ পাটের থোপ পিঠে ঝলমল।
ঈষৎ দুলিছে কাণে রতন কুণ্ডল॥
সোণার শিকলি শিঙ্গা শোভে দুই কাঁধে।
দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছাঁদে॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৩৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোপালের রূপ
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে। অবিরত
ধায় কত লাবণ্য বিদ্রঙ্গে॥ বিশালা বিষয়ে
দোঁহে সমান বয়েস। ধূমল ধূসর বর্ণ
সুললিত কেশ॥ নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির
আঁটনি। চলিতে নূপুর বাজে রুণু ঝুনু রুণী॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটি। গলায়
দোসতিহার শোভে পরিপাটী॥ সুবর্ণ পাটের
থোপ পিঠে ঝলমল। ঈষৎ দুলিছে কাণে
রতন কুণ্ডল॥ সোণার শিকলি শিঙ্গা শোভে
দুই কাঁধে। দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছাঁদে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ষোড়শ-গোপাল-রূপ
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে।
অবিরত ধায় কত লাবণ্য-বিদ্রঙ্গে॥
বিশালা বিষয়ে দোঁহে সমান বয়েস।
ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির আঁটনি।
চলিতে নূপুর বাজে রুণু ঝুনু রুণী॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটি।
গলায় দোসতিহার শোভে পরিপাটী॥
সুবর্ণ পাটের থোপ পিঠে ঝলমল।
ঈষৎ দুলিছে কাণে রতন কুণ্ডল॥
সোণার শিকলি শিঙ্গা শোভে দুই কাঁধে।
দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছাঁদে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ১০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠলীলা, সখ্য ও বাত্সল্য রসের পদ।
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে।
অবিরত ধায় কত লাবণ্য বিভঙ্গে॥
বিশালা বিষয়া দোঁহে সমান বয়েস।
ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির আঁটনি।
চলিতে নূপুর বাজে রুনু ঝুনু ধ্বনি॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটী।
গলায় দোসুতিহার শোভা পরিপাটী॥
সুবর্ণ পাটের থোপ মিঠে ঝলমল।
ঈষৎ দুলিছে কানে রতন কুণ্ডল॥
সোনার শিকলি শিঙ্গা শোভে দুই কাঁধে।
দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছান্দে॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৬০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব-সম্মিলন।
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে।
অবিরত ধায় কত লাবণ্য বিদ্রঙ্গে॥
বিশালা বিষয়ে দোহে সমান বয়েস।
ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটি কটির আঁটনি।
চলিতে নূপুর বাজে ঝুণু রুণু রুণী॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোহে নটপটি।
গলায় দোসতি হার শোভে পরিপাটী॥
সুবর্ণ পাটের থোপ পিঠে ঝলমল।
ঈষৎ দুলিছে কাণে রতন কুণ্ডল॥
সোণার শিকলি শিঙ্গা শোভে দুই কাঁধে।
দোঁহে এক মেলে যায় নটবর ছাঁন্দে॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলা
বিশালা ও বিষয়া গোপাল
॥ ধানশী॥
দেখ দেখ গোবিন্দের সঙ্গে। অবিরত ধায় কত লাবণ্য বিভঙ্গে॥
বিশালা বিষয়া দোঁহে সমান বয়েস। ধূমল ধূসর বর্ণ সুললিত কেশ॥
নীল রক্ত বর্ণ ধটী কটির আঁটনি। চলিতে নূপুর বাজে রুণুঝুণু ধ্বনি॥
দোঁহার মাথায় পাগ দোঁহে নটপটি। গলায় দুসুতি হার শোভে পরিপাটি।
সুবর্ণ পাটের থোপ পিঠে ঝলমল। ঈষৎ দুলিছে কানে রতন কুণ্ডল॥
সোনার শিকলে শিঙ্গা শোভে দুই কান্ধে। দোহে একমিলে যায় নটবর ছান্দে॥
*********************
