কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
হিয়ায় কণ্টক দাগ বয়ানে বন্ধন লাগ
হিয়ায় কণ্টক দাগ বয়নে বন্দন রাগ
কবি জ্ঞানদাস
হিয়ায় কণ্টক দাগ বয়নে বন্দন রাগ
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৩৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তুড়ি॥
হিয়ায় কণ্টক দাগ, বয়ানে বন্ধন লাগ,
মলিন হইয়াছে মুখশশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া, কোন বনে ছিলা গিয়া,
তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নব ঘনশ্যাম তনু, ঝামর হইয়াছে জনু,
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
বনে আসিবার কালে, হাতে হাতে সুঁপি দিলে,
ঘরকে গেলে কি বলিব মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে, আইলাম তোমার সনে,
বসিয়া তরু ছায়।
বনে বনে উকটিয়া, তোর লাগি না পাইয়া,
আমা সভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী, শুন ভাই নীলমণি,
এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে, যাও তুমি অন্য স্থানে,
তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
মলিন হইয়াছে মুখশশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া, কোন বনে ছিলা গিয়া,
তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নব ঘনশ্যাম তনু, ঝামর হইয়াছে জনু,
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
বনে আসিবার কালে, হাতে হাতে সুঁপি দিলে,
ঘরকে গেলে কি বলিব মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে, আইলাম তোমার সনে,
বসিয়া তরু ছায়।
বনে বনে উকটিয়া, তোর লাগি না পাইয়া,
আমা সভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী, শুন ভাই নীলমণি,
এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে, যাও তুমি অন্য স্থানে,
তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৮১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ।
॥ তুড়ি॥
হিয়ায় কণ্টক দাগ,
বয়ানে বন্ধন লাগ,
মলিন হইয়াছে মুখশশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া,
কোন বনে ছিলা গিয়া,
তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নব ঘনশ্যাম তনু,
ঝামর হইয়াছে জনু,
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
বনে আসিবার কালে,
হাতে হাতে সুঁপি দিলে,
ঘরকে গেলে কি বলিব মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে,
আইলাম তোমার সনে,
বসিয়া তরু ছায়।
বনে বনে উকটিয়া,
তোর লাগি না পাইয়া,
আমা সভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী,
শুন ভাই নীলমণি,
এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে,
যাও তুমি অন্য স্থানে,
তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
॥ তুড়ি॥
হিয়ায় কণ্টক দাগ,
বয়ানে বন্ধন লাগ,
মলিন হইয়াছে মুখশশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া,
কোন বনে ছিলা গিয়া,
তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নব ঘনশ্যাম তনু,
ঝামর হইয়াছে জনু,
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
বনে আসিবার কালে,
হাতে হাতে সুঁপি দিলে,
ঘরকে গেলে কি বলিব মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে,
আইলাম তোমার সনে,
বসিয়া তরু ছায়।
বনে বনে উকটিয়া,
তোর লাগি না পাইয়া,
আমা সভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী,
শুন ভাই নীলমণি,
এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে,
যাও তুমি অন্য স্থানে,
তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ।
হিয়ায় কণ্টক দাগ, বয়ানে বন্ধন লাগ,
মলিন হইয়াছে মুখশশী। আমা সভা
তেয়াগিয়া, কোন বনে ছিলা গিয়া, তোমা
ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥ নব ঘনশ্যাম তনু,
ঝামর হইয়াছে জনু, পাষাণ বেজেছে
রাঙ্গা পায়। বনে আসিবার কালে, হাতে
হাতে সুঁপি দিলে, ঘরকে গেলে কি বলিব
মায়॥ খেলাব বলিয়া বনে, আইলাম
তোমার সনে, বসিয়া তরু-ছায়। বনে বনে
উকটিয়া, তোর লাগি না পাইয়া, আমা
সভা প্রাণ ফাটি যায়॥ জ্ঞানদাস কহে
বাণী, শুন ভাই নীলমণি, এ কোন চরিত
তোর বল। আমাদের ফেলে বনে, যাও
তুমি অন্য স্থানে, তুমি মোদের এক যে
সম্বল॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ।
হিয়ায় কণ্টক দাগ, বয়ানে বন্ধন লাগ,
মলিন হইয়াছে মুখশশী। আমা সভা
তেয়াগিয়া, কোন বনে ছিলা গিয়া, তোমা
ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥ নব ঘনশ্যাম তনু,
ঝামর হইয়াছে জনু, পাষাণ বেজেছে
রাঙ্গা পায়। বনে আসিবার কালে, হাতে
হাতে সুঁপি দিলে, ঘরকে গেলে কি বলিব
মায়॥ খেলাব বলিয়া বনে, আইলাম
তোমার সনে, বসিয়া তরু-ছায়। বনে বনে
উকটিয়া, তোর লাগি না পাইয়া, আমা
সভা প্রাণ ফাটি যায়॥ জ্ঞানদাস কহে
বাণী, শুন ভাই নীলমণি, এ কোন চরিত
তোর বল। আমাদের ফেলে বনে, যাও
তুমি অন্য স্থানে, তুমি মোদের এক যে
সম্বল॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ-লীলা।
॥ তুড়ী॥
@@@ কণ্টক দাগ, বয়ানে বন্ধন লাগ,
মলিন হইয়াছে মুখশশী।
@মা সভা তেয়াগিয়া, কোন বনে ছিলা গিয়া,
তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
@@ @@শ্যাম তনু, ঝামর হইয়াছে জনু,
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
@@ আসিবার কালে, হাতে হাতে সঁপি দিলে,
ঘরকে গেলে কি বলিব মায়॥
@@ব বলিয়া বনে, আইলাম তোমার সনে,
সবে মিলন বসিয়া তরু ছায়।
@@ বনে উকটিয়া, তোর লাগি না পাইয়া,
আমা সভা প্রাণ ফাটি যায়॥
@নদাস কহে বাণী, শুন ভাই নীলমণি,
এ কোন চরিত তোর বল।
@@@@ ফেলে বনে, যাও তুমি অন্য স্থানে,
তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
॥ তুড়ী॥
@@@ কণ্টক দাগ, বয়ানে বন্ধন লাগ,
মলিন হইয়াছে মুখশশী।
@মা সভা তেয়াগিয়া, কোন বনে ছিলা গিয়া,
তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
@@ @@শ্যাম তনু, ঝামর হইয়াছে জনু,
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
@@ আসিবার কালে, হাতে হাতে সঁপি দিলে,
ঘরকে গেলে কি বলিব মায়॥
@@ব বলিয়া বনে, আইলাম তোমার সনে,
সবে মিলন বসিয়া তরু ছায়।
@@ বনে উকটিয়া, তোর লাগি না পাইয়া,
আমা সভা প্রাণ ফাটি যায়॥
@নদাস কহে বাণী, শুন ভাই নীলমণি,
এ কোন চরিত তোর বল।
@@@@ ফেলে বনে, যাও তুমি অন্য স্থানে,
তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
@@ - এই গ্রন্থের এই পদটির বামপাশের কিছু শব্দ ছাপা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। সেখানে আমরা এই চিহ্ন দিয়েছি।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ১০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠলীলা, সখ্য ও বাত্সল্য রসের পদ।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ১০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠলীলা, সখ্য ও বাত্সল্য রসের পদ।
উত্তরগোষ্ঠ।
হিয়ায় কণ্টক দাগ, বয়ানে বন্ধন লাগ,
মলিন হইয়াছে মুখশশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া, কোন বনে ছিলা গিয়া,
তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নবঘন শ্যাম তনু, ঝামর হইয়াছে জনু,
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায় ।
বনে আসিবার কালে, হাতে হাতে সঁপি দিলে,
ঘরকে গেলে কি বলিব মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে, আইলাম তোমা সনে,
সবে মিলি বসিয়া তরু ছায়।
বনে বনে উকটিয়া, তোর লাগি না পাইয়া,
আমা সভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী, শুন ভাই নীলমণি,
এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে, যাও তুমি অন্য স্থানে,
তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
হিয়ায় কণ্টক দাগ, বয়ানে বন্ধন লাগ,
মলিন হইয়াছে মুখশশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া, কোন বনে ছিলা গিয়া,
তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নবঘন শ্যাম তনু, ঝামর হইয়াছে জনু,
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায় ।
বনে আসিবার কালে, হাতে হাতে সঁপি দিলে,
ঘরকে গেলে কি বলিব মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে, আইলাম তোমা সনে,
সবে মিলি বসিয়া তরু ছায়।
বনে বনে উকটিয়া, তোর লাগি না পাইয়া,
আমা সভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী, শুন ভাই নীলমণি,
এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে, যাও তুমি অন্য স্থানে,
তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
টীকা ---
গোষ্ঠে সখাদের রাখিয়া শ্রীকৃষ্ণ রাধাকুণ্ডে শ্রীরাধার সহিত বিলাস করিয়া আসিয়াছেন। তাঁহার দেহে বিলাসচিহ্ন সমূহ দেখিয়া সরলমতি গোপবালকেরা ভাবিতেছেন যে শ্রীকৃষ্ণের বুঝি গোচারণের ক্লেশে বুকে কাঁটার দাগ লাগিয়াছে, মুখে যেন কি দিয়া বাঁধিবার ছাপ লাগিয়াছে, আর মুখখানি মলিন হইয়াছে।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠে সখাদের রাখিয়া শ্রীকৃষ্ণ রাধাকুণ্ডে শ্রীরাধার সহিত বিলাস করিয়া আসিয়াছেন। তাঁহার দেহে বিলাসচিহ্ন সমূহ দেখিয়া সরলমতি গোপবালকেরা ভাবিতেছেন যে শ্রীকৃষ্ণের বুঝি গোচারণের ক্লেশে বুকে কাঁটার দাগ লাগিয়াছে, মুখে যেন কি দিয়া বাঁধিবার ছাপ লাগিয়াছে, আর মুখখানি মলিন হইয়াছে।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠলীলা
ব্রজরাখালের উক্তি
॥ তুড়ী॥
হিয়ায় কণ্টক দাগ বয়নে বন্দন রাগ
মলিন হইয়াছে মুখ শশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া কোন বনে ছিলা গিয়া
তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নবঘন শ্যাম তনু ঝামর হইয়াছে জনু
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
বনে আসিবার কালে হাতে হাতে সঁপি দিলে
ঘরে গেলে কি বলিবে মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে আইলাম তোমা সনে
সবে মিলি বসি তরুছায়।
বনে বনে উখটিয়া তোর লাগি না পাইয়া
আমাসভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী শুন ভাই নীলমণি
এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে যাও তুমি অন্য স্থানে
তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
ব্রজরাখালের উক্তি
॥ তুড়ী॥
হিয়ায় কণ্টক দাগ বয়নে বন্দন রাগ
মলিন হইয়াছে মুখ শশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া কোন বনে ছিলা গিয়া
তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নবঘন শ্যাম তনু ঝামর হইয়াছে জনু
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
বনে আসিবার কালে হাতে হাতে সঁপি দিলে
ঘরে গেলে কি বলিবে মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে আইলাম তোমা সনে
সবে মিলি বসি তরুছায়।
বনে বনে উখটিয়া তোর লাগি না পাইয়া
আমাসভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী শুন ভাই নীলমণি
এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে যাও তুমি অন্য স্থানে
তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠলীলা
॥ তুড়ী॥
হিয়ায় কন্টক দাগ বয়নে বন্দন রাগ মলিন হইয়াছে মুখ শশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া কোন বনে ছিলা গিয়া তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নবঘন শ্যাম তনু ঝামর হইয়াছে জনু পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
বনে আসিবার কালে হাতে হাতে সঁপি দিলে ঘরে গেলে কি বলিবে মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে আইলাম তোমার সনে সবে মিলি বসি তরু-ছায়।
বনে বনে উখটিয়া তোর লাগি না পাইয়া আমাসভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী শুন ভাই নীলমণি এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে যাও তুমি অন্য স্থানে তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
॥ তুড়ী॥
হিয়ায় কন্টক দাগ বয়নে বন্দন রাগ মলিন হইয়াছে মুখ শশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া কোন বনে ছিলা গিয়া তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নবঘন শ্যাম তনু ঝামর হইয়াছে জনু পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
বনে আসিবার কালে হাতে হাতে সঁপি দিলে ঘরে গেলে কি বলিবে মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে আইলাম তোমার সনে সবে মিলি বসি তরু-ছায়।
বনে বনে উখটিয়া তোর লাগি না পাইয়া আমাসভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী শুন ভাই নীলমণি এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে যাও তুমি অন্য স্থানে তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৭০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
হিয়ায় কণ্টক দাগ বয়নে বন্দন রাগ
মলিন হইয়াছে মুখ শশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া কোন বনে ছিলে
গিয়া তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নবঘন শ্যাম তনু ঝামর হইয়াছে জনু
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
বনে আসিবার কালে হাতে হাতে সঁপি
দিলে ঘরে গেলে কি বলিবে মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে আইলাম তোমা সনে
সবে মিলি বসি তরুছায়।
বনে বনে উখটিয়া তোর লাগি না পাইয়া
আমাসভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী শুন ভাই নীলমণি
এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে যাও তুমি অন্য
স্থানে তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
*********************
হিয়ায় কণ্টক দাগ বয়নে বন্দন রাগ
মলিন হইয়াছে মুখ শশী।
আমা সভা তেয়াগিয়া কোন বনে ছিলে
গিয়া তোমা ভিন্ন সব শূন্য বাসি॥
নবঘন শ্যাম তনু ঝামর হইয়াছে জনু
পাষাণ বেজেছে রাঙ্গা পায়।
বনে আসিবার কালে হাতে হাতে সঁপি
দিলে ঘরে গেলে কি বলিবে মায়॥
খেলাব বলিয়া বনে আইলাম তোমা সনে
সবে মিলি বসি তরুছায়।
বনে বনে উখটিয়া তোর লাগি না পাইয়া
আমাসভা প্রাণ ফাটি যায়॥
জ্ঞানদাস কহে বাণী শুন ভাই নীলমণি
এ কোন চরিত তোর বল।
আমাদের ফেলে বনে যাও তুমি অন্য
স্থানে তুমি মোদের এক যে সম্বল॥
*********************
