কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
গোপাল আন যায়া নন্দ গোপাল আন যায়া
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ১০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠলীলা, সখ্য ও বাত্সল্য রসের পদ।
গোপাল আন যায়া নন্দ গোপাল আন যায়া।
এই দেখ গেছে বাছা বাধা পাসরিয়া॥
কখন গিয়াছে গোপাল আমি নাহি জানি।
মাথায় বান্ধিয়া ফেটা দিল যে রোহিণী॥
বিহানে উঠিয়া দধি মথিলাম আপনি।
বিসরিয়া বাছামুখে না দিলাম নবনী॥
এই দেখ পয়োধর স্ফুরে ঘনে ঘন।
যশোদা মায়ের প্রাণ করে ছন ছন॥
উঠেরে রবির রথ বিষ জানাইয়া।
মঞ্জুরিত লতা সবা গেছে শুখাইয়া॥
জ্ঞানদাসেতে বল শুন (ন)ন্দরাণী।
এখনি আসিব ঘরে তোমার নীলমণি॥
টীকা ---
মা যশোদা শ্রীকৃষ্ণের জন্য আকুল হইয়া বলিতেছেন যে গোপাল বাধা পাসরিয়া অর্থাৎ খরম লইতে ভুলিয়া গোষ্ঠে গিয়াছে ; তাহাকে শীঘ্র আন।
ফেটা --- পাগড়ি
পয়োধর স্ফুরে --- সন্তানস্নেহে পয়োধর স্ফুরিত হইতেছে
উঠেরে রবির রথ বিষ জানাইয়া --- সূর্য্যের রখ অগ্রসর হইতেছে, বেলা বাড়িতেছে, রৌদ্র প্রখর বলিয়া মনে হইতেছে যেন বিষ জানাইতেছে।
*********************
গোপাল আন যায়া নন্দ গোপাল আন যায়া।
এই দেখ গেছে বাছা বাধা পাসরিয়া॥
কখন গিয়াছে গোপাল আমি নাহি জানি।
মাথায় বান্ধিয়া ফেটা দিল যে রোহিণী॥
বিহানে উঠিয়া দধি মথিলাম আপনি।
বিসরিয়া বাছামুখে না দিলাম নবনী॥
এই দেখ পয়োধর স্ফুরে ঘনে ঘন।
যশোদা মায়ের প্রাণ করে ছন ছন॥
উঠেরে রবির রথ বিষ জানাইয়া।
মঞ্জুরিত লতা সবা গেছে শুখাইয়া॥
জ্ঞানদাসেতে বল শুন (ন)ন্দরাণী।
এখনি আসিব ঘরে তোমার নীলমণি॥
টীকা ---
মা যশোদা শ্রীকৃষ্ণের জন্য আকুল হইয়া বলিতেছেন যে গোপাল বাধা পাসরিয়া অর্থাৎ খরম লইতে ভুলিয়া গোষ্ঠে গিয়াছে ; তাহাকে শীঘ্র আন।
ফেটা --- পাগড়ি
পয়োধর স্ফুরে --- সন্তানস্নেহে পয়োধর স্ফুরিত হইতেছে
উঠেরে রবির রথ বিষ জানাইয়া --- সূর্য্যের রখ অগ্রসর হইতেছে, বেলা বাড়িতেছে, রৌদ্র প্রখর বলিয়া মনে হইতেছে যেন বিষ জানাইতেছে।
*********************
