কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, সংগীত-সার-সংগ্রহ, ১ম খণ্ড, ১৭০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখি আন ছান্দে।
ডাকিলে শমতি না দেয় আঁখি মেলি কান্দে॥
সই বড়ি পরমাদ হৈল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
ক্ষণে ধনী চমকএ ক্ষণে উঠে কাঁপ।
কর পরশিল নহে এত অঙ্গ তাপ॥
মনের যুকতি কেহ লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়ে পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয় চিত॥
কালা কালা বরণ দেখিয়া ভালবাসে।
জ্ঞানদাসেবলে কালা কানুরাবে আছে॥
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখি আন ছান্দে।
ডাকিলে শমতি না দেয় আঁখি মেলি কান্দে॥
সই বড়ি পরমাদ হৈল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
ক্ষণে ধনী চমকএ ক্ষণে উঠে কাঁপ।
কর পরশিল নহে এত অঙ্গ তাপ॥
মনের যুকতি কেহ লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়ে পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয় চিত॥
কালা কালা বরণ দেখিয়া ভালবাসে।
জ্ঞানদাসেবলে কালা কানুরাবে আছে॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখি আন ছান্দে।
ডাকিলে শমতি না দেয় আঁখি মেলি
কান্দে॥ সই, বড় পরমাদ হইল। না
জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
ক্ষণে ধনী চমকএ ক্ষণে উঠে কাঁপ।
কর পরশিল নহে এত অঙ্গ তাপ॥
মনের যুকতি কেহ লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥ সবে
এক দেখিয়া করিয়ে পরতীত। কালা নাম
শুনিয়া থকিত হয় চিত॥ কালা কালা
বরণ দেখিয়া ভালবাসে। জ্ঞানদাসে বলে
কালা কানুরাবে আছে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা-নিসানে @।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখি আন ছান্দে।
ডাকিলে সমতি না দেয় আঁখি মুদি কান্দে॥
সই, বড় পরমাদ হইল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
ক্ষণে ধনী চমকএ ক্ষণে উঠে কাঁপ।
কর-পরশিল নহে এত অঙ্গতাপ॥
মনের যুকতি কেহো লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন-কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়ে পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয়ে চিত॥
কালা কালা বরণ দেখিয়া ভাল বাসে।
জ্ঞানদাস বলে কালা কানুর ভাব আছে॥
@ যমুনা-নিসানে --- যমুনা-সিনানে হবে, মুদ্রণপ্রমাদ।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, শ্রীরাধার পূর্বরাগ, ১১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিনা দুই তিন দেখিয়া আন ছান্দে।
ডাকিলে সমতি না দেয় আঁখি মুদি কান্দে॥
সই বড় পরমাদ হইল।
না জানি কি দেব দানবে তারে পাইল॥ ধ্রু॥
খণে ধনি চমকয়ে খণে উঠে কাঁপ।
করে পরশন নহে এত অঙ্গ তাপ॥
মনের যুগতি কেহো লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়া পরতীত।
কালানাম শুনিয়ে থকিত হয়ে চিত॥
কালা কালা বরণ দেখিয়া ভালবাসে।
জ্ঞানদাস বলে কানুর ভাব আছে॥
টীকা---
আন ছান্দে --- অন্য রকম দেখিতেছি।
সমতি না দেয় --- উত্তর দেয় না।
করে পরশন নহে --- হাত দিয়া ছোঁয়া যায় না এত দেহের উত্তাপ।
মৃগমদ লেপই --- তাহার সোনার বরণ দেহে আবার লেপন করে কেন ? ( কস্তুরী কাল রংয়ের বলিয়া কৃষ্ণ-সাদৃশ্য )।
থকিত --- স্থগিত।
‘না জানি কি দেব দানবে তারে পাইল’ --- তুলনীয়--চণ্ডীদাস
ওঝা বেঝা আন গিয়া পাইয়াছে ভুতা।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা-সিনানে।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখিয়ে আন ছান্দে।
ডাকিলে সমতি না দেয় আঁখি মেলি কান্দে॥
সই, বড় পরমাদ হইল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
ক্ষণে ধনী চমক এ ক্ষণে উঠে কাঁপ।
কর-পরশিলে নহে এত অঙ্গতাপ॥
মনের যুকতি কেহ লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন-কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়ে পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয় চিত॥
কালা কালা বরণ দেখিয়া ভাল বাসে।
জ্ঞানদাস বলে কালা কানুর ভাব আছে॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
[পরস্পর সখ্যুক্তি]
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখিয়ে আন ছান্দে।
ডাকিলে শমতি না দেয় আঁখি মেলি কান্দে॥
সই, বড় পরমাদ হৈল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
ক্ষণে ধনী চমকয়ে ক্ষণে উঠে কাঁপ।
কর পরশিল নহে এত অঙ্গতাপ॥
মনের যুকতি কেহ লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়ে পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয় চিত॥
কালা কালা বরণ দেখিয়া ভালবাসে।
জ্ঞানদাসে বলে কালা কানুর ভাবে আছে॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ, ৩৭৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ
সখীর প্রতি সখীর উক্তি
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না শুনি না দেখি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখি আন ছান্দে।
ডাকিলে সমতি না দেয় আঁখি মুদি কান্দে॥
সই বড় পরমাদ হইল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥ ধ্রু॥
খেনে ধনী চমকয়ে খেনে উঠে কাঁপ।
কর পরশিল নহে এত অঙ্গ তাপ॥
মনের যুগতি কেহো লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়া পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয়ে চিত॥
কালা কালাবরণ দেখিয়া ভালবাসে।
কালা কানুর ভাব আছে কহে জ্ঞানদাসে॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না শুনি না দেখি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখি আন ছান্দে।
ডাকিলে সমতি না দেয় আঁখি মুদি কান্দে॥
সই বড় পরমাদ হইল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
খেনে ধনী চমকয়ে খেনে উঠে কাঁপ।
কর পরশিল নহে এত অঙ্গ তাপ॥
মনের যুগতি কেহো লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়া পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয়ে চিত॥
কালা কালাবরণ দেখিয়া ভালবাসে।
কালা কানুর ভাব আছে কহে জ্ঞানদাসে॥
*********************
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখি আন ছান্দে।
ডাকিলে শমতি না দেয় আঁখি মেলি
কান্দে॥ সই, বড় পরমাদ হইল। না
জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
ক্ষণে ধনী চমকএ ক্ষণে উঠে কাঁপ।
কর পরশিল নহে এত অঙ্গ তাপ॥
মনের যুকতি কেহ লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥ সবে
এক দেখিয়া করিয়ে পরতীত। কালা নাম
শুনিয়া থকিত হয় চিত॥ কালা কালা
বরণ দেখিয়া ভালবাসে। জ্ঞানদাসে বলে
কালা কানুরাবে আছে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা-নিসানে @।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখি আন ছান্দে।
ডাকিলে সমতি না দেয় আঁখি মুদি কান্দে॥
সই, বড় পরমাদ হইল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
ক্ষণে ধনী চমকএ ক্ষণে উঠে কাঁপ।
কর-পরশিল নহে এত অঙ্গতাপ॥
মনের যুকতি কেহো লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন-কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়ে পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয়ে চিত॥
কালা কালা বরণ দেখিয়া ভাল বাসে।
জ্ঞানদাস বলে কালা কানুর ভাব আছে॥
@ যমুনা-নিসানে --- যমুনা-সিনানে হবে, মুদ্রণপ্রমাদ।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, শ্রীরাধার পূর্বরাগ, ১১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিনা দুই তিন দেখিয়া আন ছান্দে।
ডাকিলে সমতি না দেয় আঁখি মুদি কান্দে॥
সই বড় পরমাদ হইল।
না জানি কি দেব দানবে তারে পাইল॥ ধ্রু॥
খণে ধনি চমকয়ে খণে উঠে কাঁপ।
করে পরশন নহে এত অঙ্গ তাপ॥
মনের যুগতি কেহো লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়া পরতীত।
কালানাম শুনিয়ে থকিত হয়ে চিত॥
কালা কালা বরণ দেখিয়া ভালবাসে।
জ্ঞানদাস বলে কানুর ভাব আছে॥
টীকা---
আন ছান্দে --- অন্য রকম দেখিতেছি।
সমতি না দেয় --- উত্তর দেয় না।
করে পরশন নহে --- হাত দিয়া ছোঁয়া যায় না এত দেহের উত্তাপ।
মৃগমদ লেপই --- তাহার সোনার বরণ দেহে আবার লেপন করে কেন ? ( কস্তুরী কাল রংয়ের বলিয়া কৃষ্ণ-সাদৃশ্য )।
থকিত --- স্থগিত।
‘না জানি কি দেব দানবে তারে পাইল’ --- তুলনীয়--চণ্ডীদাস
ওঝা বেঝা আন গিয়া পাইয়াছে ভুতা।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা-সিনানে।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখিয়ে আন ছান্দে।
ডাকিলে সমতি না দেয় আঁখি মেলি কান্দে॥
সই, বড় পরমাদ হইল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
ক্ষণে ধনী চমক এ ক্ষণে উঠে কাঁপ।
কর-পরশিলে নহে এত অঙ্গতাপ॥
মনের যুকতি কেহ লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন-কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়ে পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয় চিত॥
কালা কালা বরণ দেখিয়া ভাল বাসে।
জ্ঞানদাস বলে কালা কানুর ভাব আছে॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
[পরস্পর সখ্যুক্তি]
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না দেখি না শুনি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখিয়ে আন ছান্দে।
ডাকিলে শমতি না দেয় আঁখি মেলি কান্দে॥
সই, বড় পরমাদ হৈল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
ক্ষণে ধনী চমকয়ে ক্ষণে উঠে কাঁপ।
কর পরশিল নহে এত অঙ্গতাপ॥
মনের যুকতি কেহ লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়ে পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয় চিত॥
কালা কালা বরণ দেখিয়া ভালবাসে।
জ্ঞানদাসে বলে কালা কানুর ভাবে আছে॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ, ৩৭৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ
সখীর প্রতি সখীর উক্তি
॥ শ্রীরাগ॥
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না শুনি না দেখি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখি আন ছান্দে।
ডাকিলে সমতি না দেয় আঁখি মুদি কান্দে॥
সই বড় পরমাদ হইল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥ ধ্রু॥
খেনে ধনী চমকয়ে খেনে উঠে কাঁপ।
কর পরশিল নহে এত অঙ্গ তাপ॥
মনের যুগতি কেহো লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়া পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয়ে চিত॥
কালা কালাবরণ দেখিয়া ভালবাসে।
কালা কানুর ভাব আছে কহে জ্ঞানদাসে॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নিতি নিতি যায় রাই যমুনা সিনানে।
না শুনি না দেখি তার পদ কোন দিনে॥
এবে দিন দুই তিন দেখি আন ছান্দে।
ডাকিলে সমতি না দেয় আঁখি মুদি কান্দে॥
সই বড় পরমাদ হইল।
না জানি কি দেবতা দানবে তারে পাইল॥
খেনে ধনী চমকয়ে খেনে উঠে কাঁপ।
কর পরশিল নহে এত অঙ্গ তাপ॥
মনের যুগতি কেহো লখিতে না পারে।
মৃগমদ লেপই কাঞ্চন কলেবরে॥
সবে এক দেখিয়া করিয়া পরতীত।
কালা নাম শুনিয়া থকিত হয়ে চিত॥
কালা কালাবরণ দেখিয়া ভালবাসে।
কালা কানুর ভাব আছে কহে জ্ঞানদাসে॥
*********************
