কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
দেইখা আইলাম তারে সই দেইখা আইলাম তারে
দেখে এলাম তারে সই দেখে এলাম তারে
দেখ্যা আইলাম তারে সই দেখ্যা আইলাম তারে
দেইখ্যা আইলাম তারে
দেইখা আইলাম তারে সই

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

দেইখা আইলাম তারে সই দেইখা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়ানে না ধরে॥ ধ্রু
বান্ধ্যাছে বিনোদ চূড়া নব গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণ খানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহ কর্ম্ম করিতে আল্যায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের লেহ॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৭৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ শ্রীরাগ॥

দেইখা আইলাম তারে সই
দেইখা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়ানে না ধরে॥
বান্ধ্যাছে বিনোদ চূড়া নব গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণ খানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহ কর্ম্ম করিতে আল্যায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের লেহ॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ শ্রীরাগ॥

দেইখা আইলাম তারে সই দেইখা
আইলাম তারে। এক অঙ্গে এত রূপ
নয়ানে না ধরে॥ বান্ধ্যাছে বিনোদ চূড়া
নব গুঞ্জা দিয়া। উপরে ময়ূরের পাখা বামে
হেলাইয়া॥ কালিয়া বরণ খানি চন্দনেতে
মাখা। আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল
রাখা॥ মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহ কর্ম্ম করিতে আল্যায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের লেহ॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

দেইখা আইলাম তারে,---
সই, দেইখা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়ানে না ধরে॥
বান্ধ্যাচে বিনোদচূড়া নব-গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব-হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহকর্ম্ম করিতে আল্যায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের লেহ॥

ই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৪৫৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপানুরাগ
॥ শ্রীরাগ - তেওট॥

দেখে এলাম তারে সই দেখে এলাম তারে।
এক অঙ্গে এতরূপ নয়নে না ধরে॥
বেঁধেছে বিনোদ চূড়া নব গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণ খানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হইতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হইলাম অচেতন॥
হৃদয়ে পশিল রূপ পিঞ্জর কাটিয়া।
জ্ঞানদাসের মনে রহিল জাগিয়া

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ১৩২পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপানুরাগ

দেইখা আইলাম তারে,
সই, দেইখা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়নে না ধরে॥
বান্ধ্যাচে বিনোদ চূড়া নবগুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব-হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহ কর্ম্ম করিতে অউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের লেহ॥

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ শ্রীরাগ॥

দেইখা আইলাম তারে,---
সই দেইখা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়ানে না ধরে॥
বান্ধ্যাচে বিনোদচূড়া নব-গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণ খানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহকর্ম্ম করিতে আল্যায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের লেহ॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

দেইখা আইলাম তারে সই
দেইখা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়ানে না ধরে॥
বান্ধ্যাছে বিনোদ চূড়া নব গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণ খানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহ কর্ম্ম করিতে আউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের নব লেহ॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত লহরী”, এর ৯৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ রূপানুরাগ
॥ রাগিণী শ্রীরাগ মিশ্র - তাল তেওট॥

দেখে এলাম তারে সই দেখে এলাম তারে। এক অঙ্গে
কত রূপ নয়নে না ধরে॥ বেন্ধেছে বিনোদ চূড়া নবগুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥ কালিয়া বরণখানি
চন্দনেতে মাখা। আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন। দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম
অচেতন॥ গৃহকর্ম্ম করিতে এলায় সব দেহ। জ্ঞানদাস কহে
বিষম শ্যামের লেহ॥

ই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ৩২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপ খণ্ড
॥ শ্রীরাগ - তেওট॥

দেখে এলাম তারে সই দেখে এলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়ানে না ধরে॥ ধ্রু॥
বেন্ধেছে বিনোদ চূড়া নব গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহ কম্ম করিতে এলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহয়ে বিষম শ্যামের নেহ॥

ই পদটি ১৯৪০ সালে চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত এবং হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্য-বত্ন দ্বারা পরিদৃষ্ট ও সংশোধিত “বিদ্যাপতি চণ্ডীদাস ও অন্যান্য বৈষ্ণব মহাজন গীতিকা” সংকলনের ৭০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দেখে এলাম তারে সই দেখে এলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়নে না ধরে॥
বেঁধেছে বিনোদ চূড়া নবগুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণ খানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতিকুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
হৃদয়ে পশিল রূপ পাঁজর কাটিয়া।
জ্ঞানদাসের মনে রহিল জাগিয়া॥

ই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ১৬০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপানুরাগ
॥ শ্রীরাগ॥

দেখে এলাম তারে সই দেখে এলাম তারে।
এক অঙ্গে এতরূপ নয়নে না ধরে॥ ধ্রূ॥
বেধেছে বিনোদ চূড়া নব গুঞ্জা দিয়ে।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়ে॥
কালিয়া বরণ খানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হ'তে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হলেম অচেতন॥
গৃহ কর্ম্ম করিতে এলায় সব দেহ।
জ্ঞান দাস কহে বিষম শ্যামের লেহ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, সাক্ষাৎদর্শন, ৩৮২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

দেখে এলাম তারে সই দেখে এলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়নে না ধরে॥
বেন্ধেছে বিনোদ চূড়া নব গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হইতে জাতি-কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হেলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহ কর্ম করিতে এলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের নেহ॥

ই পদটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত, খগেন্দ্রনাথ মিত্র, সুকুমার সেন, বিশ্বপতি চৌধুরী ও শ্যামাপদ চৌধুরী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী (চয়ন)”, ৪৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপোল্লাস

দেইখ্যা আইলাম তারে---
সই দেইখ্যা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়ানে না ধরে॥
বান্ধ্যাচে বিনোদ চূড়া নব গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি-কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব-হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহকর্ম্ম করিতে আল্যায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের লেহ॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার রূপানুরাগ
॥ শ্রীরাগ॥

দেখে এলাম তারে সই দেখে এলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়নে না ধরে॥
বেন্ধেছে বিনোদ চূড়া নব গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হইতে জাতি-কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হেলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহ কর্ম করিতে এলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের নেহ॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ৯৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দেইখা আইলাম তারে সই দেইখা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়নে না ধরে॥
বান্ধ্যাছে বিনোদ চূড়া নবগুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহকর্ম করিতে আউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের নেহ॥

ই পদটি ১৩৬৮ বঙ্গাব্দে (১৯৬১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত, এবং পূর্ণেন্দুশেখর পত্রী দ্বারা সজ্জিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী” ১ম সংস্করণের ৮০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দেইখ্যা আইলাম তারে---
সই দেইখা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়ানে না ধরে॥
বান্ধ্যাচে বিনোদ চূড়া নব-গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি-কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব-হেলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহ কর্ম্ম করিতে আল্যায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের লেহ॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৩৮৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দেইখা আইলাম তারে সই দেইখা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়নে না ধরে॥
বান্ধ্যাছে বিনোদ চূড়া নবগুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহকর্ম্ম করিতে আউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের নেহ॥

ই পদটি ১৯৭৭ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পরিষদ দ্বারা প্রকাশিত, ডঃ দেবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদসঙ্কলন" গ্রন্থের এর ৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দেখ্যা আইলাম তারে সই দেখ্যা আইলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়নে না ধরে॥
বান্ধ্যাছে বিনোদ চূড়া নবগুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ুরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হৈতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব-হিলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহকর্ম করিতে আউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের নেহ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দেখে এলাম তারে সই দেখে এলাম তারে।
এক অঙ্গে এত রূপ নয়নে না ধরে॥
বেন্ধেছে বিনোদ চূড়া নব গুঞ্জা দিয়া।
উপরে ময়ূরের পাখা বামে হেলাইয়া॥
কালিয়া বরণখানি চন্দনেতে মাখা।
আমা হইতে জাতি কুল নাহি গেল রাখা॥
মোহন মুরলী হাতে কদম্ব হেলন।
দেখিয়া শ্যামের রূপ হৈলাম অচেতন॥
গৃহ কর্ম করিতে এলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বিষম শ্যামের নেহ॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^