কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগেছে গো
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লেগ্যাছে গো
কবি জ্ঞানদাস
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগেছে গো
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লেগ্যাছে গো
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ সোহিণী॥
চিকণ কালিয়া রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল, জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভূরু যুগ সন্ধান, কামের কামান বাণ,
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে, চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হইতে, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি, কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়, সুধুই যে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
॥ সোহিণী॥
চিকণ কালিয়া রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল, জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভূরু যুগ সন্ধান, কামের কামান বাণ,
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে, চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হইতে, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি, কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়, সুধুই যে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৭৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ সোহিনী॥
চিকণ কালিয়া রূপ,
মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া,
মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল,
জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে,
বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভূরু যুগ সন্ধান,
কামের কামান বাণ,
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে,
চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হইতে,
উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি, কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়,
সুধুই যে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
॥ সোহিনী॥
চিকণ কালিয়া রূপ,
মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া,
মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল,
জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে,
বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভূরু যুগ সন্ধান,
কামের কামান বাণ,
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে,
চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হইতে,
উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি, কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়,
সুধুই যে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ সোহিনী॥
চিকণ কালিয়া রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া। কত চাঁদ নিঙ্গা-
ড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে, না জানি তায় কত
সুধা দিয়া॥ অধরের দুটী কূল, জিনিয়া
বান্ধুলি ফুল, হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥ ভুরু যুগ সন্ধান,
কামের কামান বাণ, হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী
আঁখি। অরুণ নয়ান কোণে, চাঞাছিল
আমা পানে, সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাট হইতে, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি, কিবা অপরূপ তনু। জ্ঞানদাসেতে
কয়, সুধুই যে সুধাময়, গোকুলে নন্দের
বালা কানু॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ সোহিনী॥
চিকণ কালিয়া রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া। কত চাঁদ নিঙ্গা-
ড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে, না জানি তায় কত
সুধা দিয়া॥ অধরের দুটী কূল, জিনিয়া
বান্ধুলি ফুল, হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥ ভুরু যুগ সন্ধান,
কামের কামান বাণ, হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী
আঁখি। অরুণ নয়ান কোণে, চাঞাছিল
আমা পানে, সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাট হইতে, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি, কিবা অপরূপ তনু। জ্ঞানদাসেতে
কয়, সুধুই যে সুধাময়, গোকুলে নন্দের
বালা কানু॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সোহিনী॥
চিকণ কালিয়া রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কুল, জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ঊরুযুগসন্ধান, কামের কামান বাণ,
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে, চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হইতে, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি, কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়, সুধুই যে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
চিকণ কালিয়া রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কুল, জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ঊরুযুগসন্ধান, কামের কামান বাণ,
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে, চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হইতে, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি, কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়, সুধুই যে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৪৫৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপানুরাগ
॥ গৌরী - তেওট॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগেছে গো
ধরনে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া মুখখানি মাজিয়াছে
না জানি কতেক সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কূল জিনিয়া বান্ধুলি ফুল
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরি প্রকাশ করে
জাতিকুল মজাইলাম তায়॥
ভুরু যুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ানের কোণে চাঞাছিল আমা পানে
সেই হইতে শ্যাম রূপ দেখি॥
যমুনার ঘাট হৈতে উঠিয়া আসিতে পথে
সখী কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই সে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
॥ গৌরী - তেওট॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগেছে গো
ধরনে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া মুখখানি মাজিয়াছে
না জানি কতেক সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কূল জিনিয়া বান্ধুলি ফুল
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরি প্রকাশ করে
জাতিকুল মজাইলাম তায়॥
ভুরু যুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ানের কোণে চাঞাছিল আমা পানে
সেই হইতে শ্যাম রূপ দেখি॥
যমুনার ঘাট হৈতে উঠিয়া আসিতে পথে
সখী কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই সে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রূপানুরাগ, ১৩২পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চিকণ কালিয়া রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল, জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভুরু যুগ সন্ধান, কামের কামান বাণ,
হিঙ্গলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ান-কোণে, চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হৈতে, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়, শুধুই যে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল, জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভুরু যুগ সন্ধান, কামের কামান বাণ,
হিঙ্গলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ান-কোণে, চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হৈতে, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়, শুধুই যে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ সোহিণী॥
চিকণ কালিয়া রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল, জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভূরুযুগসন্ধান, কামের কামান বাণ,
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে, চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুমারঘাটেহইতে @, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়, সুধুই যে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
॥ সোহিণী॥
চিকণ কালিয়া রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল, জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভূরুযুগসন্ধান, কামের কামান বাণ,
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে, চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুমারঘাটেহইতে @, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়, সুধুই যে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
@ - “যমুনার ঘাটে হইতে” হবে
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সোহিণী॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লেগ্যাছে গো,
ধরণে না যায় আর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া মুখানি মেজ্যাছে গো
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল জিনিয়া বান্ধুলি ফুল
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরী সঞ্চার গো
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভূরু-যুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ-নয়ান-কোণে চাঞাছিল আমা পানে
সেই হৈতে শ্যামময় দেখি॥
যমুমার ঘাটে হৈতে উঠিয়া আসিতে পথে
সখি, কি বা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় সুধুই যে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লেগ্যাছে গো,
ধরণে না যায় আর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া মুখানি মেজ্যাছে গো
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল জিনিয়া বান্ধুলি ফুল
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরী সঞ্চার গো
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভূরু-যুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ-নয়ান-কোণে চাঞাছিল আমা পানে
সেই হৈতে শ্যামময় দেখি॥
যমুমার ঘাটে হৈতে উঠিয়া আসিতে পথে
সখি, কি বা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় সুধুই যে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ৬০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
পূর্ব্বরাগ খণ্ড
॥ গৌরী - তেওট॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লেগেছে গো
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া মুখখানি মাজিয়াছে
না জানি কতেক সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কূল জিনিয়া বান্ধুলি ফুল
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরী প্রকাশ করে
জাতি কুল মজাইলাম তায়॥
ভুরুযুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ানের কোণে চাঞাছিল আমা পানে
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাট হইতে উঠিয়া আসিতে পথে
সখী কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই সে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
॥ গৌরী - তেওট॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লেগেছে গো
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া মুখখানি মাজিয়াছে
না জানি কতেক সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কূল জিনিয়া বান্ধুলি ফুল
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরী প্রকাশ করে
জাতি কুল মজাইলাম তায়॥
ভুরুযুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ানের কোণে চাঞাছিল আমা পানে
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাট হইতে উঠিয়া আসিতে পথে
সখী কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই সে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ১৫২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপানুরাগ
॥ সুহিনী॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে
ধরনে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া মুখানি মাজিয়াছে
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কুল জিনিয়া বান্ধুলী ফুল
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরী প্রকাশ করে
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভুরু যুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে চাঞাছিল আমা পানে
সেই হইতে শ্যাম রূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হৈতে উঠিয়া আসিতে পথে
সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞান দাসেতে কয় সুধুই সে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
॥ সুহিনী॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে
ধরনে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া মুখানি মাজিয়াছে
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কুল জিনিয়া বান্ধুলী ফুল
হাসি খানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরী প্রকাশ করে
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভুরু যুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে চাঞাছিল আমা পানে
সেই হইতে শ্যাম রূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হৈতে উঠিয়া আসিতে পথে
সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞান দাসেতে কয় সুধুই সে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ, ৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সোহিনী॥
চিকণ কালিয়া-রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরনে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কুল, জিনিয়া বান্ধুলিফুল,
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভুরুযুগ সন্ধান, কামের কামান বাণ,
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান-কোণে, চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হইতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাট হৈতে, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি, কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়, সুধুই সে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
চিকণ কালিয়া-রূপ, মরমে লাগিয়াছে,
ধরনে না যায় মোর হিয়া।
কত চাঁদ নিঙ্গাড়িয়া, মুখানি মাজিয়াছে,
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কুল, জিনিয়া বান্ধুলিফুল,
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে, বিজুরী প্রকাশ করে,
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভুরুযুগ সন্ধান, কামের কামান বাণ,
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটী আঁখি।
অরুণ নয়ান-কোণে, চাঞাছিল আমা পানে,
সেই হইতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাট হৈতে, উঠিয়া আসিতে পথে,
সখি, কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয়, সুধুই সে সুধাময়,
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৩৭৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সোহিণী॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চান্দ নিঙাড়িয়া মুখানি মাজিয়াছে
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরি প্রকাশ করে
জাতিকুল মজাইল তায়॥
ভুরুযুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে চায়্যাছিল আমা পানে
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হৈতে উঠিয়া আসিতে পথে
সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই যে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চান্দ নিঙাড়িয়া মুখানি মাজিয়াছে
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটী কূল জিনিয়া বান্ধুলি ফুল,
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরি প্রকাশ করে
জাতিকুল মজাইল তায়॥
ভুরুযুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে চায়্যাছিল আমা পানে
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হৈতে উঠিয়া আসিতে পথে
সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই যে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সোহিণী॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে ধরনে না যায় মোর হিয়া।
কত চান্দ নিঙাড়িয়া মুখানি মাজিয়াছে না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কূল জিনিয়া বান্ধুলী ফুল হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরি প্রকাশ করে জাতি-কুল মজাইল তায়॥
ভুরু-যুগ সন্ধান কামের কামান-বাণ হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে চেয়াছিল আমা পানে সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হইতে উঠিতে আসিতে পথে সখি, কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই যে সুধাময় গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে ধরনে না যায় মোর হিয়া।
কত চান্দ নিঙাড়িয়া মুখানি মাজিয়াছে না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কূল জিনিয়া বান্ধুলী ফুল হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরি প্রকাশ করে জাতি-কুল মজাইল তায়॥
ভুরু-যুগ সন্ধান কামের কামান-বাণ হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে চেয়াছিল আমা পানে সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হইতে উঠিতে আসিতে পথে সখি, কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই যে সুধাময় গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৯৭৭ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পরিষদ দ্বারা প্রকাশিত, ডঃ দেবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদসঙ্কলন" গ্রন্থের এর ৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে
ধরণ না যায় মোর হিয়া।
কত চান্দ নিঙাড়িয়া মুখানি মাজিয়াছে
না জানিয়ে কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কূল জিনিয়া বান্ধুলি ফুল
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরি প্রকাশ করে
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভুরুযুগ সন্ধান কামের কামান বান
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে চায়্যাছিল আমা পানে
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হৈতে উঠিতে আসিতে পথে
সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই যে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে
ধরণ না যায় মোর হিয়া।
কত চান্দ নিঙাড়িয়া মুখানি মাজিয়াছে
না জানিয়ে কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কূল জিনিয়া বান্ধুলি ফুল
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরি প্রকাশ করে
জাতি কুল মজাইল তায়॥
ভুরুযুগ সন্ধান কামের কামান বান
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে চায়্যাছিল আমা পানে
সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হৈতে উঠিতে আসিতে পথে
সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই যে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চান্দ নিঙাড়িয়া মুখানি মাজিয়াছে
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কূল জিনিয়া বান্ধুলী ফুল
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরি প্রকাশ করে
জাতিকুল মজাইল তায়॥
ভুরুযুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে চায়্যাছিল আমা
পানে সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হৈতে উঠিতে আসিতে
পথে সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই যে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
*********************
চিকণ কালিয়া রূপ মরমে লাগিয়াছে
ধরণে না যায় মোর হিয়া।
কত চান্দ নিঙাড়িয়া মুখানি মাজিয়াছে
না জানি তায় কত সুধা দিয়া॥
অধরের দুটি কূল জিনিয়া বান্ধুলী ফুল
হাসিখানি মুখেতে মিশায়।
নবীন মেঘের কোরে বিজুরি প্রকাশ করে
জাতিকুল মজাইল তায়॥
ভুরুযুগ সন্ধান কামের কামান বাণ
হিঙ্গুলে মণ্ডিত দুটি আঁখি।
অরুণ নয়ান কোণে চায়্যাছিল আমা
পানে সেই হৈতে শ্যামরূপ দেখি॥
যমুনার ঘাটে হৈতে উঠিতে আসিতে
পথে সখি কিবা অপরূপ তনু।
জ্ঞানদাসেতে কয় শুধুই যে সুধাময়
গোকুলে নন্দের বালা কানু॥
*********************
