কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
বরিহা মুকুট মৌলি মন শোহন
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের, অপ্রকাশিত পদাবলী, ৩০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ কানড়া॥
বরিহা মুকুট মৌলি মন শোহন,
-- -- -- -- চিরে কুটিল বনানে
হেরইতে রূপ, নয়ন মন ডুবত,
ধনি বিহি কিএ নিরমাণে
দেখ ললিত ত্রিভঙ্গিম লাল
নব ঘন মাঝে, সাজে সৌদামিনি,
উরে দোলত বনমাল
চলন তিলক, ফাগু লাগু তাহি,
মৃগমদ উরে বিলাস
দরসন দিন কিএ, আবেসু সুরতি,
রবি সসী রাহু গরাস
শ্রুতি মকরাকৃতি, কুণ্ডল উপর,
কিসলয় লোলিত অংসে
জ্ঞানদাস চিত, মন পুরোহিত,
সেচন কুলবতি বংশে॥
বরিহা মুকুট মৌলি মন শোহন,
-- -- -- -- চিরে কুটিল বনানে
হেরইতে রূপ, নয়ন মন ডুবত,
ধনি বিহি কিএ নিরমাণে
দেখ ললিত ত্রিভঙ্গিম লাল
নব ঘন মাঝে, সাজে সৌদামিনি,
উরে দোলত বনমাল
চলন তিলক, ফাগু লাগু তাহি,
মৃগমদ উরে বিলাস
দরসন দিন কিএ, আবেসু সুরতি,
রবি সসী রাহু গরাস
শ্রুতি মকরাকৃতি, কুণ্ডল উপর,
কিসলয় লোলিত অংসে
জ্ঞানদাস চিত, মন পুরোহিত,
সেচন কুলবতি বংশে॥
এই পদটি এই গ্রন্থের “অসম্পূর্ণ পদাবলী” অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। অধ্যায়ের শুরুতে লেখা আছে --- “এই অসম্পূর্ণ পদগুলি বিভিন্ন পুঁথি হইতে সংগৃহিত ও সর্বপ্রথম প্রকাশিত হইল। দুঃখের বিষয়, ইহাদের পূর্ণ রূপটি উদ্ধার করিতে পারা গেল না।”
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রূপানুরাগ, ১৩৫পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন উপরোক্ত গ্রন্থ থেকে।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রূপানুরাগ, ১৩৫পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন উপরোক্ত গ্রন্থ থেকে।
বরিহা মুকুট মৌলি মন শোহন
চিরে কুটিল বয়ানে।
হেরইতে রূপ নয়ন মন ডুবত,
ধনি বিহি কি এ নিরমাণে॥
দেখ ললিত ত্রিভঙ্গিম লাল।
নব ঘন মাঝে, সাজে সৌদামিনি,
উরে দোলত বনমাল॥
চন্দন তিলক, ফাগু লাগি তাহি,
মৃগমদ উরে বিলাস।
দরসন দিন কিএ আবেসু সুরতি,
রবি শশি রাহু গরাস॥
শ্রুতি মকরাকৃতি, কুণ্ডল উপর,
কিসলয় লোলিত অংসে।
জ্ঞানদাস চিত, মন পুরোহিত,
সেচন কুলবতি বংশে॥
চিরে কুটিল বয়ানে।
হেরইতে রূপ নয়ন মন ডুবত,
ধনি বিহি কি এ নিরমাণে॥
দেখ ললিত ত্রিভঙ্গিম লাল।
নব ঘন মাঝে, সাজে সৌদামিনি,
উরে দোলত বনমাল॥
চন্দন তিলক, ফাগু লাগি তাহি,
মৃগমদ উরে বিলাস।
দরসন দিন কিএ আবেসু সুরতি,
রবি শশি রাহু গরাস॥
শ্রুতি মকরাকৃতি, কুণ্ডল উপর,
কিসলয় লোলিত অংসে।
জ্ঞানদাস চিত, মন পুরোহিত,
সেচন কুলবতি বংশে॥
টীকা---
চন্দন তিলক ইত্যাদি --- কপালে চন্দনের তিলকের মধ্যে আবীরের ফোঁটা দেখিয়া মনে হইতেছে সূর্য্য (আবীরের ফোঁটা) ও চন্দ্রক (চন্দনের তিলক) যেন রাহু (কস্তুরী) আংশিক গ্রাস করিয়াছে।
আবেসু সুরভির অর্থ বুঝা গেল না।
টীকায় আবেসু সুরভি লেখা থাকলেও পদের পংক্তিতে আবেসু সুরতি লেখা রয়েছে --- মিলন সেনগুপ্ত।
*********************
চন্দন তিলক ইত্যাদি --- কপালে চন্দনের তিলকের মধ্যে আবীরের ফোঁটা দেখিয়া মনে হইতেছে সূর্য্য (আবীরের ফোঁটা) ও চন্দ্রক (চন্দনের তিলক) যেন রাহু (কস্তুরী) আংশিক গ্রাস করিয়াছে।
আবেসু সুরভির অর্থ বুঝা গেল না।
টীকায় আবেসু সুরভি লেখা থাকলেও পদের পংক্তিতে আবেসু সুরতি লেখা রয়েছে --- মিলন সেনগুপ্ত।
*********************
