কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
শ্যামে সম্ভাষিতে যান বিনোদিনী রাধা
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অভিসার, ১৪১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্যামে সম্ভাষিতে যান বিনোদিনী রাধা।
নীল বসনে মুখ ঝাঁপিয়াছে আধা॥
পিঠেতে পাটের থোপা নামিয়াছে ঝুরি।
লবঙ্গ মালতী মালে গুঞ্জরে ভ্রমরী॥
নাসার বেশর দোলে মুকুতা হিলোলে।
অধরে মধুর হাসি আধ আধ বোলে॥
রঙ্গিম নয়নে কিবা কাজরের রেখা।
জলদে বিজুরি যেন চাঁদে দিছে দেখা॥
শ্যাম কোলে মিলায়ল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাসে মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী ॥
টীকা ---
লবঙ্গ মালতী মালে গুঞ্জরে ভ্রমরী --- শ্রীরাধা লবঙ্গের এবং মালতী মালা পরিয়াছেন, তাহার সৌরভে আকৃষ্ট হইয়া ভ্রমরীরা গুঞ্জন করিতেছে।
জলদে বিজুরি যেন চাঁদে দিছে দেখা --- মেঘের মধ্যে যেন বিদ্যুৎ অথবা চন্দ্র দেখা দিতেছে (কাজল হইতেছে মেঘ, আর নয়ন হইতেছে বিদ্যুত্ অথবা চন্দ্র)।
*********************
নীল বসনে মুখ ঝাঁপিয়াছে আধা॥
পিঠেতে পাটের থোপা নামিয়াছে ঝুরি।
লবঙ্গ মালতী মালে গুঞ্জরে ভ্রমরী॥
নাসার বেশর দোলে মুকুতা হিলোলে।
অধরে মধুর হাসি আধ আধ বোলে॥
রঙ্গিম নয়নে কিবা কাজরের রেখা।
জলদে বিজুরি যেন চাঁদে দিছে দেখা॥
শ্যাম কোলে মিলায়ল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাসে মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী ॥
টীকা ---
লবঙ্গ মালতী মালে গুঞ্জরে ভ্রমরী --- শ্রীরাধা লবঙ্গের এবং মালতী মালা পরিয়াছেন, তাহার সৌরভে আকৃষ্ট হইয়া ভ্রমরীরা গুঞ্জন করিতেছে।
জলদে বিজুরি যেন চাঁদে দিছে দেখা --- মেঘের মধ্যে যেন বিদ্যুৎ অথবা চন্দ্র দেখা দিতেছে (কাজল হইতেছে মেঘ, আর নয়ন হইতেছে বিদ্যুত্ অথবা চন্দ্র)।
*********************
