কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
বৃষভানু নন্দিনী রমণীর শিরোমণি
বৃষভানু নন্দিনী শ্যাম সোহাগিনী
কবি জ্ঞানদাস
বৃষভানু নন্দিনী শ্যাম সোহাগিনী
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৯৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার।
॥ কেদার॥
বৃষভানু নন্দিনী, রমণীর শিরোমণি,
নব নব রঙ্গিনী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে, প্রাণ নাথের দরশনে,
রস ভরে ডগমগ অঙ্গ॥
রাই রূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি, গড়িল কেমন বিধি,
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥ ধ্রু।
নীলমণি চুড়ী হাতে, কনয়া কঙ্কন তাতে,
নীল বসন শোভে গায়।
নব যৌবন ভরে, গতি অতি মন্থরে,
হংস গমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশী, মুখে মন্দ মৃদু হাসি,
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা, তার মাঝে কনক চাঁপা ,
গোবিন্দের হৃদয় মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে, বাম ভুজ দিয়া তাতে,
বৃন্দাবন ভূমি প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ কান্তি মালা, দশ দিগ কৈল আলা,
জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
॥ কেদার॥
বৃষভানু নন্দিনী, রমণীর শিরোমণি,
নব নব রঙ্গিনী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে, প্রাণ নাথের দরশনে,
রস ভরে ডগমগ অঙ্গ॥
রাই রূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি, গড়িল কেমন বিধি,
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥ ধ্রু।
নীলমণি চুড়ী হাতে, কনয়া কঙ্কন তাতে,
নীল বসন শোভে গায়।
নব যৌবন ভরে, গতি অতি মন্থরে,
হংস গমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশী, মুখে মন্দ মৃদু হাসি,
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা, তার মাঝে কনক চাঁপা ,
গোবিন্দের হৃদয় মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে, বাম ভুজ দিয়া তাতে,
বৃন্দাবন ভূমি প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ কান্তি মালা, দশ দিগ কৈল আলা,
জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৩৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার।
॥ কেদার॥
বৃষভানু নন্দিনী,
রমণীর শিরোমণি,
নব নব রঙ্গিনী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে,
প্রাণনাথের দরশনে,
রস ভরে ডগমগ অঙ্গ॥
রাই রূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি,
গড়িল কেমন বিধি,
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥
নীলমণি চুড়ী হাতে,
কনয়া কঙ্কণ তাতে,
নীল বসন শোভে গায়।
নব যৌবন-ভরে,
গতি অতি মন্থরে,
হংস গমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশী,
মুখে মন্দ মৃদু হাসি,
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা,
তার মাঝে কনক চাঁপা,
গোবিন্দের হৃদয় মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে,
বাম ভুজ দিয়া তাতে,
বৃন্দাবন ভূমি প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ কান্তি মালা,
দশ দিগ কৈল আলা,
জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
॥ কেদার॥
বৃষভানু নন্দিনী,
রমণীর শিরোমণি,
নব নব রঙ্গিনী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে,
প্রাণনাথের দরশনে,
রস ভরে ডগমগ অঙ্গ॥
রাই রূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি,
গড়িল কেমন বিধি,
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥
নীলমণি চুড়ী হাতে,
কনয়া কঙ্কণ তাতে,
নীল বসন শোভে গায়।
নব যৌবন-ভরে,
গতি অতি মন্থরে,
হংস গমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশী,
মুখে মন্দ মৃদু হাসি,
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা,
তার মাঝে কনক চাঁপা,
গোবিন্দের হৃদয় মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে,
বাম ভুজ দিয়া তাতে,
বৃন্দাবন ভূমি প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ কান্তি মালা,
দশ দিগ কৈল আলা,
জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ কেদার॥
বৃষভানু-নন্দিনী, রমণীর শিরোমণি, নব
নব রঙ্গিনী সঙ্গ। চলিল শ্রীবৃন্দাবনে, প্রাণ-
নাথের দরশনে, রসভরে ডগমগ অঙ্গ॥
রাই রূপ লাবণ্যের সীমা। না জানি কতেক
নিধি, গড়িল কেমন বিধি, ত্রিভুবনে নাহিক
উপমা॥ নীলমণি চুড়ী হাতে, কনয়া কঙ্কন
তাতে, নীল বসন শোভে গায়। নব যৌবন
ভরে, গতি অতি মন্থরে, হংস গমনে চলি
যায়॥ জিনি প্রত কোটি শশী, মুখে মন্দ
মৃদু হাসি, পিঠে দোলে চাঁচর কেশের
বেণী। বেণী আগে সোণার ঝাঁপা, তার
মাঝে কনক চাঁপা, গোবিন্দের হৃদয়
মোহিনী॥ ললিতা দক্ষিণ হাতে, বাম
ভুজ দিয়া তাতে, বৃন্দাবন ভূমি প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ কান্তি মালা, দশ দিগ কৈল
আলা, জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ কেদার॥
বৃষভানু-নন্দিনী, রমণীর শিরোমণি, নব
নব রঙ্গিনী সঙ্গ। চলিল শ্রীবৃন্দাবনে, প্রাণ-
নাথের দরশনে, রসভরে ডগমগ অঙ্গ॥
রাই রূপ লাবণ্যের সীমা। না জানি কতেক
নিধি, গড়িল কেমন বিধি, ত্রিভুবনে নাহিক
উপমা॥ নীলমণি চুড়ী হাতে, কনয়া কঙ্কন
তাতে, নীল বসন শোভে গায়। নব যৌবন
ভরে, গতি অতি মন্থরে, হংস গমনে চলি
যায়॥ জিনি প্রত কোটি শশী, মুখে মন্দ
মৃদু হাসি, পিঠে দোলে চাঁচর কেশের
বেণী। বেণী আগে সোণার ঝাঁপা, তার
মাঝে কনক চাঁপা, গোবিন্দের হৃদয়
মোহিনী॥ ললিতা দক্ষিণ হাতে, বাম
ভুজ দিয়া তাতে, বৃন্দাবন ভূমি প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ কান্তি মালা, দশ দিগ কৈল
আলা, জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার।
॥ কেদার॥
বৃষভানু নন্দিনী, রমণীর শিরোমণি,
নব নব রঙ্গিনী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে, প্রাণ নাথের দরশনে,
রস ভরে ডগমগ-অঙ্গ॥
রাই রূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি, গড়িল কেমন বিধি,
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥ ধ্রু
নীলমণি-চুড়ী হাতে, কনয়া-কঙ্কণ তাতে,
নীল বসন শোভে গায়।
নবযৌবন ভরে, গতি অতি মন্থরে,
হংসগমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশী, মুখে মন্দ মৃদু হাসি,
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা, তার মাঝে কনকচাঁপা ,
গোবিন্দের হৃদয়মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে, বাম ভুজ দিয়া তাতে,
বৃন্দাবন-ভূমি প্রবেশিলা।
রাই-অঙ্গকান্তি-মালা, দশ দিগ কৈল আলা,
জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
॥ কেদার॥
বৃষভানু নন্দিনী, রমণীর শিরোমণি,
নব নব রঙ্গিনী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে, প্রাণ নাথের দরশনে,
রস ভরে ডগমগ-অঙ্গ॥
রাই রূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি, গড়িল কেমন বিধি,
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥ ধ্রু
নীলমণি-চুড়ী হাতে, কনয়া-কঙ্কণ তাতে,
নীল বসন শোভে গায়।
নবযৌবন ভরে, গতি অতি মন্থরে,
হংসগমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশী, মুখে মন্দ মৃদু হাসি,
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা, তার মাঝে কনকচাঁপা ,
গোবিন্দের হৃদয়মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে, বাম ভুজ দিয়া তাতে,
বৃন্দাবন-ভূমি প্রবেশিলা।
রাই-অঙ্গকান্তি-মালা, দশ দিগ কৈল আলা,
জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
এই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৪৪৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপানুরাগ
॥ মায়ূর - তেওট॥
বৃষভানু-নন্দিনী রমণীর শিরোমণি
নব নব রঙ্গিণী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে শ্যামচাঁদের দরশনে
রসভরে ডগমগি অঙ্গ॥
রাই রূপে লাবণ্যের সীমা।
জিনি কত কোটি শশী মুখে মৃদু মন্দ হাসি
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥
নীলমণি চুড়ি হাতে কনয়া কঙ্কণ তাতে
নীল বসন সোণার গায়।
নব যৌবন ভরে গতি অতি মন্থরে
হংস-গমনে চলি যায়॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বাম ভুজ দিয়া তাতে
বৃন্দাবন-ভূমে প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ-কান্তি-মালা দশ দিশ করিল আলা
জ্ঞান দাস তাহাতে মজিলা॥
॥ মায়ূর - তেওট॥
বৃষভানু-নন্দিনী রমণীর শিরোমণি
নব নব রঙ্গিণী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে শ্যামচাঁদের দরশনে
রসভরে ডগমগি অঙ্গ॥
রাই রূপে লাবণ্যের সীমা।
জিনি কত কোটি শশী মুখে মৃদু মন্দ হাসি
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥
নীলমণি চুড়ি হাতে কনয়া কঙ্কণ তাতে
নীল বসন সোণার গায়।
নব যৌবন ভরে গতি অতি মন্থরে
হংস-গমনে চলি যায়॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বাম ভুজ দিয়া তাতে
বৃন্দাবন-ভূমে প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ-কান্তি-মালা দশ দিশ করিল আলা
জ্ঞান দাস তাহাতে মজিলা॥
এই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৪৯৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপানুরাগ
॥ ঘণ্টাকরুণ রাগ - তেওট॥
বৃষভানু-নন্দিনী শ্যাম-সোহাগিনী
নব নব রঙ্গিণী সঙ্গে।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে শ্যামচাঁদ দরশনে
রসভরে ডগমগি অঙ্গে॥
সোনার নূপুর পাতা মল রাঙ্গা পায়ে ঝলমল
হংস গমনে চলি যায়।
নীলমণি চুড়ি হাতে রতন কঙ্কণ তাতে
নীল বসন শোভে সোণার গায়॥
কত কোটি জিনি শশী মুখে মদু মৃদু হাসি
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোনার ঝাঁপা মাঝে মাঝে কনক চাঁপা
কৃষ্ণের হৃদয় মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বামভুজ দিয়া তাতে
বৃন্দাবনে রাই প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ-কান্তিমালা দশ দিক করিল আলা
জ্ঞানদাস তাহাতে মজিলা॥
॥ ঘণ্টাকরুণ রাগ - তেওট॥
বৃষভানু-নন্দিনী শ্যাম-সোহাগিনী
নব নব রঙ্গিণী সঙ্গে।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে শ্যামচাঁদ দরশনে
রসভরে ডগমগি অঙ্গে॥
সোনার নূপুর পাতা মল রাঙ্গা পায়ে ঝলমল
হংস গমনে চলি যায়।
নীলমণি চুড়ি হাতে রতন কঙ্কণ তাতে
নীল বসন শোভে সোণার গায়॥
কত কোটি জিনি শশী মুখে মদু মৃদু হাসি
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোনার ঝাঁপা মাঝে মাঝে কনক চাঁপা
কৃষ্ণের হৃদয় মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বামভুজ দিয়া তাতে
বৃন্দাবনে রাই প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ-কান্তিমালা দশ দিক করিল আলা
জ্ঞানদাস তাহাতে মজিলা॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অভিসার, ১৪২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বৃষভানু নন্দিনী রমণী শিরোমণি
নব নব রঙ্গিনী সঙ্গে।
চলিলা শ্রীবৃন্দাবনে শ্যামচাঁদ দরশনে
রসভরে ডগমগি অঙ্গে॥
রাই রূপ-লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি গড়িল কেমন বিধি
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥ ধ্রু॥
নীলমণি চুড়ি হাতে রতন কঙ্কণ তাতে
নীল বসন শোভে গায়।
সোনার নূপুর পাতামল রাঙ্গাপায়ে ঝলমল
হংসগমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটী শশী মুখে মন্দ মৃদু হাসি
পিঠে দোলে চাঁচর কেশর বেণী।
বেণী আগে সোনার ঝাঁপা তার মাঝে কনক চাঁপা
গোবিন্দের হৃদয়-মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বাম কর দিয়া তাতে
প্রবেশিলা শ্রীবৃন্দাবনে।
রাই অঙ্গের কান্তিমালা দশদিক করিয়াছে আলা
জ্ঞানদাস আনন্দিত মনে॥
নব নব রঙ্গিনী সঙ্গে।
চলিলা শ্রীবৃন্দাবনে শ্যামচাঁদ দরশনে
রসভরে ডগমগি অঙ্গে॥
রাই রূপ-লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি গড়িল কেমন বিধি
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥ ধ্রু॥
নীলমণি চুড়ি হাতে রতন কঙ্কণ তাতে
নীল বসন শোভে গায়।
সোনার নূপুর পাতামল রাঙ্গাপায়ে ঝলমল
হংসগমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটী শশী মুখে মন্দ মৃদু হাসি
পিঠে দোলে চাঁচর কেশর বেণী।
বেণী আগে সোনার ঝাঁপা তার মাঝে কনক চাঁপা
গোবিন্দের হৃদয়-মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বাম কর দিয়া তাতে
প্রবেশিলা শ্রীবৃন্দাবনে।
রাই অঙ্গের কান্তিমালা দশদিক করিয়াছে আলা
জ্ঞানদাস আনন্দিত মনে॥
টীকা ---
হংসগমনে --- রাজহংসীর মতন ভঙ্গী করিয়া।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
হংসগমনে --- রাজহংসীর মতন ভঙ্গী করিয়া।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ কেদার॥
বৃষভানু-নন্দিনী রমণীর শিরোমণি
নবনব রঙ্গিণী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে প্রাণনাথের দরশনে
রসভরে ডগমগ অঙ্গ॥
রাইরূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি গঢ়িল কেমন বিধি
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥ ধ্রু
নীলমণি চুড়ী হাতে কনয়া-কঙ্কণ তাতে
নীলবসন শোভে গায়।
নব যৌবন ভরে গতি অতি মন্থরে
হংসগমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশী মুখে মন্দ মৃদুহাসি
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা তার মাছে কনকচাঁপা
গোবিন্দের হৃদয়মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বাম ভুজ দিয়া তাতে
বৃন্দাবন-ভূমি প্রবেশিলা।
রাই-অঙ্গকান্তি-মালা দশ দিগ কৈল আলা
জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
॥ কেদার॥
বৃষভানু-নন্দিনী রমণীর শিরোমণি
নবনব রঙ্গিণী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে প্রাণনাথের দরশনে
রসভরে ডগমগ অঙ্গ॥
রাইরূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি গঢ়িল কেমন বিধি
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥ ধ্রু
নীলমণি চুড়ী হাতে কনয়া-কঙ্কণ তাতে
নীলবসন শোভে গায়।
নব যৌবন ভরে গতি অতি মন্থরে
হংসগমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশী মুখে মন্দ মৃদুহাসি
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা তার মাছে কনকচাঁপা
গোবিন্দের হৃদয়মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বাম ভুজ দিয়া তাতে
বৃন্দাবন-ভূমি প্রবেশিলা।
রাই-অঙ্গকান্তি-মালা দশ দিগ কৈল আলা
জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ৯১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার খণ্ড
॥ মায়ুর - তেওট॥
বৃষভানু-নন্দিনী রমণীর শিরোমণি
নব নব রঙ্গিনী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে শ্যামচাঁদের দরশনে
রসভরে ডগমগি অঙ্গ॥
রাই রূপে লাবণ্যের সীমা।
জিনি কত কোটি শশী মুখে মৃদু মন্দ হাসি
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥
নীলমণি চুড়ি হাতে রতন কঙ্কন তাতে
নীল বসন সোণার গায়।
নব যৌবন ভরে গতি অতি মন্থরে
হংস-গমনে চলি যায়॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বাম ভুজ দিয়া তাতে
বৃন্দাবনভূমে প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ-কান্তিমালা দশ দিশ করিল আলা
জ্ঞানদাস তাহাতে মজিলা॥
॥ মায়ুর - তেওট॥
বৃষভানু-নন্দিনী রমণীর শিরোমণি
নব নব রঙ্গিনী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে শ্যামচাঁদের দরশনে
রসভরে ডগমগি অঙ্গ॥
রাই রূপে লাবণ্যের সীমা।
জিনি কত কোটি শশী মুখে মৃদু মন্দ হাসি
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥
নীলমণি চুড়ি হাতে রতন কঙ্কন তাতে
নীল বসন সোণার গায়।
নব যৌবন ভরে গতি অতি মন্থরে
হংস-গমনে চলি যায়॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বাম ভুজ দিয়া তাতে
বৃন্দাবনভূমে প্রবেশিলা।
রাই অঙ্গ-কান্তিমালা দশ দিশ করিল আলা
জ্ঞানদাস তাহাতে মজিলা॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রূপানুরাগ, ২৩৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
[দিনান্তরে]
॥ কেদার॥
বৃষভানু-নন্দিনী রমণীর শিরোমণি
নব নব রঙ্গিণী সঙ্গ।
চলিলা শ্রীবৃন্দাবনে প্রাণ-নাথ দরশনে
রস ভরে উথলিত অঙ্গ॥
রাই-রূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি গড়িল কেমনে বিধি
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥
নীলমণি চুড়ী হাতে কনয়া কঙ্কণ তাতে
নীল বসন শোভে গায়।
নব অনুরাগ ভরে গতি অতি মন্থরে
হংস গমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশী মুখে মন্দ মৃদু হাসি
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা তার মাঝে কনক চাঁপা
গোবিন্দের হৃদয় মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বাম ভুজ দিয়া তাতে
বৃন্দাবন ভূমি প্রবেশিলা।
রাই-অঙ্গ-কান্তি-মালা দশ দিগ কৈল আলা
জ্ঞানদাস আনন্দে ভাসিলা॥
॥ কেদার॥
বৃষভানু-নন্দিনী রমণীর শিরোমণি
নব নব রঙ্গিণী সঙ্গ।
চলিলা শ্রীবৃন্দাবনে প্রাণ-নাথ দরশনে
রস ভরে উথলিত অঙ্গ॥
রাই-রূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি গড়িল কেমনে বিধি
ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥
নীলমণি চুড়ী হাতে কনয়া কঙ্কণ তাতে
নীল বসন শোভে গায়।
নব অনুরাগ ভরে গতি অতি মন্থরে
হংস গমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশী মুখে মন্দ মৃদু হাসি
পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা তার মাঝে কনক চাঁপা
গোবিন্দের হৃদয় মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বাম ভুজ দিয়া তাতে
বৃন্দাবন ভূমি প্রবেশিলা।
রাই-অঙ্গ-কান্তি-মালা দশ দিগ কৈল আলা
জ্ঞানদাস আনন্দে ভাসিলা॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার।
॥ কেদার॥
বৃষভানু-নন্দিনি রমণীর শিরোমণি নব নব রঙ্গিনী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে প্রাণনাথের দরশনে রসভরে ডগমগ অঙ্গ॥
রাইরূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি গড়িল কেমন বিধি ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥
নীলমণি চুড়ি হাতে বলয়া কঙ্কন তাতে নীল বসন শোভে গায়।
নব-যৌবন-ভরে গতি অতি মন্থরে হংস-গমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশি মুখে মন্দ মৃদুহাসি পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা তার মাঝে কনক চাঁপা গোবিন্দের হৃদয়-মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বামভুজ দিয়া তাতে বৃন্দাবন ভূমি প্রবেশিলা।
রাই-অঙ্গ-কান্তিমালা দশ দিক করে আলা জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
*********************
॥ কেদার॥
বৃষভানু-নন্দিনি রমণীর শিরোমণি নব নব রঙ্গিনী সঙ্গ।
চলিল শ্রীবৃন্দাবনে প্রাণনাথের দরশনে রসভরে ডগমগ অঙ্গ॥
রাইরূপ লাবণ্যের সীমা।
না জানি কতেক নিধি গড়িল কেমন বিধি ত্রিভুবনে নাহিক উপমা॥
নীলমণি চুড়ি হাতে বলয়া কঙ্কন তাতে নীল বসন শোভে গায়।
নব-যৌবন-ভরে গতি অতি মন্থরে হংস-গমনে চলি যায়॥
জিনি কত কোটি শশি মুখে মন্দ মৃদুহাসি পিঠে দোলে চাঁচর কেশের বেণী।
বেণী আগে সোণার ঝাঁপা তার মাঝে কনক চাঁপা গোবিন্দের হৃদয়-মোহিনী॥
ললিতা দক্ষিণ হাতে বামভুজ দিয়া তাতে বৃন্দাবন ভূমি প্রবেশিলা।
রাই-অঙ্গ-কান্তিমালা দশ দিক করে আলা জ্ঞানদাস তাহাতে ভুলিলা॥
*********************
