কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
মিলিল শ্যামের সনে নবীন কিশোরী
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৪৫০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপানুরাগ
॥ ধানশী - বড় একতালা॥
মিলিল শ্যামের সনে নবীন কিশোরী।
পশু পাখী উনমত দুহুঁ রূপ হেরি॥
হিলন দিয়া দাঁড়াইল রসময় শ্যামচন্দ্র।
নাগর অমনি চেয়ে রইল রাই মুখচন্দ্র॥
মিলিল রে আরে নব রঙ্গিনী রাধা।
দরশনে দূরে গেল মনসিজ-বাধা॥
দুহুঁ দোঁহা মিলই বাহু পসারি।
আনন্দে মগন ভেল সখিগণে হেরি॥
শ্যাম-বামে বৈঠল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাসেতে মাগে চরণ-মাধুরী॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, যুগল মিলন, ১৪৪পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মিলিল শ্যামের সনে নবীন কিশোরী।
পশু পাখী উনমত দুহুঁ রূপ হেরি॥
হিলন দিয়া দাঁড়াইল রসময় শ্যামচন্দ্র।
নাগর অমনি চেয়ে রইল রাই মুখচন্দ্র॥
মিলিল রে আরে নব রঙ্গিনী রাধা।
দরশনে দূরে গেল মনসিজ বাধা॥
দুহুঁ দোঁহা মিলই বাহু পসারি।
আনন্দে মগন ভেল সখিগণে হেরি॥
শ্যাম-বামে বৈঠল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাসেতে মাগে চরণ মাধুরী॥
টীকা---
দরশনে দূরে গেল মনসিজ বাধা --- মন্মথের যে পীড়াতে কষ্ট পাইতেছিলেন তাহা দূরে গেল।
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ১৮৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
যুগল মিলন
॥ ধানশী - বড একতালা॥
মিলিল শ্যামের সনে নবীনা কিশোরী।
পশু পাখী উনমত দুহুঁ রূপ হেরি॥
শ্যাম অঙ্গে অঙ্গ দিয়া রাই দাঁড়াইল।
রাই মুখপানে নাগর অমনি চেয়ে রইল॥
হিলন দিয়া দাঁড়াইল রসময় শ্যামচন্দ্র।
নাগর অমনি চেয়ে রইল রাইমুখচন্দ্র॥
মিললি রে আরে নব রঙ্গিনী রাধা।
দরশনে দূরে গেল মনসিজ বাধা॥
দুহুঁ দোঁহা মিলই বাহু পসারি।
আনন্দে মগন ভেল সখিগণে হেরি॥
শ্যাম-বামে বৈঠল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাসেতে মাগে চরণ মাধুরী॥
*********************
॥ ধানশী - বড় একতালা॥
মিলিল শ্যামের সনে নবীন কিশোরী।
পশু পাখী উনমত দুহুঁ রূপ হেরি॥
হিলন দিয়া দাঁড়াইল রসময় শ্যামচন্দ্র।
নাগর অমনি চেয়ে রইল রাই মুখচন্দ্র॥
মিলিল রে আরে নব রঙ্গিনী রাধা।
দরশনে দূরে গেল মনসিজ-বাধা॥
দুহুঁ দোঁহা মিলই বাহু পসারি।
আনন্দে মগন ভেল সখিগণে হেরি॥
শ্যাম-বামে বৈঠল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাসেতে মাগে চরণ-মাধুরী॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, যুগল মিলন, ১৪৪পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মিলিল শ্যামের সনে নবীন কিশোরী।
পশু পাখী উনমত দুহুঁ রূপ হেরি॥
হিলন দিয়া দাঁড়াইল রসময় শ্যামচন্দ্র।
নাগর অমনি চেয়ে রইল রাই মুখচন্দ্র॥
মিলিল রে আরে নব রঙ্গিনী রাধা।
দরশনে দূরে গেল মনসিজ বাধা॥
দুহুঁ দোঁহা মিলই বাহু পসারি।
আনন্দে মগন ভেল সখিগণে হেরি॥
শ্যাম-বামে বৈঠল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাসেতে মাগে চরণ মাধুরী॥
টীকা---
দরশনে দূরে গেল মনসিজ বাধা --- মন্মথের যে পীড়াতে কষ্ট পাইতেছিলেন তাহা দূরে গেল।
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ১৮৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
যুগল মিলন
॥ ধানশী - বড একতালা॥
মিলিল শ্যামের সনে নবীনা কিশোরী।
পশু পাখী উনমত দুহুঁ রূপ হেরি॥
শ্যাম অঙ্গে অঙ্গ দিয়া রাই দাঁড়াইল।
রাই মুখপানে নাগর অমনি চেয়ে রইল॥
হিলন দিয়া দাঁড়াইল রসময় শ্যামচন্দ্র।
নাগর অমনি চেয়ে রইল রাইমুখচন্দ্র॥
মিললি রে আরে নব রঙ্গিনী রাধা।
দরশনে দূরে গেল মনসিজ বাধা॥
দুহুঁ দোঁহা মিলই বাহু পসারি।
আনন্দে মগন ভেল সখিগণে হেরি॥
শ্যাম-বামে বৈঠল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাসেতে মাগে চরণ মাধুরী॥
*********************
