কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর
রামা হে ক্ষম অপরাধ মোর
কবি জ্ঞানদাস
রামা হে ক্ষম অপরাধ মোর
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ২য় শাখা, ১৭শ পল্লব,মান, ৫০৫ নং পদসংখ্যা, ৩৩৯-নং পৃষ্ঠা থেকে নেওয়া।
॥ ভাটিয়ারি॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
মদন-বেদন না যায় সহন
শরণ লইলুঁ তোর॥ ধ্রু॥
ও চাঁদ-মুখের মধুর হাসনি
সদাই মরমে জাগে।
মুখ তুলি যদি ফিরিয়া না চাহ
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের পরশে আমার
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ সকলি আমার
করের মোহন বেণু॥
দেহ-গেহ-সার সকলি আমার
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি তোমা না দেখিলে
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহার করিয়ে তোমারে
মনে না ভাবিহ আন।
কবজ লিখিয়া লেহ যে আমার
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহ সুন্দরি
এ কোন ভাব-যুগতি।
কানু সে কাতর সদয় হইয়া
কেন না কর প্রতীতি॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
মদন-বেদন না যায় সহন
শরণ লইলুঁ তোর॥ ধ্রু॥
ও চাঁদ-মুখের মধুর হাসনি
সদাই মরমে জাগে।
মুখ তুলি যদি ফিরিয়া না চাহ
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের পরশে আমার
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ সকলি আমার
করের মোহন বেণু॥
দেহ-গেহ-সার সকলি আমার
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি তোমা না দেখিলে
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহার করিয়ে তোমারে
মনে না ভাবিহ আন।
কবজ লিখিয়া লেহ যে আমার
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহ সুন্দরি
এ কোন ভাব-যুগতি।
কানু সে কাতর সদয় হইয়া
কেন না কর প্রতীতি॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভাটিয়ারী॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
মদন বেদন, না যায় সহন,
শরণ লইলুঁ তোর॥ ধ্রু॥
ও চাঁদ মুখের, মধুর হাসনি,
সদাই মরমে জাগে।
মুখতুলি যদি, ফিরিয়া না চাহ,
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের, পরশে আমার,
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ, সকলি আমার,
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার, সকলি আমার,
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি, তোমা না দেখিলে,
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে, কহিয়ে তোমারে,
মনে না ভাবিহ আন।
করজ লিখিয়া, লেহয়ে আমার,
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে, শুনহ সুন্দরি,
এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর, সদয় হইয়া,
কেনে না করহ প্রীতি॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
মদন বেদন, না যায় সহন,
শরণ লইলুঁ তোর॥ ধ্রু॥
ও চাঁদ মুখের, মধুর হাসনি,
সদাই মরমে জাগে।
মুখতুলি যদি, ফিরিয়া না চাহ,
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের, পরশে আমার,
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ, সকলি আমার,
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার, সকলি আমার,
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি, তোমা না দেখিলে,
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে, কহিয়ে তোমারে,
মনে না ভাবিহ আন।
করজ লিখিয়া, লেহয়ে আমার,
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে, শুনহ সুন্দরি,
এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর, সদয় হইয়া,
কেনে না করহ প্রীতি॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৪৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ ভাটিয়ারী॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
মদন বেদন, না যায় সহন,
শরণ লইলুঁ তোর॥
ও চাঁদ মুখের, মধুর হাসনি,
সদাই মরমে জাগে।
মুখতুলি যদি, ফিরিয়া না চাহ,
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের, পরশে আমার,
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ, সকলি আমার,
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার, সকলি আমার,
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি, তোমা না দেখিলে,
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে, কহিয়ে তোমারে,
মনে না ভাবিহ আন।
করজ লিখিয়া, লেহয়ে আমার,
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে, শুনহ সুন্দরি,
এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর, সদয় হইয়া,
কেনে না করহ প্রীতি॥
॥ ভাটিয়ারী॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
মদন বেদন, না যায় সহন,
শরণ লইলুঁ তোর॥
ও চাঁদ মুখের, মধুর হাসনি,
সদাই মরমে জাগে।
মুখতুলি যদি, ফিরিয়া না চাহ,
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের, পরশে আমার,
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ, সকলি আমার,
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার, সকলি আমার,
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি, তোমা না দেখিলে,
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে, কহিয়ে তোমারে,
মনে না ভাবিহ আন।
করজ লিখিয়া, লেহয়ে আমার,
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে, শুনহ সুন্দরি,
এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর, সদয় হইয়া,
কেনে না করহ প্রীতি॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ ভাটিয়ারী॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর। মদন
বেদন, না যায় সহন, শরণ লইলুঁ তোর॥
ও চাঁদ মুখের, মধুর হাসনি, সদাই মরমে
জাগে। মুখতুলি যদি, ফিরিয়া না চাহ,
আমার শপথি লাগে॥ তোমার অঙ্গের,
পরশে আমার, চিরজীবী হউ তনু। জপ
তপ তুহুঁ, সকলি আমার, করের মোহন
বেণু॥ দেহ গেহ সার, সকলি আমার,
তুমি সে নয়ানের তারা। আধ তিল আমি,
তোমা না দেখিলে, সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে, কহিয়ে তোমারে, মনে না
ভাবিহ আন। করজ লিখিয়া, লেহয়ে
আমার, দাস করি অভিমান॥ জ্ঞানদাস
কহে, শুনহ সুন্দরি, এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর, সদয় হইয়া, কেনে না
করহ প্রীতি॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ ভাটিয়ারী॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর। মদন
বেদন, না যায় সহন, শরণ লইলুঁ তোর॥
ও চাঁদ মুখের, মধুর হাসনি, সদাই মরমে
জাগে। মুখতুলি যদি, ফিরিয়া না চাহ,
আমার শপথি লাগে॥ তোমার অঙ্গের,
পরশে আমার, চিরজীবী হউ তনু। জপ
তপ তুহুঁ, সকলি আমার, করের মোহন
বেণু॥ দেহ গেহ সার, সকলি আমার,
তুমি সে নয়ানের তারা। আধ তিল আমি,
তোমা না দেখিলে, সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে, কহিয়ে তোমারে, মনে না
ভাবিহ আন। করজ লিখিয়া, লেহয়ে
আমার, দাস করি অভিমান॥ জ্ঞানদাস
কহে, শুনহ সুন্দরি, এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর, সদয় হইয়া, কেনে না
করহ প্রীতি॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ ভাটিয়ারী॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
বদন বেদন, না যায় সহন,
শরণ লইনু তোর॥
ও চাঁদ মুখের, মধুর হাসনি,
সদাই মরমে জাগে।
মুখতুলি যদি, ফিরিয়া না চাহ,
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের, পরশে আমার,
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ, সকলি আমার,
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার, সকলি আমার,
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি, তোমা না দেখিলে,
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে, কহিয়ে তোমারে,
মনে না ভাবিহ আন।
করজ লিখিয়া, লেহয়ে আমার,
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে, শুনহ সুন্দরি,
এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর, সদয় হইয়া,
কেনে না করহ প্রীতি॥
॥ ভাটিয়ারী॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
বদন বেদন, না যায় সহন,
শরণ লইনু তোর॥
ও চাঁদ মুখের, মধুর হাসনি,
সদাই মরমে জাগে।
মুখতুলি যদি, ফিরিয়া না চাহ,
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের, পরশে আমার,
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ, সকলি আমার,
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার, সকলি আমার,
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি, তোমা না দেখিলে,
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে, কহিয়ে তোমারে,
মনে না ভাবিহ আন।
করজ লিখিয়া, লেহয়ে আমার,
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে, শুনহ সুন্দরি,
এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর, সদয় হইয়া,
কেনে না করহ প্রীতি॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, মান, ২৩২পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
মদন-বেদন না যায় সহন
শরণ লইলুঁ তোর॥ ধ্রু॥
ও চাঁদ মুখের মধুর হাসনি
সদাই মরমে জাগে।
মুখতুলি যদি ফিরিয়া না চাহ
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের পরশে আমার
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ সকলি আমার
করের মোহন বেণু॥
দেহ-গেহ-সার সকলি আমার
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি তোমা না দেখিলে
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহার করিয়ে তোমারে
মনে না ভাবিহ আন।
করজ লিখিয়া লেহ যে আমার
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহ সুন্দরি
এ কোন ভাব-যুগতি।
কানু সে কাতর সদয় হইয়া
কেন না কর প্রতীতি॥
মদন-বেদন না যায় সহন
শরণ লইলুঁ তোর॥ ধ্রু॥
ও চাঁদ মুখের মধুর হাসনি
সদাই মরমে জাগে।
মুখতুলি যদি ফিরিয়া না চাহ
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের পরশে আমার
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ সকলি আমার
করের মোহন বেণু॥
দেহ-গেহ-সার সকলি আমার
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি তোমা না দেখিলে
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহার করিয়ে তোমারে
মনে না ভাবিহ আন।
করজ লিখিয়া লেহ যে আমার
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহ সুন্দরি
এ কোন ভাব-যুগতি।
কানু সে কাতর সদয় হইয়া
কেন না কর প্রতীতি॥
টীকা ---
পরিহার --- মিনতি।
করজ --- বিক্রয়পত্রের আনুষঙ্গিক দখলপত্র।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
পরিহার --- মিনতি।
করজ --- বিক্রয়পত্রের আনুষঙ্গিক দখলপত্র।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ ভাটিয়ারি॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
বদন বেদন না যায় সহন
শরণ লইনু তোর॥
ও চাঁদ মুখের মধুর হাসনি
সদাই মরমে জাগে।
মুখ তুলি যদি ফিরিয়া না চাহ
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের পরশে আমার
চিরজীবু হউ তনু।
জপ তপ তুহু সকলি আমার
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার সকলি আমার
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি তোমা না দেখিলে
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে করিয়ে তোমারে
মনে না ভাবিহ আন।
কবজ লিখিয়া লেহয়ে আমার
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহ সুন্দরি
এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর সদয় হইয়া
কেনে না করহ প্রীতি॥
॥ ভাটিয়ারি॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
বদন বেদন না যায় সহন
শরণ লইনু তোর॥
ও চাঁদ মুখের মধুর হাসনি
সদাই মরমে জাগে।
মুখ তুলি যদি ফিরিয়া না চাহ
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের পরশে আমার
চিরজীবু হউ তনু।
জপ তপ তুহু সকলি আমার
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার সকলি আমার
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি তোমা না দেখিলে
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে করিয়ে তোমারে
মনে না ভাবিহ আন।
কবজ লিখিয়া লেহয়ে আমার
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহ সুন্দরি
এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর সদয় হইয়া
কেনে না করহ প্রীতি॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মানভঞ্জন, ৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভাটিয়ারী॥
রামা হে ক্ষম অপরাধ মোর।
বদন বেদন, না যায় সহন,
শরণ লইনু তোর॥
ও চাঁদ মুখের, মধুর হাসনি,
সদাই মরমে জাগে।
মুখ তুলি যদি, ফিরিয়া না চাহ,
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের, পরশে আমার,
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ, সকলি আমার,
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার, সকলি আমার,
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি, তোমা না দেখিলে,
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে, কহিতে তোমারে,
মনে না ভাবিহ আন।
করজ লিখিয়া, লেহয়ে আমার,
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে, শুনহ সুন্দরি,
এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর, সদয় হইয়া,
কেনে না করহ প্রীতি॥
রামা হে ক্ষম অপরাধ মোর।
বদন বেদন, না যায় সহন,
শরণ লইনু তোর॥
ও চাঁদ মুখের, মধুর হাসনি,
সদাই মরমে জাগে।
মুখ তুলি যদি, ফিরিয়া না চাহ,
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের, পরশে আমার,
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ, সকলি আমার,
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার, সকলি আমার,
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি, তোমা না দেখিলে,
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহারে, কহিতে তোমারে,
মনে না ভাবিহ আন।
করজ লিখিয়া, লেহয়ে আমার,
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে, শুনহ সুন্দরি,
এ কোন ভাব যুকতি।
কানু সে কাতর, সদয় হইয়া,
কেনে না করহ প্রীতি॥
এই পদটি ১৯৫৩ সালে (?) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ৩৯৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মানপ্রকরণ
॥ শ্রীরাগ - বড় দুঠুকী॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
মদন বেদন না যায় সহন
শরণ লই তোরলুঁ॥ ধ্রু॥
ও চাঁদ মুখের মধুর হাসনি
সদাই মরমে জাগে।
মুখ তুলি যদি ফিরিয়া না চাহ
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের পরশে আমার
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ সকলি আমার
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার সকলি আমার
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি তোমা না দেখিলে
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহার করিয়ে তোমার
মনে না ভাবিহ আন।
কবজ লিখিয়া লেহ যে আমার
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহ সুন্দরী
এ কোন ভাব যুগতি।
কানু সে কাতর সদয় হইয়া
কেন না কর প্রতীতি॥
*********************
॥ শ্রীরাগ - বড় দুঠুকী॥
রামা হে ক্ষেম অপরাধ মোর।
মদন বেদন না যায় সহন
শরণ লই তোরলুঁ॥ ধ্রু॥
ও চাঁদ মুখের মধুর হাসনি
সদাই মরমে জাগে।
মুখ তুলি যদি ফিরিয়া না চাহ
আমার শপথি লাগে॥
তোমার অঙ্গের পরশে আমার
চিরজীবী হউ তনু।
জপ তপ তুহুঁ সকলি আমার
করের মোহন বেণু॥
দেহ গেহ সার সকলি আমার
তুমি সে নয়ানের তারা।
আধ তিল আমি তোমা না দেখিলে
সব বাসি আন্ধিয়ারা॥
এত পরিহার করিয়ে তোমার
মনে না ভাবিহ আন।
কবজ লিখিয়া লেহ যে আমার
দাস করি অভিমান॥
জ্ঞানদাস কহে শুনহ সুন্দরী
এ কোন ভাব যুগতি।
কানু সে কাতর সদয় হইয়া
কেন না কর প্রতীতি॥
*********************
