কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
শুন শুন আরে সখি আজুক রঙ্গ
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ৩য় শাখা, ৬ষ্ঠ পল্লব, রসোদ্গার, ৬৯৯-নং পদসংখ্যা, ৬৭-পৃষ্ঠায়, অজ্ঞাত পদকর্তার ভণিতাহীন পদ হিসাবে এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পঠমঞ্জরী॥

শুন শুন আরে সখি আজুক রঙ্গ।
রজনি গোঙায়লু সুপুরুখ সঙ্গ॥
মদন-মনোহর সুন্দর বেশ।
মন্দিরে মোর কয়ল পরবেশ॥
পাণি পাণি গহি বসাওল পাশ।
শশি কুমুদিনি জনু উপজল হাস॥
কাঁচুলি ফাঁড়ি কুচ-কুম্ভ বিদার।
নিবি-বন্ধ ফুগইতে টুটল হার॥
করে কর জোরি আলিঙ্গন দেল।
হৃদয়ক দারিদ তৈখনে গেল॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রসোদ্গার, ১৫৩ পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শুন শুন আরে সখি আজুক রঙ্গ।
রজনী গোঙায়লু সুপুরুষ সঙ্গ॥
মদন-মনোহর সুন্দর বেশ।
মন্দিরে মোর কয়ল পরবেশ॥
পাণি পাণি গহি বসাওল পাশ।
শশি কুমুদিনি জনু উপজল হাস॥
কাঁচুলি ফাঁড়ি কুচ-কুম্ভ বিদার।
নিবি বন্ধ ফুগইতে টুটল হার॥
করে কর জোরি আলিঙ্গন দেল।
হৃদয়ক দারিদ তৈখনে গেল॥

টীকা ---
পদকল্পতরুতে ভনিতার শেষ চরণ নাই। ক তে শেষ চরণে আছে --- জ্ঞান কহে দারিদ দুখ দূরে গেল।

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৯৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার রসোদ্গার
॥ পঠমঞ্জরী॥

শুন শুন আরে সখি আজুক রঙ্গ।
রজনি গোঙায়লু সুপুরুখ সঙ্গ॥
মদনমনোহর সুন্দর বেশ।
মন্দিরে মোর কয়ল পরবেশ॥
পাণি পাণি গহি বসাওল পাশ।
শশি কুমুদিনি জনু উপজল হাস॥
কাঁচুলি ফাঁড়ি কুচকুম্ভ বিদার।
নিবিবন্ধ ফুগইতে টুটল হার॥
করে কর জোরি আলিঙ্গন দেল।
জ্ঞান কহে দারিদদুখ দূরে গেল॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
॥ পঠমঞ্জরী॥

শুন শুন আরে সখি আজুক রঙ্গ।
রজনি গোঙায়লু সুপুরুখ সঙ্গ॥
মদন-মনোহর সুন্দর বেশ।
মন্দিরে মোর কয়ল পরবেশ॥
পাণি পাণি গহি বসাওল পাশ।
শশি কুমুদিনি জনু উপজল হাস॥
কাঁচুলি ফাঁড়ি কুচ-কুম্ভ বিদার।
নিবি-বন্ধ ফুগইতে টুটল হার॥
করে কর জোরি আলিঙ্গন দেল।
জ্ঞান কহে দারিদ-দুখ দূরে গেল॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শুন শুন আরে সখি আজুক রঙ্গ।
রজনি গোঙায়লু সুপুরুখ সঙ্গ॥
মদনমনোহর সুন্দর বেশ।
মন্দিরে মোর কয়ল পরবেশ॥
পাণি পাণি গহি বসাওল পাশ।
শশি কুমুদিনি জনু উপজল হাস॥
কাঁচুলি ফাঁড়ি কুচকুম্ভ বিদার।
নিবিবন্ধ ফুগইতে টূটল হার॥
করে কর জোরি আলিঙ্গন দেল।
জ্ঞান কহে দারিদদুখ দূরে গেল॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^