কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
নয়ন কোনের অলখ বাণে হিয়ার মাঝে কাঁপ
নয়ানকোণের অলখ বাণে হিয়ার মাঝে কাঁপ
কবি জ্ঞানদাস
নয়ানকোণের অলখ বাণে হিয়ার মাঝে কাঁপ
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রসোদ্গার, ১৫৮ পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নয়ন-কোনের অলখ বাণে হিয়ার মাঝে কাঁপ।
মুখের ছান্দে মরম কান্দে অইস মনে জাপ॥
ভালের তিলক আলোক ভূবন মদন পালায় লাজে।
ঘরের নিয়ড়ে রহিতে নারি আগুন লাগিল কাজে॥
কি আর লোকের লাজে, আকুল পরাণি।
কি করিতে কিবা করি কিছুই না জানি॥
হাসির মিশালে বাঁশীর নিশাসে রসের ছান্দে কয়।
রসের ইঙ্গিতে অশেষ ভঙ্গিতে কতেক প্রাণে সয়॥
অঙ্গের পরশে যৌবন জীবন সফল করিয়া মানে।
রমণী হইয়া তারে না ছুঁইলে কি তার ছার জীবনে॥
সঘনে শিহরে গা ঘন উঠে হাই।
পাই বা না পাই চিতে পরতীত নাই॥
জ্ঞানদাস কহে মো পুনি কহিল আপন মনের বোলে।
সাধের শেজে শুতিয়া রহিলে পাইয়া আপন কোলে॥
মুখের ছান্দে মরম কান্দে অইস মনে জাপ॥
ভালের তিলক আলোক ভূবন মদন পালায় লাজে।
ঘরের নিয়ড়ে রহিতে নারি আগুন লাগিল কাজে॥
কি আর লোকের লাজে, আকুল পরাণি।
কি করিতে কিবা করি কিছুই না জানি॥
হাসির মিশালে বাঁশীর নিশাসে রসের ছান্দে কয়।
রসের ইঙ্গিতে অশেষ ভঙ্গিতে কতেক প্রাণে সয়॥
অঙ্গের পরশে যৌবন জীবন সফল করিয়া মানে।
রমণী হইয়া তারে না ছুঁইলে কি তার ছার জীবনে॥
সঘনে শিহরে গা ঘন উঠে হাই।
পাই বা না পাই চিতে পরতীত নাই॥
জ্ঞানদাস কহে মো পুনি কহিল আপন মনের বোলে।
সাধের শেজে শুতিয়া রহিলে পাইয়া আপন কোলে॥
টীকা---
অলখ বাণে --- অলক্ষ্য বাণে।
অইস মনে জাপ --- ঐ রূপ ই মনে মনে ধ্যান করি।
অলখ বাণে --- অলক্ষ্য বাণে।
অইস মনে জাপ --- ঐ রূপ ই মনে মনে ধ্যান করি।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার রসোদ্গার
॥ মল্লার রাগ॥
নয়ানকোণের অলখ বাণে
হিয়ার মাঝে কাঁপ।
মুখের ছান্দে মরম কান্দে
অইস মনে জাপ॥
ভালের তিলক আলোক ভূবন
মদন পালায় লাজে।
ঘরের নিয়ড়ে রহিতে নারি
আগুন লাগিল কাজে॥
কি আর লোকের লাজে, আকুল পরাণি।
কি করিতে কিবা করি কিছুই না জানি॥ ধ্রু॥
হাসির মিশালে বাঁশীর নিশাসে
রসের ছান্দে কয়।
রসের ইঙ্গিতে অশেষ ভঙ্গিতে
কতেক প্রাণে সয়॥
অঙ্গের পরশে যৌবন জীবন
সফল করিয়া মানে।
রমণী হইয়া তারে না ছুঁইলে
কি তার ছার জীবনে॥
সঘনে শিহরে গা ঘন উঠে হাই।
পাই বা না পাই চিতে পরতীত নাই॥
জ্ঞানদাস কহে মো পুনি কহিল
আপন মনের বোলে।
সাধের শেজে শুতিয়া রহিলে
পাইয়া আপন কোলে॥
॥ মল্লার রাগ॥
নয়ানকোণের অলখ বাণে
হিয়ার মাঝে কাঁপ।
মুখের ছান্দে মরম কান্দে
অইস মনে জাপ॥
ভালের তিলক আলোক ভূবন
মদন পালায় লাজে।
ঘরের নিয়ড়ে রহিতে নারি
আগুন লাগিল কাজে॥
কি আর লোকের লাজে, আকুল পরাণি।
কি করিতে কিবা করি কিছুই না জানি॥ ধ্রু॥
হাসির মিশালে বাঁশীর নিশাসে
রসের ছান্দে কয়।
রসের ইঙ্গিতে অশেষ ভঙ্গিতে
কতেক প্রাণে সয়॥
অঙ্গের পরশে যৌবন জীবন
সফল করিয়া মানে।
রমণী হইয়া তারে না ছুঁইলে
কি তার ছার জীবনে॥
সঘনে শিহরে গা ঘন উঠে হাই।
পাই বা না পাই চিতে পরতীত নাই॥
জ্ঞানদাস কহে মো পুনি কহিল
আপন মনের বোলে।
সাধের শেজে শুতিয়া রহিলে
পাইয়া আপন কোলে॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের, রসোদ্গার, ১৮৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ মল্লার রাগ॥
নয়ান-কোণের অলখ বাণে হিয়ার মাঝে কাঁপ।
মুখের ছান্দে মরম কান্দে অইস মনে জাপ॥
ভালের তিলক আলোক ভুবন মদন পালায় লাজে।
বরের নিয়ড়ে রহিতে নারি আগুন লাগিল কাজে॥
কি আর লোকের লাজে, আকুল পরাণি।
কি করিতে কিবা করি কিছুই না জানি॥ ধ্রু॥
হাসির মিশালে বাঁশীর নিশাসে রসের ছান্দে কয়।
রসের ইঙ্গিতে অশেষ ভঙ্গিতে কতেক প্রাণে সয়॥
অঙ্গের পরশে যৌবন জীবন সফল করিয়া মানে।
রমণী হইয়া তারে না ছুঁইলে কি তাব ছার জীবনে॥
সঘনে শিহরে গা ঘন উঠে হাই ।
পাই বা না পাই চিতে পরতীত নাই॥
জ্ঞানদাস কহে মো পুনি কহিল আপন মনের বোলে।
সাধের শেজে শুতিয়া রহিলে পাইয়া আপন কোলে॥
নয়ান-কোণের অলখ বাণে হিয়ার মাঝে কাঁপ।
মুখের ছান্দে মরম কান্দে অইস মনে জাপ॥
ভালের তিলক আলোক ভুবন মদন পালায় লাজে।
বরের নিয়ড়ে রহিতে নারি আগুন লাগিল কাজে॥
কি আর লোকের লাজে, আকুল পরাণি।
কি করিতে কিবা করি কিছুই না জানি॥ ধ্রু॥
হাসির মিশালে বাঁশীর নিশাসে রসের ছান্দে কয়।
রসের ইঙ্গিতে অশেষ ভঙ্গিতে কতেক প্রাণে সয়॥
অঙ্গের পরশে যৌবন জীবন সফল করিয়া মানে।
রমণী হইয়া তারে না ছুঁইলে কি তাব ছার জীবনে॥
সঘনে শিহরে গা ঘন উঠে হাই ।
পাই বা না পাই চিতে পরতীত নাই॥
জ্ঞানদাস কহে মো পুনি কহিল আপন মনের বোলে।
সাধের শেজে শুতিয়া রহিলে পাইয়া আপন কোলে॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নয়ানকোণের অলখ বাণে
হিয়ার মাঝে কাঁপ।
মুখের ছান্দে মরম কান্দে
অইসে মনে জাপ॥
ভালের তিলক আলোক ভূবন
মদন পালায় লাজে।
ঘরের নিয়ড়ে রহিতে নারি
আগুন লাগিল কাজে॥
কি আর লোকের লাজে আকুল পরাণি।
কি করিতে কিবা করি কিছুই না জানি॥
হাসির মিশালে বাঁশীর নিশাসে
রসের ছান্দে কয়।
রসের ইঙ্গিতে অশেষ ভঙ্গিতে
কতেক প্রাণে সয়॥
অঙ্গের পরশে যৌবন জীবন
সফল করিয়া মানে।
রমণী হইয়া তারে না ছুঁইলে
কি তার ছার জীবনে॥
সঘনে শিহরে গা ঘন উঠে হাই।
পাই বা না পাই চিতে পরতীত নাই॥
জ্ঞানদাস কহে মো পুনি কহিল
আপন মনের বোলে।
সাধের শেজে শুতিয়া রহিলে
পাইয়া আপন কোলে॥
*********************
নয়ানকোণের অলখ বাণে
হিয়ার মাঝে কাঁপ।
মুখের ছান্দে মরম কান্দে
অইসে মনে জাপ॥
ভালের তিলক আলোক ভূবন
মদন পালায় লাজে।
ঘরের নিয়ড়ে রহিতে নারি
আগুন লাগিল কাজে॥
কি আর লোকের লাজে আকুল পরাণি।
কি করিতে কিবা করি কিছুই না জানি॥
হাসির মিশালে বাঁশীর নিশাসে
রসের ছান্দে কয়।
রসের ইঙ্গিতে অশেষ ভঙ্গিতে
কতেক প্রাণে সয়॥
অঙ্গের পরশে যৌবন জীবন
সফল করিয়া মানে।
রমণী হইয়া তারে না ছুঁইলে
কি তার ছার জীবনে॥
সঘনে শিহরে গা ঘন উঠে হাই।
পাই বা না পাই চিতে পরতীত নাই॥
জ্ঞানদাস কহে মো পুনি কহিল
আপন মনের বোলে।
সাধের শেজে শুতিয়া রহিলে
পাইয়া আপন কোলে॥
*********************
