এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৬৮পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শুনরে সুবল ভাই বলিরে তুমারে।
রাধার মহিমাগুণ কে কহিতে পারে॥
বেদবিধি অগোচর শ্রীরাধার নাম।
নামের মহিমা যার নাহিক উপাম॥
কিবা রাত্রি কিবা দিনে মুরলীতে পাই।
মনের আনন্দ হয়ে ওর নাহি পাই॥
এই মোর মনে হয় কহিয়ে তুমারে।
অবিরত রাধাপদ সেবা করিবারে॥
যে পদ সেবিলে ভাই সফল জীবন।
ভাগ্যবতী গোপিগণ করয়ে সেবন॥
শ্রীমুখে অমৃতবাণী শুনয়ে শ্রবণে।
ও চান্দ-বদন মুখ হেরি রাত্রিদিনে॥
এতেক বলিয়া শ্যাম ছাড়য়ে নিশ্বাস।
চরণ সেবিব কবে কহে জ্ঞানদাস॥
টীকা ---
শ্রীমুখে অমৃতবাণী শুনয়ে শ্রবণে --- শ্রীকৃষ্ণ রাধার সঙ্গিণী গোপীদের সৌভাগ্য দেখিয়া যেন ঈর্ষান্বিত হইয়া বলিতেছেন যে তাহার রাধাপদ সেবন করিতে পায় এবং তাহার শ্রীমুখের মৃততুল্য বাণী কানে শুনিতে পায়॥
*********************