কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৫৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন।
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৮৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন।
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই। তুয়া
অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥ তুয়া অনু-
রাগে হাম পরি নীল শাড়ী। তুয়া অনু-
রাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥ তুয়া অনুরাগে
হাম হইনু কলঙ্কিনী। তুয়া অনুরাগে
নন্দের বাধা বৈনু আমি॥ তুয়া অনুরাগে
হাম তুয়াময় দেখি। তুয়া অনুরাগে মোর
বাঁকা হইল আঁখি॥ তুয়া অনুরাগে হাম
কিছু নাহি জান। চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞান-
দাসের গান॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব-সম্মিলন
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৬০০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
নিবেদন
॥ ধানশী - একতালা॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননেতে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বরধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হ'লাম কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বইলাম আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞান দাসের গান॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৬৯পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বরধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
টীকা ---
পদটি রাধাকৃষ্ণের উত্তর-প্রত্যুত্তর।
প্রথম, পঞ্চম, সপ্তম, নবম, চরণ শ্রীরাধার উক্তি।
বাধা বৈনু আমি --- খড়ম বহিলাম।
শ্রীকৃষ্ণ যখন বলিলেন “তোমার অনুরাগে আমি কিছুই জানিতে পারিলাম না” তখন জ্ঞানদাস বিদ্রুপ করিয়া বলিতেছেন সেই জন্যই তো তুমি চন্দ্রাবলীর ভজনা করতে যাও। (এখানে রাধার সহিত চন্দ্রাবলীকে অভিন্ন করিয়া দেখা হয় নাই। সুতরাং পদটির অকৃত্রিমতার “ক”-য় সংশয় যুক্তিসন্মত নহে)।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব-সম্মিলন।
॥ কেদার॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা হৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, উভয়োত্তরানুরাগঃ, ৪৭১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননেতে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর-ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হৈলুঁ কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হৈল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৯৪০ সালে চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত এবং হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্য-বত্ন দ্বারা পরিদৃষ্ট ও সংশোধিত “বিদ্যাপতি চণ্ডীদাস ও অন্যান্য বৈষ্ণব মহাজন গীতিকা” সংকলনের ১৩৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
“তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।”
“তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥”
“তুয়া অনুরাগে হাম কাননেতে ধাই।”
“তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥”
“তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।”
“তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর-ধারী॥”
“তুয়া অনুরাগে হাম হলাম কলঙ্কিনী।”
“তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বইলাম আমি॥”
“তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।”
“তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হৈল আঁখি॥”
“তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।”
তুহুঁ চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাস গান॥”
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মিলন, ২৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল সাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বরধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে আমি তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হৈল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৪৫৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধাকৃষ্ণের পরস্পর উক্তি
॥ কেদার॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর-ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বইনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
আত্ম-নিবেদন
॥ কেদার॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম। তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই। তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী। তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর-ধারি॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী। তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বইনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি। তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান। চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বইনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
*********************
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৫৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন।
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৮৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন।
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই। তুয়া
অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥ তুয়া অনু-
রাগে হাম পরি নীল শাড়ী। তুয়া অনু-
রাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥ তুয়া অনুরাগে
হাম হইনু কলঙ্কিনী। তুয়া অনুরাগে
নন্দের বাধা বৈনু আমি॥ তুয়া অনুরাগে
হাম তুয়াময় দেখি। তুয়া অনুরাগে মোর
বাঁকা হইল আঁখি॥ তুয়া অনুরাগে হাম
কিছু নাহি জান। চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞান-
দাসের গান॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব-সম্মিলন
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৬০০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
নিবেদন
॥ ধানশী - একতালা॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননেতে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বরধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হ'লাম কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বইলাম আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞান দাসের গান॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৬৯পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বরধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
টীকা ---
পদটি রাধাকৃষ্ণের উত্তর-প্রত্যুত্তর।
প্রথম, পঞ্চম, সপ্তম, নবম, চরণ শ্রীরাধার উক্তি।
বাধা বৈনু আমি --- খড়ম বহিলাম।
শ্রীকৃষ্ণ যখন বলিলেন “তোমার অনুরাগে আমি কিছুই জানিতে পারিলাম না” তখন জ্ঞানদাস বিদ্রুপ করিয়া বলিতেছেন সেই জন্যই তো তুমি চন্দ্রাবলীর ভজনা করতে যাও। (এখানে রাধার সহিত চন্দ্রাবলীকে অভিন্ন করিয়া দেখা হয় নাই। সুতরাং পদটির অকৃত্রিমতার “ক”-য় সংশয় যুক্তিসন্মত নহে)।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব-সম্মিলন।
॥ কেদার॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা হৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, উভয়োত্তরানুরাগঃ, ৪৭১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননেতে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর-ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হৈলুঁ কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হৈল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৯৪০ সালে চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত এবং হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্য-বত্ন দ্বারা পরিদৃষ্ট ও সংশোধিত “বিদ্যাপতি চণ্ডীদাস ও অন্যান্য বৈষ্ণব মহাজন গীতিকা” সংকলনের ১৩৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
“তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।”
“তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥”
“তুয়া অনুরাগে হাম কাননেতে ধাই।”
“তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥”
“তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।”
“তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর-ধারী॥”
“তুয়া অনুরাগে হাম হলাম কলঙ্কিনী।”
“তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বইলাম আমি॥”
“তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।”
“তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হৈল আঁখি॥”
“তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।”
তুহুঁ চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাস গান॥”
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মিলন, ২৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ধানশী॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল সাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বরধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বৈনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে আমি তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হৈল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৪৫৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধাকৃষ্ণের পরস্পর উক্তি
॥ কেদার॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর-ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বইনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
আত্ম-নিবেদন
॥ কেদার॥
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম। তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই। তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী। তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর-ধারি॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী। তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বইনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি। তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান। চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
তুয়া অনুরাগে হাম নিমগন হইলাম।
তুয়া অনুরাগে হাম গোলক ছাড়িলাম॥
তুয়া অনুরাগে হাম কাননে ধাই।
তুয়া অনুরাগে হাম ধবলী চরাই॥
তুয়া অনুরাগে হাম পরি নীল শাড়ী।
তুয়া অনুরাগে হাম পীতাম্বর ধারী॥
তুয়া অনুরাগে হাম হইনু কলঙ্কিনী।
তুয়া অনুরাগে নন্দের বাধা বইনু আমি॥
তুয়া অনুরাগে হাম তুয়াময় দেখি।
তুয়া অনুরাগে মোর বাঁকা হইল আঁখি॥
তুয়া অনুরাগে হাম কিছু নাহি জান।
চন্দ্রাবলী ভজ জ্ঞানদাসের গান॥
*********************
