কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
সহজে নারীর অধিক জীবন
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৭৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতির লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো তোমারে কহিতে কি।
এ রস লালস, সব সম্ভাপনা,
এ নাকি নহিলে জী॥ ধ্রু।
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস,
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বন্ধুর সনে,
বান্ধিল করম সূতে॥
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি,
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতির লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো তোমারে কহিতে কি।
এ রস লালস, সব সম্ভাপনা,
এ নাকি নহিলে জী॥ ধ্রু।
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস,
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বন্ধুর সনে,
বান্ধিল করম সূতে॥
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি,
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২২৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী সম্বোধন।
॥ সুহই॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতির লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো তোমারে কহিতে কি।
এ রস লালস, সব সম্ভাপনা,
এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস,
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বন্ধুর সনে,
বান্ধিল করম সূতে॥
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি,
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
॥ সুহই॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতির লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো তোমারে কহিতে কি।
এ রস লালস, সব সম্ভাপনা,
এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস,
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বন্ধুর সনে,
বান্ধিল করম সূতে॥
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি,
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ সুহই॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন, তাহে
পিরীতির লেশ। ইথে কি জগতে, কেহ
ভাল বলে, যাইতে কি হেন দেশ॥ সখি
গো তোমারে কহিতে কি। এ রস লালস,
সব সম্ভাপনা, এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস, সে পুন
পাইয়ে হাতে। বিধির লিখনে, কালা বন্ধুর
সনে, বান্ধিল করম সূতে॥ রাতি দিনে
মুঞি, সম্বিত না পারি, দেখি বড় পর-
মাদে। জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ সুহই॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন, তাহে
পিরীতির লেশ। ইথে কি জগতে, কেহ
ভাল বলে, যাইতে কি হেন দেশ॥ সখি
গো তোমারে কহিতে কি। এ রস লালস,
সব সম্ভাপনা, এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস, সে পুন
পাইয়ে হাতে। বিধির লিখনে, কালা বন্ধুর
সনে, বান্ধিল করম সূতে॥ রাতি দিনে
মুঞি, সম্বিত না পারি, দেখি বড় পর-
মাদে। জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ।
॥ সুহই॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতির লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো, তোমারে কহিতে কি।
এ রস লালস, সব সম্ভাপনা,
এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস,
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বন্ধুর সনে,
বান্ধিল করম-সূতে॥
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি,
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
॥ সুহই॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতির লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো, তোমারে কহিতে কি।
এ রস লালস, সব সম্ভাপনা,
এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস,
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বন্ধুর সনে,
বান্ধিল করম-সূতে॥
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি,
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৭১পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতের লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো তোমারে কহিতে কি।
এ রস লালস, সব সম্ভাষণা,
এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস.
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বন্ধু সনে,
@@@@@@@@@
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাসে বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
তাহে পিরীতের লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো তোমারে কহিতে কি।
এ রস লালস, সব সম্ভাষণা,
এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস.
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বন্ধু সনে,
@@@@@@@@@
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাসে বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
@@@@@ - "বান্ধিল করম-সূতে॥" এই কলিটি এখানে মুদ্রিত হয়নি অথবা PDF এ ওঠে নি।
টীকা ---
এ নাকি নহিলে জী --- সেই রস লালসা এবং প্রীতির সম্ভাষণ না পাইলে কি বাঁচা যায়?
বান্ধিল করমসূতে --- কর্ম্মসূত্রদ্বারা বিধাতা আমাকে কালিয়া বন্ধুর সহিত বাঁধিলেন।
সম্বিত না পারি --- জ্ঞান থাকে না।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৩১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
টীকা ---
এ নাকি নহিলে জী --- সেই রস লালসা এবং প্রীতির সম্ভাষণ না পাইলে কি বাঁচা যায়?
বান্ধিল করমসূতে --- কর্ম্মসূত্রদ্বারা বিধাতা আমাকে কালিয়া বন্ধুর সহিত বাঁধিলেন।
সম্বিত না পারি --- জ্ঞান থাকে না।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৩১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ সুহই॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতির লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো, তোমারে কহিতে কি।
এ রস-লালস, সব সম্ভাপনা,
এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস,
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বন্ধুর সনে,
বান্ধিল করম-সূতে॥
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি,
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
॥ সুহই॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতির লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো, তোমারে কহিতে কি।
এ রস-লালস, সব সম্ভাপনা,
এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস,
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বন্ধুর সনে,
বান্ধিল করম-সূতে॥
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি,
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ (সখী সম্বোধনে), ১৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতির লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো তোমারে কহিতে কি।
এ রস লালস, সব সম্ভাপনা,
এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস,
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বঁধুর সনে,
বাঁধিল করম-সূতে॥
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি,
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
*********************
সহজে নারীর, অধিক জীবন,
তাহে পিরীতির লেশ।
ইথে কি জগতে, কেহ ভাল বলে,
যাইতে কি হেন দেশ॥
সখি গো তোমারে কহিতে কি।
এ রস লালস, সব সম্ভাপনা,
এ নাকি নহিলে জী॥
হিয়ার অভিলাষ, যতেক বিলাস,
সে পুন পাইয়ে হাতে।
বিধির লিখনে, কালা বঁধুর সনে,
বাঁধিল করম-সূতে॥
রাতি দিনে মুঞি, সম্বিত না পারি,
দেখি বড় পরমাদে।
জ্ঞানদাস বলে, ও মুখ দেখিতে,
কাহার না যায় সাধে॥
*********************
