কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার
হাঁসিএ নেহার রাই হাঁসিএ নেহার

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ২য় শাখা, ১৭শ পল্লব, দুর্জ্জয় মান, ৫১৪ নং পদসংখ্যা, ৩৪৫-নং পৃষ্ঠা থেকে নেওয়া।

॥ তথা রাগ॥

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনারে পরাণে কেনে মার॥
যে চান্দের সুধা-দানে জগত জুড়াও।
সে চান্দ-বদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ-পরশে।
সোণা শতবান হৈয়া কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণ-ধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ১৩৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

হাঁসিএ নেহার রাই হাঁসিএ নেহার। অনুগতজনেরে পরাণে কেনে মার॥
যে চান্দের সুধাদানে জগত জুড়ায়। সে চান্দবদনে কেনে আমারে পোড়ায়॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণে পরসে। সোনা শতবাণ হএ কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণধূলি পরসিতে করি সাধ। জ্ঞানদাস কহে জদি করে পরসাদ॥


ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মান
॥ শ্রীরাগ॥

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনেরে পরাণে কেনে মার॥
যে চাঁদের সুধা দানে জগত জুড়াও।
সে চাঁদ বদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ পরশে।
সোনা শতগুণ হৈয়া কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণ ধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৪৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মান।
॥ শ্রীরাগ॥

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনেরে পরাণে কেনে মার॥
যে চাঁদের সুধাদানে জগত জুড়াও।
সে চাঁদ বদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ পরশে।
সোনা শতগুণ হৈয়া কাহে না তোষে॥
সে চরণ ধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মান।

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনেরে পরাণে কেনে মার॥ যে
চাঁদের সুধা দানে জগত জুড়াও। সে চাঁদ
বদনে কেনে আমারে পোড়াও॥ অবনীর
ধূলি তুয়া চরণ পরশে। সোনা শতগুণ
হৈয়া কাহে না তোষে॥ সে চরণ ধূলি
পরশিতে করি সাধ। জ্ঞানদাস কহে যদি
করে পরসাদ॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মান
॥ শ্রীরাগ॥

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনেরে পরাণে কেন মার॥
যে চাঁদের সুধা দানে জগত জুড়াও।
সে চাঁদবদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ পরশে।
সোনা শতগুণ হৈয়া কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণ ধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, মান, ২৩২পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনারে পরাণে কেনে মার॥
যে চান্দের সুধা-দানে জগত জুড়াও।
সে চান্দ-বদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবণীর ধূলি তূয়া চরণ-পরশে।
সোনা শতবান হৈয়া কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণ-ধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

টীকা ---
হাসিয়া নেহার --- একটু হাসিয়া আমার দিকে চাও
যে চান্দের সুধাদানে ইত্যাদি --- তোমার মুখ চাঁদের মতন, আর চাঁদ সুধা বিতরণ করিয়া জগতকে শীতল করে ; সেই চাঁদবদন লইয়া তুমি আমাকে পুড়াইতেছ কেন?
সোনা শতবান --- শতবার যে সোনা বিশুদ্ধ করা হইয়াছে।


ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

মান
॥ শ্রীরাগ॥

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনেরে পরাণে কেন মার॥
যে চাঁদের সুধা দানে জগত জুড়াও।
সে চাঁদবদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ পরশে।
সোনা শতগুণ হৈয়া কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণ-ধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

ই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মানভঞ্জন, ৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনেরে পরাণে কেন মার॥
যে চাঁদের সুধাদানে জগত জুড়াও।
সে চাঁদ-বদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ পরশে।
সোণা শত গুণ হৈয়া কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণ-ধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৩৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

মান
দূতীর প্রতি শ্রীকৃষ্ণ
॥ তথারাগ॥

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনারে পরাণে কেনে মার॥
যে চান্দের সুধাদানে জগত জুড়াও।
সে চান্দবদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ-পরশে।
সোনা শতবান হৈয়া কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

ই পদটি ১৯৫৩ সালে (?) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ৪০৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

মানপ্রকরণ
॥ সিন্ধুড়া - ছোট একতালা॥

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনারে পরাণে কেনে মার॥
যে চান্দের সুধা দানে জগত জুড়াও।
সে চান্দ-বদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ-পরশে।
সোনা শতবান হৈয়া কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণ ধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞান দাস কহে যদি করে পরসাদ॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত,“জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৬৩--পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মান

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনারে পরাণে কেনে মার॥
যে চান্দের সুধা-দানে জগত জুড়াও।
সে চান্দ-বদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ-পরশে।
সোণা শতবান হৈয়া কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণ-ধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

ই পদটি ১৩৬৮ বঙ্গাব্দে (১৯৬১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত, এবং পূর্ণেন্দুশেখর পত্রী দ্বারা সজ্জিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী” ১ম সংস্করণের ১৩৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনারে পরাণে কেনে মার॥
যে চান্দের সুধা-দানে জগৎ জুড়াও।
সে চান্দ-বদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ-পরশে।
সোনা শতবাণ হৈয়া কাহে নাহি তোষে॥
সে চরণ-ধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৭০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হাসিয়া নেহার রাই হাসিয়া নেহার।
অনুগত জনারে পরাণে কেনে মার॥
যে চান্দের সুধাদানে জগত জুড়াও।
সে চান্দবদনে কেনে আমারে পোড়াও॥
অবনীর ধূলি তুয়া চরণ পরশে।
সোনা শতবাণ হৈয়া কাহাকে না তোষে॥
সে চরণধূলি পরশিতে করি সাধ।
জ্ঞানদাস কহে যদি করে পরসাদ॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^