কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
আরে মোর বন্ধুরে কানাই
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অনুরাগ---নায়ক সম্বোধনে।
॥ করুণ-বরাড়ী॥

আরে মোর বন্ধুরে কানাই।
তোমা বিনে তিলেক রহিতে ঠাঁই নাই॥ ধ্রু।
এ ঘর বসতি মোর আনলের খনি।
তোমার পিরীতি লাগি রাখিয়াছি পরাণী॥
মাঝ পাথার জলে তৃণ হেন বাসি।
উচিত কহিতে নাই এ পাড়া পড়সি॥
তুমি যদি না ছাড় বন্ধু দুখে মোর সুখ।
জ্ঞানদাস কহে তিলে লাখ যুগ॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২২২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়ক সম্বোধন।
॥ করুণ-বরাড়ী॥

আরে মোর বন্ধুরে কানাই।
তোমা বিনে তিলেক রহিতে ঠাঁই নাই॥
এ ঘর বসতি মোর আনলের খনি।
তোমার পিরীতি লাগি রাখিয়াছি পরাণী॥
মাঝ পাথার জলে তৃণ হেন বাসি।
উচিত কহিতে নাই এ পাড়া পড়সি॥
তুমি যদি না ছাড় বন্ধু দুখে মোর সুখ।
জ্ঞানদাস কহে তিলে লাখ যুগ॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৫৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়ক সম্বোধন।
॥ করুণ-বরাড়ী॥

আরে মোর বন্ধুরে কানাই। তোমা
বিনে তিলেক রহিতে ঠাঁই নাই॥ এ ঘর
বসতি মোর আনলের খনি। তোমার
পিরীতি লাগি রাখিয়াছি পরাণী॥ মাঝ
পাথার জলে তৃণ হেন ভাসি। উচিত
কহিতে নাই এ পাড়া পড়সি॥ তুমি যদি
না ছাড় বন্ধু দুখে মোর সুখ। জ্ঞানদাস
কহে তিলে লাখ যুগ॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অনুরাগ।
॥ করুণ-বরাড়ী॥

আরে মোর বন্ধুরে কানাই।
তোমা বিনে তিলেক রহিতে ঠাঁই নাই॥ ধ্রু
এ ঘর বসতি মোর আনলের খনি।
তোমার পিরীতি লাগি রাখিয়াছি পরাণী॥
মাঝ পাথার জলে তৃণ হেন বাসি।
উচিত কহিতে নাই এ পাড়া পড়শী॥
তুমি যদি না ছাড় বন্ধু দুখে মোর সুখ।
জ্ঞানদাস কহে তিলে লাখ যুগ॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৭৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে

আরে মোর বন্ধুরে কানাই।
তোমা বিনে তিলেক রহিতে ঠাঁই নাই॥
এ ঘর বসতি মোর আনলের খণি।
তোমার পিরীতি লাগি রাখিয়াছি পরাণী॥
মাঝ পাথার জলে তৃণ হেন ভাসি।
উচিত কহিতে নাই এ পাড়া পড়সী॥
তুমি যদি না ছাড় বন্ধু দুখে মোর সুখ।
জ্ঞানদাস কহে তিলে লাখ যুগ॥

টীকা ---
মাঝ পাথার জলে --- অগাধ সমুদ্রের মধ্যে তৃণের মতন ভাসিয়া যাইতেছি।

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

অনুরাগ।
॥ বরাড়ী॥

আরে মোর বন্ধুরে কানাই।
তোমা বিনে তিলেক রহিতে ঠাঁই নাই॥
এ ঘর বসতি মোর অনলের খনি।
তোমার পিরীতি লাগি রাখিয়াছি পরাণী॥
মাঝ পাথার জলে তৃণ হেন বাসি।
উচিত কহিতে নাই এ পাড়া পড়শী॥
তুমি যদি না ছাড় বন্ধু দুখে মোর সুখ।
জ্ঞানদাস কহে তিলে লাখ যুগ॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ (শ্রীকৃষ্ণ প্রতি), ৩৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ করুণ - বরাড়ী॥

আরে মোর বন্ধুরে কানাই।
তোমা বিনে তিলেক রহিতে ঠাঞি নাই॥
এ ঘর বসতি মোর অনলের খনি।
তোমার পিরীতি লাগি রাখ্যাছি পরাণী॥
মাঝ পাথার জলে তৃণ হেন বাসি।
উচিত কহিতে নাই এ পাড়া পরসী॥
তুমি যদি না ছাড় বন্ধু দুখে মোর সুখ।
জ্ঞানদাস কহে তিলে লাখ যুগ॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আক্ষেপানুরাগ।
॥ বরাড়ী॥

আরে মোর বন্ধুরে কানাই। তোমা বিনে তিলেক রহিতে ঠাঁই নাই॥
এ ঘর-বসতি মোর অনলের খনি। তোমার পিরিতি লাগি রেখ্যাছি পরাণি॥
মাঝ পাথার জলে তৃণ হেন ভাসি। উচিত কহিতে নাই এ পাড়া-পড়সী॥
তুমি যদি না ছাড়হ দুখে মোর সুখ। জ্ঞানদাস কহে তিলে মানি লাখ যুগ॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^