কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
বড়াই হোর দেখ রূপ চেয়ে
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, নৌকা বিলাস, ২০৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বড়াই হোর দেখ রূপ চেয়ে।
কোথা হোতে আসি,     দিল দরশন,
বিনোদ বরণ নেয়ে।
ঐ কি ঘাটের নেয়ে॥
রজত কাঞ্চনে,     না খানি সাজান
বাজত কিঙ্কিনী জাল।
চাপিয়াছে তাতে,     শোভে রাঙ্গা হাতে,
মণি বাঁধা কেরোয়াল॥
রজতের ফালি,     শিরে ঝলমলি,
কদম্ব মঞ্জরী কানে।
জঠর পাটেতে,     বাঁশীটি গুজেছে
শোভে নানা অভরণে॥
হাসিয়া হাসিয়া,     গীত আলাপিয়া
ঘুরাইছে রাঙ্গা আঁখি।
চাপাইয়া নায়,     না জানি কি চায়
চঞ্চল উহারে দেখি।
আমরা কহিও,     কংসের যোগানি,
বুকে না হেলিও কেহু॥
জ্ঞানদাসে কয়     শশী ষোলকলা
পেলে কি ছাড়িবে রাহু॥

টীকা ---
কোরোয়াল --- দাঁড়
বুকে না হেলিও কেহু --- কেহ যেন ভয় পাইও না।
শশী ষোলকলা --- শ্রীরাধা পূর্ণিমার চাঁদের মতন
রাহু --- শ্রীকৃষ্ণ-রূপ রাহু।

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৩৮১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

নৌকাবিলাস
॥ সুকট মল্লার - মধ্যম দুঠুকী॥

বড়াই হোর দেখ রূপ চেয়ে।
কোথা হোতে আসি,     দিল দরশন,
বিনোদ বরণ নেয়ে।
ঐ কি ঘাটের নেয়ে॥ ধ্রু॥
রজত কাঞ্চনে,     না' খানি সাজান
বাজত কিঙ্কিনী জাল।
চাপিয়াছে তাতে,     শোভে রাঙ্গা হাতে,
মণি বাঁধা কেরোয়াল॥
রজতের ফালি,     শিরে ঝলমলি,
কদম্ব-মঞ্জরী কানে।
জঠর পাটেতে,     বাঁশীটি গুজেছে
শোভে নানা অভরণে॥
হাসিয়া হাসিয়া,     গীত আলাপিয়া
ঘুরাইছে রাঙ্গা আঁখি।
চাপাইয়া নায়,     নাজানি কি চায়
চঞ্চল উহারে দেখি।
আমরা কহিও,     কংসের যোগানি,
বুকে না হেলিও কেহু॥
জ্ঞানদাসে কয়,     শশী ষোলকলা,
পেলে কি ছাড়িবে রাহু॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১৬৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

বড়াই, হোর দেখ রূপ চেয়ে।
কোথা হোতে আসি     দিল দরশন
বিনোদ বরণ নেয়ে।
ঐ কি ঘাটের নেয়ে?
রজত কাঞ্চনে     নাখানি সাজান
বাজত কিঙ্কিণীজাল।
চাপিয়াছে তাতে     শোভে রাঙ্গা হাতে
মণি-বাঁধা কেরোয়াল॥
রজতের ফালি     শিরে ঝলমলি
কদম্ব-মঞ্জরী কানে।
জঠর পাটেতে     বাঁশীটি গুজেছে
শোভে নানা আভরণে॥
হাসিয়া হাসিয়া     গীত আলাপিয়া
ঘুরাইছে রাঙ্গা আঁখি।
চাপাইয়া নায়     না জানি কি চায়
চঞ্চল উহারে দেখি।
আমরা কহিও     কংসের যোগানি
বুকে না হেলিও কেহু॥
জ্ঞানদাসে কয়     শশী ষোলকলা
পেলে কি ছাড়িবে রাহু॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৪৭১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

নৌকাবিলাস।

বড়াই, হোর দেখ রূপ চেয়ে।
কোথা হোতে আসি     দিল দরশন
বিনোদ বরণ নেয়ে।
ঐ কি ঘাটের নেয়ে?
রজত কাঞ্চনে     নাখানি সাজান
বাজত কিঙ্কিণীজাল।
চাপিয়াছে তাতে     শোভে রাঙ্গা হাতে
মণি-বাঁধা কেরোয়াল॥
রজতের ফালি     শিরে ঝলমলি
কদম্ব-মঞ্জরী কানে।
জঠর পাটেতে     বাঁশীটি গুজেছে
শোভে নানা আভরণে॥
হাসিয়া হাসিয়া     গীত আলাপিয়া
ঘুরাইছে রাঙ্গা আঁখি।
চাপাইয়া নায়     না জানি কি চায়
চঞ্চল উহারে দেখি।
আমরা কহিও     কংসের যোগানি
বুকে না হেলিও কেহু॥
জ্ঞানদাসে কয়     শশী ষোলকলা
পেলে কি ছাড়িবে রাহু॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^