কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ২য় শাখা, ১৭শ পল্লব, দুর্জ্জয় মান, ৫১৮ নং পদসংখ্যা, ৩৪৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
রহিতে নাহিক প্রতিআশ।
আশ নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিক-শিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥ ধ্রু॥
প্রেম-রতন জনু কনয়া-কলস পুন
ভাগ্যে যে হয়ে নিরমাণ।
মোতিম-হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু-মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
রহিতে নাহিক প্রতিআশ।
আশ নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিক-শিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥ ধ্রু॥
প্রেম-রতন জনু কনয়া-কলস পুন
ভাগ্যে যে হয়ে নিরমাণ।
মোতিম-হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু-মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাসে॥
স্বজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি, উহ রসিক শিরোমণি,
হঠ রস না করহ বাধা॥ ধ্রু।
প্রেম রতন জনু, কনক কলস পুন,
ভাগ্যে যো হোয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাসে॥
স্বজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি, উহ রসিক শিরোমণি,
হঠ রস না করহ বাধা॥ ধ্রু।
প্রেম রতন জনু, কনক কলস পুন,
ভাগ্যে যো হোয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৩৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাসে॥
স্বজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি, উহ রসিক শিরোমণি,
হঠ রস না করহ বাধা॥
প্রেম রতন জনু, কনক কলস পুন,
ভাগ্যে যো হোয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাসে॥
স্বজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি, উহ রসিক শিরোমণি,
হঠ রস না করহ বাধা॥
প্রেম রতন জনু, কনক কলস পুন,
ভাগ্যে যো হোয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে। আশ নৈরাশ,
কছুই নাহি সমুঝিয়ে, অন্তরে উপজে
তরাসে॥ সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি, উহ রসিক শিরোমণি, হঠ রস
না করহ বাধা॥ প্রেম রতন জনু, কনক
কলস পুন, ভাগ্যে যো হোয় নিরমান।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে, গাঁথিয়ে পুন
অনুপাম॥ হর-কোপানলে, মদন দহন
ভেল, তুয়া উরে যুগল মহেশ। পরিহর মান,
কানু মুখ হেরহ, জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে। আশ নৈরাশ,
কছুই নাহি সমুঝিয়ে, অন্তরে উপজে
তরাসে॥ সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি, উহ রসিক শিরোমণি, হঠ রস
না করহ বাধা॥ প্রেম রতন জনু, কনক
কলস পুন, ভাগ্যে যো হোয় নিরমান।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে, গাঁথিয়ে পুন
অনুপাম॥ হর-কোপানলে, মদন দহন
ভেল, তুয়া উরে যুগল মহেশ। পরিহর মান,
কানু মুখ হেরহ, জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাসে॥
স্বজনি, বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ, রসিক শিরোমণি,
হঠ-রস না করহ বাধা॥ ধ্রু।
প্রেম-রতন জনু, কনককলস পুন,
ভাগ্যে যো হোয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া-উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু-মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাসে॥
স্বজনি, বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ, রসিক শিরোমণি,
হঠ-রস না করহ বাধা॥ ধ্রু।
প্রেম-রতন জনু, কনককলস পুন,
ভাগ্যে যো হোয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া-উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু-মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাসে॥
স্বজনি, বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতী উহ, রসিক শিরোমণি,
হঠ-রস না করহ বাধা॥
প্রেম-রতন জনু, কনককলস পুন,
ভাগ্যে যো হয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া-উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাসে॥
স্বজনি, বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতী উহ, রসিক শিরোমণি,
হঠ-রস না করহ বাধা॥
প্রেম-রতন জনু, কনককলস পুন,
ভাগ্যে যো হয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া-উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মান, ৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাসে॥
স্বজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতী উহ, রসিক শিরোমণি,
হঠ রস না করহ বাধা॥
প্রেম রতন জনু, কনক কলস পুন,
ভাগ্যে যো হোয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বারশত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রীতি আশে।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাসে॥
স্বজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতী উহ, রসিক শিরোমণি,
হঠ রস না করহ বাধা॥
প্রেম রতন জনু, কনক কলস পুন,
ভাগ্যে যো হোয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বারশত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৩৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
গাঢ় মান
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
রহিতে নাহিক প্রতিআশ।
আশ নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিকশিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥ ধ্রু॥
প্রেমরতন জনু কনয়া কলস পুন
ভাঙ্গিলে হয়ে নিরমাণ।
মোতিম হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হরকোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু-মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
রহিতে নাহিক প্রতিআশ।
আশ নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিকশিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥ ধ্রু॥
প্রেমরতন জনু কনয়া কলস পুন
ভাঙ্গিলে হয়ে নিরমাণ।
মোতিম হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হরকোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু-মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
এই পদটি ১৯৫৩ সালে (?) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ৪১১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মানপ্রকরণ
॥ বরাড়ী - জপতাল॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রতিআশ।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাস॥
স্বজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিক শিরোমণি,
হঠে রস না করহ বাধা॥ ধ্রু॥
প্রেম রতন জনু, কনয়া কলস পুন,
ভাগ্যে যে হয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহে সবিশেষ॥
॥ বরাড়ী - জপতাল॥
চলইতে চাহি, চরণ নাহি ধাবয়ে,
রহিতে নাহিক প্রতিআশ।
আশ নৈরাশ, কছুই নাহি সমুঝিয়ে,
অন্তরে উপজে তরাস॥
স্বজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিক শিরোমণি,
হঠে রস না করহ বাধা॥ ধ্রু॥
প্রেম রতন জনু, কনয়া কলস পুন,
ভাগ্যে যে হয় নিরমাণ।
মোতিম হার, বার শত টুটয়ে,
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে, মদন দহন ভেল,
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান, কানু মুখ হেরহ,
জ্ঞান কহে সবিশেষ॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৫৩- পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
রহিতে নাহিক প্রতিআশ। ১
আশ নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিক-শিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥ ধ্রু॥
প্রেম-রতন জনু কনয়া-কলস পুন
ভাঙ্গিলে ২ হয়ে নিরমাণ।
মোতিম-হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু-মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
॥ বরাড়ী॥
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
রহিতে নাহিক প্রতিআশ। ১
আশ নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিক-শিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥ ধ্রু॥
প্রেম-রতন জনু কনয়া-কলস পুন
ভাঙ্গিলে ২ হয়ে নিরমাণ।
মোতিম-হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু-মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
টীকা---
চলিয়া যাইতে চাই, পদ চলে না, বহিতেও প্রত্যাশা নাই। আশা-নিরাশা কিছুই বুঝিতে পারিতেছি না। অন্তরে ভয় হইতেছে। সজনি, অধিক কথাও তো বলিতেছ না, তুমি রসবতী, কানু রসিক-শিরোমণি, হঠকারিতায় (তোমাদের মিলন) রসে বাধার সৃষ্টি করিও না। প্রেমরত্ন ঠিক স্বর্ণ-কলসের মত, ভাঙ্গিলে আবার গড়া যায়, মোতি-হার শতবার ছিঁড়িলেও সুন্দর করিয়া গাঁথিতে পারি। হর-কোপানলে মদন ভস্মীভূত হইয়াছিল। তোমার বক্ষে (পয়োধররূপ) যুগল মহেশ রহিয়াছে। (সুতরাং তোমার অন্তরে কোনরূপ কাম বা কামনা থাকিবার কথা নহে, কামনা না থাকিলে মান-অভিমানেরও বালাই থাকে না, অতএব) মান পরিত্যাগ করিয়া শ্রীকৃষ্ণের প্রতি প্রসন্ন হও। জ্ঞানদাস সবিশেষ কহিতেছেন।
১ - প্রস্থান করিতে উৎসাহ পাই না, থাকিতেও কোন আশা হয় না।
২ - পদকল্পতরুতে ভাঙ্গিলে স্থলে 'ভাগ্যে যে' পাঠ আছে। অর্থ আছে---(উহা একবার ভাঙ্গিলে) বহুভাগ্যে পুনর্বার (ঠিক পূর্বের মত) নির্মিত হইতে পারে।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বিদ্যাপতির অনুসরণে জ্ঞানদাস, ৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চলিয়া যাইতে চাই, পদ চলে না, বহিতেও প্রত্যাশা নাই। আশা-নিরাশা কিছুই বুঝিতে পারিতেছি না। অন্তরে ভয় হইতেছে। সজনি, অধিক কথাও তো বলিতেছ না, তুমি রসবতী, কানু রসিক-শিরোমণি, হঠকারিতায় (তোমাদের মিলন) রসে বাধার সৃষ্টি করিও না। প্রেমরত্ন ঠিক স্বর্ণ-কলসের মত, ভাঙ্গিলে আবার গড়া যায়, মোতি-হার শতবার ছিঁড়িলেও সুন্দর করিয়া গাঁথিতে পারি। হর-কোপানলে মদন ভস্মীভূত হইয়াছিল। তোমার বক্ষে (পয়োধররূপ) যুগল মহেশ রহিয়াছে। (সুতরাং তোমার অন্তরে কোনরূপ কাম বা কামনা থাকিবার কথা নহে, কামনা না থাকিলে মান-অভিমানেরও বালাই থাকে না, অতএব) মান পরিত্যাগ করিয়া শ্রীকৃষ্ণের প্রতি প্রসন্ন হও। জ্ঞানদাস সবিশেষ কহিতেছেন।
১ - প্রস্থান করিতে উৎসাহ পাই না, থাকিতেও কোন আশা হয় না।
২ - পদকল্পতরুতে ভাঙ্গিলে স্থলে 'ভাগ্যে যে' পাঠ আছে। অর্থ আছে---(উহা একবার ভাঙ্গিলে) বহুভাগ্যে পুনর্বার (ঠিক পূর্বের মত) নির্মিত হইতে পারে।
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বিদ্যাপতির অনুসরণে জ্ঞানদাস, ৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
রহিতে নাহিক প্রতিআশ।
আশ নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিক-শিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥ ধ্রু॥
প্রেম-রতন জনু কনয়া কলস পুন
ভাগ্যে যে হয়ে নিরমাণ।
মোতিম-হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু-মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
রহিতে নাহিক প্রতিআশ।
আশ নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিক-শিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥ ধ্রু॥
প্রেম-রতন জনু কনয়া কলস পুন
ভাগ্যে যে হয়ে নিরমাণ।
মোতিম-হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু-মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
টীকা ---
সখী শ্রীরাধাকে বলিতেছেন --- চলিতে চাহি, চরণ চলে না, অথচ থাকিলেও কোন প্রত্যাশা নাই। আশা-নিরাশা কিছুই বুঝি না, শুধু মনে ভয় জন্মে। সখি, তুমি একটু কথাও বলিতেছ না। তুমি রসবতী, ও রসিক চূড়ামণি, হঠকারিতা করিয়া রসের ব্যাপারে বাধা জন্মাইও না। প্রেমরতন যেন সোনার কলমের মতন, ভাগ্যবশে তাহার নির্ম্মাণ হয় (এবং ভাঙ্গিলে আর জোড়া দেওয়া যায় না) ; মোতির হার কতবার ছিঁড়িয়া যায়, আবার তাহা গাঁথিয়া অতুলনীয় করা যায়। শিবের কোপানলে মদন দগ্ধ হইয়াছিল, আর তোমার বুকে দুইটি স্বর্ণশিব রহিয়াছে (তুমিও কি মদনতুল্য কৃষ্ণকে দগ্ধ করিবে?), তুমি মান ত্যাগ কর, কানুর মুখের পানে চাও --- -এইকথা বিশেষ করিয়া জানদাস বলিতেছেন।
এই পদটি ১৩৬৮ বঙ্গাব্দে (১৯৬১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত, এবং পূর্ণেন্দুশেখর পত্রী দ্বারা সজ্জিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী” ১ম সংস্করণের ১৩৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী শ্রীরাধাকে বলিতেছেন --- চলিতে চাহি, চরণ চলে না, অথচ থাকিলেও কোন প্রত্যাশা নাই। আশা-নিরাশা কিছুই বুঝি না, শুধু মনে ভয় জন্মে। সখি, তুমি একটু কথাও বলিতেছ না। তুমি রসবতী, ও রসিক চূড়ামণি, হঠকারিতা করিয়া রসের ব্যাপারে বাধা জন্মাইও না। প্রেমরতন যেন সোনার কলমের মতন, ভাগ্যবশে তাহার নির্ম্মাণ হয় (এবং ভাঙ্গিলে আর জোড়া দেওয়া যায় না) ; মোতির হার কতবার ছিঁড়িয়া যায়, আবার তাহা গাঁথিয়া অতুলনীয় করা যায়। শিবের কোপানলে মদন দগ্ধ হইয়াছিল, আর তোমার বুকে দুইটি স্বর্ণশিব রহিয়াছে (তুমিও কি মদনতুল্য কৃষ্ণকে দগ্ধ করিবে?), তুমি মান ত্যাগ কর, কানুর মুখের পানে চাও --- -এইকথা বিশেষ করিয়া জানদাস বলিতেছেন।
এই পদটি ১৩৬৮ বঙ্গাব্দে (১৯৬১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত, এবং পূর্ণেন্দুশেখর পত্রী দ্বারা সজ্জিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী” ১ম সংস্করণের ১৩৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
রহিতে নাহিক প্রতিআশ। ১
আশ-নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি, বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতী উহ রসিক শিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥
প্রেম-রতন জনু কনয়া-কলস পুন
ভাঙ্গিলে হয়ে নিরমাণ।
মোতিম-হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু-মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
রহিতে নাহিক প্রতিআশ। ১
আশ-নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি, বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতী উহ রসিক শিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥
প্রেম-রতন জনু কনয়া-কলস পুন
ভাঙ্গিলে হয়ে নিরমাণ।
মোতিম-হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হর-কোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু-মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬১৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
রহিতে নাহিক প্রতিআশ।
আশ নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিকশিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥
প্রেমরতন জনু কনয়া কলস পুন
ভাঙ্গিলে হয়ে নিরমাণ।
মোতিম হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হরকোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
*********************
চলইতে চাহি চরণ নাহি ধাবয়ে
রহিতে নাহিক প্রতিআশ।
আশ নৈরাশ কছুহ নাহি সমুঝিয়ে
অন্তরে উপজে তরাস॥
সজনি বচন না বোলসি আধা।
তুহুঁ রসবতি উহ রসিকশিরোমণি
হঠে রস না করহ বাধা॥
প্রেমরতন জনু কনয়া কলস পুন
ভাঙ্গিলে হয়ে নিরমাণ।
মোতিম হার বার শত টুটয়ে
গাঁথিয়ে পুন অনুপাম॥
হরকোপানলে মদন দহন ভেল
তুয়া উরে যুগল মহেশ।
পরিহর মান কানু মুখ হেরহ
জ্ঞান কহয়ে সবিশেষ॥
*********************
