কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ
সহজই শ্যাম মনোহর ছান্দ
কবি জ্ঞানদাস
সহজই শ্যাম মনোহর ছান্দ
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৪শ পল্লব, শরত্কালীয় মহারাস, ১২৮৬-নং পদসংখ্যার পরে প্রক্ষিপ্ত পদ হিসেবে, ৩২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা-রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশবিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণিক হৃদয়ক শাটি॥
ধনি বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ-বনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক চূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
হিয়ে হির হারক চন্দ্রক জোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজ-মোতি॥
কটি কিঙ্কিণি ধটি উপরে কাছ।
জনু মন সৌদামিনি থির আছ॥
চরণকমল মণিমঞ্জির বোল।
জ্ঞানদাস আনন্দ উতরোল॥
টীকা---
এই পদটি খ পুথিতে নাই ও ইহার রাস-লীলার পূর্ব্বের ও পরের পদগুলির সামঞ্জস্য নাই। ইহাকে প্রক্ষিপ্ত না বলিলে ২৪শ পল্লবের নির্দ্দিষ্ট পদসংখ্যা অপেক্ষা একটি পদ বেশী হইয়া পড়ে ; সুতরাং ত্রিবিধ কারণেই এই পদটি প্রক্ষিপ্ত বলিয়া বুঝা যাইতেছে।---সতীশচন্দ্র রায়॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা-রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশবিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণিক হৃদয়ক শাটি॥
ধনি বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ-বনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক চূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
হিয়ে হির হারক চন্দ্রক জোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজ-মোতি॥
কটি কিঙ্কিণি ধটি উপরে কাছ।
জনু মন সৌদামিনি থির আছ॥
চরণকমল মণিমঞ্জির বোল।
জ্ঞানদাস আনন্দ উতরোল॥
টীকা---
এই পদটি খ পুথিতে নাই ও ইহার রাস-লীলার পূর্ব্বের ও পরের পদগুলির সামঞ্জস্য নাই। ইহাকে প্রক্ষিপ্ত না বলিলে ২৪শ পল্লবের নির্দ্দিষ্ট পদসংখ্যা অপেক্ষা একটি পদ বেশী হইয়া পড়ে ; সুতরাং ত্রিবিধ কারণেই এই পদটি প্রক্ষিপ্ত বলিয়া বুঝা যাইতেছে।---সতীশচন্দ্র রায়॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসলীলা
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশ বিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণীক হৃদয়ক সাটি॥
ধনী বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ বনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক চূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
হিয়ে হীর হারক চন্দ্রক জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজ মোতি॥
কটি কিঙ্কিনী ধটি উপরে কাছ।
জনু ঘন সৌদামিনী থির আছ॥
চরণ কমলে মণি মঞ্জীর রোল।
জ্ঞানদাস আনন্দে উতরোল॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২১৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব।
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশ বিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণীক হৃদয়ক সাটি॥
ধনী বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ বনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক চূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
হিয়ে হীর হারক চন্দ্রক জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজ মোতি॥
কটি কিঙ্কিণী ধটি উপরে কাছ।
জনু ঘন সৌদামিনী থির আছ॥
চরণ কমলে মণি মঞ্জীর রোল।
জ্ঞানদাস আনন্দে উতরোল॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৫৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ। লীলা
রভস মনোহর ফান্দ॥ তাহে কত বেশ
বিশেষ পরিপাটি। হেমমণি রমণীক হৃদয়ক
সাটি॥ ধনী বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ বনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥ ভালে
বিলম্বিত চন্দ্রক চূড়। কত কত মধুকর
উনমত উড়॥ হিয়ে হীর হারক চন্দ্রক
জ্যোতি। জনু আন্ধিয়ার তলে গজ মোতি॥
কটি কিঙ্কিণী ধটি উপরে কাছ। জনু ঘন
সৌদামিনী থির আছ॥ চরণকমলে মণি-
মঞ্জীর রোল। জ্ঞানদাস আনন্দে উতরোল॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব।
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা-রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশ বিশেষ পরিপাটী।
হেমমণি রমণীক হৃদয়ক সাটি॥
ধনী বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজবনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রকচূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
হিয়ে হীর হারক চন্দ্রক জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজমোতি॥
কটি কিঙ্কিনী ধটী উপরে কাছ।
জনু ঘন সৌদামিনী থির আছ॥
চরণ কমলে মণি-মঞ্জীর-রোল।
জ্ঞানদাস আনন্দে উতরোল॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রাস, ২০৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশবিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণিক হৃদয়ক শাটি॥
ধনি বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ বণিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক-চূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
কিয়ে হির-হারক চন্দ্রক-জোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজ-মোতি॥
কটি কিঙ্কিণি ধটি উপরে কাছ।
জনু ঘন সৌদামিনি থির আছ॥
চরণকমল মণি মঞ্জির বোল।
জ্ঞানদাস আনন্দ উতরোল॥
টীকা ---
ধনি বনি আওল মোহন রায় --- শ্যামসুন্দর ধন্য সাজিয়া আসিলেন।
কিয়ে হির-হারক ইত্যাদি---শ্রীকৃষ্ণের বুকের হীরার হার হইতে যেন চন্দ্রের কিরণ বাহির হইতেছে, দেখিয়া মনে হয় যেন অন্ধকারের ( শ্রীকৃষ্ণের কালো বুকে ) তলায় গজমুক্তা শোভা পাইতেছে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা-রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশ বিশেষ পরিপাটী।
হেমমণি রমণীক হৃদয়ক সাটি॥
ধনী বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজবনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রকচূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
হিয়ে হীর হারক চন্দ্রক জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজমোতি॥
কটি কিঙ্কিনী ধটি উপরে কাছ।
জনু ঘন সৌদামিনী থির আছ॥
চরণ কমলে মণিমঞ্জীর রোল।
জ্ঞানদাস আনন্দে-উতরোল॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৪০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শারদ রাস
॥ মঙ্গল॥
সহজই শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলারভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশবিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণিক হৃদয়ক শাটি॥
ধনি বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজবনিতাগণ সঙ্গিত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক-চূড়।
কত কত মধুকর উনমত ঊড়॥
হিয়ে হিরহারক চন্দ্রক-জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজমোতি॥
কটি-কিঙ্কিণি ধটি উপরে কাচ।
জনু ঘন সৌদামিনি থির আছ॥
চরণকমল মণিমঞ্জির বোল।
শুনি জ্ঞানদাস আনন্দ উতরোল॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শারদ রাস
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা-রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশ-বিশেষ-পরিপাটি।
হেমমণি রমণিক হৃদয়ক শাটি॥
ধনি বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ-বনিতা বনি সঙ্গিত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক-চূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
কিয়ে হির-হারক চন্দ্রক-জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার-তলে গজ-মোতি॥
কটি-কিঙ্কিণি ধটি উপরে কাচ।
জনু ঘন সৌদামিনি থির আছ॥
চরণকমল মণিমঞ্জির বোল।
শুনি জ্ঞানদাস আনন্দে-উতরোল॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সহজই শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলারভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশবিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণিক হৃদয়ক শাটি॥
ধনি বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজবনিতাগণ সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রকচূড়।
কত কত মধুকর উনমত ঊড়॥
হিয়ে হিরহারক চন্দ্রক জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজমোতি॥
কটিকিঙ্কিণি ধটি উপরে কাচ।
জনু ঘন সৌদামিনি থির আছ॥
চরণকমল মণিমঞ্জির বোল।
শুনি জ্ঞানদাস আনন্দ উতরোল॥
*********************
রাসলীলা
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশ বিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণীক হৃদয়ক সাটি॥
ধনী বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ বনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক চূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
হিয়ে হীর হারক চন্দ্রক জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজ মোতি॥
কটি কিঙ্কিনী ধটি উপরে কাছ।
জনু ঘন সৌদামিনী থির আছ॥
চরণ কমলে মণি মঞ্জীর রোল।
জ্ঞানদাস আনন্দে উতরোল॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২১৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব।
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশ বিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণীক হৃদয়ক সাটি॥
ধনী বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ বনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক চূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
হিয়ে হীর হারক চন্দ্রক জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজ মোতি॥
কটি কিঙ্কিণী ধটি উপরে কাছ।
জনু ঘন সৌদামিনী থির আছ॥
চরণ কমলে মণি মঞ্জীর রোল।
জ্ঞানদাস আনন্দে উতরোল॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৫৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ। লীলা
রভস মনোহর ফান্দ॥ তাহে কত বেশ
বিশেষ পরিপাটি। হেমমণি রমণীক হৃদয়ক
সাটি॥ ধনী বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ বনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥ ভালে
বিলম্বিত চন্দ্রক চূড়। কত কত মধুকর
উনমত উড়॥ হিয়ে হীর হারক চন্দ্রক
জ্যোতি। জনু আন্ধিয়ার তলে গজ মোতি॥
কটি কিঙ্কিণী ধটি উপরে কাছ। জনু ঘন
সৌদামিনী থির আছ॥ চরণকমলে মণি-
মঞ্জীর রোল। জ্ঞানদাস আনন্দে উতরোল॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব।
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা-রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশ বিশেষ পরিপাটী।
হেমমণি রমণীক হৃদয়ক সাটি॥
ধনী বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজবনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রকচূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
হিয়ে হীর হারক চন্দ্রক জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজমোতি॥
কটি কিঙ্কিনী ধটী উপরে কাছ।
জনু ঘন সৌদামিনী থির আছ॥
চরণ কমলে মণি-মঞ্জীর-রোল।
জ্ঞানদাস আনন্দে উতরোল॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রাস, ২০৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশবিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণিক হৃদয়ক শাটি॥
ধনি বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ বণিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক-চূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
কিয়ে হির-হারক চন্দ্রক-জোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজ-মোতি॥
কটি কিঙ্কিণি ধটি উপরে কাছ।
জনু ঘন সৌদামিনি থির আছ॥
চরণকমল মণি মঞ্জির বোল।
জ্ঞানদাস আনন্দ উতরোল॥
টীকা ---
ধনি বনি আওল মোহন রায় --- শ্যামসুন্দর ধন্য সাজিয়া আসিলেন।
কিয়ে হির-হারক ইত্যাদি---শ্রীকৃষ্ণের বুকের হীরার হার হইতে যেন চন্দ্রের কিরণ বাহির হইতেছে, দেখিয়া মনে হয় যেন অন্ধকারের ( শ্রীকৃষ্ণের কালো বুকে ) তলায় গজমুক্তা শোভা পাইতেছে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা-রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশ বিশেষ পরিপাটী।
হেমমণি রমণীক হৃদয়ক সাটি॥
ধনী বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজবনিতা বনি সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রকচূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
হিয়ে হীর হারক চন্দ্রক জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজমোতি॥
কটি কিঙ্কিনী ধটি উপরে কাছ।
জনু ঘন সৌদামিনী থির আছ॥
চরণ কমলে মণিমঞ্জীর রোল।
জ্ঞানদাস আনন্দে-উতরোল॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৪০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শারদ রাস
॥ মঙ্গল॥
সহজই শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলারভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশবিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণিক হৃদয়ক শাটি॥
ধনি বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজবনিতাগণ সঙ্গিত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক-চূড়।
কত কত মধুকর উনমত ঊড়॥
হিয়ে হিরহারক চন্দ্রক-জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজমোতি॥
কটি-কিঙ্কিণি ধটি উপরে কাচ।
জনু ঘন সৌদামিনি থির আছ॥
চরণকমল মণিমঞ্জির বোল।
শুনি জ্ঞানদাস আনন্দ উতরোল॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শারদ রাস
॥ মঙ্গল॥
সহজে শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলা-রভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশ-বিশেষ-পরিপাটি।
হেমমণি রমণিক হৃদয়ক শাটি॥
ধনি বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজ-বনিতা বনি সঙ্গিত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রক-চূড়।
কত কত মধুকর উনমত উড়॥
কিয়ে হির-হারক চন্দ্রক-জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার-তলে গজ-মোতি॥
কটি-কিঙ্কিণি ধটি উপরে কাচ।
জনু ঘন সৌদামিনি থির আছ॥
চরণকমল মণিমঞ্জির বোল।
শুনি জ্ঞানদাস আনন্দে-উতরোল॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সহজই শ্যাম মনোহর ছান্দ।
লীলারভস মনোহর ফান্দ॥
তাহে কত বেশবিশেষ পরিপাটি।
হেমমণি রমণিক হৃদয়ক শাটি॥
ধনি বনি আওল মোহন রায়।
ব্রজবনিতাগণ সঙ্গীত গায়॥
ভালে বিলম্বিত চন্দ্রকচূড়।
কত কত মধুকর উনমত ঊড়॥
হিয়ে হিরহারক চন্দ্রক জ্যোতি।
জনু আন্ধিয়ার তলে গজমোতি॥
কটিকিঙ্কিণি ধটি উপরে কাচ।
জনু ঘন সৌদামিনি থির আছ॥
চরণকমল মণিমঞ্জির বোল।
শুনি জ্ঞানদাস আনন্দ উতরোল॥
*********************
