কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
বহু দিন সাধ আছে হে হরি
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বংশী শিক্ষা, ২১৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বহু দিন সাধ আছে হে হরি।
বাজাইতে মোহন মুরলী॥
মম বাসভূষা লহ তুমি।
তো ভূষণ দেহ গুণমণি॥
তুমি লেহ মোর নীল সাড়ী।
তব পীতধড়া দেহ পরি॥
মোর গজমতি হার লেহ।
গুঞ্জমালা মোরে দেহ॥
দেহ মোরে চূড়াটি বাঁধিয়া।
কবরী বন্ধন এলাইয়া॥
তুমি লেহ সিন্দূর কপালে।
আমার চন্দন দেহ ভালে॥
শুনিয়া কহয়ে বংশীধারী।
শুন শুন ওহে প্রাণেশ্বরী ॥
এস করি বেশ বিরচন।
জ্ঞানদাস আনন্দে মগন॥
টীকা ---
শ্রীরাধা শ্রীকৃষ্ণের মতন বেশ করিয়া বাঁশী বাজাইবেন।
গুঞ্জমালা -- কুঁচের মালা।
*********************
বাজাইতে মোহন মুরলী॥
মম বাসভূষা লহ তুমি।
তো ভূষণ দেহ গুণমণি॥
তুমি লেহ মোর নীল সাড়ী।
তব পীতধড়া দেহ পরি॥
মোর গজমতি হার লেহ।
গুঞ্জমালা মোরে দেহ॥
দেহ মোরে চূড়াটি বাঁধিয়া।
কবরী বন্ধন এলাইয়া॥
তুমি লেহ সিন্দূর কপালে।
আমার চন্দন দেহ ভালে॥
শুনিয়া কহয়ে বংশীধারী।
শুন শুন ওহে প্রাণেশ্বরী ॥
এস করি বেশ বিরচন।
জ্ঞানদাস আনন্দে মগন॥
টীকা ---
শ্রীরাধা শ্রীকৃষ্ণের মতন বেশ করিয়া বাঁশী বাজাইবেন।
গুঞ্জমালা -- কুঁচের মালা।
*********************
