কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
মুরলী করাও উপদেশ
মুরলী করাহ উপদেশ

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা”, গ্রন্থের ৬১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থটির আমাদের সংগ্রহের পি.ডি.এফ. কপিটির প্রায় সব পৃষ্ঠাই অপাঠ্য অথবা দুষ্পাঠ্য।

॥ কানড়া॥ মুরলী করাও উপদেশ। যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে
জানাহ বিশেষ॥ কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন রন্ধ্রে রাধা বলে ডাকে আমার নাম॥ কোন রন্ধ্রে
বাজে বাশী সুললিত ধ্বনি। কোন রন্ধ্রে কেকা শব্দে নাচে
ময়ূরিণী॥ কোন রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত। কোন
রন্ধ্রে কদম্ব ফুটেহে প্রাণনাথ॥ কোন রন্ধ্রে ষড়ঋতু হয় এক
কালে। কোন রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল ফলে॥ কোন রন্ধ্রে
কোকিল পঞ্চম স্বরে গায়। একে ২ শিখাইয়া দেহ শ্যামরায়॥
জ্ঞানদাস কহে হাসি। শুন রাধে মোর বোল বাজিবেক
বাঁশী॥

ই পদটি বৈশাখ ১২৯২ বঙ্গাব্দে (১৮৮৫ সালে) প্রকাশিত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্রীশচন্দ্র মজুমদার দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদরত্নাবলী, অর্থাৎ মহাজন পদাবলীর মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট কবিতাগুলির একত্র সংকলন” এর ৭৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কানড়া॥

মুরলী করাও উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানহ বিশেষ॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন্ রন্ধ্রে রাধা বলে ডাকে আমার নাম॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি।
কোন্ রন্ধ্রে কেকা রবে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন্ রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত।
কোন্ রন্ধ্রে কদম্ব ফুটে হে প্রাণনাথ॥
কোন্ রন্ধ্রে ষড় ঋতু হয় এককালে।
কোন্ রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফল ফুলে॥
কোন্ রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চম স্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যাম রায়॥
জ্ঞানদাস কহে হাসি।
রাধে মোর বোল বাজিবে বাঁশী॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মুরলী শিক্ষা
॥ কানড়া॥

মুরলী করাও উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানহ বিশেষ॥
কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম?
কোন রন্ধ্রে রাধা বলে ডাকে আমার নাম
কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি?
কোন রন্ধ্রে কেকা রবে নাচে ময়ূরিণী?
কোন রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত?
কোন রন্ধ্রে কদম্ব ফুটে হে প্রাণনাথ?
কোন রন্ধ্রে ষড় ঋতু হয় এক কালে?
কোন রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল ফলে?
কোন রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চম স্বরে গায়?
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যাম রায়॥
জ্ঞানদাস শুনি কহে হাসি হাসি।
রাধে রাধে মোর বোল বাজিবেক বাঁশী॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২০৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মুরলী শিক্ষা।
॥ কানড়া॥

মুরলী করাও উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানহ বিশেষ॥
কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন রন্ধ্রে রাধা বলে ডাকে আমার নাম॥
কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি।
কোন রন্ধ্রে কেকা রবে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত।
কোন রন্ধ্রে কদম্ব ফুটে হে প্রাণনাথ॥
কোন রন্ধ্রে ষড় ঋতু হয় এক কালে।
কোন রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল ফলে॥
কোন রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চম স্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যাম রায়॥
জ্ঞানদাস শুনি কহে হাসি হাসি।
রাধে রাধে মোর বোল বাজিবেক বাঁশী॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মুরলী শিক্ষা
॥ কানড়া॥

মুরলী করাও উপদেশ। যে রন্ধ্রে যে
ধ্বনি উঠে জানহ বিশেষ॥ কোন রন্ধ্রে
বাজে বাঁশী অতি অনুপাম। কোন রন্ধ্রে
রাধা বলে ডাকে আমার নাম॥ কোন রন্ধ্রে
বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি। কোন রন্ধ্রে
কেকা রবে নাচে ময়ূরিণী॥ কোন রন্ধ্রে
রসালে ফুটয়ে পারিজাত। কোন রন্ধ্রে কদম্ব
ফুটে হে প্রাণনাথ॥ কোন রন্ধ্রে ষড়ঋতু
হয় এক কালে। কোন রন্ধ্রে নিধুবন হয়
ফুল ফলে॥ কোন রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চম
স্বরে গায়। একে একে শিখাইয়া দেহ
শ্যামরায়॥ জ্ঞানদাস শুনি কহে হাসি হাসি।
রাধে রাধে মোর বোল বাজিবেক বাঁশী॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মুরলী-লীলা।
॥ কানড়া॥

মুরলী করাও উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানহ বিশেষ॥
কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন রন্ধ্রে রাধা বলে ডাকে আমার নাম॥
কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি।
কোন রন্ধ্রে কেকা-রবে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন রন্ধ্রে রসাল ফুটয়ে পারিজাত।
কোন রন্ধ্রে কদম্ব ফুটে হে প্রাণনাথ॥
কোন রন্ধ্রে ষড় ঋতু হয় এক কালে।
কোন রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল ফলে॥
কোন রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চম স্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যাম রায়॥
জ্ঞানদাস শুনি কহে হাসি হাসি।
রাধে রাধে মোর বোল বাজিবেক বাঁশী॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বংশী শিক্ষা, ২১৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মুরলী করাহ উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানাহ বিশেষ॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন্ রন্ধ্রে রাধা বলি ডাকে আমার নাম॥
কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি।
কোন্ রন্ধ্রে কেকা-রবে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন্ রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত।
কোন্ রন্ধ্রে কদম্ব ফুটে হে প্রাণনাথ॥
কোন্ রন্ধ্রে ষড়ঋতু হয় এককালে।
কোন্ রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুলফলে॥
কোন্ রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চমস্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যামরায়॥
জ্ঞানদাস শুনিয়া কহয়ে হাসি হাসি।
রাধা রাধা বলি মোর বাজিবেক বাঁশি॥

রবীন্দ্রনাথ এই পদটী অবলম্বন করিয়া লিখিয়াছেন ---
“সৌন্দর্য্য-স্বরূপের হাতে সমস্ত জগতই একটি বাঁশী। ইহার রন্ধ্রে রন্ধ্রে তিনি নিশ্বাস পুরিতেছেন ও ইহার রন্ধ্রে রন্ধ্রে নূতন নূতন সুর উঠিতেছে। মানুষের মন আর কি ঘরে থাকে ; তাই সে ব্যাকুল হইয়া বাহির হইতে চায়। সৌন্দর্য্যই তাঁহার আহ্বান গান। সৌন্দর্য্যই সেই দৈববাণী। কদম্বফুল তাঁহার বাঁশীর স্বর, বসন্ত ঋতু তাঁহার বাঁশীর স্বর, কোকিলের পঞ্চম তান তাঁহার বাঁশীর স্বর। সে বাঁশীর স্বর কি বলিতেছে ! জ্ঞানদাস হাসিয়া বুঝাইলেন, সে কেবল বলিতেছে রাধে, তুমি আমার ---আর কিছুই না। আমরা শুনিতেছি, সেই অসীম সৌন্দর্য্য অব্যক্ত কন্ঠে আমাদেরই নাম ধরিয়া ডাকিতেছেন।” (হিতবাদী সংস্করণ রবীন্দ্র গ্রন্থাবলী পৃঃ ১১৭০)
--- শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার॥

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

মুরলী লীলা
॥ কানাড়া॥

মুরলী করাও উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানহ বিশেষ॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন্ রন্ধ্রে রাধা ব’লে ডাকে আমার নাম॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি।
কোন্ রন্ধ্রে কেকারবে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন্ রন্ধ্রে রসাল ফুটয়ে পারিজাত।
কোন্ রন্ধ্রে কদম্ব ফুটে হে প্রাণনাথ॥
কোন্ রন্ধ্রে ষড় ঋতু হয় এক কালে।
কোন্ রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল ফলে॥
কোন্ রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চম স্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যাম রায়॥
জ্ঞানদাস শুনি কহে হাসি হাসি।
রাধে রাধে মোর বোল বাজিবেক বাঁশী॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৪২৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

মুরলী শিক্ষা
॥ মায়ূর - দশকুশী॥

মুরলী করাহ উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানাহ বিশেষ॥
কোন রন্ধ্রে বাঁশি বাজে অতি অনুপাম।
কোন রন্ধ্রে রাধা বলি ডাকে আমার নাম॥
কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি।
কোন রন্ধ্রে কেকা শব্দে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত।
কোন রন্ধ্রে কদম্ব ফুটয়ে প্রাণনাথ॥
কোন রন্ধ্রে ষড়ঋতু হয় এককালে।
কোন রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল ফলে॥
কোন রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চম স্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যামরায়॥
জ্ঞান দাসে শুনিয়া কহয়ে হাসি হাসি।
শুন রাধা মোর বোলে বাজিবেক বাঁশি॥

ই পদটি ১৯৪০ সালে চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত এবং হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্য-বত্ন দ্বারা পরিদৃষ্ট ও সংশোধিত “বিদ্যাপতি চণ্ডীদাস ও অন্যান্য বৈষ্ণব মহাজন গীতিকা” সংকলনের ১৮০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মুরলী করাও উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানাহ বিশেষ॥
কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন রন্ধ্রে ‘রাধা’ বলি’ ডাকে আমার নাম॥
কোন রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি।
কোন রন্ধ্রে কেকা শব্দে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত।
কোন রন্ধ্রে কদম্ব ফুটয়ে প্রাণনাথ॥
কোন রন্ধ্রে ষড়্ ঋতু হয় এককালে।
কোন রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল-ফলে॥
কোন রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চম স্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যামরায়॥
জ্ঞানদাস শুনিয়া কহএ হাসি’ হাসি’---
রাধা রাধা বলি মোর বাজিবেক বাঁশী॥

ই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মুরলী-শিক্ষা, ৭০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

(শ্রীরাধার উক্তি)
॥ কানড়া॥

মুরলী করাও উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানহ বিশেষ॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন্ রন্ধ্রে রাধা বলে ডাকে আমার নাম॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি।
কোন্ রন্ধ্রে কেকা রবে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন্ রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত।
কোন্ রন্ধ্রে কদম্ব ফুটে হে প্রাণনাথ॥
কোন্ রন্ধ্রে ষড়ঋতু হয় এককালে।
কোন্ রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল ফলে॥
কোন্ রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চম স্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যাম রায়॥
জ্ঞানদাস শুনি কহে হাসি হাসি।
রাধে রাধে মোর বোল বাজিবেক বাঁশী॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, অভিসারিকা, ৩২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কানাড়া॥

মুরলী করাও উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানহ বিশেষ॥

কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন্ রন্ধ্রে রাধা ব’লে ডাকে আমার নাম॥

কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিতধ্বনি।
কোন্ রন্ধ্রে কেকা-রবে নাচে ময়ূরিনী॥

কোন্ রন্ধ্রে রসাল ফুটয়ে পারিজাত।
কোন্ রন্ধ্রে কদম্ব ফুটে হে প্রাণনাথ॥

কোন্ রন্ধ্রে ষড় ঋতু হয় এক কালে।
কোন্ রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল ফলে॥

কোন্ রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চম স্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যাম রায়॥

জ্ঞানদাস শুনিয়া কহয়ে হাসি হাসি।
রাধে রাধে মোর বোল বাজিবেক বাঁশী॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

বংশী-শিক্ষা
শ্রীকৃষ্ণের প্রতি শ্রীরাধা
॥ কানড়া॥

মুরলী করাহ উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানহ বিশেষ॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন্ রন্ধ্রে রাধা বলে ডাকে আমার নাম॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি।
কোন্ রন্ধ্রে কেকা-রবে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন্ রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত।
কোন্ রন্ধ্রে কদম্ব ফুটে হে প্রাণনাথ॥
কোন্ রন্ধ্রে ষড় ঋতু হয় এককালে।
কোন্ রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল ফলে॥
কোন্ রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চমস্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যামরায়॥
জ্ঞানদাস শুনিয়া কহয়ে হাসি হাসি।
রাধা রাধা বলি মোর বাজিবেক বাঁশী॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১২৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বংশী-শিক্ষা
॥ কানড়া॥

মুরলী করাহ উপদেশ। যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানহ বিশেষ॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম। কোন্ রন্ধ্রে রাধা বলে ডাকে আমার নাম॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি। কোন্ রন্ধ্রে কেকা-রবে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন্ রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত। কোন্ রন্ধ্রে কদম্ব ফুটে হে প্রাণনাথ॥
কোন্ রন্ধ্রে ষড় ঋতু হয় এককালে। কোন্ রন্ধ্রে নিধুবন হয় ফুল ফলে॥
কোন্ রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চমস্বরে গায়। একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যামরায়॥
জ্ঞানদাস শুনিয়া কহয়ে হাসি হাসি। রাধা রাধা বলি মোর বাজিবেক বাঁশী॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মুরলী করাহ উপদেশ।
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে জানাহ বিশেষ॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী অতি অনুপাম।
কোন্ রন্ধ্রে রাধা বলি ডাকে আমার নাম॥
কোন্ রন্ধ্রে বাজে বাঁশী সুললিত ধ্বনি।
কোন্ রন্ধ্রে কেকা রবে নাচে ময়ূরিণী॥
কোন্ রন্ধ্রে রসালে ফুটয়ে পারিজাত।
কোন্ রন্ধ্রে কদম্ব ফুঁটে হে প্রাণনাথ॥
কোন্ রন্ধ্রে ষড় ঋতু হয় এককালে।
কোন্ রন্ধ্রে নিধুবন শোভে ফুল ফলে॥
কোন্ রন্ধ্রে কোকিল পঞ্চমস্বরে গায়।
একে একে শিখাইয়া দেহ শ্যামরায়॥
জ্ঞানদাস শুনিয়া কহয়ে হাসি হাসি।
রাধা রাধা বলি মোর বাজিবেক বাঁশী॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^