কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বংশী শিক্ষা, ২১৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই।
সোনার বরণ শশীমুখে কভু বাজে নাই॥
সোনার বরণ রাই ( তুমি ) হও দেখি কাল।
পীতধড়া পরহ কাঁচলি টানি ফেল॥
সোণার বরণ আমি কাল হইতে পারি।
তোমার মত নিলাজ হইতে নাহি পারি॥
তুমি যেমন, চূড়া তেমন, বাঁশী তেমন কয়।
অবিরত রমণী-মণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া।
জ্ঞানদাসের মনে রহিল জাগিয়া॥
টীকা ---
সোনার বরণ শশীমুখে কভু বাজে নাই --- বাঁশী কালো মুখেই বাজে, স্বর্ণবর্ণ চাঁদমুখে কখনও বাজে না।
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৪৩১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিক্ষা
॥ ধানশী - জপতাল॥
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই।
সোণার বরণ শশীমুখি কভু বাজে নাই॥
সোনার বরণ রাই তুমি হও দেখি কাল।
পীড়ধড়া পরহ কাঁচলী টেনে ফেল॥
সোণার বরণ আমি কাল হইতে পারি।
তোমার মত নিলাজ হইতে নাহি পারি॥
তুমি যেমন চূড়া তেমন, বাঁশী তেমন কয়।
অবিরত রমণী-মণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া।
জ্ঞান দাসের মনে রহিল জাগিয়া॥
এই পদটি ১৯৪০ সালে চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত এবং হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্য-বত্ন দ্বারা পরিদৃষ্ট ও সংশোধিত “বিদ্যাপতি চণ্ডীদাস ও অন্যান্য বৈষ্ণব মহাজন গীতিকা” সংকলনের ১৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই।
সোনার বরণ বাঁশী কভু বাজে নাই॥
সোনার বরণ রাই হও দেখি কাল।
পীড়ধড়া পরহ কাঁচলী টানি ফেল॥
সোনার বরণ আমি কাল হৈতে পারি।
তোমার সমানত নিলাজ হৈতে নারি॥
তুমি যেমন চূড়া তেমন বাঁশী তেমন কয়।
অবিরত রমণী মণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া।
জ্ঞানদাসের মনে রহল জাগিয়া॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই।
সোনার বরণে বাঁশী কভু বাজে নাই॥
সোনার বরণ রাই হও দেখি কাল।
পীত ধটি পড়িয়া কাঁচলী টেনে ফেল॥
সোনার বরণ বন্ধু কালী হতে পারি।
তোমা হেন নিলাজী হতে নাহি পারি॥
তুমি যেমন চূড়া তেমন বাঁশী তেমন কয়।
অবিরত রমণীমণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া।
জ্ঞানদাসের মনে রহিল জাগিয়া॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই। সোনার বরণে বাঁশী কভু কাজ নাই॥
সোনার বরণ রাই হও দেখি কাল। পীত ধটি পড়িয়া কাঁচলী টেনে ফেল॥
সোনার বরণ বন্ধু কালী হতে পারি। তোমা হেন নিলাজী হতে নাহি পারি॥
তুমি যেমন চূড়া তেমন বাঁশী তেমন কয়। অবিরত রমণীমণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া। জ্ঞানদাসের মনে রহিল জাগিয়া॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই।
সোনার বরণে বাঁশী কভু বাজে নাই॥
সোনার বরণ রাই হও দেখি কাল।
পীত ধটি পড়িয়া কাঁচলী টেনে ফেল॥
সোনার বরণ বন্ধু কালী হতে পারি।
তোমা হেন নিলাজী হতে নাহি পারি॥
তুমি যেমন চূড়া তেমন বাঁশী তেমন কয়।
অবিরত রমণীমণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া।
জ্ঞানদাসের মনে রহিল জাগিয়া॥
*********************
সোনার বরণ শশীমুখে কভু বাজে নাই॥
সোনার বরণ রাই ( তুমি ) হও দেখি কাল।
পীতধড়া পরহ কাঁচলি টানি ফেল॥
সোণার বরণ আমি কাল হইতে পারি।
তোমার মত নিলাজ হইতে নাহি পারি॥
তুমি যেমন, চূড়া তেমন, বাঁশী তেমন কয়।
অবিরত রমণী-মণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া।
জ্ঞানদাসের মনে রহিল জাগিয়া॥
টীকা ---
সোনার বরণ শশীমুখে কভু বাজে নাই --- বাঁশী কালো মুখেই বাজে, স্বর্ণবর্ণ চাঁদমুখে কখনও বাজে না।
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৪৩১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিক্ষা
॥ ধানশী - জপতাল॥
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই।
সোণার বরণ শশীমুখি কভু বাজে নাই॥
সোনার বরণ রাই তুমি হও দেখি কাল।
পীড়ধড়া পরহ কাঁচলী টেনে ফেল॥
সোণার বরণ আমি কাল হইতে পারি।
তোমার মত নিলাজ হইতে নাহি পারি॥
তুমি যেমন চূড়া তেমন, বাঁশী তেমন কয়।
অবিরত রমণী-মণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া।
জ্ঞান দাসের মনে রহিল জাগিয়া॥
এই পদটি ১৯৪০ সালে চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত এবং হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্য-বত্ন দ্বারা পরিদৃষ্ট ও সংশোধিত “বিদ্যাপতি চণ্ডীদাস ও অন্যান্য বৈষ্ণব মহাজন গীতিকা” সংকলনের ১৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই।
সোনার বরণ বাঁশী কভু বাজে নাই॥
সোনার বরণ রাই হও দেখি কাল।
পীড়ধড়া পরহ কাঁচলী টানি ফেল॥
সোনার বরণ আমি কাল হৈতে পারি।
তোমার সমানত নিলাজ হৈতে নারি॥
তুমি যেমন চূড়া তেমন বাঁশী তেমন কয়।
অবিরত রমণী মণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া।
জ্ঞানদাসের মনে রহল জাগিয়া॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই।
সোনার বরণে বাঁশী কভু বাজে নাই॥
সোনার বরণ রাই হও দেখি কাল।
পীত ধটি পড়িয়া কাঁচলী টেনে ফেল॥
সোনার বরণ বন্ধু কালী হতে পারি।
তোমা হেন নিলাজী হতে নাহি পারি॥
তুমি যেমন চূড়া তেমন বাঁশী তেমন কয়।
অবিরত রমণীমণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া।
জ্ঞানদাসের মনে রহিল জাগিয়া॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই। সোনার বরণে বাঁশী কভু কাজ নাই॥
সোনার বরণ রাই হও দেখি কাল। পীত ধটি পড়িয়া কাঁচলী টেনে ফেল॥
সোনার বরণ বন্ধু কালী হতে পারি। তোমা হেন নিলাজী হতে নাহি পারি॥
তুমি যেমন চূড়া তেমন বাঁশী তেমন কয়। অবিরত রমণীমণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া। জ্ঞানদাসের মনে রহিল জাগিয়া॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিখিবে যদি বিনোদিনী রাই।
সোনার বরণে বাঁশী কভু বাজে নাই॥
সোনার বরণ রাই হও দেখি কাল।
পীত ধটি পড়িয়া কাঁচলী টেনে ফেল॥
সোনার বরণ বন্ধু কালী হতে পারি।
তোমা হেন নিলাজী হতে নাহি পারি॥
তুমি যেমন চূড়া তেমন বাঁশী তেমন কয়।
অবিরত রমণীমণ্ডলে লাজ হয়॥
যে রন্ধ্রে যে ধ্বনি উঠে নিশ্চয় করিয়া।
জ্ঞানদাসের মনে রহিল জাগিয়া॥
*********************
