কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
মুরলী শিখিবে রাধে শিখাব মনের সাধে
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বংশী শিক্ষা, ২১৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিখিবে রাধে শিখাব মনের সাধে
যে বোল বলিয়ে শুন ধনি।
ছাড়হ নারীর বেশ উভ করি বাঁধ কেশ
বামে চূড়া করহ টালনি॥
ঘুচাহ সিন্দূরের ঘটা পরহ বিনোদ ফোঁটা
দূরে রাখ নাসার বেশরে।
কাঁচলি ঘুচাইয়া ফেল মৃগমদে হও কাল
তবে বাঁশী বাজিবে অধরে॥
(লেহ মোর পীত ধড়া পর আঁটি কটীবেড়া
অঙ্গুলী লোলান শিখাইব।
তুয়া নাম গুণ রাই যে রন্ধ্রে সদাই গাই
একে একে জানাইয়া দিব॥
গৌর অঙ্গুলি তোর সোনা বান্ধা বাঁশী মোর
ধর দেখি রন্ধ্রের মাঝে মাঝে।
তিন ঠাঁই হও বাঁকা পাঁচনিতে দেও ঠেকা
তবে সে বিনোদ বাঁশী বাজে॥)১
রাই কহে বনমালী বান্ধ চূড়া উভ করি
আপনার বন্ধন সমান।
বাঁশী দেও মোর হাত জানাইয়া দেহ নাথ
যে রন্ধ্রে আপনি কর গান॥
এলাইয়ে কবরী ছান্দ চূড়া বান্ধে শ্যাম চান্দ
রাই অঙ্গ করে ঝলমল।
কহয়ে জ্ঞানদাসে বাঁশী শিখিবে বন্ধু পাশে
মুরলী করিয়ে করতল॥
যে বোল বলিয়ে শুন ধনি।
ছাড়হ নারীর বেশ উভ করি বাঁধ কেশ
বামে চূড়া করহ টালনি॥
ঘুচাহ সিন্দূরের ঘটা পরহ বিনোদ ফোঁটা
দূরে রাখ নাসার বেশরে।
কাঁচলি ঘুচাইয়া ফেল মৃগমদে হও কাল
তবে বাঁশী বাজিবে অধরে॥
(লেহ মোর পীত ধড়া পর আঁটি কটীবেড়া
অঙ্গুলী লোলান শিখাইব।
তুয়া নাম গুণ রাই যে রন্ধ্রে সদাই গাই
একে একে জানাইয়া দিব॥
গৌর অঙ্গুলি তোর সোনা বান্ধা বাঁশী মোর
ধর দেখি রন্ধ্রের মাঝে মাঝে।
তিন ঠাঁই হও বাঁকা পাঁচনিতে দেও ঠেকা
তবে সে বিনোদ বাঁশী বাজে॥)১
রাই কহে বনমালী বান্ধ চূড়া উভ করি
আপনার বন্ধন সমান।
বাঁশী দেও মোর হাত জানাইয়া দেহ নাথ
যে রন্ধ্রে আপনি কর গান॥
এলাইয়ে কবরী ছান্দ চূড়া বান্ধে শ্যাম চান্দ
রাই অঙ্গ করে ঝলমল।
কহয়ে জ্ঞানদাসে বাঁশী শিখিবে বন্ধু পাশে
মুরলী করিয়ে করতল॥
পাঠান্তর---
১ - বন্ধনীর ভিতরের অংশ ক তে নাই। (ক - কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত,“জ্ঞানদাসের পদাবলী”)
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৪৩৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
১ - বন্ধনীর ভিতরের অংশ ক তে নাই। (ক - কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত,“জ্ঞানদাসের পদাবলী”)
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৪৩৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিক্ষা
॥ কড়খা ধানশী - ছুটা॥
মুরলী শিখিবে রাধে, শিখাব মনের সাধে,
যে বোল বলিয়ে শুন ধনি।
ছাড়হ নারীর বেশ, উভ করি বাঁধ কেশ,
বামে চূড়া করহ টালনি॥
ঘুচাহ সিন্দূরের ঘটা, পরহ বিনোদ ফোঁটা,
দূরে রাখ নাসার বেশরে।
কাঁচলি ঘুচাইয়া ফেল, মৃগমদে হও কাল,
তবে বাঁশী বাজিবে অধরে॥
লেহ মোর পীত ধড়া, পর আঁটি কটী বেড়া,
অঙ্গুলী লোলান শিখাইব।
তুয়া নাম গুণ রাই, যে রন্ধ্রে সদাই গাই,
একে একে জানাইয়া দিব॥
গৌর অঙ্গুলি তোর, সোনা বান্ধা বাঁশী মোর,
ধর দেখি রন্ধ্রের মাঝে মাঝে।
তিন ঠাঁই হও বাঁকা, পাঁচনিতে দেও ঠেকা,
তবে সে বিনোদ বাঁশী বাজে॥
রাই কহে বনমালী, বান্ধ চূড়া উভ করি,
আপনার বন্ধন সমান।
বাঁশী দেও মোর হাত, জানাইয়া দেহ নাথ,
যে রন্ধ্রে আপনি কর গান॥
এলাইয়ে কবরী ছান্দ, চূড়া বান্ধে শ্যাম চান্দ,
রাই অঙ্গ করে ঝলমল।
কহয়ে জ্ঞানদাসে, বাঁশী শিখিবে বন্ধু পাশে,
মুরলী করিয়ে করতল॥
॥ কড়খা ধানশী - ছুটা॥
মুরলী শিখিবে রাধে, শিখাব মনের সাধে,
যে বোল বলিয়ে শুন ধনি।
ছাড়হ নারীর বেশ, উভ করি বাঁধ কেশ,
বামে চূড়া করহ টালনি॥
ঘুচাহ সিন্দূরের ঘটা, পরহ বিনোদ ফোঁটা,
দূরে রাখ নাসার বেশরে।
কাঁচলি ঘুচাইয়া ফেল, মৃগমদে হও কাল,
তবে বাঁশী বাজিবে অধরে॥
লেহ মোর পীত ধড়া, পর আঁটি কটী বেড়া,
অঙ্গুলী লোলান শিখাইব।
তুয়া নাম গুণ রাই, যে রন্ধ্রে সদাই গাই,
একে একে জানাইয়া দিব॥
গৌর অঙ্গুলি তোর, সোনা বান্ধা বাঁশী মোর,
ধর দেখি রন্ধ্রের মাঝে মাঝে।
তিন ঠাঁই হও বাঁকা, পাঁচনিতে দেও ঠেকা,
তবে সে বিনোদ বাঁশী বাজে॥
রাই কহে বনমালী, বান্ধ চূড়া উভ করি,
আপনার বন্ধন সমান।
বাঁশী দেও মোর হাত, জানাইয়া দেহ নাথ,
যে রন্ধ্রে আপনি কর গান॥
এলাইয়ে কবরী ছান্দ, চূড়া বান্ধে শ্যাম চান্দ,
রাই অঙ্গ করে ঝলমল।
কহয়ে জ্ঞানদাসে, বাঁশী শিখিবে বন্ধু পাশে,
মুরলী করিয়ে করতল॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
মুরলী শিখিবে রাধে শিখাব মনের সাধ
যে বোল বলিবে শুন ধনি।
ছাড়হ নরীর বেশ উভ করি বাঁধ কেশ
বামে চূড়া করহ টালনি॥
ঘুচাহ সিন্দূরঘটা পরহ বিনোদ ফোঁটা
নাশার বেশর রাখ দূরে।
কাঁচলি ঘুচায়া ফেল মৃগমদে হও কাল
তবে বাঁশীঁ বাজিবে অধরে॥
রাই কহে বনমালি বান্ধ চুড়া উভ করি
আপনার বন্ধন সমান।
বাঁশী দেহ মোর হাত জানাইয়া দেহ নাথ
যে রন্ধ্রে আপনি কর গান॥
এলায়ে কবরী ছান্দ চূড়া বান্ধে শ্যামচান্দ
রাই অঙ্গ করে ঝলমল।
জ্ঞানদাস কহে বাণী বাঁশী শিখ কমলিনি
মুরলী করিয়ে করতল॥
॥ ধানশী॥
মুরলী শিখিবে রাধে শিখাব মনের সাধ
যে বোল বলিবে শুন ধনি।
ছাড়হ নরীর বেশ উভ করি বাঁধ কেশ
বামে চূড়া করহ টালনি॥
ঘুচাহ সিন্দূরঘটা পরহ বিনোদ ফোঁটা
নাশার বেশর রাখ দূরে।
কাঁচলি ঘুচায়া ফেল মৃগমদে হও কাল
তবে বাঁশীঁ বাজিবে অধরে॥
রাই কহে বনমালি বান্ধ চুড়া উভ করি
আপনার বন্ধন সমান।
বাঁশী দেহ মোর হাত জানাইয়া দেহ নাথ
যে রন্ধ্রে আপনি কর গান॥
এলায়ে কবরী ছান্দ চূড়া বান্ধে শ্যামচান্দ
রাই অঙ্গ করে ঝলমল।
জ্ঞানদাস কহে বাণী বাঁশী শিখ কমলিনি
মুরলী করিয়ে করতল॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
মুরলী শিখিবে রাধে শিখাব মনের সাধে
যে বোল বলিবে শুন ধনি।
ছাড়হ নরীর বেশ উভ করি বাঁধ কেশ
বামে চূড়া করহ টালনি॥
ঘুচাহ সিন্দুর-ঘটা পরহ বিনোদ ফোঁটা
নাশার বেশর রাখ দুরে।
কাঁচলি ঘুচায়া ফেল মৃগমদে হও কাল
তবে বাঁশীঁ বাজিবে অধরে॥
রাই কহে বনমালি বান্ধ চুড়া উভ করি
আপনার বন্ধন সমান।
বাঁশী দেহ মোর হাত জানাইয়া দেহ নাথ
যে রন্ধ্রে আপনি কর গান॥
এলায়ে কবরী ছান্দ চূড়া বান্ধে শ্যামচান্দ
রাই অঙ্গ করে ঝলমল।
জ্ঞানদাস কহে বাণী বাঁশী শিখ কমলিনি
মুরলী করিবে করতল॥
॥ ধানশী॥
মুরলী শিখিবে রাধে শিখাব মনের সাধে
যে বোল বলিবে শুন ধনি।
ছাড়হ নরীর বেশ উভ করি বাঁধ কেশ
বামে চূড়া করহ টালনি॥
ঘুচাহ সিন্দুর-ঘটা পরহ বিনোদ ফোঁটা
নাশার বেশর রাখ দুরে।
কাঁচলি ঘুচায়া ফেল মৃগমদে হও কাল
তবে বাঁশীঁ বাজিবে অধরে॥
রাই কহে বনমালি বান্ধ চুড়া উভ করি
আপনার বন্ধন সমান।
বাঁশী দেহ মোর হাত জানাইয়া দেহ নাথ
যে রন্ধ্রে আপনি কর গান॥
এলায়ে কবরী ছান্দ চূড়া বান্ধে শ্যামচান্দ
রাই অঙ্গ করে ঝলমল।
জ্ঞানদাস কহে বাণী বাঁশী শিখ কমলিনি
মুরলী করিবে করতল॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিখিবে রাধে শিখাব মনের সাধ
যে বোল বলিয়ে শুন ধনি।
ছাড়হ নরীর বেশ উভ করি বাঁধ কেশ
বামে চূড়া করহ টালনি॥
ঘুচাহ সিন্দূরঘটা পরহ বিনোদ ফোঁটা
নাসার বেশর রাখ দূরে।
কাঁচলি ঘুচায়া ফেল মৃগমদে হও কাল
তবে বাঁশীঁ বাজিবে অধরে॥
রাই কহে বনমালি বান্ধ চুড়া উভ করি
আপনার বন্ধন সমান।
বাঁশী দেহ মোর হাত জানাইয়া দেহ নাথ
যে রন্ধ্রে আপনি কর গান॥
এলায়ে কবরী ছান্দ চূড়া বান্ধে শ্যামচান্দ
রাই অঙ্গ করে ঝলমল।
জ্ঞানদাস কহে বাণী বাঁশী শিখ কমলিনি
মুরলী করিবে করতল॥
*********************
মুরলী শিখিবে রাধে শিখাব মনের সাধ
যে বোল বলিয়ে শুন ধনি।
ছাড়হ নরীর বেশ উভ করি বাঁধ কেশ
বামে চূড়া করহ টালনি॥
ঘুচাহ সিন্দূরঘটা পরহ বিনোদ ফোঁটা
নাসার বেশর রাখ দূরে।
কাঁচলি ঘুচায়া ফেল মৃগমদে হও কাল
তবে বাঁশীঁ বাজিবে অধরে॥
রাই কহে বনমালি বান্ধ চুড়া উভ করি
আপনার বন্ধন সমান।
বাঁশী দেহ মোর হাত জানাইয়া দেহ নাথ
যে রন্ধ্রে আপনি কর গান॥
এলায়ে কবরী ছান্দ চূড়া বান্ধে শ্যামচান্দ
রাই অঙ্গ করে ঝলমল।
জ্ঞানদাস কহে বাণী বাঁশী শিখ কমলিনি
মুরলী করিবে করতল॥
*********************
