কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভুত রঙ্গ
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বংশী শিক্ষা, ২১৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভুত রঙ্গ।
দুহুঁ শিরে শোভে চূড়া দোঁহেই ত্রিভঙ্গ॥
রাই শিখয়ে বাঁশী নাগর শিখায়।
এক বাঁশী আধ আধ ধরিল দোঁহায়॥
রাই ভেল বিনোদ মুরলী-শ্রুতিধর।
অঙ্গুলি লোলায়ে ভেদ জানাইছে নাগর॥
শ্যাম কহে বাজাও দেখি বিনোদিনী রাই।
যেই নামে উপাসনা সদাই ধেয়াই॥
নিজ নাম রাই বাঁশী পুরিল অধরে।
শ্যাম নাম ডাকিছে আপন বামা স্বরে॥
রাই কহে নিজ নাম বাজাও দেখি শ্যাম।
তোমার মুখে তোমার বাঁশী কেমন অনুপাম॥
নিজ নাম শ্যাম তখন বাঁশী পুরে আধা।
নাহি বাজে শ্যাম নাম বাজে রাধা রাধা॥
ফিরিয়া আপন নাম বাজাইতে চায়।
শ্যামের মুখে শ্যামের বাঁশী রাধাগুণ গায়॥
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুক।
না জানি কেমন বাজে দেখিব কৌতুক॥
এক রন্ধ্রে ফুক তবে দেয় রাধা কানু।
রাধা শ্যাম দুটী নাম বাজে ভিনু ভিনু॥
রসের হিলোল উঠে দোহাকার গানে।
মোহিল সভার মন মুরলীর তানে॥
গান শুনি শারী শুক কোকিলা আনন্দ।
তরুলতা কুসুমে ঝরয়ে মকরন্দ॥
জ্ঞানদাস কহয়ে বিরিঞ্চি অগোচরী।
লীলায়ে বিহরে দোঁহে কিশোরা কিশোরী॥
টীকা ---
মুরলী --- শ্রুতিধর --- মুরলীর ধ্বনি একবার শুনিয়াই ঠিক সেই রকম করিয়া বাজাইতে পারিলেন।
অঙ্গুলি লোলায়ে --- অঙ্গুলি হেলন করিয়া।
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৪৩৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিক্ষা
॥ ধানশী - তেওট॥
নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভুত রঙ্গ।
দুহুঁ শিরে শোভে চূড়া দোঁহেই ত্রিভঙ্গ॥
রাই শিখয়ে বাঁশী নাগর শিখায়।
এক বাঁশী আধ আধ ধরিল দোঁহায়॥
রাই ভেল বিনোদ মুরলী-শ্রুতিধর।
অঙ্গুলি লোলায়ে ভেদ জানাইছে নাগর॥
শ্যাম কহে বাজাও দেখি বিনোদিনী রাই।
যেই নামে উপাসনা সদাই ধেয়াই॥
নিজ নাম রাই বাঁশী পূরিল অধরে।
শ্যাম নাম ডাকিছে আপন বামা স্বরে॥
রাই কহে নিজ নাম বাজাও দেখি শ্যাম।
তোমার মুখে তোমার বাঁশী কেমন অনুপাম॥
নিজ নাম শ্যাম তখন বাঁশী পূরে আধা।
নাহি বাজে শ্যাম নাম বাজে রাধা রাধা॥
ফিরিয়া আপন নাম বাজাইতে চায়।
শ্যামের মুখে শ্যামের বাঁশী রাধাগুণ গায়॥
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুক।
না জানি কেমন বাজে দেখিব কৌতুক॥
এক রন্ধ্রে ফুক তবে দেয় রাধা কানু।
রাধা শ্যাম দুটী নাম বাজে ভিনু ভিনু॥
রসের হিলোল উঠে দোহাকার গানে।
মোহিল সভার মন মুরলীর তানে॥
গান শুনি শারী শুক কোকিলা আনন্দ।
তরুলতা কুসুমে ঝরয়ে মকরন্দ॥
জ্ঞানদাস কহয়ে বিরিঞ্চি অগোচরী।
লীলায়ে বিহরে দোঁহে কিশোরা কিশোরী॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভূত রঙ্গ।
দুহুঁ শিরে শোভে চূড়া দোঁহেই ত্রিভঙ্গ॥
রাই শিখয়ে বাঁশী নাগর শিখায়।
এক বাঁশী আধ আধ ধরিল দোঁহায়॥
রাই ভেল বিনোদ মুরলী শ্রুতিধর।
অঙ্গুলি লোলায়ে ভেদ জানায় নাগর॥
শ্যাম কহে বাজাও দেখি বিনোদিনী রাই।
যেই নামে উপাসনা সদাই ধেয়াই॥
নিজ নাম রাই বাঁশী পুরিল অধরে।
শ্যাম নাম ডাকিছে আপন বামাস্বরে॥
রাই কহে নিজ নাম বাজাও দেখি শ্যাম।
তোমার মুখে তোমার বাঁশী শুনি অনুপাম॥
নিজ নামে শ্যাম তবে বাঁশী পুরে আধা।
জ্ঞানদাস কহে বাঁশী বাজে রাধা রাধা॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভূত রঙ্গ। দুহুঁ শিরে শোভে চূড়া দোঁহেই ত্রিভঙ্গ॥
রাই শিখরে বাঁশী নাগর শিখায়। এক বাঁশী আধ আধ ধরিল দোঁহায়॥
রাই ভেল বিনোদ-মুরলী-শ্রুতিধর। অঙ্গুলি লেলায়ে ভেদ জানায় নাগর॥
শ্যাম কহে বাজাও দেখি বিনোদিনী রাই। যেই নামে উপাসনা সদাই ধেয়াই॥
নিজ নাম রাই বাঁশী পুরিল অধরে। শ্যাম নাম ডাকিছে আপন বামাস্বরে॥
রাই কহে নিজ নাম বাজাও দেখি শ্যাম। তোমার মুখে তোমার বাঁশী শুনি অনুপাম॥
নিজ নামে শ্যাম তবে বাঁশী পুরে আধা। জ্ঞানদাস কহে বাঁশী বাজে রাধা রাধা॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভূত রঙ্গ।
দুহুঁ শিরে শোভে চূড়া দোঁহেই ত্রিভঙ্গ॥
রাই শিখয়ে বাঁশী নাগর শিখায়।
এক বাঁশী আধ আধ ধরিল দোঁহায়॥
রাই ভেল বিনোদ মুরলী শ্রুতিধর।
অঙ্গুলি লোলায়ে ভেদ জানায় নাগর॥
শ্যাম কহে বাজাও দেখি বিনোদিনী রাই।
যেই নামে উপাসনা সদাই ধেয়াই॥
নিজ নাম রাই বাঁশী পুরিল অধরে।
শ্যাম নাম ডাকিছে আপন বামাস্বরে॥
রাই কহে নিজ নাম বাজাও দেখি, শ্যাম।
তোমার মুখে তোমার বাঁশী শুনি অনুপাম॥
নিজ নামে শ্যাম তবে বাঁশী পূরে আধা।
জ্ঞানদাস কহে বাঁশী বাজে রাধা রাধা॥
*********************
দুহুঁ শিরে শোভে চূড়া দোঁহেই ত্রিভঙ্গ॥
রাই শিখয়ে বাঁশী নাগর শিখায়।
এক বাঁশী আধ আধ ধরিল দোঁহায়॥
রাই ভেল বিনোদ মুরলী-শ্রুতিধর।
অঙ্গুলি লোলায়ে ভেদ জানাইছে নাগর॥
শ্যাম কহে বাজাও দেখি বিনোদিনী রাই।
যেই নামে উপাসনা সদাই ধেয়াই॥
নিজ নাম রাই বাঁশী পুরিল অধরে।
শ্যাম নাম ডাকিছে আপন বামা স্বরে॥
রাই কহে নিজ নাম বাজাও দেখি শ্যাম।
তোমার মুখে তোমার বাঁশী কেমন অনুপাম॥
নিজ নাম শ্যাম তখন বাঁশী পুরে আধা।
নাহি বাজে শ্যাম নাম বাজে রাধা রাধা॥
ফিরিয়া আপন নাম বাজাইতে চায়।
শ্যামের মুখে শ্যামের বাঁশী রাধাগুণ গায়॥
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুক।
না জানি কেমন বাজে দেখিব কৌতুক॥
এক রন্ধ্রে ফুক তবে দেয় রাধা কানু।
রাধা শ্যাম দুটী নাম বাজে ভিনু ভিনু॥
রসের হিলোল উঠে দোহাকার গানে।
মোহিল সভার মন মুরলীর তানে॥
গান শুনি শারী শুক কোকিলা আনন্দ।
তরুলতা কুসুমে ঝরয়ে মকরন্দ॥
জ্ঞানদাস কহয়ে বিরিঞ্চি অগোচরী।
লীলায়ে বিহরে দোঁহে কিশোরা কিশোরী॥
টীকা ---
মুরলী --- শ্রুতিধর --- মুরলীর ধ্বনি একবার শুনিয়াই ঠিক সেই রকম করিয়া বাজাইতে পারিলেন।
অঙ্গুলি লোলায়ে --- অঙ্গুলি হেলন করিয়া।
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৪৩৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিক্ষা
॥ ধানশী - তেওট॥
নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভুত রঙ্গ।
দুহুঁ শিরে শোভে চূড়া দোঁহেই ত্রিভঙ্গ॥
রাই শিখয়ে বাঁশী নাগর শিখায়।
এক বাঁশী আধ আধ ধরিল দোঁহায়॥
রাই ভেল বিনোদ মুরলী-শ্রুতিধর।
অঙ্গুলি লোলায়ে ভেদ জানাইছে নাগর॥
শ্যাম কহে বাজাও দেখি বিনোদিনী রাই।
যেই নামে উপাসনা সদাই ধেয়াই॥
নিজ নাম রাই বাঁশী পূরিল অধরে।
শ্যাম নাম ডাকিছে আপন বামা স্বরে॥
রাই কহে নিজ নাম বাজাও দেখি শ্যাম।
তোমার মুখে তোমার বাঁশী কেমন অনুপাম॥
নিজ নাম শ্যাম তখন বাঁশী পূরে আধা।
নাহি বাজে শ্যাম নাম বাজে রাধা রাধা॥
ফিরিয়া আপন নাম বাজাইতে চায়।
শ্যামের মুখে শ্যামের বাঁশী রাধাগুণ গায়॥
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুক।
না জানি কেমন বাজে দেখিব কৌতুক॥
এক রন্ধ্রে ফুক তবে দেয় রাধা কানু।
রাধা শ্যাম দুটী নাম বাজে ভিনু ভিনু॥
রসের হিলোল উঠে দোহাকার গানে।
মোহিল সভার মন মুরলীর তানে॥
গান শুনি শারী শুক কোকিলা আনন্দ।
তরুলতা কুসুমে ঝরয়ে মকরন্দ॥
জ্ঞানদাস কহয়ে বিরিঞ্চি অগোচরী।
লীলায়ে বিহরে দোঁহে কিশোরা কিশোরী॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভূত রঙ্গ।
দুহুঁ শিরে শোভে চূড়া দোঁহেই ত্রিভঙ্গ॥
রাই শিখয়ে বাঁশী নাগর শিখায়।
এক বাঁশী আধ আধ ধরিল দোঁহায়॥
রাই ভেল বিনোদ মুরলী শ্রুতিধর।
অঙ্গুলি লোলায়ে ভেদ জানায় নাগর॥
শ্যাম কহে বাজাও দেখি বিনোদিনী রাই।
যেই নামে উপাসনা সদাই ধেয়াই॥
নিজ নাম রাই বাঁশী পুরিল অধরে।
শ্যাম নাম ডাকিছে আপন বামাস্বরে॥
রাই কহে নিজ নাম বাজাও দেখি শ্যাম।
তোমার মুখে তোমার বাঁশী শুনি অনুপাম॥
নিজ নামে শ্যাম তবে বাঁশী পুরে আধা।
জ্ঞানদাস কহে বাঁশী বাজে রাধা রাধা॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভূত রঙ্গ। দুহুঁ শিরে শোভে চূড়া দোঁহেই ত্রিভঙ্গ॥
রাই শিখরে বাঁশী নাগর শিখায়। এক বাঁশী আধ আধ ধরিল দোঁহায়॥
রাই ভেল বিনোদ-মুরলী-শ্রুতিধর। অঙ্গুলি লেলায়ে ভেদ জানায় নাগর॥
শ্যাম কহে বাজাও দেখি বিনোদিনী রাই। যেই নামে উপাসনা সদাই ধেয়াই॥
নিজ নাম রাই বাঁশী পুরিল অধরে। শ্যাম নাম ডাকিছে আপন বামাস্বরে॥
রাই কহে নিজ নাম বাজাও দেখি শ্যাম। তোমার মুখে তোমার বাঁশী শুনি অনুপাম॥
নিজ নামে শ্যাম তবে বাঁশী পুরে আধা। জ্ঞানদাস কহে বাঁশী বাজে রাধা রাধা॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভূত রঙ্গ।
দুহুঁ শিরে শোভে চূড়া দোঁহেই ত্রিভঙ্গ॥
রাই শিখয়ে বাঁশী নাগর শিখায়।
এক বাঁশী আধ আধ ধরিল দোঁহায়॥
রাই ভেল বিনোদ মুরলী শ্রুতিধর।
অঙ্গুলি লোলায়ে ভেদ জানায় নাগর॥
শ্যাম কহে বাজাও দেখি বিনোদিনী রাই।
যেই নামে উপাসনা সদাই ধেয়াই॥
নিজ নাম রাই বাঁশী পুরিল অধরে।
শ্যাম নাম ডাকিছে আপন বামাস্বরে॥
রাই কহে নিজ নাম বাজাও দেখি, শ্যাম।
তোমার মুখে তোমার বাঁশী শুনি অনুপাম॥
নিজ নামে শ্যাম তবে বাঁশী পূরে আধা।
জ্ঞানদাস কহে বাঁশী বাজে রাধা রাধা॥
*********************
