কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ২য় শাখা, ২৩শ পল্লব, অকারণ মান, ৬০৬ নং পদসংখ্যা, ৪০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণস্যোক্তিঃ।
॥ তুড়ী॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি ধনি রসময় রাধা।
কবহুঁ করহু জনি ইহ রস-বাধা॥ ধ্রু॥
অঙ্গুল-আগ পরশ যব পাই।
সুখের সায়রে রহি ওর না যাই॥
লোচন-ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ তুড়ি॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি রসময়ী ধনি রাধা।
কবহুঁ করহু জনি ইহরস বাধা॥ ধ্রু।
অঙ্গুল আগ পরশ যব পাই।
সুখের সাগরে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৪৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ তুড়ি॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি রসময়ী ধনি রাধা।
কবহুঁ করহ জনি ইহরস বাধা॥
অঙ্গুল আগ পরশ যব পাই।
সুখের সাগরে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ তুড়ী॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি রসময়ী ধনী রাধা। কবহুঁ
করহ জনি ইহরস বাধা॥ অঙ্গুল আগ
পরশ যব পাই। সুখের সাগরে রহি ওর
না যাই॥ লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ তুড়ী॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি রসময়ি ধনি রাধা।
কবহুঁ করহু জনি ইহরস বাধা॥
অঙ্গুল আগ পরশ যব পাই।
সুখের সাগরে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৬৭ পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনী রসময়ী আলো রাধা।
কবহু করহ জনি এ না রস বাধা॥
অঙ্গুলের আগে পরশ যব পাই।
সুখের সায়রে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিতে করু কত দান ।
জ্ঞানদাস কহ রাই কানুক পরাণ॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ তুড়ী॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি রসময়ি ধনি রাধা।
কবহুঁ করহু জনি ইহরস বাধা॥
অঙ্গুল আগ পরশ যব পাই।
সুখের সাগরে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৯৪০ সালে চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত এবং হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্য-বত্ন দ্বারা পরিদৃষ্ট ও সংশোধিত “বিদ্যাপতি চণ্ডীদাস ও অন্যান্য বৈষ্ণব মহাজন গীতিকা” সংকলনের ২০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তেহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি ধনি রসময়ি রাধা।
কবহুঁ করহ জানি ইহ রস বাধা॥
অঙ্গুল-আগ পরশ যব পাই।
সুখের সাগরে রহি’ ওর না যাই॥
লোচন-ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ--- অকারণ মান॥
এই পদটি ১৯৫৩ সালে (?) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ৫১৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মানপ্রকরণ
শ্রীকৃষ্ণের উক্তি।
॥ তুড়ী - বৃহৎ জপতাল॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ওনাম॥
শুন বিনোদিনী ধনি রসময়ী রাধা।
কবহুঁ করহ জনি ইহ রস-বাধা॥ ধ্রু॥
অঙ্গুল-আগ পরশ যব পাই।
সুখের সায়রে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
*********************
শ্রীকৃষ্ণস্যোক্তিঃ।
॥ তুড়ী॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি ধনি রসময় রাধা।
কবহুঁ করহু জনি ইহ রস-বাধা॥ ধ্রু॥
অঙ্গুল-আগ পরশ যব পাই।
সুখের সায়রে রহি ওর না যাই॥
লোচন-ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ তুড়ি॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি রসময়ী ধনি রাধা।
কবহুঁ করহু জনি ইহরস বাধা॥ ধ্রু।
অঙ্গুল আগ পরশ যব পাই।
সুখের সাগরে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৪৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ তুড়ি॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি রসময়ী ধনি রাধা।
কবহুঁ করহ জনি ইহরস বাধা॥
অঙ্গুল আগ পরশ যব পাই।
সুখের সাগরে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান।
॥ তুড়ী॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি রসময়ী ধনী রাধা। কবহুঁ
করহ জনি ইহরস বাধা॥ অঙ্গুল আগ
পরশ যব পাই। সুখের সাগরে রহি ওর
না যাই॥ লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ তুড়ী॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি রসময়ি ধনি রাধা।
কবহুঁ করহু জনি ইহরস বাধা॥
অঙ্গুল আগ পরশ যব পাই।
সুখের সাগরে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৬৭ পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনী রসময়ী আলো রাধা।
কবহু করহ জনি এ না রস বাধা॥
অঙ্গুলের আগে পরশ যব পাই।
সুখের সায়রে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিতে করু কত দান ।
জ্ঞানদাস কহ রাই কানুক পরাণ॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
॥ তুড়ী॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি রসময়ি ধনি রাধা।
কবহুঁ করহু জনি ইহরস বাধা॥
অঙ্গুল আগ পরশ যব পাই।
সুখের সাগরে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
এই পদটি ১৯৪০ সালে চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত এবং হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সাহিত্য-বত্ন দ্বারা পরিদৃষ্ট ও সংশোধিত “বিদ্যাপতি চণ্ডীদাস ও অন্যান্য বৈষ্ণব মহাজন গীতিকা” সংকলনের ২০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তেহারি ও নাম॥
শুন বিনোদিনি ধনি রসময়ি রাধা।
কবহুঁ করহ জানি ইহ রস বাধা॥
অঙ্গুল-আগ পরশ যব পাই।
সুখের সাগরে রহি’ ওর না যাই॥
লোচন-ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ--- অকারণ মান॥
এই পদটি ১৯৫৩ সালে (?) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ৫১৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মানপ্রকরণ
শ্রীকৃষ্ণের উক্তি।
॥ তুড়ী - বৃহৎ জপতাল॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে অনুপাম।
স্বপনে জপন মোর তোহারি ওনাম॥
শুন বিনোদিনী ধনি রসময়ী রাধা।
কবহুঁ করহ জনি ইহ রস-বাধা॥ ধ্রু॥
অঙ্গুল-আগ পরশ যব পাই।
সুখের সায়রে রহি ওর না যাই॥
লোচন ইঙ্গিত করু মোহে দান।
জ্ঞানদাস কহ অকারণ মান॥
*********************
