কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
সখীর সমাজে রাই আছিল বসিয়া
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বিবিধ, ২৬৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পণ্ডিত বাবাজীর রাধাকুণ্ড পুথি পৃ ৫১ থেকে পেয়েছিলেন।
সখীর সমাজে রাই আছিল বসিয়া।
হেনকালে রাধা বলি বাজিল বাঁশিয়া ॥
রাই কহে ললিতারে বলিয়ে তোমারে।
শুন দেখি কোন কুঞ্জে বাঁশি ডাকে মোরে॥
সুকুঞ্চিত কেশে রাই বান্ধয়ে কবরী।
কুন্তলে বকুলমালা গুঞ্জরে ভ্রমরী ॥
হরি অভিসারে চলু বিনোদিনী রাধা।
নীলবসনে মুখ ঝাঁপিয়াছে আধা॥
চন্দনের বিন্দু বিন্দু মালা লৈয়া করে ।
পদ আধ চলে বলে নাগর কত দূরে॥
আবেশে সখীর অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া।
বৃন্দাবনে প্রবেশিলা জয় জয় দিয়া॥
বৃন্দাবনে প্রবেশিয়া চারিপানে চায়।
মাধবীলতার কুঞ্জে দেখে শ্যাম রায়॥
নূপুরের রুণুঝুণু পড়ি গেল সাড়া।
নাগর উঠিয়া বলে রাই এলো পারা॥
অনুসরি রাই লৈয়া বসাইলা বামে।
পীতবাসে মুছই রাই মুখ ঘামে॥
শ্যাম সঙ্গে মিলল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাসে মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী ॥
*********************
হেনকালে রাধা বলি বাজিল বাঁশিয়া ॥
রাই কহে ললিতারে বলিয়ে তোমারে।
শুন দেখি কোন কুঞ্জে বাঁশি ডাকে মোরে॥
সুকুঞ্চিত কেশে রাই বান্ধয়ে কবরী।
কুন্তলে বকুলমালা গুঞ্জরে ভ্রমরী ॥
হরি অভিসারে চলু বিনোদিনী রাধা।
নীলবসনে মুখ ঝাঁপিয়াছে আধা॥
চন্দনের বিন্দু বিন্দু মালা লৈয়া করে ।
পদ আধ চলে বলে নাগর কত দূরে॥
আবেশে সখীর অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া।
বৃন্দাবনে প্রবেশিলা জয় জয় দিয়া॥
বৃন্দাবনে প্রবেশিয়া চারিপানে চায়।
মাধবীলতার কুঞ্জে দেখে শ্যাম রায়॥
নূপুরের রুণুঝুণু পড়ি গেল সাড়া।
নাগর উঠিয়া বলে রাই এলো পারা॥
অনুসরি রাই লৈয়া বসাইলা বামে।
পীতবাসে মুছই রাই মুখ ঘামে॥
শ্যাম সঙ্গে মিলল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাসে মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী ॥
*********************
