কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
কি ক্ষণে শ্যামরূপ নয়ানে লাগিল
কি খেনে শ্যামের অঙ্গে নয়ন লাগিল
কি ক্ষণে শ্যামের রূপ নয়ানে লাগিল
কবি জ্ঞানদাস
কি খেনে শ্যামের অঙ্গে নয়ন লাগিল
কি ক্ষণে শ্যামের রূপ নয়ানে লাগিল
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা তাঁর সারা জীবন ধরে, আনুমানিক ১৮৮০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত ও সংকলিত এবং তাঁর মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পরে তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু" এর ১৭৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
কি ক্ষণে শ্যামরূপ নয়ানে লাগিল। মনে অভিমান কুলের ধৈরজ ভাঙ্গিল॥
অল্প বয়সে মোর শ্যাম পরিবাদ। বিধি কৈল পরাধিনী না পূরল সাধ॥
কি করব কুল শীলে গুরু গরবিতে। বিকাইনু শ্যাম পায় আন নাহি চিতে॥
আপনা আপনি কথা ভাবি মনে মনে। আপনাকে বলি ধনি এমন হৈলে কেনে॥
বলে বলুক গুরুজন, যাউক জাতি যাউক। মরে মরুক নিজ পতি, আপদ
আপনে কউক॥ হেন মনে করি, রূপ হার করে পরি। দেখিলে সে জিয়ে
প্রাণ, না দেখিলে মরি॥ জ্ঞানদাস বলে ধনি যে ধন সে বটে। তুমি শ্যামের,
শ্যাম তোমার, নহিলে কি ঘটে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বিবিধ, ২৬৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কৃষ্ণপদামৃতসিন্ধু বা পদামৃতসিন্ধু ১৭৫পৃঃ।
কি ক্ষণে শ্যামরূপ নয়ানে লাগিল। মনে অভিমান কুলের ধৈরজ ভাঙ্গিল॥
অল্প বয়সে মোর শ্যাম পরিবাদ। বিধি কৈল পরাধিনী না পূরল সাধ॥
কি করব কুল শীলে গুরু গরবিতে। বিকাইনু শ্যাম পায় আন নাহি চিতে॥
আপনা আপনি কথা ভাবি মনে মনে। আপনাকে বলি ধনি এমন হৈলে কেনে॥
বলে বলুক গুরুজন, যাউক জাতি যাউক। মরে মরুক নিজ পতি, আপদ
আপনে কউক॥ হেন মনে করি, রূপ হার করে পরি। দেখিলে সে জিয়ে
প্রাণ, না দেখিলে মরি॥ জ্ঞানদাস বলে ধনি যে ধন সে বটে। তুমি শ্যামের,
শ্যাম তোমার, নহিলে কি ঘটে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বিবিধ, ২৬৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কৃষ্ণপদামৃতসিন্ধু বা পদামৃতসিন্ধু ১৭৫পৃঃ।
কিক্ষণে শ্যামরূপ নয়ানে লাগিল।
মান অভিমান কুলের ধৈরজ ভাঙ্গিল॥
অল্প বয়সে মোর শ্যাম পরিবাদ।
বিধি কৈল পরাধিনী না পুরল সাধ॥
কি করব কুলশীলে গুরু গরবিতে।
বিকাইনু শ্যাম পায় আন নাহি চিতে॥
আপনা আপনি কথা ভাবি মনে মনে।
আপনাকে বলি ধনি এমন হৈলে কেনে॥
বলে বলুক গুরুজন যায় জাতি যাউক।
মরে মরুক নিজপতি আপনে কউক॥
হেন মনে করি রূপহার করি পরি।
দেখিলে সে জিয়ে প্রাণ, না দেখিলে মরি॥
জ্ঞানদাস বলে ধনি যে ধন সে বটে।
তুমি শ্যামের, শ্যাম তোমার, নহিলে কি ঘটে॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ, ৩৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ষথা রাগ॥
কি ক্ষণে শ্যামের রূপ নয়ানে লাগিল।
মান অভিমান কুলের ধৈরজ ভাঙিল॥
অলপ বয়সে মোর শ্যাম পরিবাদ।
বিধি কৈল পরাধিনী না পুরল সাধ॥
কি করব কুলশীল গুরু গরবিতে।
বিকাইলুঁ শ্যাম পায়ে আন নাহি চিতে॥
আপনা আপনি কত কথা ভাবি মনে।
আপনাকে বলি ধনি এমন এমন হইল কেনে॥
হেন মনে করি রূপ হার করে পরি।
দেখিলে সে জীয়ে প্রাণ না দেখিলে মরি॥
জ্ঞনদাস বলে ধনি যে ধন সে বটে।
তুমি শ্যামের শ্যাম তোমার নহিলে কি ঘটে॥
এই পদটি ১৯৫৩ সালে (?) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ৭৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপানুরাগ।
॥ সঞ্চারি বেহাগ - ছুটা তাল॥
কি খেনে শ্যামের অঙ্গে নয়ন লাগিল।
মান অভিমান কুল ধৈরয ভাঙ্গিল॥
রূপের সায়রে আঁখি ডুবিয়া রহিল।
যৌবনের বনে মন হারাইয়া গেল॥
ত্রিভঙ্গ হইয়া রূপ অন্তরে পশিল।
অনেক যতন কৈল বাহির না হইল॥
লম্ফ দিয়ে ব্যাধ যেন ধরে বনে পাখি।
তেমতি ঠেকিলাম গো উপায় বল দেখি॥
ঘর যাইতে পথ মোর হইল হারান।
অন্তরে বিদরে হিয়া কি জানি করে প্রাণ॥
কি করিতে কি না করি কত উঠে মনে।
তিলেক না রহে প্রাণ দরশন বিনে॥
জ্ঞানদাস বলে আমি এই সে করিব।
শ্যাম বন্ধু লাগি আমি যমুনায় পশিব॥
*********************
মান অভিমান কুলের ধৈরজ ভাঙ্গিল॥
অল্প বয়সে মোর শ্যাম পরিবাদ।
বিধি কৈল পরাধিনী না পুরল সাধ॥
কি করব কুলশীলে গুরু গরবিতে।
বিকাইনু শ্যাম পায় আন নাহি চিতে॥
আপনা আপনি কথা ভাবি মনে মনে।
আপনাকে বলি ধনি এমন হৈলে কেনে॥
বলে বলুক গুরুজন যায় জাতি যাউক।
মরে মরুক নিজপতি আপনে কউক॥
হেন মনে করি রূপহার করি পরি।
দেখিলে সে জিয়ে প্রাণ, না দেখিলে মরি॥
জ্ঞানদাস বলে ধনি যে ধন সে বটে।
তুমি শ্যামের, শ্যাম তোমার, নহিলে কি ঘটে॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ, ৩৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ষথা রাগ॥
কি ক্ষণে শ্যামের রূপ নয়ানে লাগিল।
মান অভিমান কুলের ধৈরজ ভাঙিল॥
অলপ বয়সে মোর শ্যাম পরিবাদ।
বিধি কৈল পরাধিনী না পুরল সাধ॥
কি করব কুলশীল গুরু গরবিতে।
বিকাইলুঁ শ্যাম পায়ে আন নাহি চিতে॥
আপনা আপনি কত কথা ভাবি মনে।
আপনাকে বলি ধনি এমন এমন হইল কেনে॥
হেন মনে করি রূপ হার করে পরি।
দেখিলে সে জীয়ে প্রাণ না দেখিলে মরি॥
জ্ঞনদাস বলে ধনি যে ধন সে বটে।
তুমি শ্যামের শ্যাম তোমার নহিলে কি ঘটে॥
এই পদটি ১৯৫৩ সালে (?) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ৭৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপানুরাগ।
॥ সঞ্চারি বেহাগ - ছুটা তাল॥
কি খেনে শ্যামের অঙ্গে নয়ন লাগিল।
মান অভিমান কুল ধৈরয ভাঙ্গিল॥
রূপের সায়রে আঁখি ডুবিয়া রহিল।
যৌবনের বনে মন হারাইয়া গেল॥
ত্রিভঙ্গ হইয়া রূপ অন্তরে পশিল।
অনেক যতন কৈল বাহির না হইল॥
লম্ফ দিয়ে ব্যাধ যেন ধরে বনে পাখি।
তেমতি ঠেকিলাম গো উপায় বল দেখি॥
ঘর যাইতে পথ মোর হইল হারান।
অন্তরে বিদরে হিয়া কি জানি করে প্রাণ॥
কি করিতে কি না করি কত উঠে মনে।
তিলেক না রহে প্রাণ দরশন বিনে॥
জ্ঞানদাস বলে আমি এই সে করিব।
শ্যাম বন্ধু লাগি আমি যমুনায় পশিব॥
*********************
