কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
রাস জাগরণে নিকুঞ্জ ভবনে
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসলীলা
॥ মল্লার॥
রাস জাগরণে, নিকুঞ্জ ভবনে,
আলুঞা আলস ভরে।
শুতলি কিশোরী, আপনা পাসরি,
প্রাণনাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী, ও চাঁদ বদনী,
শ্যাম অঙ্গে দিয়া পা॥
নাগরের বাহু, করিয়া সিথান,
বিথান বসন ভূষা।
নিশ্বাসে দুলিছে, রতন বেশর,
হাসি খানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি, নিতে চাহে হরি,
সাহস না হয় মনে।
ধিরি করি বোল, না করিহ রোল,
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
॥ মল্লার॥
রাস জাগরণে, নিকুঞ্জ ভবনে,
আলুঞা আলস ভরে।
শুতলি কিশোরী, আপনা পাসরি,
প্রাণনাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী, ও চাঁদ বদনী,
শ্যাম অঙ্গে দিয়া পা॥
নাগরের বাহু, করিয়া সিথান,
বিথান বসন ভূষা।
নিশ্বাসে দুলিছে, রতন বেশর,
হাসি খানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি, নিতে চাহে হরি,
সাহস না হয় মনে।
ধিরি করি বোল, না করিহ রোল,
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২১৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব।
॥ মল্লার॥
রাস জাগরণে, নিকুঞ্জ ভবনে,
আলুঞা আলস ভরে।
শুতলি কিশোরী, আপনা পাসরি,
প্রাণনাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী, ও চাঁদ বদনী,
শ্যাম অঙ্গে দিয়া পা॥
নাগরের বাহু, করিয়া সিথান,
বিথান বসন ভূষা।
নিশ্বাসে দুলিছে, রতন বেশর,
হাসি খানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি, নিতে চাহে হরি,
সাহস না হয় মনে।
ধিরি করি বোল, না করিহ রোল,
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
॥ মল্লার॥
রাস জাগরণে, নিকুঞ্জ ভবনে,
আলুঞা আলস ভরে।
শুতলি কিশোরী, আপনা পাসরি,
প্রাণনাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী, ও চাঁদ বদনী,
শ্যাম অঙ্গে দিয়া পা॥
নাগরের বাহু, করিয়া সিথান,
বিথান বসন ভূষা।
নিশ্বাসে দুলিছে, রতন বেশর,
হাসি খানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি, নিতে চাহে হরি,
সাহস না হয় মনে।
ধিরি করি বোল, না করিহ রোল,
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৫৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব
॥ মল্লার॥
রাস জাগরণে, নিকুঞ্জ ভবনে, আলুঞা
আলস ভরে। শুতলি কিশোরী, আপনা
পাসরি, প্রাণনাথের কোরে॥ সখি হের
দেখসিয়া বা। নিন্দ যায় ধনী, ও চাঁদ-
বদনী, শ্যাম অঙ্গে দিয়া পা॥ নাগরের
বাহু, করিয়া সিথান, বিথান বসন ভূষা।
নিশ্বাসে দুলিছে, রতন বেশর, হাসি খানি
তাহে মিশা॥ পরিহাস করি, নিতে চাহে
হরি, সাহস না হয় মনে। ধিরি করি বোল,
না করিহ রোল, জ্ঞানদাস রস ভণে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব
॥ মল্লার॥
রাস জাগরণে, নিকুঞ্জ ভবনে, আলুঞা
আলস ভরে। শুতলি কিশোরী, আপনা
পাসরি, প্রাণনাথের কোরে॥ সখি হের
দেখসিয়া বা। নিন্দ যায় ধনী, ও চাঁদ-
বদনী, শ্যাম অঙ্গে দিয়া পা॥ নাগরের
বাহু, করিয়া সিথান, বিথান বসন ভূষা।
নিশ্বাসে দুলিছে, রতন বেশর, হাসি খানি
তাহে মিশা॥ পরিহাস করি, নিতে চাহে
হরি, সাহস না হয় মনে। ধিরি করি বোল,
না করিহ রোল, জ্ঞানদাস রস ভণে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব।
॥ মল্লার॥
রাস জাগরণে, নিকুঞ্জ-ভবনে,
আলুঞা আলসভরে।
শুতলি কিশোরী, আপনা পাসরি,
প্রাণনাথের কোরে॥
সখি, হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী, ও চাঁদবদনী,
শ্যাম-অঙ্গে দিয়া পা॥
নাগরের বাহু, করিয়া সিথান,
বিথান বসন ভূষা।
নিশ্বাসে দুলিছে, রতন-বেশর,
হাসি খানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি, নিতে চাহে হরি,
সাহস না হয় মনে।
ধিরি কহি বোল, না করিহ রোল,
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
॥ মল্লার॥
রাস জাগরণে, নিকুঞ্জ-ভবনে,
আলুঞা আলসভরে।
শুতলি কিশোরী, আপনা পাসরি,
প্রাণনাথের কোরে॥
সখি, হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী, ও চাঁদবদনী,
শ্যাম-অঙ্গে দিয়া পা॥
নাগরের বাহু, করিয়া সিথান,
বিথান বসন ভূষা।
নিশ্বাসে দুলিছে, রতন-বেশর,
হাসি খানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি, নিতে চাহে হরি,
সাহস না হয় মনে।
ধিরি কহি বোল, না করিহ রোল,
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, সন্দিগ্ধ, ২৮২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাস জাগরণে নিকুঞ্জ ভবনে
আলুয়্যা আলস-ভরে।
শুতলি কিশোরী আপনা পাসরি
পরাণনাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী চাঁদ বদনী
শ্যাম-অঙ্গে দিয়া পা॥ ধ্রু॥
নাগরের বাহু করিয়া শিথান
বিথান বসন-ভূষা।
নিশ্বাস দুলিছে রতন বেশর
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি নিতে চাহে হরি
সাহস না হয় মনে।
ধীরি করি বোল না করিহ রোল
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
আলুয়্যা আলস-ভরে।
শুতলি কিশোরী আপনা পাসরি
পরাণনাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী চাঁদ বদনী
শ্যাম-অঙ্গে দিয়া পা॥ ধ্রু॥
নাগরের বাহু করিয়া শিথান
বিথান বসন-ভূষা।
নিশ্বাস দুলিছে রতন বেশর
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি নিতে চাহে হরি
সাহস না হয় মনে।
ধীরি করি বোল না করিহ রোল
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
মন্তব্য ---
তরুর (পদকল্পতরুর) অন্যান্য পুথিতে “দাস জগন্নাথ ভণে' পদরসসারের পুথিতে "দ্বিজ চণ্ডীদাসে ভণে।
এই পদটিতে শ্রীরাধার রসালসের এক অপরূপ চিত্র ফুটিয়া উঠিয়াছে। নিদ্রাকাতরা রাধার সম্ভ্রমের কোন বালাই নাই নিঃসঙ্কোচে তিনি শ্যামের অঙ্গে পা তুলিয়া দিয়াছেন। তাঁহার নিঃশ্বাসে নাকের বেশর দুলিতেছে, আর মুখে হাসিটি লাগিয়া আছে --- এরূপ কথাচিত্র যে কোন শ্রেষ্ঠ কবির রচনা সে বিষয়ে সন্দেহ নাই।
টীকা ---
শিথান --- শিয়রের বালিশ।
বিথান --- স্থানচ্যুত, ছড়ানো।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
তরুর (পদকল্পতরুর) অন্যান্য পুথিতে “দাস জগন্নাথ ভণে' পদরসসারের পুথিতে "দ্বিজ চণ্ডীদাসে ভণে।
এই পদটিতে শ্রীরাধার রসালসের এক অপরূপ চিত্র ফুটিয়া উঠিয়াছে। নিদ্রাকাতরা রাধার সম্ভ্রমের কোন বালাই নাই নিঃসঙ্কোচে তিনি শ্যামের অঙ্গে পা তুলিয়া দিয়াছেন। তাঁহার নিঃশ্বাসে নাকের বেশর দুলিতেছে, আর মুখে হাসিটি লাগিয়া আছে --- এরূপ কথাচিত্র যে কোন শ্রেষ্ঠ কবির রচনা সে বিষয়ে সন্দেহ নাই।
টীকা ---
শিথান --- শিয়রের বালিশ।
বিথান --- স্থানচ্যুত, ছড়ানো।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসোৎসব
॥ মল্লার॥
রাস জাগরণে, নিকুঞ্জ ভবনে,
আলুঞা আলসভরে।
শুতলি কিশোরী, আপনা পাসরি,
প্রাণনাথের কোরে॥
সখি, হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী, ও চাঁদবদনী,
শ্যাম-অঙ্গে দিয়া পা॥
নাগরের বাহু, করিয়া সিথান,
বিথান বসন ভূষা।
নিশ্বাসে দুলিছে, রতন বেশর,
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি, নিতে চাহে হরি,
সাহস না হয় মনে।
ধিরি কহি বোল, না করিহ রোল,
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
॥ মল্লার॥
রাস জাগরণে, নিকুঞ্জ ভবনে,
আলুঞা আলসভরে।
শুতলি কিশোরী, আপনা পাসরি,
প্রাণনাথের কোরে॥
সখি, হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী, ও চাঁদবদনী,
শ্যাম-অঙ্গে দিয়া পা॥
নাগরের বাহু, করিয়া সিথান,
বিথান বসন ভূষা।
নিশ্বাসে দুলিছে, রতন বেশর,
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি, নিতে চাহে হরি,
সাহস না হয় মনে।
ধিরি কহি বোল, না করিহ রোল,
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ৪০৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসলাীলা
॥ কেদার - জপতাল॥
রাস-জাগরণে নিকুঞ্জ-ভবনে
আলুঞা অলস-ভরে।
শুতলি কিশোরী আপনা পাসরি
পরাণনাথের কোরে॥
সখি, হের দেখসিয়া বা।
নিদ যায় ধনী ও চাঁদবদনী
শ্যাম-অঙ্গে দিয়া পা॥ ধ্রু॥
নাগরের বাহু করিয়া শিথান
বিথান বসন-ভূষা।
নিশাসে দুলিছে রতন-বেশর
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি নিতে চাহে হরি
সাহস না হয় মনে।
ধীরে ধীরে বোল না করিহ রোল
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
॥ কেদার - জপতাল॥
রাস-জাগরণে নিকুঞ্জ-ভবনে
আলুঞা অলস-ভরে।
শুতলি কিশোরী আপনা পাসরি
পরাণনাথের কোরে॥
সখি, হের দেখসিয়া বা।
নিদ যায় ধনী ও চাঁদবদনী
শ্যাম-অঙ্গে দিয়া পা॥ ধ্রু॥
নাগরের বাহু করিয়া শিথান
বিথান বসন-ভূষা।
নিশাসে দুলিছে রতন-বেশর
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি নিতে চাহে হরি
সাহস না হয় মনে।
ধীরে ধীরে বোল না করিহ রোল
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৪২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রসালস
॥ কেদার॥
রাসজাগরণে নিকুঞ্জভবনে
আলুয়্যা আলসভরে।
শুতলি কিশোরী আপনা পাসরি
পরাণনাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী চাঁদবদনী
শ্যামঅঙ্গে দিয়া পা॥ ধ্রু॥
নাগরের বাহু শিথান করিয়া
বিথান বসনভূষা।
নিশাসে দুলিছে রতনবেশর
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি নিতে চাহে হরি
সাহস না হয় মনে।
ধীরি করি বোল না করিহ রোল
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
॥ কেদার॥
রাসজাগরণে নিকুঞ্জভবনে
আলুয়্যা আলসভরে।
শুতলি কিশোরী আপনা পাসরি
পরাণনাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী চাঁদবদনী
শ্যামঅঙ্গে দিয়া পা॥ ধ্রু॥
নাগরের বাহু শিথান করিয়া
বিথান বসনভূষা।
নিশাসে দুলিছে রতনবেশর
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি নিতে চাহে হরি
সাহস না হয় মনে।
ধীরি করি বোল না করিহ রোল
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শারদ রাস
॥ কেদার॥
রাস-জাগরণে নিকুঞ্জ-ভবনে
আলুয়্যা আলস-ভরে।
শুতলি কিশোরী আপনা পাসরি
পরাণ-নাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী চাঁদ-বদনী
শ্যাম-অঙ্গে দিয়া পা॥ ধ্রু॥
নাগরের বাহু করিয়া শিথান
বিথান বসন-ভূষা।
@শ্বাসে দুলিছে রতন-বেশর
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি নিতে চাহে হরি
সাহস না হয় মনে।
ধীরি করি বোল না করিহ রোল
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
॥ কেদার॥
রাস-জাগরণে নিকুঞ্জ-ভবনে
আলুয়্যা আলস-ভরে।
শুতলি কিশোরী আপনা পাসরি
পরাণ-নাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী চাঁদ-বদনী
শ্যাম-অঙ্গে দিয়া পা॥ ধ্রু॥
নাগরের বাহু করিয়া শিথান
বিথান বসন-ভূষা।
@শ্বাসে দুলিছে রতন-বেশর
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি নিতে চাহে হরি
সাহস না হয় মনে।
ধীরি করি বোল না করিহ রোল
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
@ - এখানে সম্ভবত "নি" শব্দটি আসবে, যা আমরা এই মুদ্রণে দেখতে পারছি না। কারণ এখানে একটি ফাঁক রয়েছে।---মিলন সেনগুপ্ত। মিলনসাগর॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসজাগরণে নিকুঞ্জভবনে
আলুয়্যা আলসভরে।
শুতলি কিশোরী আগনা পাসরি
পরাণনাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী চাঁদবদনী
শ্যামঅঙ্গে দিয়া পা॥
নাগরের বাহু শিথান করিয়া
বিথান বসনভূষা।
নিশাসে দুলিছে রতনবেশর
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি নিতে চাহে হরি
সাহস না হয় মনে।
ধীরি করি বোল না করিহ রোল
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
*********************
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাসজাগরণে নিকুঞ্জভবনে
আলুয়্যা আলসভরে।
শুতলি কিশোরী আগনা পাসরি
পরাণনাথের কোরে॥
সখি হের দেখসিয়া বা।
নিন্দ যায় ধনী চাঁদবদনী
শ্যামঅঙ্গে দিয়া পা॥
নাগরের বাহু শিথান করিয়া
বিথান বসনভূষা।
নিশাসে দুলিছে রতনবেশর
হাসিখানি তাহে মিশা॥
পরিহাস করি নিতে চাহে হরি
সাহস না হয় মনে।
ধীরি করি বোল না করিহ রোল
জ্ঞানদাস রস ভণে॥
*********************
