কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
সই কি আর কথার বাদে
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ মল্লার॥

সই কি আর কথার বাদে।
মো পুনি ঠেকিয়া গেনু ও নয়ন ফান্দে॥
কুন্দে কুন্দাইল দেহ বিদগ্ধ বিধি।
বাছিয়া থুইল নাম শ্যাম গুণণিধি॥
চূড়ায় চন্দ্রক দিয়া কুন্দ মল্লিকা।
চান্দের অধিক মুখ চান্দের চন্দ্রিকা॥
আবেশে অবশ গা চলে বা না চলে।
পাষাণ মিলিয়া যায় ও মধুর বোলে॥
নীলমণি হেম গায় মুকুতা সিচনি।
আই আই মরিয়া যাই রূপের নিছনি॥
কালা পাট গলে দোলে কটিতে প্রবাল।
তমাল শ্যাম সূতে নব গুঞ্জা মাল॥
নাসা স্থলে দোলে কত মূলের মুকুতা।
জ্ঞান কহে ভালে ঝুরে বৃকভানু সুতা॥


ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৭৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ মল্লার॥

সই কি আর কথার বাদে।
মো পুনি ঠেকিয়া গেনু ও নয়ন ফান্দে॥
কুন্দে কুন্দাইল দেহ বিদগ্ধ বিধি।
বাছিয়া থুইল নাম শ্যাম গুণনিধি॥
চূড়ায় চন্দ্রক দিয়া কুন্দ মল্লিকা।
চান্দের অধিক মুখ চান্দের চন্দ্রিকা॥
আবেশে অবশ গা চলে বা না চলে।
পাষাণ মিলিয়া যায় ও মধুর বোলে॥
নীলমণি হেম গায় মুকুতা সিচনি।
আই আই মরিয়া যাই রূপের নিছনি॥
কালা পাট গলে দোলে কটিতে প্রবাল।
তমাল শ্যাম সূতে নব গুঞ্জা মাল॥
নাসা স্থলে দোলে কত মূলের মুকুতা।
জ্ঞান কহে ভালে ঝুরে বৃকভানু সুতা॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ মল্লার॥

সই কি আর কথার বাদে। মো পুনি
ঠেকিয়া গেনু ও নয়ন কান্দে॥ কুন্দে কুন্দা-
ইল দেহ বিদগ্ধ বিধি। বাছিয়া থুইল নাম
শ্যাম গুণণিধি॥ চূড়ায় চন্দ্রক দিয়া কুন্দ
মল্লিকা। চান্দের অধিক মুখ চান্দের চন্দ্রিকা॥
আবেশে অবশ গা চলে বা না চলে। পাষাণ
মিলিয়া যায় ও মধুর বোলে॥ নীলমণি
হেম গায় মুকুতা সিচনি। আই আই
মরিয়া যাই রূপের নিছনি॥ কালা পাট
গলে দোলে কটিতে প্রবাল। তমাল শ্যাম
সূতে নব গুঞ্জা মাল॥ নাসা স্থলে দোলে
কত মূলের মুকুতা। জ্ঞান কহে ভালে
ঝুরে বৃকভানু সুতা॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ মল্লার॥

সই কি আর কথার বাদে।
মা পুনি ঠেকিয়া গেনু ও নয়ন-ফান্দে॥
কুন্দে কুন্দাইল দেহ বিদগ্ধ-বিধি।
বাছিয়া থুইল নাম শ্যাম গুণণিধি॥
চূড়ায় চন্দ্রক দিয়া কুন্দ মল্লিকা।
চান্দের অধিক মুখ চান্দের চন্দ্রিকা॥
আবেশে অবশ গা চলে বা না চলে।
পাষাণ মিলিয়া যায় ও মধুর বোলে॥
নীলমণি হেম গায় মুকুতা সিচনি।
আই আই মরিয়া যাই রূপের নিছনি॥
কালা পাট গলে দোলে কটিতে প্রবাল।
তমাল শ্যাম সূতে নব গুঞ্জা মাল॥
নাসা স্থলে দোলে কত মূলের মুকুতা।
জ্ঞান কহে ভালে ঝুরে বৃকভানুসুতা॥

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৯০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ মল্লার॥

সই কি আর কথার বাদে।
আপুনি ঠেকিয়া গেনু ও নয়ন-ফাঁদে॥
কুন্দে কুন্দাইল দেহ বিদগ্ধ-বিধি।
বাছিয়া থুইল নাম শ্যাম গুণণিধি॥
চূড়ায় চন্দ্রক দিয়া কুন্দ মল্লিকা।
চান্দের অধিক মুখ চান্দের চন্দ্রিকা॥
আবেশে অবশ গা চলে বা না চলে।
পাষাণ মিলিয়া যায় ও মধুর বোলে॥
নীলমণি হেম গায় মুকুতা সিচনি।
আই আই মরিয়া যাই রূপের নিছনি॥
কালা পাট গলে দোলে কটিতে প্রবাল।
তমাল শ্যামসুতে নব গুঞ্জা মাল॥
নাসাস্থলে দোলে কত মূলের মুকুতা।
জ্ঞান কহে ভালে ঝুরে বৃকভানুসুতা॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৭০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ মল্লার॥

সই কি আর কথার বাদে।
মো পুনি ঠেকিয়া গেলুঁ ও নয়ান-ফাঁদে॥

কুন্দে কুন্দাইল দেহ বিদগ্ধ বিধি।
বাছিয়া থুইল নাম শ্যাম গুণ-ণিধি॥

চূড়ায় চন্দ্রক দিয়া কুন্দ মল্লিকা।
চান্দের অধিক মুখ চান্দের চন্দ্রিকা॥

আবেশে অবশ গা চলে বা না চলে।
পাষাণ মিলিয়া যায় ও মধুর বোলে॥

নীলমণি হেম গায় মুকুতা খিচনি।
আই আই মরিয়া যাই রূপের নিছনি॥

কালা পাট গলে দোলে কটিতে প্রবাল।
তমাল-শ্যাম সূতে নব গুঞ্জা-মাল॥

নাসা স্থলে দোলে কত মূলের মুকুতা।
জ্ঞান কহে ভালে ঝুরে বৃকভানু-সুতা॥

ই পদটি আনুমানিক সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে, নরহরি (ঘনশ্যাম) চক্রবর্তী প্রণীত এবং ৪৬২ গৌরাব্দে (১৯৫৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত "শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্ব্বরাগ)" গ্রন্থের, ১৬৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার পূর্ব্বরাগ
॥ মল্লার॥

সই কি আর কথার বাদে।   মো মেন ঠেগিয়া গেলু ও নয়ান ফান্দে॥
কুন্দে কুন্দাইল দেহ বিদগধ বিধি।   বাছিয়া থুইল নাম শ্যাম গুণনিধি॥
চূড়ায় চন্দ্রিকা দিয়া কুঞ্জ মল্লিকা।   চান্দের অধিক মুখচান্দের চন্দ্রিকা॥
আবেশে অবশ গা, চলে বা না চলে।   পাষাণ মিলায়া যায় ও মধুর বোলে॥
নীলমণি হেম গায় মুকুতা খিচনি।   আই আই মৈরা যাই রূপের নিছনি॥
কালা পাট গলে দোলে কটিতে প্রবাল।
   তমাল শ্যামল সূতে নব গুঞ্জামাল॥
নাসাহুলে দোলে কত মূলের মুকুতা।
   জ্ঞান কহে ভালে ঝুর বৃষভানুসুতা॥


*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^