কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
মা গো গেনু খেলাবার তরে
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার উক্তি।
॥ ধানশী॥
মা গো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে, এক গোয়ালিনী,
লৈয়া গেল মোরে ঘরে॥ ধ্রু
গোপ-রাজরাণী, নন্দের গৃহিনী,
যশোদা তাঁহার নাম।
তাঁহার বেটার, রূপের ছটায়,
জুড়ায়ল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে, তাঁর বাম ভিতে,
লৈয়া বসায়ল মোরে।
এক দিঠে রহি, তাঁহার আমার,
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর, মোর অঙ্গ খানি,
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া, দিবাকর ঠাঞি,
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা গা খানি মাজিয়া,
নাস বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে, পাঠাইয়া দেল,
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী, শুনি গোয়ালিনী,
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস, হিয়ায় বরিখে,
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
॥ ধানশী॥
মা গো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে, এক গোয়ালিনী,
লৈয়া গেল মোরে ঘরে॥ ধ্রু
গোপ-রাজরাণী, নন্দের গৃহিনী,
যশোদা তাঁহার নাম।
তাঁহার বেটার, রূপের ছটায়,
জুড়ায়ল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে, তাঁর বাম ভিতে,
লৈয়া বসায়ল মোরে।
এক দিঠে রহি, তাঁহার আমার,
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর, মোর অঙ্গ খানি,
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া, দিবাকর ঠাঞি,
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা গা খানি মাজিয়া,
নাস বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে, পাঠাইয়া দেল,
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী, শুনি গোয়ালিনী,
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস, হিয়ায় বরিখে,
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৮৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার বাল্য লীলা।
(শ্রীরাধিকার উক্তি।)
॥ ধানশী॥
মা গো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে, এক গোয়ালিনী,
লৈয়া গেল মোরে ঘরে॥
গোপ-রাজরাণী, নন্দের গৃহিনী,
যশোদা তাঁহার নাম।
তাঁহার বেটার, রূপের ছটায়,
জুড়ায়ল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে, তাঁর বাম ভিতে,
লৈয়া বসায়ল মোরে।
এক দিঠে রহি, তাঁহার আমার,
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর, মোর অঙ্গ খানি,
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া, দিবাকর ঠাঞি,
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা গা খানি মাজিয়া,
নাস বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে, পাঠাইয়া দেল,
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী, শুনি গোয়ালিনী,
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস, হিয়ায় বরিখে,
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
(শ্রীরাধিকার উক্তি।)
॥ ধানশী॥
মা গো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে, এক গোয়ালিনী,
লৈয়া গেল মোরে ঘরে॥
গোপ-রাজরাণী, নন্দের গৃহিনী,
যশোদা তাঁহার নাম।
তাঁহার বেটার, রূপের ছটায়,
জুড়ায়ল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে, তাঁর বাম ভিতে,
লৈয়া বসায়ল মোরে।
এক দিঠে রহি, তাঁহার আমার,
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর, মোর অঙ্গ খানি,
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া, দিবাকর ঠাঞি,
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা গা খানি মাজিয়া,
নাস বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে, পাঠাইয়া দেল,
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী, শুনি গোয়ালিনী,
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস, হিয়ায় বরিখে,
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৩৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার উক্তি
॥ ধানশী॥
মা গো গেনু খেলাবার তরে। পথে
লাগি পেয়ে, এক গোয়ালিনী, লৈয়া গেল
মোরে ঘরে॥ গোপ-রাজরাণী, নন্দের
গৃহিণী, যশোদা তাঁহার নাম। তাঁহার
বেটার, রূপের ছটায়, জুড়ায়ল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে, তাঁর বাম ভিতে, লৈয়া
বসায়ল মোরে। এক দিঠে রহি, তাঁহার
আমার, রূপ নিরীক্ষণ করে॥ বিজুরী
উজোর, মোর অঙ্গ খানি, সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া, দিবাকর ঠাঞি, কি হেতু
মাগল বর॥ তবে মোর গোর গা খানি
মাজিয়া, নাস বেশ বনাইয়া। হরষিত
মোরে, পাঠাইয়া দেল, এ সব আঁচরে
দিয়া॥ ঝিয়ের কাহিনী, শুনি গোয়ালিনী,
মুচকি মুচকি হাসে। কত সুধারস, হিয়ায়
বরিখে, কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার উক্তি
॥ ধানশী॥
মা গো গেনু খেলাবার তরে। পথে
লাগি পেয়ে, এক গোয়ালিনী, লৈয়া গেল
মোরে ঘরে॥ গোপ-রাজরাণী, নন্দের
গৃহিণী, যশোদা তাঁহার নাম। তাঁহার
বেটার, রূপের ছটায়, জুড়ায়ল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে, তাঁর বাম ভিতে, লৈয়া
বসায়ল মোরে। এক দিঠে রহি, তাঁহার
আমার, রূপ নিরীক্ষণ করে॥ বিজুরী
উজোর, মোর অঙ্গ খানি, সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া, দিবাকর ঠাঞি, কি হেতু
মাগল বর॥ তবে মোর গোর গা খানি
মাজিয়া, নাস বেশ বনাইয়া। হরষিত
মোরে, পাঠাইয়া দেল, এ সব আঁচরে
দিয়া॥ ঝিয়ের কাহিনী, শুনি গোয়ালিনী,
মুচকি মুচকি হাসে। কত সুধারস, হিয়ায়
বরিখে, কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার বাল্য-লীলা।
॥ ধানশী॥ ( উত্তর )
মা গো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে, এক গোয়ালিনী,
লৈয়া গেল মোরে ঘরে॥
গোপ-রাজরাণী, নন্দের গৃহিনী,
যশোদা তাঁহার নাম।
তাঁহার বেটার, রূপের ছটায়,
জুড়ায়ল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকূতে, তাঁর বাম ভিতে,
লৈয়া বসায়ল মোরে।
এক দিঠে রহি, তাঁহার আমার,
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর, মোর অঙ্গখানি,
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া, দিবাকর ঠাঞি,
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা, গা খানি মাজিয়া,
নাস-বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে, পাঠাইয়া দেখ,
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী, শুনি গোয়ালিনী,
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস, হিয়ায় বরিষে,
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
॥ ধানশী॥ ( উত্তর )
মা গো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে, এক গোয়ালিনী,
লৈয়া গেল মোরে ঘরে॥
গোপ-রাজরাণী, নন্দের গৃহিনী,
যশোদা তাঁহার নাম।
তাঁহার বেটার, রূপের ছটায়,
জুড়ায়ল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকূতে, তাঁর বাম ভিতে,
লৈয়া বসায়ল মোরে।
এক দিঠে রহি, তাঁহার আমার,
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর, মোর অঙ্গখানি,
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া, দিবাকর ঠাঞি,
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা, গা খানি মাজিয়া,
নাস-বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে, পাঠাইয়া দেখ,
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী, শুনি গোয়ালিনী,
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস, হিয়ায় বরিষে,
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, শ্রীরাধার বাল্যলীলা, ৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মা গো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে, এক গোয়ালিনী,
লৈয়া গেল মোর ঘরে॥
গোপ-রাজরাণী, নন্দের গৃহিনী,
যশোদা তাঁহার নাম।
তাঁহার বেটার, রূপের ছটায়,
জুড়ায়ল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে, তাঁর বাম ভিতে,
লৈয়া বসায়ল মোরে।
এক দিঠে রহি, তাঁহার আমার,
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর, মোর অঙ্গখানি,
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া, দিবাকর ঠাঞি,
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা, গা খানি মাজিয়া,
লাস-বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে, পাঠাইয়া দেখ,
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী, শুনি গোয়ালিনী,
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস, হিয়ায় বরিষে,
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
পথে লাগি পেয়ে, এক গোয়ালিনী,
লৈয়া গেল মোর ঘরে॥
গোপ-রাজরাণী, নন্দের গৃহিনী,
যশোদা তাঁহার নাম।
তাঁহার বেটার, রূপের ছটায়,
জুড়ায়ল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে, তাঁর বাম ভিতে,
লৈয়া বসায়ল মোরে।
এক দিঠে রহি, তাঁহার আমার,
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর, মোর অঙ্গখানি,
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া, দিবাকর ঠাঞি,
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা, গা খানি মাজিয়া,
লাস-বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে, পাঠাইয়া দেখ,
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী, শুনি গোয়ালিনী,
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস, হিয়ায় বরিষে,
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
টীকা ---
পূর্ব্বের পদের (প্রাণনন্দিনী রাধা বিনোদিনী) জননীর প্রশ্নে রাধা উত্তর দিতেছেন।
পূর্ব্বের পদের (প্রাণনন্দিনী রাধা বিনোদিনী) জননীর প্রশ্নে রাধা উত্তর দিতেছেন।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৩৭৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
জননীর প্রতি শ্রীরাধিকার উক্তি।
॥ ধানশী॥
মা গো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে এক গোয়ালিনী
লয়ে গেল মোরে ঘরে॥
গোপ রাজরাণী নন্দের গৃহিনী
যশোদা তাহার নাম।
তাহার বেটার, রূপের ছটায়
জুড়াইল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে তার বাম ভিতে
লয়ে বসাইল মোরে।
এক দিঠে রহি তাহার আমার
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর মোর অঙ্গখানি
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া দিবাকর ঠাঁই
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা গাখানি মাজিয়া
লাস বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে পাঠাইয়া দেখ
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী শুনি গোয়ালিনী
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস হিয়ায় বরিষে
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
॥ ধানশী॥
মা গো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে এক গোয়ালিনী
লয়ে গেল মোরে ঘরে॥
গোপ রাজরাণী নন্দের গৃহিনী
যশোদা তাহার নাম।
তাহার বেটার, রূপের ছটায়
জুড়াইল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে তার বাম ভিতে
লয়ে বসাইল মোরে।
এক দিঠে রহি তাহার আমার
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর মোর অঙ্গখানি
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া দিবাকর ঠাঁই
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা গাখানি মাজিয়া
লাস বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে পাঠাইয়া দেখ
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী শুনি গোয়ালিনী
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস হিয়ায় বরিষে
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৩৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ধানশী॥
মাগো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লগি পেয়ে এক গোয়ালিনী লয়ে গেল মোরে ঘরে॥
গোপ রাজরাণী নন্দের গৃহিনী যশোদা তাহার নাম।
তাহার বেটার রূপের ছটায় জুড়াইল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে তার বাম ভিতে লয়ে বসাইল মোরে।
এক দিঠে রহি তাহার আমার রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী-উজোর মোর অঙ্গখানি সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া দিবাকর ঠাঁই কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা গাখানি মাজিয়া লাস বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে পাঠাইলা দেখ এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী শুনি গোয়ালিনী মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস হিয়ায় বরিষে কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
মাগো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লগি পেয়ে এক গোয়ালিনী লয়ে গেল মোরে ঘরে॥
গোপ রাজরাণী নন্দের গৃহিনী যশোদা তাহার নাম।
তাহার বেটার রূপের ছটায় জুড়াইল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে তার বাম ভিতে লয়ে বসাইল মোরে।
এক দিঠে রহি তাহার আমার রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী-উজোর মোর অঙ্গখানি সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া দিবাকর ঠাঁই কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা গাখানি মাজিয়া লাস বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে পাঠাইলা দেখ এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী শুনি গোয়ালিনী মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস হিয়ায় বরিষে কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪৬ পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাগো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে এক গোয়ালিনী
লয়ে গেল মোরে ঘরে॥
গোপ রাজরাণী নন্দের গৃহিনী
যশোদা তাহার নাম।
তাহার বেটার রূপের ছটায়
জুড়াইল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে তার বাম ভিতে
লয়ে বসাইল মোরে।
এক দিঠে রহি তাহার আমার
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর মোর অঙ্গখানি
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া দিবাকর ঠাঁই
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা গাখানি মাজিয়া
লাস বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে পাঠাইয়া দেখ
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী শুনি গোয়ালিনী
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস হিয়ায় বরিষে
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
*********************
মাগো গেনু খেলাবার তরে।
পথে লাগি পেয়ে এক গোয়ালিনী
লয়ে গেল মোরে ঘরে॥
গোপ রাজরাণী নন্দের গৃহিনী
যশোদা তাহার নাম।
তাহার বেটার রূপের ছটায়
জুড়াইল মোর প্রাণ॥
কি হেন আকুতে তার বাম ভিতে
লয়ে বসাইল মোরে।
এক দিঠে রহি তাহার আমার
রূপ নিরীক্ষণ করে॥
বিজুরী উজোর মোর অঙ্গখানি
সেহ নব জলধর।
সুমেল দেখিয়া দিবাকর ঠাঁই
কি হেতু মাগল বর॥
তবে মোর গোরা গাখানি মাজিয়া
লাস বেশ বনাইয়া।
হরষিত মোরে পাঠাইয়া দেখ
এ সব আঁচরে দিয়া॥
ঝিয়ের কাহিনী শুনি গোয়ালিনী
মুচকি মুচকি হাসে।
কত সুধারস হিয়ায় বরিষে
কহে কবি জ্ঞানদাসে॥
*********************
