কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা
আইস আইস মোর বিনোদিনী রাধা
আইস আইস বিনোদিনি প্রেমময়ি রাধা
কবি জ্ঞানদাস
আইস আইস মোর বিনোদিনী রাধা
আইস আইস বিনোদিনি প্রেমময়ি রাধা
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিক্ষা।
(কৃষ্ণের উত্তর)
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজ বাধা॥
তুমি মোর সরবস নয়নের তারা।
তোমা বিনে দশ দিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥
তুমি মোর জপ তপ তুমি মোর ধ্যান।
তুমি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুমি হরিনাম॥
তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন করিলাম।
গাইতে তোমার গুণ মুরলী শিখিলাম॥
চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবন সীমা।
যত কিছু লীলা খেলা তোমারি মহিমা॥
জানে সব ব্রজ জন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীত বাসে শ্যাম চরণ ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম কোরে মিলল রসের মুঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
(কৃষ্ণের উত্তর)
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজ বাধা॥
তুমি মোর সরবস নয়নের তারা।
তোমা বিনে দশ দিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥
তুমি মোর জপ তপ তুমি মোর ধ্যান।
তুমি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুমি হরিনাম॥
তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন করিলাম।
গাইতে তোমার গুণ মুরলী শিখিলাম॥
চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবন সীমা।
যত কিছু লীলা খেলা তোমারি মহিমা॥
জানে সব ব্রজ জন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীত বাসে শ্যাম চরণ ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম কোরে মিলল রসের মুঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২০৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিক্ষা।
(কৃষ্ণের উত্তর)
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজ বাধা॥
তুমি মোর সরবস নয়নের তারা।
তোমা বিনে দশ দিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥
তুমি মোর জপ তপ তুমি মোর ধ্যান।
তুমি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুমি হরিনাম॥
তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন করিলাম।
গাইতে তোমার গুণ মুরলী শিখিলাম॥
চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবন সীমা।
যত কিছু লীলা খেলা তোমারি মহিমা॥
জানে সব ব্রজ জন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীতবাসে শ্যাম চরণ ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম কোরে মিলল রসের মুঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিক্ষা
(কৃষ্ণের উত্তর)
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজ বাধা॥ তুমি
মোর সরবস নয়নের তারা। তোমা বিনে
দশ দিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥ তুমি মোর
জপ তপ তুমি মোর ধ্যান। তুমি মোর তন্ত্র
মন্ত্র তুমি হরিনাম॥ তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন
করিলাম। গাইতে তোমার গুণ মুরলী
শিখিলাম॥ চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবন
সীমা। যত কিছু লীলা খেলা তোমার
মহিমা॥ জানে সব ব্রজ জন জানে ব্রজা-
ঙ্গনা। সবে জানে তব মন্ত্রে আমি করি
উপাসনা॥ নিজ পীতবাসে শ্যাম চরণ ধূলি
ঝাড়ে। ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার
আড়ে॥ শ্যাম কোরে মিলল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী-লীলা
(কৃষ্ণের উত্তর)
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজবাধা॥
তুমি মোর সরবস নয়নের তারা।
তোমা বিনে দশ দিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥
তুমি মোর জপ তপ তুমি মোর ধ্যান।
তুমি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুমি হরিনাম॥
তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন করিলাম।
গাইতে তোমার গুণ মুরলী শিখিলাম॥
চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবনসীমা।
যত কিছু লীলা-খেলা তোমারি মহিমা॥
জানে সব ব্রজজন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীতবাসে শ্যাম চরণ-ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম-কোরে মিলল রসের মুঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গাচরণ-মাধুরী॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী লীলা
শ্রীকৃষ্ণের উত্তর
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজবাধা॥
তুমি মোর সরবস নয়নের তারা।
তোমা বিনে দশ দিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥
তুমি মোর জপ তপ তুমি মোর ধ্যান।
তুমি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুমি মোর হরিনাম॥
তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন করিলাম।
গাইতে তোমার গুণ মুরীল @ শিখিলাম॥
চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবনসীমা।
যত কিছু লীলা খেলা তোমার মহিমা॥
জানে সব ব্রজজন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীতবাসে শ্যাম চরণ-ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম-কোরে মিলল রসের মঞ্জুরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গাচরণ-মাধুরী॥
@ মুরীল – এই গ্রন্থে এভাবেই দেওয়া রয়েছে। অন্যত্র মুরলী রয়েছে।
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মুরলী-শিক্ষা, ৭১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
(শ্রীকৃষ্ণের উত্তর)
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনী রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজবাধা॥
তুমি মোর সরবস নয়নের তারা।
তোমা বিনা দশদিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥
তুমি মোর জপ তপ তুমি মোর ধ্যান।
তুমি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুমি হরিনাম॥
তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন করিলাম।
গাইতে তোমার গুণ মুরলী শিখিলাম॥
চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবন-সীমা।
যত কিছু লীলা-খেলা তোমারি মহিমা॥
জানে সব ব্রজজন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীতবাসে শ্যাম চরণ-ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম কোরে মিলল রসের মঞ্জুরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, সখী-সংবাদ, শ্রীকৃষ্ণের নিকুঞ্জে শ্রীরাধার গমন, ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ কামোদ॥
আইস আইস বিনোদিনি প্রেমময়ি রাধা।
তুয়া দরশনে গেও মনসিজ বাধা॥
তুঁহি মোর সরবস নয়নের তারা।
তুয়া বিনে দশ দিগ লাগে আন্ধিয়ারা॥
তুঁহি মোর জপ তপ তুঁহি মোর ধ্যান।
তুঁহি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুঁহি হরিনাম॥
তোঁহার লাগিয়া বৃন্দাবন সিরজিলাম।
গাইতে তোঁহার গুণ মুরলী শিখিলাম॥
আশী চৌরাশী ক্রোশ বৃন্দাবন সীমা।
যত কিছু লীলা খেলা তোঁহারি মহিমা॥
জানে সব ব্রজজন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীত বাসে শ্যাম চরণ-ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম বামে বৈঠল রসের মঞ্জুরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি দ্বিজ হরিদাসের ভণিতায় প্রথম চারটি কলির সঙ্গে অনেকটা মিল নিয়ে রয়েছে, আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ২য় শাখার, ৩য় পল্লব, রূপাভিসার, ২৯৮-পদসংখ্যা, ১৯৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে . . .
॥ পঠমঞ্জরী॥
আইস আইস সুবদনি রসময়ি রাধা।
দরশনে দুরে গেও মনসিজ-বাধা॥
তুহুঁ মোর সরবস নয়নের তারা।
তো বিনে সকল দিগ লাগে আন্ধিয়ারা॥
করে ধরি রাই বৈসায়ল বামে।
পীত-বাসে মোথই রাই-মুখ ঘামে॥
পন্থকি দূখ পুছত বরকান।
আনন্দে মগন দুহুঁ কিছু নাহি জান॥
অপরূপ রাধা-কানু-বিলাস।
দূরহিঁ নেহারত দ্বিজ হরিদাস॥
*********************
মুরলী শিক্ষা।
(কৃষ্ণের উত্তর)
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজ বাধা॥
তুমি মোর সরবস নয়নের তারা।
তোমা বিনে দশ দিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥
তুমি মোর জপ তপ তুমি মোর ধ্যান।
তুমি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুমি হরিনাম॥
তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন করিলাম।
গাইতে তোমার গুণ মুরলী শিখিলাম॥
চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবন সীমা।
যত কিছু লীলা খেলা তোমারি মহিমা॥
জানে সব ব্রজ জন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীতবাসে শ্যাম চরণ ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম কোরে মিলল রসের মুঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী শিক্ষা
(কৃষ্ণের উত্তর)
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজ বাধা॥ তুমি
মোর সরবস নয়নের তারা। তোমা বিনে
দশ দিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥ তুমি মোর
জপ তপ তুমি মোর ধ্যান। তুমি মোর তন্ত্র
মন্ত্র তুমি হরিনাম॥ তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন
করিলাম। গাইতে তোমার গুণ মুরলী
শিখিলাম॥ চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবন
সীমা। যত কিছু লীলা খেলা তোমার
মহিমা॥ জানে সব ব্রজ জন জানে ব্রজা-
ঙ্গনা। সবে জানে তব মন্ত্রে আমি করি
উপাসনা॥ নিজ পীতবাসে শ্যাম চরণ ধূলি
ঝাড়ে। ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার
আড়ে॥ শ্যাম কোরে মিলল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী-লীলা
(কৃষ্ণের উত্তর)
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজবাধা॥
তুমি মোর সরবস নয়নের তারা।
তোমা বিনে দশ দিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥
তুমি মোর জপ তপ তুমি মোর ধ্যান।
তুমি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুমি হরিনাম॥
তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন করিলাম।
গাইতে তোমার গুণ মুরলী শিখিলাম॥
চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবনসীমা।
যত কিছু লীলা-খেলা তোমারি মহিমা॥
জানে সব ব্রজজন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীতবাসে শ্যাম চরণ-ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম-কোরে মিলল রসের মুঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গাচরণ-মাধুরী॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মুরলী লীলা
শ্রীকৃষ্ণের উত্তর
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনি রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজবাধা॥
তুমি মোর সরবস নয়নের তারা।
তোমা বিনে দশ দিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥
তুমি মোর জপ তপ তুমি মোর ধ্যান।
তুমি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুমি মোর হরিনাম॥
তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন করিলাম।
গাইতে তোমার গুণ মুরীল @ শিখিলাম॥
চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবনসীমা।
যত কিছু লীলা খেলা তোমার মহিমা॥
জানে সব ব্রজজন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীতবাসে শ্যাম চরণ-ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম-কোরে মিলল রসের মঞ্জুরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গাচরণ-মাধুরী॥
@ মুরীল – এই গ্রন্থে এভাবেই দেওয়া রয়েছে। অন্যত্র মুরলী রয়েছে।
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মুরলী-শিক্ষা, ৭১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
(শ্রীকৃষ্ণের উত্তর)
॥ কামোদ॥
আইস আইস মোর বিনোদিনী রাধা।
তোমা দরশনে গেল মনসিজবাধা॥
তুমি মোর সরবস নয়নের তারা।
তোমা বিনা দশদিগ হেরি আন্ধিয়ারা॥
তুমি মোর জপ তপ তুমি মোর ধ্যান।
তুমি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুমি হরিনাম॥
তোহার লাগিয়া বৃন্দাবন করিলাম।
গাইতে তোমার গুণ মুরলী শিখিলাম॥
চৌরাশী ক্রোশ এহি বৃন্দাবন-সীমা।
যত কিছু লীলা-খেলা তোমারি মহিমা॥
জানে সব ব্রজজন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীতবাসে শ্যাম চরণ-ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম কোরে মিলল রসের মঞ্জুরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, সখী-সংবাদ, শ্রীকৃষ্ণের নিকুঞ্জে শ্রীরাধার গমন, ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ কামোদ॥
আইস আইস বিনোদিনি প্রেমময়ি রাধা।
তুয়া দরশনে গেও মনসিজ বাধা॥
তুঁহি মোর সরবস নয়নের তারা।
তুয়া বিনে দশ দিগ লাগে আন্ধিয়ারা॥
তুঁহি মোর জপ তপ তুঁহি মোর ধ্যান।
তুঁহি মোর তন্ত্র মন্ত্র তুঁহি হরিনাম॥
তোঁহার লাগিয়া বৃন্দাবন সিরজিলাম।
গাইতে তোঁহার গুণ মুরলী শিখিলাম॥
আশী চৌরাশী ক্রোশ বৃন্দাবন সীমা।
যত কিছু লীলা খেলা তোঁহারি মহিমা॥
জানে সব ব্রজজন জানে ব্রজাঙ্গনা।
সবে জানে তব মন্ত্রে আমি উপাসনা॥
নিজ পীত বাসে শ্যাম চরণ-ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
শ্যাম বামে বৈঠল রসের মঞ্জুরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি দ্বিজ হরিদাসের ভণিতায় প্রথম চারটি কলির সঙ্গে অনেকটা মিল নিয়ে রয়েছে, আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ২য় শাখার, ৩য় পল্লব, রূপাভিসার, ২৯৮-পদসংখ্যা, ১৯৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে . . .
॥ পঠমঞ্জরী॥
আইস আইস সুবদনি রসময়ি রাধা।
দরশনে দুরে গেও মনসিজ-বাধা॥
তুহুঁ মোর সরবস নয়নের তারা।
তো বিনে সকল দিগ লাগে আন্ধিয়ারা॥
করে ধরি রাই বৈসায়ল বামে।
পীত-বাসে মোথই রাই-মুখ ঘামে॥
পন্থকি দূখ পুছত বরকান।
আনন্দে মগন দুহুঁ কিছু নাহি জান॥
অপরূপ রাধা-কানু-বিলাস।
দূরহিঁ নেহারত দ্বিজ হরিদাস॥
*********************
