কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
বন্ধুয়া আসিয়া হাসিয়া হাসিয়া
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীশ্রীপদকল্পতরুতে এই পদটিই অনন্তদাসের ভণিতায় রয়েছে যা আমরা নীচে তুলে দিয়েছি।

মাথুর
॥ ধানশী॥

বন্ধুয়া আসিয়া,     হাসিয়া হাসিয়া,
মিলব আমার পাশে।
তুরিতে দেখিয়া,     চকিত উঠিয়া,
বদন ঝাঁপিব বাসে॥
তা দেখি নাগর,     রসের সাগর,
আঁচরে ধরিবে মোর।
করে কর ধরি,     গদ গদ করি,
কহিবে বচন থোর॥
তবহি মিলন,     দেখিয়া বদন,
হইয়া নাগর ভোরে।
আঁখি ছলছলে,     গর গর বোলে,
কত না সাধিবে মোরে॥
সময় জানিয়া,     থির মানিয়া,
পূরাব মনের আশ।
এ সকল বাণী,     ফলিবে এখনি,
কহে কবি জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৫৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মাথুর।
॥ ধানশী॥

বন্ধুয়া আসিয়া,     হাসিয়া হাসিয়া,
মিলব আমার পাশে।
তুরিতে দেখিয়া,     চকিত উঠিয়া,
বদন ঝাঁপিব বাসে॥
তা দেখি নাগর,     রসের সাগর,
আঁচরে ধরিবে মোর।
করে কর ধরি,     গদ গদ করি,
কহিবে বচন থোর॥
তবহি মিলন,     দেখিয়া বদন,
হইয়া নাগর ভোরে।
আঁখি ছলছলে,     গর গর বোলে,
কত না সাধিবে মোরে॥
সময় জানিয়া,     থির মানিয়া,
পুরাব মনের আশ।
এ সকল বাণী,     ফলিবে এখনি,
কহে কবি জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৮২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মাথুর।
॥ ধানশী॥

বন্ধুয়া আসিয়া, হাসিয়া হাসিয়া, মিলব
আমার পাশে। তুরিতে দেখিয়া, চকিত
উঠিয়া, বদন ঝাঁপিব বাসে॥ তা দেখি
নাগর, রসের সাগর, আঁচরে ধরিবে মোর।
করে কর ধরি, গদ গদ করি, কহিবে বচন
থোর॥ তবহি মিলন, দেখিয়া বদন, হইয়া
নাগর ভোরে। আঁখি ছলে ছলে, গর গর
বোলে, কত না সাধিবে মোরে॥ সময়
জানিয়া, থির মানিয়া, পূরাব মনের আশ।
এ সকল বাণী, ফলিবে এখনি, কহে কবি
জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

বন্ধুয়া আসিয়া,     হাসিয়া হাসিয়া,
মিলব আমার পাশে।
তুরিতে দেখিয়া,     চকিত উঠিয়া,
বদন ঝাঁপিব বাসে॥
তা দেখি নাগর,     রসের সাগর,
আচরে ধরিবে মোর।
করে কর ধরি,     গদ গদ করি,
কহিবে বচন থোর॥
তবহি মিলন,     দেখিয়া বদন,
হইয়া নাগর ভোরে।
আঁখি ছলছলে,     গর গর বোলে,
কত না সাধিবে মোরে॥
সময় জানিয়া,     থির মানিয়া,
পূরাব মনের আশ।
এ সকল বাণী,     ফলিবে এখনি,
কহে কবি জ্ঞানদাস॥

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

কলহান্তরিতা।
॥ ধানশী॥

বন্ধুয়া আসিয়া     হাসিয়া হাসিয়া
মিলব আমার পাশে।
তুরিতে দেখিয়া     চকিত উঠিয়া
বদন ঝাঁপিব হাসে॥
তা দেখি নাগর     রসের সাগর
আচরে ধরিবে মোর।
করে কর ধরি     গদ গদ করি
কহিবে বচন থোর॥
তবহি মিলন     দেখিয়া বদন
হইয়া নাগর ভোরে।
আঁখি ছলছলে     গর গর বোলে
কত না সাধিব মোরে॥
সময় জানিয়া     থির মানিয়া
পূরাব মনের আশ।
এ সকল বাণী     ফলিবে এখনি
কহে কবি জ্ঞানদাস॥

ই পদটি অনন্তদাস ভণিতায় আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের ( ১৯২৩ সাল ) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ১২শ পল্লব, ভাবোল্লাস, ১৯৮০ পদসংখ্যা, ১৭৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

বন্ধুয়া আসিয়া     হাসিয়া হাসিয়া
মিলব আমার পাশে।
তুরিতে দেখিয়া     চকিতে উঠিয়া
বদন ঝাঁপিব বাসে॥
তা দেখি নাগর     রসের সাগর
আঁচরে ধরিবে মোর।
করে কর ধরি     গদগদ করি
কহিবে বচন থোর॥
তবহি মিলন     দেখিয়া বদন
হইয়া নাগর ভোরে।
আঁখি ছল ছলে     গরগর বোলে
কত না সাধিবে মোরে॥
সময় জানিয়া     থীর মানিয়া
পূরাব মনের আশ।
এ সকল বাণী     ফলিবে এখনি
কহয়ে অনন্তদাস॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^