কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
কনয় কিশোর বয়স অতি রসময়
কনয়া কিশোর বয়স রসময়
কবি জ্ঞানদাস
কনয়া কিশোর বয়স রসময়
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ২৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীগৌরচন্দ্র
॥ সিন্ধুড়া॥
কনয় কিশোর, বয়স অতি রসময়,
কিয়ে নব কুসুম ধনু।
লাবণ্য সার কিয়ে, সুধা নিরমিত,
গৌর সুললিত তনু॥
সাধ করি হেন গোরাগুণ শুনি।
শ্রাবণ পরশে, সরস রস তনু,
অন্তরে জুড়ায় পরাণী॥ ধ্রু।
কনক নীপ ফুল, পুলক সমতুল,
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেমভরে, অন্তর গর গর,
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণ নয়নে, করুণ নিরমিত,
সঘনে বলে হরি বোল।
জ্ঞানদাস কহে, পহুঁর পদভরে,
অবনী আনন্দে হিলোল॥
॥ সিন্ধুড়া॥
কনয় কিশোর, বয়স অতি রসময়,
কিয়ে নব কুসুম ধনু।
লাবণ্য সার কিয়ে, সুধা নিরমিত,
গৌর সুললিত তনু॥
সাধ করি হেন গোরাগুণ শুনি।
শ্রাবণ পরশে, সরস রস তনু,
অন্তরে জুড়ায় পরাণী॥ ধ্রু।
কনক নীপ ফুল, পুলক সমতুল,
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেমভরে, অন্তর গর গর,
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণ নয়নে, করুণ নিরমিত,
সঘনে বলে হরি বোল।
জ্ঞানদাস কহে, পহুঁর পদভরে,
অবনী আনন্দে হিলোল॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীগৌরচন্দ্র
॥ সিন্ধুড়া॥
কনয় কিশোর, বয়স অতি রসময়,
কিয়ে নব কুসুম ধনু।
লাবণ্য সার কিয়ে, সুধা নিরমিত,
গৌর সুললিত তনু॥
সাধ করি হেন গোরাগুণ শুনি।
শ্রাবণ পরশে, সরস রস তনু,
অন্তরে জুড়ায় পরাণী॥ ধ্রু
কনক নীপ ফুল, পুলক সমতুল,
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেমভরে, অন্তর গর গর,
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণ নয়নে, করুণ নিরমিত,
সঘনে বলে হরি বোল।
জ্ঞানদাস কহে, পহুঁর পদভরে,
অবনী আনন্দে হিলোল॥
॥ সিন্ধুড়া॥
কনয় কিশোর, বয়স অতি রসময়,
কিয়ে নব কুসুম ধনু।
লাবণ্য সার কিয়ে, সুধা নিরমিত,
গৌর সুললিত তনু॥
সাধ করি হেন গোরাগুণ শুনি।
শ্রাবণ পরশে, সরস রস তনু,
অন্তরে জুড়ায় পরাণী॥ ধ্রু
কনক নীপ ফুল, পুলক সমতুল,
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেমভরে, অন্তর গর গর,
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণ নয়নে, করুণ নিরমিত,
সঘনে বলে হরি বোল।
জ্ঞানদাস কহে, পহুঁর পদভরে,
অবনী আনন্দে হিলোল॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ সিন্ধুড়া॥
কনয় কিশোর, বয়স অতি রসময়,
কিয়ে নব কুসুম ধনু।
লাবণ্য সার কিয়ে, সুধা নিরমিত,
গৌর সুললিত তনু॥
সাধ করি হেন গোরাগুণ শুনি।
শ্রাবণ পরশে, সরস রস তনু,
অন্তরে জুড়ায় পরাণী॥
কনক নীপ ফুল, পুলক সমতুল,
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেমভরে, অন্তর গর গর,
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণ নয়নে, করুণ নিরমিত,
সঘনে বলে হরি বোল।
জ্ঞানদাস কহে, পহুঁর পদভরে,
অবনী আনন্দে হিলোল॥
॥ সিন্ধুড়া॥
কনয় কিশোর, বয়স অতি রসময়,
কিয়ে নব কুসুম ধনু।
লাবণ্য সার কিয়ে, সুধা নিরমিত,
গৌর সুললিত তনু॥
সাধ করি হেন গোরাগুণ শুনি।
শ্রাবণ পরশে, সরস রস তনু,
অন্তরে জুড়ায় পরাণী॥
কনক নীপ ফুল, পুলক সমতুল,
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেমভরে, অন্তর গর গর,
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণ নয়নে, করুণ নিরমিত,
সঘনে বলে হরি বোল।
জ্ঞানদাস কহে, পহুঁর পদভরে,
অবনী আনন্দে হিলোল॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৩৭১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীগৌরচন্দ্র
॥ সিন্ধুড়া॥
কনয়া কিশোর- বয়স, রসময়
কি নব কুসুমধনু।
লাবণ্যসার কি সুধাএ নিরমিত
গৌর সুবলিত তনু ॥
(পঁহুগুণ) সাধ করি হেন শুনি।
শ্রাবণপরশে সরস সব তনু
অন্তরে জুড়ায় পরাণী॥ ধ্রু॥
কনক নীপ ফুল পুলক সমতুল
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেম ভরে অন্তর গর গর
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণ নয়নে করুণা নিরমিত
সঘনে হরি হরি বোল।
জ্ঞানদাস বলে পঁহুর পদভরে,
আনন্দে অবনী হিলোল॥
॥ সিন্ধুড়া॥
কনয়া কিশোর- বয়স, রসময়
কি নব কুসুমধনু।
লাবণ্যসার কি সুধাএ নিরমিত
গৌর সুবলিত তনু ॥
(পঁহুগুণ) সাধ করি হেন শুনি।
শ্রাবণপরশে সরস সব তনু
অন্তরে জুড়ায় পরাণী॥ ধ্রু॥
কনক নীপ ফুল পুলক সমতুল
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেম ভরে অন্তর গর গর
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণ নয়নে করুণা নিরমিত
সঘনে হরি হরি বোল।
জ্ঞানদাস বলে পঁহুর পদভরে,
আনন্দে অবনী হিলোল॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীগৌরচন্দ্র
॥ সিন্ধুড়া॥
কনয়া কিশোর- বয়স, রসময়
কি নব কুসুম-ধনু।
লাবণ্য-সার কি সুধাএ নিরমিত
গৌর সুবলিত তনু॥
(পহু গুণ) সাধ করি হেন শুনি।
শ্রবণ-পরশে সরস সব তনু
অন্তরে জুড়ায়ে পরাণী॥ ধ্রু॥
কনক নীপ ফুল পুলক সমতুল
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেম ভরে অন্তর গর গর
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণা নয়নে করুণা নিরমিত
সঘনে হরি হরি বোল।
জ্ঞানদাস বলে পহুঁর পদ-ভরে
আনন্দে অবনী হিলোল॥
॥ সিন্ধুড়া॥
কনয়া কিশোর- বয়স, রসময়
কি নব কুসুম-ধনু।
লাবণ্য-সার কি সুধাএ নিরমিত
গৌর সুবলিত তনু॥
(পহু গুণ) সাধ করি হেন শুনি।
শ্রবণ-পরশে সরস সব তনু
অন্তরে জুড়ায়ে পরাণী॥ ধ্রু॥
কনক নীপ ফুল পুলক সমতুল
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেম ভরে অন্তর গর গর
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণা নয়নে করুণা নিরমিত
সঘনে হরি হরি বোল।
জ্ঞানদাস বলে পহুঁর পদ-ভরে
আনন্দে অবনী হিলোল॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বিদ্যাপতির অনুসরণে জ্ঞানদাস, ৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কনয়া কিশোর- বয়স, রসময়
কি নব কুসুম-ধনু।
লাবণ্য-সার কি সুধাএ নিরমিত
গৌর সুবলিত তনু॥
(পহু গুণ) সাধ করি হেন শুনি।
শ্রবণ-পরশে সরস সব তনু
অন্তরে জুড়ায়ে পরাণী॥ ধ্রু॥
কনক নীপ ফুল পুলক সমতুল
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেম ভরে অন্তর গর গর
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণা নয়নে করুণা নিরমিত
সঘনে হরি হরি বোল।
জ্ঞানদাস বলে পহুঁর পদ-ভরে
আনন্দে অবনী হিলোল॥
কি নব কুসুম-ধনু।
লাবণ্য-সার কি সুধাএ নিরমিত
গৌর সুবলিত তনু॥
(পহু গুণ) সাধ করি হেন শুনি।
শ্রবণ-পরশে সরস সব তনু
অন্তরে জুড়ায়ে পরাণী॥ ধ্রু॥
কনক নীপ ফুল পুলক সমতুল
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেম ভরে অন্তর গর গর
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণা নয়নে করুণা নিরমিত
সঘনে হরি হরি বোল।
জ্ঞানদাস বলে পহুঁর পদ-ভরে
আনন্দে অবনী হিলোল॥
টীকা ---
গৌরাঙ্গ যেন সোনার কিশোর, তাঁহার বয়স এমন যে রসে তিনি পরিপূর্ণ ; তিনি কি নবীন কন্দর্প? তাঁহার সুগঠিত (সুবলিত) গৌরদেহখানি কি লাবণ্যের নির্য্যাস দিয়া অথবা অমৃত দিয়া নির্মিত? আমার ইচ্ছা হয় যে প্রভুর গুণ শুনি। তাঁহার গুণের কথা কানে গেলেই সমস্তদেহ সরস হয় এবং প্রাণ জুড়ায়। তাঁহার দেহের রোমাঞ্চ দেখিয়া মনে হয় যেন সোনার কদমফুল ফুটিয়াছে। তাঁহার মুখে বিন্দু বিনু ঘর্ম্ম। তিনি প্রেমবশে বিভোর, তাঁহার অন্তর উচ্ছ্বসিত মরমের সুখে উজ্জ্বল। তাঁহার অরুণ নয়নে যেন করুণা তৈয়ারী হইতেছে (জীবের প্রতি করুণা বশতঃ নয়ন ছল ছল করে)। তিনি বারংবার হরিবোল বলেন। জ্ঞানদাস বলেন যে প্রভুর নৃত্যকালে পদভরে পৃথিবীতে যেন আনন্দের তরঙ্গ উঠে।
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬০৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কনয়া কিশোর বয়স রসময়
কি নব কুসুমধনু।
লাবণ্য সার কি সুধাএ নিরমিত
গৌর সুবলিত তনু॥
সাধ করি হেন শুনি।
শ্রবণপরশে সরস সব তনু
অন্তরে জুড়ায়ে পরাণী॥
কনক নীপ ফুল পুলক সমতুল
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেম ভরে অন্তর গর গর
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণ নয়নে করুণা নিরমিত
সঘনে হরি হরি বোল।
জ্ঞানদাস বলে পহুঁর পদভরে
আনন্দে অবনী হিলোল॥
*********************
গৌরাঙ্গ যেন সোনার কিশোর, তাঁহার বয়স এমন যে রসে তিনি পরিপূর্ণ ; তিনি কি নবীন কন্দর্প? তাঁহার সুগঠিত (সুবলিত) গৌরদেহখানি কি লাবণ্যের নির্য্যাস দিয়া অথবা অমৃত দিয়া নির্মিত? আমার ইচ্ছা হয় যে প্রভুর গুণ শুনি। তাঁহার গুণের কথা কানে গেলেই সমস্তদেহ সরস হয় এবং প্রাণ জুড়ায়। তাঁহার দেহের রোমাঞ্চ দেখিয়া মনে হয় যেন সোনার কদমফুল ফুটিয়াছে। তাঁহার মুখে বিন্দু বিনু ঘর্ম্ম। তিনি প্রেমবশে বিভোর, তাঁহার অন্তর উচ্ছ্বসিত মরমের সুখে উজ্জ্বল। তাঁহার অরুণ নয়নে যেন করুণা তৈয়ারী হইতেছে (জীবের প্রতি করুণা বশতঃ নয়ন ছল ছল করে)। তিনি বারংবার হরিবোল বলেন। জ্ঞানদাস বলেন যে প্রভুর নৃত্যকালে পদভরে পৃথিবীতে যেন আনন্দের তরঙ্গ উঠে।
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬০৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কনয়া কিশোর বয়স রসময়
কি নব কুসুমধনু।
লাবণ্য সার কি সুধাএ নিরমিত
গৌর সুবলিত তনু॥
সাধ করি হেন শুনি।
শ্রবণপরশে সরস সব তনু
অন্তরে জুড়ায়ে পরাণী॥
কনক নীপ ফুল পুলক সমতুল
স্বেদ বিন্দু বিন্দু মুখে।
বিভোর প্রেম ভরে অন্তর গর গর
উজোর মরমের সুখে॥
অরুণ নয়নে করুণা নিরমিত
সঘনে হরি হরি বোল।
জ্ঞানদাস বলে পহুঁর পদভরে
আনন্দে অবনী হিলোল॥
*********************
